
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এখন পর্যন্ত সবচেয়ে তীব্র ও শক্তিশালী সামরিক অভিযান শুরু করেছে। সংঘাতের শুরু থেকেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চললেও সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরালো হয়ে উঠেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তারা তেলআবিবের দক্ষিণে অবস্থিত হায়েলা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলাকে চলমান সামরিক অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ইসরাইলের বির ইয়াকুব, পশ্চিম জেরুজালেম এবং হাইফার
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটি এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর তেহরানের হামলার গতি আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, ইসরাইলে চালানো ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রায় অর্ধেকেই গুচ্ছবোমা বা ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে, যা হামলার বিধ্বংসী ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
/টিএ