logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অন্যান্য
বাংলাদেশের শিল্প ও সমাজ উন্নয়নের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - image

বাংলাদেশের শিল্প ও সমাজ উন্নয়নের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

15 মার্চ 2026, বিকাল 5:12

দেশের অর্থনীতি, শিল্প এবং সমাজসেবায় অনন্য অবদান রাখা অন্যতম প্রতিভাবান শিল্পপতি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ১২ মার্চ পরিবার, শুভানুধ্যায়ী এবং সহকর্মীদের সান্নিধ্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে।এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের লেদার শিল্পকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের মতো প্রতিষ্ঠান তৈরিতেও তাঁর অবদান অনবদ্য।একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যোগাযোগ, নৌপরিবহন পরিবহনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন।অবিভক্ত বাংলার প্রধান বিচারপতি স্যার সৈয়দ নাসিম আলীর সন্তান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী কেবল ব্যবসাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, সানবিমস স্কুল, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মতো অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন।তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও অসামান্য অবদান বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী সমাজের কাছে চিরকাল এক অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতি তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।/টি

মার্চ ১৫, ২০২৬

গণমাধ্যম ভিডিও এডিটরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক রাফিদ, সদস্য সচিব সুজন

উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ভিডিও এডিটরদের সংগঠন ‘গণমাধ্যম ভিডিও এডিটরস অ্যাসোসিয়েশন’।গতকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রিসোর্টে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিতে রাফিদ বিল্লাহকে আহ্বায়ক ও সুজন শর্মাকে সদস্য সচিব করে একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরের হেড অব ডিজিটাল যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ, দৈনিক যুগান্তরের হেড অব মাল্টিমিডিয়া অমিত হাসান রবিন, এনপিবি নিউজের হেড অব ডিজিটাল আকরাম হোসেন এবং কিডস ক্রিয়েশন টিভির ব্রডকাস্ট ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ সিকদার।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের প্রতিটি সংবাদ ও কন্টেন্ট উপস্থাপনায় ভিডিও এডিটরদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও এডিটরদের সৃজনশীল শ্রমের মাধ্যমেই একটি সংবাদ বা প্রতিবেদন পূর্ণতা পায়।এ সংগঠনের মাধ্যমে এডিটরদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।আহ্বায়ক কমিটি: সংগঠনটি পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের রাফিদ বিল্লাহ ও সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ মিডিয়ার সুজন শর্মা।কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন শিপন আহমেদ (কালের কণ্ঠ), শাহারিয়ার হৃদয় (যমুনা টিভি), জাহিদ হাসান লিমন (এনপিবি নিউজ), সাব্বির আহমেদ তনু (রাইজিংবিডি.কম), নজরুল ইসলাম (দৈনিক সংগ্রাম), ইসমাইল হোসাইন (কাজী টিভি) এবং সাগর পন্ডিত (প্রথম আলো)।কমিটির সদস্যরা হলেন– তুষার আহমেদ (বাংলাদেশ প্রতিদিন), শতাব্দী শুভ (নিউজ ২৪), জহিরুল ইসলাম (ডিবিসি নিউজ), গোপাল চন্দ্র (যমুনা টিভি), মো. রাসেল (এটিএন বাংলা), আবিদ মিয়া (বাংলাদেশ প্রতিদিন), শাকিল আহম্মেদ (ইত্তেফাক), আব্দুর রহিম (কালের কণ্ঠ), নাজমুল হোসাইন নয়ন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), মুরসালিন ইসলাম (দৈনিক যুগান্তর), এ এইচ এম রিদুয়ান (দৈনিক যুগান্তর), আশিকুর রহমান (দৈনিক যুগান্তর), রহিম সোহাগ (বাংলানিউজ২৪), সাইফুল ইসলাম (এটিএন বাংলা), রুম্মান বিল্লাহ (এটিএন বাংলা), জয় চন্দ্র (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড), জহিরুল কায়সার তালুকদার (নাগরিক টিভি), জহিরুল ইসলাম তুফান (চ্যানেল ২৪), রাব্বি হোসাইন (কালের কন্ঠ), হাসিবুর রহমান (ঢাকা পোস্ট), জুবলী আক্তার (দৈনিক সমকাল) ও মুহাম্মদ তাশরিফ (টাইমস টুডে)।/টি

মার্চ ১৪, ২০২৬

গভর্নরকে নিয়ে অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার করা হচ্ছে: হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ

গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব পওয়ার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চলছে। কেউ কেউ অপব্যাখ্যা দিয়ে বলছেন নতুন গভর্নর দায়িত্ব পেয়েই ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদান করেছেন। তবে এই তথ্য মোটেও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন এটিএন বাংলার বার্তা বিভাগের পরিচালক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। মূলত মোস্তাকুর রহমান গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাবার আগেই পূর্বের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সময় ন্যাশনাল ব্যাংক ও এবি ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা করে মোট ২ হাজার কোটি টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা এবং এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংককে ৪০ হাজার কোটি টাকা তারল্য সুবিধা প্রদান করা হয়। ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন ব্যাংককে ৫১ হাজার কোটি টাকার উপরে এই তারল্য সুবিধা দেয়া হয়। যেহেতু সরকারদলীয় মন্ত্রীপরিষদের একজন সদস্য ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদে  ছিলেন তাই গভর্নরের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার করা হচ্ছে। মূলত পূর্বের গভর্নর দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায় ন্যাশনাল ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক এই দুটি ব্যাংকে ১ হাজার কোটি টাকা করে মোট ২ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদানের অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক দুটিকে ২৫০ কোটি টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ৭৫০ কোটি টাকা করে ১৫০০ কোটি টাকাসহ মোট ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়করণ করা হয়। অথচ বর্তমান গভর্নর দায়িত্বে যোগদান করেন ২৬ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ বহুল আলোচিত ন্যাশনাল ব্যাংককে দেয়া ১ হাজার কোটি টাকা বর্তমান গভর্নের নিয়োগের অনেক আগেই দেয়া হয়েছিলো। একইসময় এবি ব্যাংককেও ১ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছিলো। তাহলে দেখা যাচ্ছে নতুন গভর্নর নিয়োগ পেয়েই ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা যে তারল্য সহায়তা করেছে এই তথ্য সঠিক নয়। এটি শুধুমাত্র ভুল বুঝে নবনিযুক্ত গভর্নরকে টেগিং করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপব্যাখ্যা ও তাকে অবমূল্যায়ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানকে নিয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চালতে থকলে তা হবে তার প্রতি অবিচারের সামিল।

মার্চ ০৭, ২০২৬

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনতে হবে: হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ

এটিএন বাংলার বার্তা বিভাগের পরিচালক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেছেন, ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনা জরুরী। ব্যবসায়ীসহ সর্বস্থরের মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা উচিত। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা, দেশে ফিরে ব্যবসা পরিচালনা করতে না পারা, ব্যাংক হিসাব জব্দকরাসহ নানা কারনে ব্যবসা—বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনা অত্যাবশ্যক। তা না হলে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

এটিএন ই-মার্ট ও কোরিয়ান বিনিয়োগকারী মি. পার্কের মধ্যে বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত

দেশের অবকাঠামো খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এটিএন বাংলা ই-মার্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিস্টার পার্ক সুং চুং-এর মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যৌথ বিনিয়োগ  চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বৃহৎ পরিসরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করা। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কনস্ট্রাকশন ও উন্নয়নমূলক কাজে দুই পক্ষ যৌথভাবে বিনিয়োগ ও কাজ করবে।সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ উক্ত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ও কোরিয়ার এই দুই প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক অভিজ্ঞাতা ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময় করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় পক্ষের আর্থিক সক্ষমতাকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী ও টেকসই জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি গঠন করা হবে, যা বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।বিনিয়োগ পরিকল্পনা চুক্তি অনুযায়ী, মিস্টার পার্ক সুং চুং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অংকের বিনিয়োগ করবেন। আনুষ্ঠানিক এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। এই চুক্তির  ফলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে এবং কোরিয়ান উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়ায় প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।/টিএ

মার্চ ০৪, ২০২৬

ভিস্তিওয়ালা: সময়ের স্রোতে বিলীন পেশা

একসময় শহর ও জনপদের তৃষ্ণা মেটাত যে মানুষগুলো, তারা ছিল ‘ভিস্তিওয়ালা’। কাঁধে বা পিঠে ঝোলানো চামড়ার তৈরি পানির থলে—‘মশক’—নিয়ে ঘরে ঘরে পানি পৌঁছে দিতেন তারা। আধুনিক পানির লাইন বা বোতলজাত পানির যুগের অনেক আগে, এই ভিস্তিওয়ালারাই ছিলেন জীবনের অপরিহার্য অংশ। আজ সেই পেশা প্রায় বিলুপ্ত, কিন্তু ইতিহাসে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।উৎপত্তি ও শব্দের ইতিহাস:‘ভিস্তি’ শব্দটির মূল এসেছে ফারসি শব্দ ‘বেহেশ্ত’ থেকে, যার অর্থ স্বর্গ। পানি জীবনদায়ী—এই ধারণা থেকেই পানি বহনকারীদের সঙ্গে স্বর্গীয় উপমা জুড়ে যায়। মুঘল আমলে উপমহাদেশে এই পেশা সুসংগঠিত রূপ পায়। বিশেষ করে Mughal Empire-এর সময় রাজপ্রাসাদ, সেনাবাহিনী ও নগরজীবনে ভিস্তিওয়ালাদের গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত বেশি।কাজের ধরন ও জীবনযাপন:ভিস্তিওয়ালারা সাধারণত নদী, পুকুর বা কূপ থেকে পানি সংগ্রহ করতেন। ছাগল বা ভেড়ার চামড়া দিয়ে তৈরি মশকে পানি ভরে তারা কাঁধে তুলে নিতেন। দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করেও তাদের আয় ছিল অল্প। শহরের অলিগলি ঘুরে, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা মানুষের দরজায় দরজায় পানি পৌঁছে দিতেন। তাদের হাঁকডাক ছিল শহুরে জীবনের পরিচিত শব্দ।ঔপনিবেশিক আমলে ভূমিকা:ব্রিটিশ শাসনামলেও ভিস্তিওয়ালাদের চাহিদা কমেনি। British Raj-এর সময় সেনানিবাস, রেলস্টেশন ও সরকারি দপ্তরে পানি সরবরাহে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। অনেক ব্রিটিশ সেনা সদস্য তাদের স্মৃতিকথায় ভিস্তিওয়ালাদের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেছেন। যুদ্ধক্ষেত্রেও আহত সৈন্যদের পানি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করতেন তারা।অবক্ষয় ও বিলুপ্তি:উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে শহরে পাইপলাইনের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হতে শুরু করে। ধীরে ধীরে কলের পানি সহজলভ্য হওয়ায় ভিস্তিওয়ালাদের প্রয়োজন কমে যায়। আধুনিক নগরায়ন, প্রযুক্তির অগ্রগতি ও স্বাস্থ্যবিধির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই পেশা হারিয়ে যেতে থাকে। নতুন প্রজন্ম আর এই পেশায় আসতে চায়নি।ভিস্তিওয়ালা শুধু একটি পেশা নয়, বরং এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অংশ। তারা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একসময় মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কতটা কষ্ট ও শ্রম জড়িত ছিল। আজ হয়তো তাদের দেখা মেলে না, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় ও পুরোনো ছবিতে তারা বেঁচে আছেন। হারানো এই পেশার গল্প আমাদের ঐতিহ্য ও সামাজিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।/টিএ 

মার্চ ০৩, ২০২৬

অ্যাপেক্স স্টাইলে নাম্বার ওয়ান, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান

ঈদ মানেই নতুন সাজ, আর সেই সাজকে পরিপূর্ণ করতে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড এবার নিয়ে এসেছে এই ঈদের সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ। ঈদে স্টাইলের এক নতুন সংযোজন দিতে এপেক্স-এর এবারের ঈদ ক্যাম্পেইন, ‘স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান’। ১৯ বছর পর দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান ও অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব আবারও এক ফ্রেমে এপেক্স- এর ঈদ ক্যাম্পেইনে! এই জয়া-অপূর্বর উপস্থিতির মাধ্যমেই শুরু হলো এপেক্স-এর’ ‘স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান’ ঈদ সেলিব্রেশন। এই ক্যাম্পেইনের মূল চমক হলো পুরো ফ্যামিলির জন্য ম্যাচিং ঈদ কালেকশন। ছোট-বড় সবার জন্য হাজারো ট্রেন্ডি ডিজাইনের সমাহার নিয়ে এপেক্স এখন আপনার ফ্যামিলির ‘কমপ্লিট শপিং ডেসটিনেশন’। যদি আপনি খুঁজে পেতে চান, ঈদের ড্রেসের সাথে মানানসই সেরা হিলস বা জুতা, তবে এপেক্স-এর লেডিস রেঞ্জ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নতুন হাজারো কালেকশন নিয়ে। এই ঈদে এপেক্স-এর মেয়েদের নতুন ঈদ কালেকশনের ডিজাইন করা হয়েছে ট্রেন্ডি ডিজাইন, স্টাইল আর কমফোর্টের কথা মাথায় রেখে।শুধু তাই নয়, সবচেয়ে বড় জুতার কালেকশন নিয়ে এপেক্স এবার সাজিয়েছে প্রতিটি স্টোর সব বয়সের সকলের জন্য জুতা ও এক্সেসরিজ দিয়ে। ছোটদের দুরন্ত পায়ের জন্য রয়েছে কালারফুল আর কমফোর্টেবল কালেকশন, তেমনি বড়দের জন্য লেদার জুতা ও আরামদায়ক স্যান্ডেল। এক কথায়, এক ছাদের নিচেই পুরো ফ্যামিলির স্টাইল সল্যুশন! নিজের হোক বা গিফটের, এপেক্স- এর সাথে সব ফ্যামিলি হবে স্টাইলে নং.১ ফ্যামিলি। তাই দেরি না করে নিজের ফ্যামিলিকে নিয়ে আজই চলে আসুন নিকটস্থ এপেক্স স্টোরে। কারণ ঈদ আমেজে, স্টাইল আর কমফোর্টে এপেক্স-ই সবসময় নং.১।  

