logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী - image

দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

11 জুলাই 2026, বিকাল 4:29

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি পর্যায়ে দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে।আজ শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রাম থেকে অধিক সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসার জন্য যেন ঢাকায় আসতে না হয়, সেজন্য সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ সময় সিনিয়র চিকিৎসকদের প্রান্তিক পর্যায়ে গিয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ৫১ বেডের হাসপাতালগুলো ১০০ বেডে উন্নিত করা হবে। সরকারি চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়।এর আগে, সকালে ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

জুলাই ১১, ২০২৬

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল ৭৫০ শিশুর

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল ৭৫০ শিশুরগত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ১১৭ দিনে দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে হাম ও ৯০১ এর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯। 

জুলাই ১০, ২০২৬

প্রতি নবজাতকের জন্মে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে মানবসমাজের সম্পর্ক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করলে একটি করে গাছ লাগিয়ে সেই জন্ম উদযাপনেরও আহ্বান জানান তিনি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন।/টি

জুলাই ০৯, ২০২৬

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী

 আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে ।আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।তবে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় এবং কারা নিয়ে গঠিত হবে, সে বিষয়ে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি দেখার পর বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। এ রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।রায়ের পর সাংবাদিকরা জানতে চান, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে কি না। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ, ইনশাল্লাহ। এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিএনপির আন্দোলনের ফসল। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন হয়েছিল, তার ফল ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই ধারণা থেকেই পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপি সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করেছিল।তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর ধরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে এসেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ এবং ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’—এই দাবিকে সামনে রেখেই আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে।আইনমন্ত্রীর ভাষ্য, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ কারণে এ বিষয়ে সরকার রাজনৈতিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জুলাই ০৯, ২০২৬

সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে চায় সরকার

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়ে মোবাইল জার্নালিজমের নামে অনুমোদনহীন, অপেশাদার বা অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে ।মন্ত্রী  বলেন, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করে কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সংশোধনীতে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা, মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও নীতি-নৈতিকতাবিরোধী সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।জহির উদ্দিন স্বপন জানান, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেশাদারত্ব, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে বাসসে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সাংবাদিক ও সংবাদপত্র মালিকপক্ষের আয়কর প্রদান নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।/টি 

জুলাই ০৯, ২০২৬

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি।বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার শুরুতে সালাহউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার প্রতিরোধে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক দুই দেশের নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে। তিনি দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মানবিক সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথির অভাবে অনেকেই পাকিস্তানের কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড (সিএনআইসি) পেতে জটিলতায় পড়ছেন, যার ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।নগর নিরাপত্তায় পাকিস্তানের ‘সেফ সিটি’ উদ্যোগের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের শহরগুলোকে আরও নিরাপদ করতে এ বিষয়ে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে পাকিস্তানের ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। বৈঠকের শেষে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে তিনি সুবিধাজনক সময়ে সফরের আশ্বাস দেন। বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।/টি

জুলাই ০৮, ২০২৬

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জার্মিত্তা ইউনিয়নে ধলেশ্বরী নদীর তীরে সাভার সেনানিবাসের গ্রীষ্মকালীন মহড়ার জন্য স্থাপিত অস্থায়ী সেনা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা ৪২ মিনিট থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মাদরাসাতুল মনোয়ারা কমপ্লেক্সের পেছনে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী হায়দারের কাঠবাগান এলাকায় স্থাপিত ৮ বীরের অস্থায়ী সেনা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন তিনি।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনা সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়। দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, নিরাপত্তা বিঘ্ন বা জনভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি।এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, সাভার সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল এস. এম. আসাদুল হক, ৮১ ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফেরদৌস মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ৭১ ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাওয়ার আলমসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।/টি 

জুলাই ০৭, ২০২৬

দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি

ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে সরকারি হাসপাতালে এনএস১ পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিনামূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের জন্য এনএস১ পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিনামূল্যে করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।/টি

