
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার শেষ ষোলোর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে তুমুল বিতর্কের পর অবশেষে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা। মিশরের বাতিল গোল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহামেদ সালাহকে ঘিরে ওঠা পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন তিনি। কলিনা বলেন, ফুটবলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা স্বাভাবিক হলেও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনো সুযোগ নেই।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষদিকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মিশর অভিযোগ করে, মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল এবং এনজোর জয়সূচক
জিকোর বাতিল গোলের বিষয়ে কলিনা জানান, কোনো গোল হওয়ার পর ভিএআর গোলের আগে আক্রমণ গঠনের ধাপও পর্যালোচনা করতে পারে। সেই পর্যায়ে আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল ধরা পড়লে এবং সেটি গোলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হলে ভিএআর রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দিতে পারে। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই আক্রমণের সময় মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ের ওপর পা দেন, যা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় গোলটি বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে মোহামেদ সালাহর পেনাল্টি দাবির বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। কলিনার ভাষ্য, কোনো খেলোয়াড় আগে বল স্পর্শ করার পর স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংস্পর্শ হলে সেটিকে ফাউল বলা যায় না। রেফারি ও ভিএআর মনে করেছেন, হুলিয়ান আলভারেজ প্রথমে বল খেলেছিলেন এবং এরপর সালাহর সঙ্গে যে সংস্পর্শ হয়েছে তা স্বাভাবিক ছিল। তাই পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং খেলা চলতে থাকে। পরবর্তী আক্রমণ থেকেই এনজো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করেন।
কলিনা আরও বলেন, কিছু সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বিচার-বিবেচনার সুযোগ থাকলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভিএআরের নীতিমালা যথাযথভাবে প্রয়োগ হয়েছে বলে ফিফা সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ রেফারি ও তাদের পরিবারের জন্য হুমকির পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফিফার অবস্থান স্পষ্ট—জিকোর গোল বাতিলে ভিএআরের হস্তক্ষেপ সঠিক ছিল, সালাহর ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়ার মতো ফাউল হয়নি এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল বৈধভাবেই বহাল রয়েছে।