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে পিবিসিসিআই

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পর্তুগাল বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (পিবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট আবদুল আহাদ সালমান ও সেক্রেটারি জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শফিক।  তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সুশাসন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে।গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে। এই ফলাফল শুধু একটি নির্বাচনী বিজয় নয়, বরং দেশের ক্ষমতার ভারসাম্যে এক বড় রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সূচনা। এই বিজয় জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্খার প্রতিফলন।তারা বলেন, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন গতিতে এগোবে এবং প্রবাসী উদ্যোক্তা ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সহায়ক নীতি প্রণয়ন করা হবে বলে প্রত্যাশা করেন। বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বাণিজ্য ও শিল্পখাতে সহযোগিতা বাড়াতে সংগঠনটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে চায় পিবিসিসিআই।নেতৃদ্বয় মনে করেন, বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বিশেষ কর তথ্যপ্রযুক্তি ও স্টার্টআপ, কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি ও সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পোশাক শিল্প, পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হলে বাংলাদেশ রপ্তানি খাত সম্প্রসারিত হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনবে। সুনির্দিষ্ট নীতি সহায়তা পেলে এই খাতগুলোতে দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব বলে আশা করেন তারা।সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশ–পর্তুগাল জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশন গঠন, নিয়মিত সরকারি বৈঠকের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসী বিষয়ক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন দুই দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর চুক্তি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কূটনৈতিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশে পর্তুগালের ভিসা সেন্টার চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পর্তুগালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য লিগ্যাল সাপোর্ট, রেসিডেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং শ্রম অধিকার সুরক্ষায় উদ্যোগ বাড়ানো জরুরি। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সফল নেতৃত্ব কামনা করেছেন এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন  (বিজেএ) । শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯.৪৫ মিনিটে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনটির নেতারা।পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সংগঠনের সভাপতি পার্থ শারোথি দাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আল ইমরান, মোহাম্মদ শরীফ, পার্থ ঘোষ, ইসমাইল সিরাজী, রাজুসহ অন্যান্যরা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও কালের কন্ঠের জয়েন্ট নিউজ এডিটর পার্থসারথি দাস বলেন, নতুন সরকার প্রতিষ্ঠার পর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণ গণতন্ত্র চর্চা অব্যাহত রেখে একটি নতুন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে।বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং এটিএন বাংলা ডিজিটাল অনলাইনের নিউজ এডিটর আল ইমরান বলেন,  ভাষা আন্দোলনে যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আমরা স্মরণ করি। তিনি আরও বলেন, সকল সরকারি কার্যক্রম বাংলা ভাষায় পরিচালিত হোক এবং সব ভাষার আগে বাংলা ভাষাকে প্রধাণ্য দেয়া হোক সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।এদিন  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সবাই এক সূরে গেয়েছিলেন সেই চিরচেনা গান—“আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পরি?” এ বছর একুশে ফেব্রুয়ারির ৭৪তম বার্ষিকী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।/টিএ

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

বসন্তের আমেজে নর্থ সাউথে জমজমাট ‘পিঠা উৎসব ১৪৩২’

