logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/রাজনীতি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে কড়াইলে ৩ হাজার মশারি বিতরণ করল জামায়াত - image

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কড়াইলে ৩ হাজার মশারি বিতরণ করল জামায়াত

10 অক্টোবর 2026, বিকাল 10:32

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানীর বনানীর কড়াইল এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে ৩ হাজার মশারি বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৮টায় বনানী মডেল হাই স্কুল মাঠে জামায়াতের গুলশান পশ্চিম থানার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের সৌজন্যে এ মশারি বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মশারি বিতরণ করেন নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ নানা ধরনের শোষণ, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। যাদের হাতে ক্ষমতা রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আইন তাদের পক্ষেই কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জনগণের সমস্যা বোঝেন এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করেন—এমন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনার আহ্বান জানান তিনি।দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ হাসপাতালে গিয়ে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সেবা পান না। উন্নত দেশগুলোর চিকিৎসাব্যবস্থার উদাহরণ টেনে তিনি এ খাতে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। আগামী দিনে জনগণ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের সমর্থন করবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সেলিম উদ্দিন বলেন, আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা এডিস মশার প্রজননস্থল হতে পারে। তাই বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। দলটি সিটি করপোরেশন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সমাজের বৈষম্য, মানুষের কষ্ট এবং অধিকারহীনতা দূর করার চেষ্টা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বানও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ও গুলশান জোনের সহকারী পরিচালক হেদায়েত উল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা কাইয়ুম, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, শাহজাহান সরকার, মাওলানা আবদুল মান্নান, ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান ও হাফেজ গোলাম আজম শাহীনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।গুলশান পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির মাওলানা মাহমুদুর রহমান আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন থানা সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।আয়োজকেরা জানান, একই ধারাবাহিকতায় বনানী ও ভাষানটেক থানা এলাকাতেও মশারি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য: এলজিআরডি মন্ত্রী

রাজনীতি শুধু ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনের অফিসকক্ষে ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় খান ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হতে পারা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। প্রায় ৩৫ বছর ধরে তিনি একই আদর্শে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে বা আপ্যায়নের মাধ্যমে ভোট চাওয়ার পরিবর্তে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনকেই তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধির যেমন জনগণের কাছে জবাবদিহি রয়েছে, তেমনি সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনের দায়িত্বও জনগণের।তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ী হতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা পরিবর্তন করতে হবে। জনগণের সেবা করার আদর্শ ছাড়া রাজনীতি সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে না।স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে জাতীয় পর্যায়েও গণতন্ত্র কার্যকর করা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং পাঁচটি স্তরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন তাঁর সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের পক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, এতে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় বিভাজন ও পারস্পরিক বিদ্বেষ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবাইকে দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে।সমাজ গঠনে এনজিওগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এনজিওগুলোর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও এনজিওগুলোর লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে হবে।দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার বলেন, এনজিও পরিচালনায় দাতাদের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না হয়ে নিজস্ব সক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন। অর্থায়ন কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সরকারি খাসজমি ও পুকুরসহ স্থানীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সমাজ গঠনে এনজিওগুলোর ভূমিকা আরও জোরদার করা সম্ভব।আলোচনা সভায় দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. অভিনয় চন্দ্র সাহা, খান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা খাতুন, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং খান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬

শিগগিরই আসছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব, আলোচনায় যারা

শিগগিরই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন কমিটি গঠিত হতে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলে সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করা, দলীয় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের নতুন কমিটিতে আনতে সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছে মাতৃ সংগঠন বিএনপি। ফলে শুধু দলীয় নেতা-কর্মীরাই নন, রাজনীতি সচেতন মানুষমাত্রই অনাগত কমিটির দিকে নজর রাখছেন।এর আগে, গত মাসের ৩০ সেপ্টেম্বর, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।পুরোনো কমিটি বিলুপ্তির পর নতুন কমিটি ঘিরে ইতোমধ্যে যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসছেন, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। প্রত্যাশিত পদ পেতে নেতা-কর্মীরাও শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ, লবিং।দলীয় নীতিনির্ধারকদের সূত্রে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদেরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিতর্কমুক্ত ভাবমূর্তির বিষয়টিকে সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই, এমন ক্লিন ইমেজের নেতাদের সামনে নিয়ে আসা হবে। থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলোও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফের সচল করা হবে। মূলত রাজধানীতে সাংগঠনিক ভিত মজবুত করাই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।আলোচনায় আছেন যারাদলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূ্র্তির কারণে মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ও সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আইয়ুব আলী। স্বৈরাচারী আমলে আইয়ুব আলীকে শতাধিক মামলার আসামি করা হয় তাকে। রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সক্রিয়তার কারণে জেলও খেটেছেন বেশ কয়েকবার। পাশাপাশি আলোচনায় আছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মিজানুর রহমান রাজ, মনিরুল ইসলাম স্বপন ও তসলিম আহসান মাসুমের নামও আলোচনা আছে।এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক হিমেল, যুগ্ম আহ্বায়ক জুলহাস আহমেদ, রফী উদ্দিন ফয়সাল, কামরুল ইসলাম, তানভীর আহম্মেদ ইকরাম, আবু সালেহ চৌধুরী মানিক, ফরহাদ আলী সজীব, আরিফ হোসেন, ছাত্রদলের সাবেক নেতা মেহেদী হাসান রুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আবুল হাসান চৌধুরীর নামও শোনা যাচ্ছে।তবে আলোচনায় থাকা নামগুলো এখনো সম্ভাব্য হিসেবেই রয়েছে; আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কারও নিয়োগ নিশ্চিত নয়। দলটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন কমিটি অতি শিগগিরই ঘোষণা করার কথা রয়েছে। যদিও পদপ্রাপ্তির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের ভাষ্য, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই তারা আনন্দের সঙ্গে মেনে নেবেন।নেতৃত্বে কী চাইছে বিএনপিনতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দলটি সাংগঠনিকভাবে কার্যকর নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে পারে বলে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে নতুন কমিটিতে কারা স্থান পাবেন, সে বিষয়ে বিএনপির বা যুবদলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হবে সেটিও স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল রাজধানীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর একটি। ফলে নতুন কমিটির নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে দলটির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র দুই পর্যায়েই আগ্রহ রয়েছে। নতুন কমিটি ঘোষণার পর মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক কার্যক্রম, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। দলীয় নেতাদের মতে, বিতর্কিত ব্যক্তিদের হাতে নেতৃত্ব গেলে, ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের সংগঠন দুর্বল বা বিভক্ত থাকলে শুধু জনপ্রিয়তা দিয়ে নির্বাচনে জয় পাওয়া কঠিন হবে।কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাএদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে বিএনপির কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি নতুন কমিটি গঠনের পর তৃণমূলের কর্মীদের সম্পৃক্ত রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করা নেতা-কর্মীরা যেন নিজেদের বঞ্চিত মনে না করেন বা দল থেকে দূরে সরে না যান, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। দীর্ঘদিনের নিবেদিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়লে বা তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে নির্বাচনের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।প্রায় একই মতামত ব্যক্ত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগে সাবেক অধ্যাপক এবং পার্লামেন্টারি রাজনীতির প্রখ্যাত গবেষক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান। তিনি বলেন, কমিটি পুনর্গঠনের মাধ্যমে নিবেদিত ও যোগ্য নেতাদের সামনে আসার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ প্রক্রিয়ায় তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় হতাশা তৈরি করা এড়িয়ে চলা উচিত।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পতিত দোসররা অপচেষ্টা চালাচ্ছে : রিজভী

নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত সরকারের দোসররা নানা ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি দাবি করেন, পতিত সরকারের দোসররা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে।বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন রিজভী। এ সময় তিনি বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে এবং দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে একটি মহল নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার কোনো ধরনের নৈরাজ্য ও অপরাধকে প্রশ্রয় দেবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নৈরাজ্য ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে রিজভী বলেন, আগে থেকেই সচেতন হওয়া গেলে ডেঙ্গু অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ রোগ মোকাবিলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি। তিনি জানান, বর্তমান সরকার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেছে।রিজভী আরও জানান, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পচা ও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব স্থানে যাতে এডিস মশার প্রজনন না হয়, সে জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অক্টোবর ০৭, ২০২৬

মিষ্টির বিরুদ্ধে নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ যুগান্তকারী: তথ্যমন্ত্রী

মিষ্টির বিরুদ্ধে নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ যুগান্তকারী: তথ্যমন্ত্রীকিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংরক্ষিত আসনের একজন সংসদ সদস্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত অনেকের জন্যই একটি বড় সতর্কবার্তা।শুক্রবার (২ অক্টোবর) যুগান্তরকে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘বিভিন্নভাবে যারা সরকারের নাম ভাঙিয়ে দেশের এবং দলের ক্ষতি করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ইমেজ, খালেদা জিয়ার স্যাক্রিফাইস এবং তারেক রহমানের দেখানো স্বপ্নের প্রতি আস্থা রেখে মানুষ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে। সুতরাং ব্যক্তিগতভাবে কারও স্বার্থ রক্ষা, চাঁদাবাজি বা অপকর্মের দায়ভার সরকার বা আমরা নেব না।’উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘিরে আলোচনায় এসেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়। পরে জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।রাড্ডা সেন্টারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে জাতীয় আলোচনায় এলেও মিরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ।   

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

নামফলকে নিজের নাম দেখে আয়োজকদের উদ্দেশ্যে যা বললেন হাসনাত!