জুলাই ০৭, ২০২৬

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর বাস্তবায়নের দাবি

‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধনী) আইন, ২০২৬’ তামাক নিয়ন্ত্রণে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হলেও, জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনটির কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ সকল ধরনের উদীয়মান তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে জানিয়েছেন মাননীয় সংসদ সদস্য, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং তামাক বিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।আজ সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর বনানীর এক হোটেলে “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায়”শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন। টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা) এবং তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ)-এর যৌথ উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা ও মহিলা আসন-৭ এর সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের হেলথ সেক্টরের পরিচালক ও বিটিসিএ এর আহ্বায়ক ইকবাল মাসুদ, নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলি, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের দপ্তর সম্পাদক ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রামস সৈয়দা অনন্যা রহমান এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ তাইফুর রহমান। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি) এর সহযোগী অধ্যাপক ও প্রকল্প পরিচালক মোঃ বজলুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর পরিচালক সীমা দাস সীমু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (টিসিআরসি) প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ফারহানা জামান লিজা।সভায় বক্তারা বাংলাদেশ সরকারকে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধনী ২০২৬)’ প্রণয়নের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, সংশোধিত আইনটি তামাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এর সফলতা নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।বক্তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সংশোধিত আইনে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ সকল ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট নিষিদ্ধের বিধান বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্য কার্যত নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাজারে উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের পাশাপাশি দেশের শিশু, কিশোর ও তরুণদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণ সমাজকে সুরক্ষা দিতে ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ সকল ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর নীতিগত ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।বক্তারা আরও বলেন, তামাক ও নিকোটিন কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যকে নতুন রূপে, নতুন মোড়কে এবং আগ্রাসী বিপণন কৌশলের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের কাছে বিশেষভাবে উপস্থাপন করছে। মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে এসব পণ্যকে নিরাপদ, আধুনিক কিংবা তুলনামূলক কম ক্ষতিকর হিসেবে তুলে ধরা হলেও বাস্তবে এসব দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং এসব পণ্য তরুণদের নিকোটিন নির্ভরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে প্রচলিত তামাকপণ্য ব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলছে। তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে শুধু আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়; এর কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি তামাক কোম্পানির নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ প্রতিরোধে কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে।সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণে ৫টি সুপারিশ করা হয়। এ সুপারিশগুলো হলো, তামাক কোম্পানির কূটচাল ও প্রস্তাব শক্ত হাতে নির্মূল করা; খুচরা শলাকা বিক্রয়, ভ্রাম্যমান বিক্রয়, এবং লাইসেন্স ছাড়া তামাক পণ্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা; উদীয়মান তামাকজাত পণ্য উৎপাদন, তৈরি, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদকরণ এবং বিজ্ঞাপনসহ ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ সকল উদীয়মান তামাকজাত পণ্যের নিষেধাজ্ঞায় আলাদা আইন প্রনয়ণ করা; তামাক চাষ নীতি ও তামাক কর নীতি প্রণয়ন করা এবং দ্রুত আইনের বিধিমালা প্রণয়ন করা।

জুলাই ০৬, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ

সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সফরেরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া যুবরাজের আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি আরব সফরের সময়সূচি দুই দেশের সরকারের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, সোমবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সৌদি যুবরাজের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।/টিএ

জুলাই ০৬, ২০২৬

পুরো বাংলাদেশকে দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কোনো সময় নষ্ট না করে দ্রুত পুরো বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। তাই শ্রমিক, দিনমজুর, কৃষকসহ সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে ডিজিটাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন শোকেসিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার দ্রুততম সময়ে সব খাতে ডিজিটালাইজেশন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিই নয়, সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও ইনক্লুসিভনেস নিশ্চিত করে সবাইকে সমানভাবে সুবিধা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই এখন সরকারের অগ্রাধিকার। এতে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং নাগরিকরা ঘরে বসেই বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারলে সময় ও অর্থ—উভয়ই সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজার, বিমা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুর্নীতি কমাতে ডিজিটালাইজেশন কার্যকর ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে জনতা ব্যাংক পিএলসি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে পুরস্কৃত করা হয়।/টিএ

জুলাই ০৬, ২০২৬

১৬ জুলাই ‘শহিদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

সরকার ১৬ জুলাইকে ‘শহিদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে আরও বেগবান করে। তিনি বলেন, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহিদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান উপস্থিত থাকবেন।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ছিল বেশি তীব্র। এ ঘটনাকে স্মরণ করে ‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ শিরোনামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রদর্শনীটি চারুকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘরের সামনের এলাকা অথবা শাহবাগ স্কয়ারের উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে।/টি 

জুলাই ০৫, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo