
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে একের পর এক পাঁচবার ডাকা হলো বৈভব সূর্যবংশীকে। সঞ্চালকের ঘোষণায় প্রতিবারই মঞ্চে উঠে একটি করে পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। যদিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে, তবু পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আলো সবচেয়ে বেশি কেড়েছেন ১৫ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। তার এই কীর্তি আইপিএলের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে।
আইপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যক্তিগত পুরস্কার জয়ের নজির এর আগে কোনো ক্রিকেটারের ছিল না। সূর্যবংশী শুধু টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারই হননি, একই সঙ্গে জিতেছেন উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কারও। এছাড়া সর্বাধিক রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ, সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন এবং সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজনের পুরস্কারও নিজের
তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের ঝুলি ভরলেও দলগত অর্জনের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা থেকেই গেছে সূর্যবংশীর। তার দল রাজস্থান রয়্যালস শিরোপা জিততে পারেনি, এমনকি ফাইনালেও উঠতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় রাজস্থানকে। ফলে সূর্যবংশীর অসাধারণ পারফরম্যান্স দলকে চ্যাম্পিয়ন করার জন্য যথেষ্ট হয়নি।
পুরো টুর্নামেন্টে ১৬ ম্যাচে ৭৭৬ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হন সূর্যবংশী। ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি ৬৩টি চার ও সর্বোচ্চ ৭২টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় তরুণ এই ব্যাটার বলেন, “ভালো লাগছে, তবে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কারণে কিছুটা চাপও অনুভব করছি। আমার জন্য এটি গর্বের মুহূর্ত। আগামী মৌসুমেও ভালো করার চেষ্টা করব।”
/টিএ