
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দফায় দফায় ড্রোন হামলায় জ্বলছে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন
মহাকাশেচক্কর কাটছে পরাশক্তি আমেরিকার সবচেয়ে অত্যাধুনিক স্পাই স্যাটেলাইট। আরসীমান্তে পাহারা দিচ্ছে কোটি কোটি ডলারেরমার্কিন প্যাট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। কিন্তু এই পুরো অদৃশ্যলোহার দেয়ালকে এক নিমিষে বুড়োআঙুল দেখিয়ে আকাশে উড়ল একঝাঁক ভুতুড়েছায়া! কোনো রাডারে সিগন্যালনেই, কোনো সামরিক ঘাঁটিতেবিপৎসংকেত বাজল না। আধুনিকবিজ্ঞান আর বিলিয়ন ডলারেরসামরিক বাজেটের নাকের ডগা দিয়ে তৈরিহলো এক বিশাল ব্লাইন্ডস্পট।
ফলাফল? মাত্র কয়েক মিনিটের অপারেশন। আর তাতেই স্তব্ধ হয়ে গেল পুরো একটি দেশের লাইফলাইন। রিয়াদআর মদিনা অঞ্চলের পাম্পিং স্টেশনগুলোতে ঘটে যায় একেরপর এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ।স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যায় শুধুকালো ধোঁয়া আর ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন। পরাশক্তিদের স্যাটেলাইট ক্যামেরা যখন ঘুমিয়ে ছিল, ততক্ষণে পৃথিবীর অর্থনীতির
সতর্কতাহিসেবে সৌদি আরামকো সঙ্গেসঙ্গে বন্ধ করে দেয়এই পাইপলাইনের কার্যক্রম। এটি কোনো সাধারণপাইপলাইন ছিল না; বিশ্বেরমোট তেল সরবরাহের প্রায়৫ শতাংশ বা দৈনিক ৫০লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালিকেবাইপাস করে এই পথেইআসত। ফলাফল যা হওয়ার তাইহলো। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেআন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে১৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল১০০ ডলার পার হয়েগেল!
হামলার পরপরই শুরু হয় তীব্র ভূরাজনৈতিক নাটক। ট্রাম্প সরাসরি ইরানকে দায়ী করে তেলের বাজার সামলাতে আমেরিকার জরুরি রিজার্ভ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন। ওদিকে ইরাক সরকার তাদের এক সামরিক কমান্ডারকে বরখাস্ত করে ইরান সীমান্ত থেকে জব্দ করে ড্রোনের গোপন লঞ্চিং প্যাডটি!
ইয়েমেনেইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীরা যখন পুরো লোহিতসাগরের উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সৌদি আরবকেচারপাশ থেকে ঘিরে ফেলছে, তখন ওমানে বসছে আপোষের জরুরিবৈঠক । সৌদি আরবআপাতত ইরাকের অনুরোধে সামরিক প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত থাকলেওথমথমে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ।কিন্তু এই ঘটনার পরসামরিক বিশ্লেষকদের মনে সবচেয়ে বড়যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো—আজকেরএই হাই-টেক এআইআর স্যাটেলাইটের যুগে, কোটি কোটি ডলারেরডিফেন্স সিস্টেমের কার্যকারিতা আসলে কতটুকু? যখনপুরো পৃথিবীর অর্থনীতিকে জিম্মি করতে গুটিকয়েক সস্তাড্রোনই যথেষ্ট!