নামফলকে নিজের নাম দেখে আয়োজকদের উদ্দেশ্যে যা বললেন হাসনাত!উদ্বোধনী ফলকে নিজের নাম দেখে নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে দেবিদ্বার উপজেলার রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। রোববার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।স্থানীয় ও আয়োজক সূত্রে জানা যায়, রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।অনুষ্ঠান শেষে নতুন ভবনের নামফলক উন্মোচনের সময় নিজের নাম খোদাই করা দেখতে পান তিনি। এরপর নামফলকে ব্যক্তির নাম ব্যবহারে আপত্তি জানিয়ে ভবনটি উদ্বোধন না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।এ সময় আয়োজকদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনায় ব্যক্তি বিশেষের নাম ব্যবহারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি তিনি সমর্থন করেন না। জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক নেতাদের আত্মপ্রচারের জন্য নামফলকে ব্যক্তির নাম ব্যবহার বন্ধ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সাঈদ। তিনি জানান, সংসদ সদস্যের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত নামফলকটি পরিবর্তন করে পুনঃস্থাপন করা হবে।এ বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, নতুন বাংলাদেশে প্রথাগত রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজা বা আত্মপ্রচারের সংস্কৃতি তিনি দেখতে চান না। জনগণের অর্থে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হয়, তাই নামফলকে ব্যক্তির নামের পরিবর্তে দেশের নাম কিংবা প্রতিষ্ঠানের ঐতিহাসিক তথ্য থাকা উচিত। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে তার নির্বাচনি এলাকার কোনো উন্নয়নমূলক কাজের নামফলকে তার নাম ব্যবহার না করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।  

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

আজ রংপুর অভিমুখে ১১ দলের লং মার্চ

আট দফা দাবিতে  ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে  আজ (শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর) লং মার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের পর এটি জোটের দ্বিতীয় বড় কর্মসূচি।উত্তরবঙ্গমুখী লং মার্চে আঞ্চলিক একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি—তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টি যুক্ত করেছে বিরোধী এ জোট।  এদিন সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর সকাল ৮টার দিকে লং মার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। রাতে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।কর্মসূচির পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পথসভা হবে। লং মার্চ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, চরম ধৈর্য দেখিয়ে তারা গণতান্ত্রিক কর্মসূচি সফল করবেন। তিনি নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানান। /টি

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

লংমার্চের নামে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিরোধীরা: রিজভী

সংসদ বাদ দিয়ে মাত্র ছয় মাসের মাথায় রাজপথে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচির নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিরোধী দল রাজপথে লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে। দলটিকে এসব কর্মকাণ্ডের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেও দেখা যাচ্ছে, যা স্পষ্টতই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। জনগণের সামনে উচ্চারণ করা যায় না—এমন শব্দ প্রকাশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে আখ্যায়িত করে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দল শুধু সমালোচনা করছে, কিন্তু সংকট নিরসনে গঠনমূলক কোনো প্রস্তাব দিচ্ছে না। সংসদে এ বিষয়ে পরামর্শ না দিয়ে তারা বাইরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ার মতো ইতিবাচক অর্জনগুলোও তারা জনগণের সামনে তুলে না ধরে আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের পরিবর্তে রাজপথে আন্দোলন করে তারা সরকারের উন্নয়নকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যবহৃত সব বিলবোর্ড ও ব্যানার অবিলম্বে খুলে ফেলার আহ্বান জানান। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, মাহমুদুর রহমান সুমন, আসাদুল করিম শাহীন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং ও ডা. জাহিদুল কবিরসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬

ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতৃত্বে আলোচনায় যারা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর অন্যতম সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে জোর তৎপরতা চলছে। বিএনপির একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যে কোনো সময় ঘোষণা আসতে পারে।ছাত্রদলের নতুন কমিটির শীর্ষ পদে ডজনখানেক নেতার নাম ঘুরে ফিরে আলোচনায় আসছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের নাম বেশি শোনা যাচ্ছে। বিএনপির একাধিক সূত্র মতে, ছাত্রদল নেতাদের বয়সের বিষয়টিকে মাথায় রেখে ২০০৯-১০ সেশন থেকে ২০১২-১৩ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ছাত্রদল নেতাদের শীর্ষ পদে রেখে নতুন কমিটি ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে। কেন্দ্রীয় কমিটি এই সেশনগুলোর মধ্য থেকে ঘোষিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিগুলো রানিং স্টুডেন্টদের দিয়েই ঘোষিত হবে বলে জানা গেছে।বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদগুলোতে ২০০৯-১০ সেশন থেকে বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, আরিফুল ইসলাম ও প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভ আলোচনায় আছে। সবদিক বিবেচনায় আমানউল্লাহ আমানের নাম বেশি আলোচনায় আসছে। ২০১০-১১ সেশন থেকে আলোচনায় আছে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র সাহস ও সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক প্রমূখ ।  তবে বিএনপির অনেকেই আরো জুনিয়রদের দিয়ে কমিটি দেওয়ার পক্ষে বলে জানা গেছে।ছাত্রদলের শীর্ষ পদে এবার বেশি আলোচনায় আছে ২০১১-১২ সেশনে ভর্তি হওয়া ছাত্রদল নেতারা। এদের মধ্যে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান রনি, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. রাজু আহমেদ, গাজী মো. সাদ্দাম হোসেন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, তারেক হাসান মামুন প্রমুখ। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওন আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখতে গিয়ে একাধিকবার ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও সামনের সারিতে ভূমিকা রাখেন। বিএনপির হাইকমান্ডও তার বিষয়ে অবগত আছেন। এছাড়া নাহিদুজ্জামান শিপন ও মো. রাজু আহমেদ এবং নাকিবুল ইসলাম  চৌধুরীর  নামও বেশ আলোচনায় আছে।এদিকে অপেক্ষাকৃত কম বয়সীদের দিয়ে কমিটি ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা রাখায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে ২০১২-১৩ সেশনে ভর্তি হওয়া ছাত্রদল নেতারাও চলে আসতে পারে। ২০১২-১৩ সেশনের মধ্যে যারা আলোচনায় আছে তারা হচ্ছেন- ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম,কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ সম্পাদক আরিফ হাসান, ঢাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর আলম ভূইয়া ইমন প্রমুখ। কেন্দ্রীয় কমিটির পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন এবং ছাত্রলীগের হামলার মুখে সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। আর নুর আলম ভূইয়া ইমন গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন।ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীরা জানান, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ত্যাগী এবং সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। পাশাপাশি ছাত্রসমাজের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ও নতুন প্রজন্মের ভাবনা বোঝার সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।এদিকে ছাত্রদলের নতুন কমিটির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি বিএনপির সিনিয়র নেতারা। তাদের মতে, ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

আগস্ট ২৮, ২০২৬

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের অর্জন ও পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের মিছিল

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন অর্জন ও পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম রিয়াদের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।মিছিলে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় তারা সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও স্বল্প সময়ে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।মিছিল শেষে শাহবাগ মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম রিয়াদ।সমাবেশে মনজুরুল আলম রিয়াদ বলেন, “শিক্ষা একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রধান ভিত্তি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষা খাতে যে উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, আমরা ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে সেগুলোকে স্বাগত জানাই। আমরা মনে করি, শিক্ষার্থীবান্ধব ও বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”তিনি বলেন, “শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কর্মমুখী শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে আমরা ইতিবাচক উদ্যোগগুলোর জন্য অভিনন্দন জানাই এবং একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও প্রত্যাশার প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানাই।”রিয়াদ আরও বলেন, “আমরা চাই দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত হোক। ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে কাজ করবে।”সমাবেশ থেকে সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রে নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।/টি

আগস্ট ১৯, ২০২৬

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ বুধবার (১২ আগস্ট)। ১৯৬৯ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও ব্যক্তিগত জীবনে অনেকটাই প্রচারবিমুখ ও অন্তর্মুখী স্বভাবের ছিলেন কোকো।জন্মদিন উপলক্ষে আজ বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া তার স্মরণে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে স্মরণ করবেন।রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ায় কোকো বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় থাকলেও সাধারণ জীবনযাপনেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। রাজনীতির চেয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তার সম্পৃক্ততা ছিল বেশি উল্লেখযোগ্য। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের ক্রিকেট ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন তিনি।আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার পর ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।মৃত্যুর পর থেকেই প্রতি বছর জন্মদিনে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করে আসছে বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনগুলো। কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এবারও তার ৫৭তম জন্মদিনে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।/টি

আগস্ট ১২, ২০২৬

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করলো ১১ দলীয় ঐক্য

রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের বৈঠক শেষে তার নাম ঘোষণা করা হয়।বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে—রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমরা ১১ দলের পক্ষ থেকে অংশ নেব। আমরা প্রার্থী দেবো। যেহেতু ১১ দল আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি পার্লামেন্টে এবং বাইরে গণভোটের জন্য, সেই জায়গায় আমাদের কমন প্রার্থী থাকবে, ঐক্যবদ্ধ প্রার্থী থাকবে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের পক্ষ থেকে এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন ১১ দলেরই শরিক দল এলডিপির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশের একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বিভিন্ন সময় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন, ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। /টি

আগস্ট ০৯, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo