
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
নকআউট পর্বে আবারও স্পেনের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন মিকেল মেরিনো। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই জয়সূচক গোল করে বেলজিয়ামের প্রতিরোধ ভেঙে দেন এই মিডফিল্ডার। তার শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্পেনের অন্য গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ, আর বেলজিয়ামের হয়ে সমতা ফেরান শার্ল দে কেতেলারে। শেষ চারে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুললেও গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩০
বিরতির পর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় ম্যাচ সমতায় থাকে। ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া, অন্যদিকে ডি ব্রুইনা ও জেরেমি দকুর সমন্বয়ে বেলজিয়ামও পাল্টা আক্রমণ চালায়। তবে ৭১ মিনিটে ঊরুর চোটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বেলজিয়াম অধিনায়ক কোর্তোয়া। তার বদলি হিসেবে নামেন সেন্নে ল্যামেন্স। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা যখন প্রবল, তখন ৮৭ মিনিটে মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামান স্পেন কোচ। এক মিনিট পরই পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট ল্যামেন্স ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ফিরতি বলে জালে বল জড়িয়ে দেন মেরিনো।
শেষ সাত মিনিটের যোগ করা সময়ে রোমেলু লুকাকুকে সামনে রেখে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় বেলজিয়াম। তবে স্পেনের রক্ষণ তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এর আগে শেষ ষোলোয় পর্তুগালের বিপক্ষেও যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করেছিলেন মেরিনো। ফলে টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচসেরা ভূমিকা রেখে স্পেনকে সেমিফাইনালে তুললেন তিনি। ২০১০ সালের শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ চারে উঠল স্পেন। এখন সেমিফাইনালে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে মরক্কোকে হারিয়ে ওঠা ফ্রান্স।