
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গরমকাল মানেই আমের মৌসুম। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি কিংবা ফজলির মতো সুস্বাদু আম বাজারে আসতেই ফলপ্রেমীদের আগ্রহ বেড়ে যায়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই মিষ্টি এই ফল খাওয়ার বিষয়ে দ্বিধায় থাকেন। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকে আম খাওয়া পুরোপুরি এড়িয়ে চলেন।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলেই আম খাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আশিস মিত্র জানিয়েছেন, আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি মাত্রার হওয়ায় পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক নিয়ম মেনে খেলে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ হতে পারে। তবে একবারে বেশি পরিমাণ আম খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একবারে একটি পুরো আম না খেয়ে তার এক-তৃতীয়াংশ খাওয়াই ভালো। দৈনিক ৫০
চিকিৎসকরা আরও জানান, ডায়াবেটিস রোগীদের রাতে আম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। সন্ধ্যার পর শরীরে ইনসুলিন ও জিএলপি-১ হরমোনের কার্যকারিতা কিছুটা কমে যাওয়ায় রাতে আম খেলে সুগার বেড়ে যেতে পারে। তাই সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে অথবা দুপুরের খাবারের কিছুক্ষণ পরে আম খাওয়াই সবচেয়ে উপযোগী।
এ ছাড়া নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি আম খেয়ে ফেললে অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আমসহ বিভিন্ন ফল দিয়ে সালাদ তৈরি করে টক দইয়ের সঙ্গে খেলে গ্লুকোজ শোষণের গতি কমে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়; বরং পরিমাণ, সময় ও খাদ্যাভ্যাসের নিয়ম মেনে খেলে এই মৌসুমি ফলের স্বাদ নিরাপদভাবেই উপভোগ করা সম্ভব। (সূত্র: আনন্দবাজার)
/টিএ