logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে মোট প্রাণহানি ৪৫১ জনের - image

হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে মোট প্রাণহানি ৪৫১ জনের

15 মে 2026, বিকাল 6:32

হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে মোট প্রাণহানি ৪৫১ জনেরদেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হাম; গত দুই মাসে এই সংক্রামক ব্যাধি ও এর উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৪৫১ জন শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতদের মধ্যে সিংহভাগই ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত যথাযথ চিকিৎসার আওতায় আনার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশেহাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩০৩ জন। শুক্রবার (১৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য দেওয়া হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ৬১১জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১১ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৪১৬জন।১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০ হাজার ১৭৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও আট জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি (এমআর ভ্যাকসিন) জোরদার করা হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শিশুদের সুরক্ষায় টিকাদান কার্যক্রম আরও বেগবান করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যথায় শিশুদের এই স্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও চরম আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এফ/এইচ 

মে ১৫, ২০২৬

আওয়ামী সরকারের কারনে ফারাক্কা বাঁধ এখন ‘মরণফাঁদে‘ পরিণত হয়েছে: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী সরকারের কারনে ফারাক্কা বাঁধ এখন ‘মরণফাঁদে‘ পরিণত হয়েছে: মির্জা ফখরুলবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে ফারাক্কা বাঁধের যে পরীক্ষামূলক চালুর অনুমতি দিয়েছিল। সেই বাঁধ এখনো চালু থাকায় তা বর্তমানে দেশের জন্য ‘মরণফাঁদে’ রূপ নিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এই বাঁধের কারণে বাংলাদেশ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৫ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার শুরু করা হয়।যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।বিএনপির মহাসচিব বলেন, ১৬ মে বাংলাদেশের জাতীয় আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন। আজ থেকে ৪৯ বছর আগে অবিসংবাদিত মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে লাখো জনতা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত গঙ্গা নদীর পানি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ন্যায্য হিস্যা আদায়ের সংগ্রামে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেয়।স্থানীয় সরকারমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিকও মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামত উপেক্ষা করে। তারা ভারতকে পরীক্ষামূলক ভাবে কয়েক দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। তবে সেই বাঁধ এখনো চালু থাকায় এটি দেশের জন্য এক ধরনের ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। তার অভিযোগ, তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এই বঞ্চনা এবংসম্ভাব্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকেই দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা মওলানা ভাসানী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করেন। ওই কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি বিশ্বসম্প্রদায়ের নজরে আনেন। এরপর থেকেই ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কার সঙ্গে যুক্ত ফারাক্কা বাঁধ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়।ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে একতরফা নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ নিষ্ফলা ঊষর ভূমি হয়ে ওঠার আলামত ইতোমধ্যেই ফুটে উঠেছে।মির্জা ফখরুল বলেন, ন্যায্য পাওনা আদায়ের সংগ্রামে ১৬ মে ১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে জনগণের ঐতিহাসিক মিছিল রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে অকুতোভয় সাহসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়েছিল। তাই প্রতি বছর১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কাদিবস’ যেকোনো অধিকার আদায়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে।পানির সঠিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালের ১৬মে মওলানা ভাসানীর সাহসী নেতৃত্বে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিলটি এগিয়ে যায়। জনগণের সেই অকুতোভয় পদক্ষেপের স্মরণে প্রতি বছর ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উদযাপিত হয়, যা যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ে জনগণকে উজ্জীবিত করে। দেশের অস্তিত্বও পরিবেশ রক্ষায় ফারাক্কা দিবসের এই ঐতিহাসিক শিক্ষা আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।এফ/এইচ 

মে ১৫, ২০২৬

ভাইরাল তালিকায় এবার ‘মোদি মহিষ’