বসন্তেরফুরফুরে বাতাসে বাংলার আবহাওয়ায় এখন কেবল উৎসবেরআমেজ। উৎসবের এই আনন্দঘন পরিবেশেবাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মেরমাঝে তা তুলে ধরারলক্ষ্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিসোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব আয়োজন করেছে "পিঠা উৎসব, ১৪৩২”। ১৭ই ফেব্রুয়ারীবিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুও সুসংগঠিতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।উক্তআয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অন্যান্য সকলেরঙ্গিন ও দেশীয় সাজসজ্জায়অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থী, শিক্ষকও অন্যান্যরা নিজ উদ্যোগে স্টলস্থাপন করে এবং এইস্টলগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার প্রদর্শন ও পরিবেশন করাহয় যা ছিল এইআয়োজনের মূল আকর্ষণ।এছাড়াওক্লাবের উদ্যোগে পুরো মাঠ বর্ণীলসজ্জায় আলোড়িত ছিল। নানান ঐতিহ্যবাহীসজ্জা ও বাংলার গ্রামীণআবহতে রমরম করছিল চারিপাশ।অনুষ্ঠানেপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আজিজ আলকায়সার, সম্মানিত চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি এ ধরনেরসাংস্কৃতিক উদ্যোগকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিশ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণমাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন।ক্লাবেরপ্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম, পিঠা উৎসবকে ঘিরে ক্লাবের উৎসাহউল্লেখ করে বলেছেন, "পিঠাবাঙালী সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ।এটি তরুণ প্রজন্মের কাছেতুলে ধরতেই ক্লাবের এই আয়োজন"।ক্লাবেরফ্যাকাল্টি এডভাইজার জনাব মেজবাহ উলহাসান চৌধুরী বলেন, “ সমাজ সেবার পাশাপাশি, জাতির ঐতিহ্য রক্ষাও আমাদের দায়িত্ব। তাই আমরা বিশেষভাবেএই পিঠা উৎসব আয়োজনকরে থাকি।"এবারেরপিঠা উৎসবকে ঘিরে ক্লাবের সকলপ্রচেষ্টা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরো বর্ণিল ওআনন্দময় হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

মহান একুশে উপলক্ষে নিউইয়র্কে ঊনবাঙালের “উচ্চারণে মাতৃভাষার বিভাষ” আয়োজন

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিউইয়র্কে “উচ্চারণে মাতৃভাষার বিভাষ” শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে শিল্প-সাহিত্যের সংগঠন ঊনবাঙাল। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কুইন্স সেন্ট্রাল পাবলিক লাইব্রেরির প্রধান অডিটোরিয়ামে তিন ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের সূচিতে ছিল একুশের দলীয় সঙ্গীত, একক গান, স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি এবং কবি কাজী জহিরুল ইসলামের একক কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ। মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে প্রবাসী বাঙালিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আবেগঘন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন বুলা আফরোজ, মিতা হোসেন, মোহাম্মদ শানু, মাসুদুল ইসলাম টুটুল, মুক্তি জহির, আহসান হাবিব, শাহীনূর নদী, শামীমা শাম্মী, দেলোয়ারা কামাল, আবিদা সুলতানা, রওশন হক, দানিয়েল ইসলাম, রেণু রোজা, সুমন শামসুদ্দিন, নুরুল মোস্তফা রইসী, এম এ সাদিক ও মুন্না চৌধুরী প্রমুখ।“শুদ্ধ শিল্পের নিবিড় চর্চা” স্লোগানকে সামনে রেখে গত এক যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছে ঊনবাঙাল। সংগঠনটি প্রবাসে বাংলা ভাষার চর্চা অব্যাহত রাখা এবং নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করে আসছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

মাগুরায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচন প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাগুরায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের নির্বাচন প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেল সাড়ে তিনটায় মাগুরা শহরের নোমানী ময়দান মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ কমান্ডার মো. নুরুল হাসান ফরিদী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।সমাবেশের মূল আলোচক হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আনসারের মহাপরিচালক আব্দুল মোতালেব সাজ্জাত মাহমুদ। তিনি নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।সমাবেশে নির্বাচন আচরণবিধি মেনে দায়িত্ব পালন, ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে মোকাবিলা করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।আয়োজিত সমাবেশে জানানো হয়, মাগুরা জেলায় ৩ হাজার ৯১৩ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনকালীন ৩০১টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মাঝে নির্বাচনী পোশাক ও বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo