
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইউরোপীয় ফুটবল অঙ্গনে সমালোচনা ও একের পর এক বিতর্ক চললেও, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি হিসেবে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদ নিশ্চিত হওয়ার পথে। আসন্ন নির্বাচনে তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় পুনর্নির্বাচন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফিফার ২১১ সদস্য দেশের মধ্যে ২০০টিরও বেশি জাতীয় ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে ইনফান্তিনোর পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থনপত্র জমা দিয়েছে। ফলে আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে তিনি বিপুল ব্যবধানে জয় পেতে যাচ্ছেন।
এখনও কয়েকটি দেশ সমর্থনপত্র না দিলেও সেগুলোর বেশিরভাগই ইউরোপের। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত দেশ জার্মানি। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) বিশ্বকাপ
সম্প্রতি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফিফার ওপর লবিংয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এ ঘটনায় ফিফার ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হলেও এর প্রভাব মূলত ইউরোপীয় ফুটবল মহলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ফিফার বর্তমান ক্ষমতার কাঠামোতে ইউরোপের পূর্ণ সমর্থন ছাড়াই বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার মতো অবস্থানে রয়েছেন ইনফান্তিনো।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে সভাপতি পদের জন্য প্রার্থিতা জমা দিতে হবে। এর আগে যেকোনো সদস্য দেশ চাইলে তাদের সমর্থনপত্র প্রত্যাহার বা অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে স্থানান্তর করতে পারবে। তবে এখন পর্যন্ত ইনফান্তিনোই একমাত্র আনুষ্ঠানিক প্রার্থী।
এদিকে, কয়েকটি জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের অভিযোগ, ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন নিশ্চিত করতে ফিফার ভেতর থেকেই রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, যা সংস্থাটির নৈতিকতা বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
শনিবার নিউইয়র্কে ফিফার সদস্য দেশগুলোর একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ইনফান্তিনো নিজেই। ফলে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও অভিযোগগুলো আলোচ্যসূচিতে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরিবর্তে বিশ্বকাপের আর্থিক পারফরম্যান্স, সদস্য ফেডারেশনগুলোর জন্য ভবিষ্যৎ তহবিল বরাদ্দ এবং অন্যান্য আর্থিক বিষয়ই সভার মূল আলোচ্য হিসেবে গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/টি