সম্প্রতি ঈদুল আজহার আগে ভাইরাল হওয়া 'ট্রাম্প' ও 'নেতানিয়াহু' মহিষের পর, এবার অদ্ভুত চেহারার 'মোদি মহিষ' এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। তবে, মহিষটি তার নামের চেয়ে অস্বাভাবিক লম্বা ও সাদা দাড়ি এবং ভিন্ন চেহারার কারণেই বেশি আলোচনায় এসেছে।আকারে বিশাল, বিরল প্রজাতির অ্যালবিনো বা গোলাপি এই মহিষের দেখা মিলেছে নারায়ণগঞ্জের একটি স্থানীয় খামারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মহিষটির সারা শরীরে হালকা সাদা আভা এবং মুখ বেয়ে নেমে আসা লম্বা সাদা দাড়ি রয়েছে, যা সহজেই দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এই 'মোদি মহিষ'-এর এক ঝলক দেখার জন্য উৎসুক মানুষেরা প্রতিদিন খামারটিতে ভিড় জমাচ্ছেন।খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরুতে এই মহিষটির নির্দিষ্ট কোনো নাম রাখা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে মজার আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মহিষটির লম্বা সাদা দাড়ি ও চেহারার অবয়বের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিল খুঁজে পান। পরবর্তীতে অনলাইন জরিপের মাধ্যমে মজার ছলেই এর নাম রাখা হয় ‘মোদি’।আসন্ন ঈদুল আজহা ঘিরে ভিন্নধর্মী নামের এসব পশু নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এর আগে নারায়ণগঞ্জের শহরের পাইকপাড়া এলাকার ‘রাবেয়া এগ্রো ফার্মে’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চুলের মতো দেখতে একটি মহিষ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর আলোচনায় আসে ক্ষ্যাপাটে স্বভাবের মহিষ ‘নেতানিয়াহু’।এরই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হলো সাদা দাড়িওয়ালা মহিষ ‘মোদি’। ঈদের আগে আরও নতুন কোনো খামারি পশু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় কি না, তা নিয়েই এখন চলছে জল্পনা-কল্পনা। 

মে ১৫, ২০২৬

ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

আসন্ন কোরবানির উপলক্ষ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে আগামী ২৩ মে শনিবার ও ২৪ মে রোববার দেশের সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে। তবে এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে জরুরি পরিষেবা। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল, ডাক, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবাসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো যথারীতি চালু থাকবে।এছাড়া চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও এই ছুটির নিয়মের বাইরে থাকবে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিচারিক আদালতের কার্যক্রম নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আলাদা নির্দেশনা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রীয় নির্দেশনায় এই প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি এই ছুটির ঘোষণার ফলে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক, রেল ও নৌপথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের প্রস্তুতি জোরদার করতে শুরু করেছে। দীর্ঘ ছুটির কারণে এবার ঘরমুখী মানুষের যাত্রায় বাড়তি চাপ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সামলাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।/টিএ

মে ১৪, ২০২৬

চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ, ব্যয় ৩৩৪৭৪ কোটি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। প্রকল্পটির মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।আজ বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১১ নম্বর কার্যতালিকায় রাখা হয়েছিল পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।অনুমোদিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।একনেক সভায় উপস্থিত থাকা এক কর্মকর্তা বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে, কমবে লবণাক্ততা, প্রাণ ফিরে পাবে মৃতপ্রায় নদীগুলো— একই সঙ্গে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন।শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কিউসেক পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করার জন্য এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত কোলকাতা বন্দরের নাব্য উন্নত করার জন্য ১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ করে ভারত। ফারাক্কা ব্যারেজের উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমেছে এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী শুকিয়ে গেছে।ফারাক্কা ব্যারেজের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে প্রথম পর্যায়ে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পটি সার্বিকভাবে বাস্তবায়ন করতে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। পদ্মা বাঁধ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থায় স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।তবে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায়। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সত্তরের দশকে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের পর পদ্মা নদী থেকে পানি প্রত্যাহারে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ অংশে পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী-খালে লবণাক্ততা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতি কৃষি, মৎস্য, নৌ-চলাচল, সুপেয় পানির প্রাপ্যতা ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। /টিএ

মে ১৩, ২০২৬

পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হবে। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর নিয়ে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, মেধা পাচার নয়, মেধা লালন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় সরকার। এমন একটি শিক্ষ ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হবেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন না করার কারণে বেকারত্ব বেশি। তাই একাডেমিক সিলেবাসকে সময়পোযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্রান্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার।সরকারপ্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব সাবেক শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত, তাদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার জন্য তিনি শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।তারেক রহমান বলেন, আরও একটি বিষয়ের দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত, একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিত মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।/টিএ 

মে ১২, ২০২৬

সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে : সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে।আজ সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‌হ্যাঁ, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর তিনটি প্রস্তাবনা আছে। তার এক নম্বর প্রস্তাবনা আপনি যেটা বলেছেন ওই রুটে। আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি, বলবো আমি এই মুহূর্তে। ফিজিবিলিটি স্টাডি অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি, কথা বলছি। আর ধরেন অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতি চলছে।’মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।/টিএ

মে ১১, ২০২৬

সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ৫৮১ বাংলাদেশি হজযাত্রী

এ বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে আজ সোমবার (১১ মে) পর্যন্ত ১৩২টি হজ ফ্লাইটে মোট ৫১ হাজার ৫৮১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ১৩২টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে।হজ বুলেটিনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত দুই জন নারীসহ মোট ১২ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন মক্কায় ও ২ জন মদিনায় মারা যান।এতে আরও বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম ২২ হাজার ৯৯৮ জন হজযাত্রীকে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়াও আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৮৬৯ জন স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছেন।পরিচালক বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান ও ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬২টি ফ্লাইটে ২৪ হাজার ৬৩৭ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৮টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৪৮৮ জন ও ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।অবশিষ্ট ২৬ হাজার ৭৯২ জন হজযাত্রী পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদি আরবে যাবেন বলেও জানান তিনি।এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। /টিএ 

মে ১১, ২০২৬

পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ বাহিনীকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের আর্থিক সঙ্গতি ও সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ।রবিবার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ মিলনায়তনে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কল্যাণ সভা’য় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক পুলিশ কনস্টেবল ৪০ বছর চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেও পরবর্তী পদোন্নতি পান না। সেজন্য বিশেষ নীতিমালা ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড বিবেচনায় অবসরকালীন সময়ে কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যকে কনস্টেবল থেকে অনারারি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদে; সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) থেকে অনারারি উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং উপপরিদর্শক (এসআই) থেকে অনারারি পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে।মন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালার ভিত্তিতে ওভারটাইম ভাতা প্রদানের কথা ভাবছে সরকার, যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে পুলিশের ইন্সপেক্টর থেকে নিম্নে কনস্টেবল পদ পর্যন্ত ওভারটাইম ভাতা বিবেচনা করা হতে পারে। তিনি বলেন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও অধিক কর্মচাপ বিবেচনায় পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালকে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিপূর্বক আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষান্তে আরো উন্নত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।মন্ত্রী বলেন, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন/কার্যালয় নির্মাণ ও আবাসন সমস্যা দূরীকরণে বর্তমান সরকার আন্তরিক। এ ক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।বিগত দুই মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে।তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বদলেছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদেরকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে অপরাধ দমনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।তিনি আরও বলেন, জুয়া, অনলাইন জুয়া, সাইবার ক্রাইম ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আরো যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও সংযোজন করে যুগোপযোগী করা হবে। মন্ত্রী এ সময় পুলিশ বাহিনীকে জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।/টিএ

মে ১০, ২০২৬

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমাদের ‘নতুন সংগ্রামে’ নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের 'নতুন সংগ্রামে' নামতে হবে।শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো—আমরা মানুষকে যে কমিটমেন্ট (কথা) দিয়েছিলাম সে কমিটমেন্টগুলোর বাস্তবায়ন করা।’ তারেক রহমান বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম, নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা কিন্তু অনুভব করেছিলেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।' নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেওয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।'কারণ দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ যারা ভোট দিয়েছে এবংএই ম্যানিফেস্টোর পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই এখন এই ম্যানিফেস্টোতে আমরা যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।' প্রধানমন্ত্রী  বলেন, 'নির্বাচনের আগে মানুষকে বলেছিলাম, আমরা সুশাসন দেবো। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।  নারী পুরুষ শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।' তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম, আমাদের ওপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে, তাতে আমার রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চায় দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা ডিবেট করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।তারেক রহমান বলেন, 'আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না। বিএনপির সফলতা তখনই নির্ভর করছে যখন এখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি মানুষ সরকারের পেছনে এসে না দাঁড়াবেন।' এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়। /টি

মে ০৯, ২০২৬

চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের পথে রাষ্ট্রপতি

ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট (বিজি-২০১) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।এ সময় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রপতির চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সফরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রয়েছেন।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে। /টিএ

মে ০৯, ২০২৬

‘পরিচ্ছন্ন নয় দেশের রাজনীতি’ আক্ষেপ মির্জা ফখরুলের

‘পরিচ্ছন্ন নয় দেশের রাজনীতি’ আক্ষেপ মির্জা ফখরুলেরবিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছাত্র-জনতার সম্মিলিত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এক নতুন বাংলাদেশ। গত জুলাই মাসের সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামকে 'জুলাই যুদ্ধ' হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের ফলে দেশের মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।শুক্রবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রায়ের পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনো কিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে একটা হতাশাবাদী গুষ্টি আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাইনা। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ। এতে আরও বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান মিনু, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।এফ/এইচ 

মে ০৮, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo