logo
youtube logotwitter logofacebook logo

শ্রমবাজার

‘শেখ হাসিনার প্রতি বিশ্ব নেতাদের আস্থা রয়েছে’ - image

‘শেখ হাসিনার প্রতি বিশ্ব নেতাদের আস্থা রয়েছে’

31 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফর তাঁর প্রতি বিশ্ব নেতাদের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাপানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বাংলাদেশের ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন। এছাড়া জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আগ্রহ দেখিয়েছেন ‘ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টি ওয়ান’ নিয়ে। জি সেভেন-এর মতো ধনী দেশগুলোর সম্মেলনে সম্মানীত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার যাচ্ছেন সৌদি আরবে। এদিকে আগামী ৩ জুন শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সফরে সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ দিনের সেই সফরে সৌদি বাদশাহর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি। এছাড়াও, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীরা সৌজন্য সাক্ষাত করবেন শেখ হাসিনার সঙ্গে। সৌদি সফরে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বাড়ানোসহ দুদেশের সম্পর্কোন্নয়ন হবে বলে আশা করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মে ৩১, ২০১৬
দেশে তিন মাসে বেকার বেড়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার - image

দেশে তিন মাসে বেকার বেড়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার

01 মে 2023, বিকাল 6:00

গত বছরের শেষ তিন মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশে বেকারের সংখ্যা ২ লাখ ৭০ হাজার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে। আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। বিবিএসের মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম কোয়ার্টারে (তিন মাসে) দেশে বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৯০ হাজার। আর গত বছরের শেষ কোয়ার্টারে এই সংখ্যা ছিল ২৩ লাখ ২০ হাজার। ত্রৈমাসিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে শ্রমশক্তিকে নিয়োজিত মোট জনগোষ্ঠী ৭ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার ও নারী ২ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার। এ ছাড়া বর্তমানে কর্মে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৭ কোটি ১১ লাখ। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার ও নারী ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার। আর শ্রমশক্তির বাইরে থাকা জনগোষ্ঠী ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার। তাদের মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ও নারী ৩ কোটি ৫২ লাখ। বিবিএসের তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে মোট বেকার ২৫ লাখ ৯০ হাজারের মধ্যে পুরুষ ১৭ লাখ ১০ হাজার ও নারী ৮ লাখ ৮০ হাজার। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শ্রমশক্তি জরিপে ১৫ ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। দেশব্যাপী ১ হাজার ২৮৪টি নির্বাচিত নমুনা এলাকায় দৈবচয়নের ভিত্তিতে ২৪টি করে সর্বমোট ৩০ হাজার ৮১৬টি পরিবারে (বছরে ১২৩,২৬৪টি খানায়) ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ৬৪টি জেলায় ১০৭ জন (মহিলা ৬৬ ও পুরুষ ৪১ জন) প্রশিক্ষিত তথ্য সংগ্রহকারী কর্তৃক মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগৃহীত হচ্ছে। এ জরিপের প্রাপ্ত-উপাত্ত হতে শ্রমশক্তি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সূচকসমূহের অগ্রগতি, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অগ্রগতি নির্ণয়ক সূচক এবং সর্বোপরি জাতীয় শ্রমশক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার ও কর্মসংস্থান এবং বেকারত্ব নিরসনে প্রয়োজনীয় নীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। শ্রমশক্তি জরিপের মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক কর্মসংস্থান, বেকারত্ব, শ্রম অভিবাসন ব্যয়, খাত এবং পেশাভেদে শ্রমশক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থান, কর্মঘণ্টা এবং মজুরি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়। এ জরিপের মাধ্যমে শ্রমবাজারের মৌসুমভিত্তিক তারতম্য সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি পাওয়া যায়।

মে ০১, ২০২৩
উদ্ভাবননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন সরকারের লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী - image

উদ্ভাবননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন সরকারের লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী

06 মে 2023, বিকাল 6:00

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং উদ্ভাবন-নির্ভর সমাজ বিনির্মাণে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের ফলে কোটি কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানান মন্ত্রী। রোববার (৭ মে) ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের আমন্ত্রণে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে যোগ গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সরকারের 'স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ রূপকল্পের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষ হবে, প্রযুক্তির মাধ্যমে সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সাধিত হবে, সরকার প্রযুক্তিগতভাবে স্মার্ট হবে এবং সমাজের সব স্তরে এর প্রতিফলন হবে। তিনি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থাকে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রণয়নের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে অভিহিত করে, শিক্ষাব্যবস্থার সর্বস্তরে প্রযুক্তির প্রসারে সরকার প্রণীত পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বৈষম্য সৃষ্টির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে মর্মে মন্তব্য করে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান- এই তিনটির মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষাজীবনে অর্জিত জ্ঞান যাতে কর্মক্ষেত্রে অনুপযোগী হয়ে না যায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষণ ও দক্ষতার উত্তরোত্তর উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার সুস্পষ্ট রূপরেখা সৃষ্টির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। সম্মেলনে অংশগ্রহণকালে শিক্ষামন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী চেয়ারপারসন প্রফেসর ক্লাউস শোয়্যাব এবং ফোরামের বর্তমান সভাপতি বর্গ ব্রেন্ডের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। এসময় তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের বৈশ্বিক আলোচনা এবং এতদসংশ্লিষ্ট বৈচিত্র্যময় চিন্তাভাবনাকে একটি কমন প্লাটফর্মে উপস্থাপনের প্রয়াসের জন্য তাদের প্রশংসা করেন। শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে কোভিড-১৯ এর কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং সময়ে সরকার কর্তৃক গৃহীত প্রচেষ্টা তাদের সামনে তুলে ধরেন। নানাবিধ ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ শ্রমবাজারের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, সে বিষয়ে নিবিড় ও বিস্তারিত গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেওয়ার জন্য তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামকে অনুরোধ জানান। বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীবৃন্দ, প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদবৃন্দ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, বিশ্বের নামকরা করপোরেট সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীরা ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

মে ০৬, ২০২৩
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক - image

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

21 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপির সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. আব্দুলমুতালিব এস এম সুলাইমানের এক সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর সাথে লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতের এ সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতেই লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত সেদেশের সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং বর্তমান সরকারের শুভকামনা জানিয়ে দু’দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে উল্লেখ করেন। বৈঠকে উভয়পক্ষ দু-দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সৌহাদ্য-সম্প্রীতি, সুষ্ঠু-সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল অভিবাসন, মানব পাচারের প্রতিরোধ, অনিয়মিত অভিবাসনকে নিরুৎসাহিত করণসহ লিবিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মী প্রেরণ বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল আলম, ‍যুগ্মসচিব মো. আবু রায়হান মিঞা এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঞাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২৪
বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার - image

বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

31 মে 2024, বিকাল 6:00

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া কর্মী নেওয়া বন্ধ করেছে। আপাতত সব সোর্স কান্ট্রি থেকেই কর্মী নেওয়া স্থগিত করেছে দেশটি। ফলে গতকাল রাত ১২টার পর থেকে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের জন্য বন্ধ হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গতকাল শেষ মুহূর্তে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য উপচে পড়া ভিড় ছিল ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। কিন্তু ভিসা পেয়ে, কয়েক লাখ টাকা খরচ করেও মালয়েশিয়া যেতে পারেনি প্রায় ৩১ হাজার বাংলাদেশি। শেষ মুহূর্তে বেশ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট আয়োজন করেও এ বিশালসংখ্যক ভিসাপ্রাপ্ত কর্মীকে পাঠানো যায়নি। ঋণ করে টাকা দিয়ে নিঃস্ব এসব কর্মী হাহাকার করেছে বিমানবন্দরে। গত দেড় বছরে প্রায় ৫ লাখ কর্মী যাওয়া মালয়েশিয়ার রাস্তা বন্ধ হওয়ায় বড় ধাক্কা খেল বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালে নানা প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করা হয়। এরপর মালয়েশিয়া থেকে পাওয়া চাহিদাপত্রের বিপরীতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। গত মার্চে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, আপাতত আর শ্রমিক নেওয়া হবে না। আর অনুমোদন ও ভিসা পাওয়াদের ৩১ মে’র মধ্যে মালয়েশিয়ায় ঢুকতে হবে। সর্বশেষ মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা থেকে গতকাল (৩১ মে) রাত ১২টার আগে পর্যন্ত ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদেরই কর্মী হিসেবে গ্রহণ করা হবে। রাত ১২টার পর ছেড়ে যাওয়া আর কোনো ফ্লাইটকে অনুমোদন দেওয়া হবে না। রাত ১২টা পর্যন্ত মালয়েশিয়া যেতে পেরেছে ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১০২ জন। সে হিসেবে মালয়েশিয়া যেতে পারেনি ৩০ হাজার ৮৪৪ জন ভিসা ও অনুমোদন পাওয়া বাংলাদেশি কর্মী। গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, শেষ দিনে মালয়েশিয়া যেতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করেছে হাজারো শ্রমিক। অনেকেই চার-পাঁচ দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছে। এজেন্সিগুলো আশ্বাস দিলেও মিলছে না ফ্লাইটের টিকিট। নাটোর থেকে আসা হাবিবুর রহমান নামে এক মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু বলেন, ‘পাঁচ দিন থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছি। কিন্তু বিমানের কোনো টিকিট পাচ্ছি না। এজেন্সি থেকে বলছে তারা চেষ্টা করছে, টিকিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। টিকিটের মূল্য ৪০ হাজার টাকা হলেও তারা প্রথমে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে। তখন বলেছিল টিকিটের দাম বেড়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার এজেন্সি থেকে বলা হয়, একটা টিকিট পাওয়া গেছে। এজন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তারা। এলাকা থেকে ঋণ করে এনে সেই অতিরিক্ত টাকা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো টিকিট পাইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় এক ইলেকট্রিক কোম্পানিতে চাকরি পেয়েছি। ভিসাও এসেছে ২০ দিন আগে। এর পর থেকে টিকিটের জন্য এজেন্সিকে তাড়া দিয়ে আসছি। এখন পর্যন্ত তারা আমার কাছ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নিয়েছে। জমি, গরু ও বউয়ের গয়না বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেছি। সর্বশেষ টিকিটের জন্য অতিরিক্ত টাকা ঋণ করে আনতে হয়েছে। এখন যদি আমি যেতে না পারি তাহলে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।’ মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা রুবেল হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘এজেন্সিকে টাকা দিয়ে বিপদে পড়েছি। ভিসা এসেছে প্রায় এক মাস আগে। এর পর থেকে টিকিটের জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা টিকিটের জন্য বারবার ঘোরাচ্ছে। এখন তারা বলছে এক সপ্তাহ পর আবার মালয়শিয়ার বিমান চালু হবে। তখন টিকিট দিতে পারবে।’ মাদারীপুর থেকে আসা আকবর আলী নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘আট-দশ দিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু কোনো টিকিট পাইনি। টিকিটের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে সব টাকা শেষ হয়ে গেছে। টাকার অভাবে গতরাতে বিমানবন্দরেই ঘুমিয়েছি। আমার কাছে আর মাত্র ৪০ হাজার টাকা আছে। এখন টিকিটের জন্য এজেন্সি দেড় লাখ টাকা চাইছে। এত টাকা আমি কোথায় পাব? সময়মতো টিকিট না পাওয়ায় এখন আর মালয়েশিয়া যেতে পারব কি না জানি না।’ রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু হওয়ার পর থেকে বিমানের টিকিট নিয়ে চলছিল হরিলুট। সর্বশেষ মার্চে মালয়েশিয়ায় ৩১ মে’র মধ্যে ঢোকার ঘোষণা আসার পর থেকে ছাড়িয়ে যায় সব সীমা। ২০ হাজার টাকার টিকিটে ১ লাখ টাকার বেশি দামে বিক্রি হয়। শেষে আর পাওয়াও যায়নি। সর্বশেষ এক সপ্তাহ চেষ্টা করেও কোনো বিমানেরই টিকিট পাওয়া যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে শেষ দিনে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এক মাস আগে থেকে এ ব্যবস্থা থাকলে এতসংখ্যক কর্মীকে হতভাগ্য হয়ে ফিরতে হতো না। অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না কর্মী বা এজেন্সিকে। জানা যায়, বাংলাদেশের অন্যতম আগ্রহের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০০৯ সালে প্রথম দফায় বন্ধ হয়েছিল। এরপর ২০১৬ সালের শেষে চালু হয় শ্রমবাজার। পরে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আবার বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। সেই শ্রমবাজার আবার চালু হয় ২০২২ সালে। এখন আবার কর্মী নেওয়া স্থগিত করল দেশটি। শ্রমবাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালয়েশিয়া সরকার নতুন কোটা বরাদ্দ করে বাংলাদেশসহ সব সোর্স কান্ট্রি থেকে আবার কর্মী নেওয়া শুরু করবে ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে।

মে ৩১, ২০২৪
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ৮৫ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে। - image

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ৮৫ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে।

23 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ৮৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এই চুক্তিতে সই করেছে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংক। বুধবার বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অর্থটি মূলত চট্টগ্রামের বে টার্মিনাল গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আধুনিকায়নে ব্যবহার করা হবে। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেয়েল মার্টিন বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করা প্রায় ২০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ অর্থায়ন কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি বাণিজ্য ও রপ্তানিতে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় কর্মজীবনে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। ‘বে টার্মিনাল মেরিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’-এর জন্য ৬৫০ মিলিয়ন ডলার এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘এসএসপিআইআরআইটি’-এর জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে একটি জলবায়ু সহনশীল বাঁধসহ আধুনিক অবকাঠামো তৈরি করা হবে, যা রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াবে এবং প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ডলার সাশ্রয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বে টার্মিনাল দেশের প্রায় ৩৬ শতাংশ কনটেইনার পরিবহনের দায়িত্ব নেবে এবং এটি ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে উন্নত পরিবহন ও বাজার সংযোগ সুবিধা দেবে। এছাড়া, এই প্রকল্প নারীদের জন্য বন্দর ও বাণিজ্য খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে। অন্যদিকে, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষকে নগদ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা শ্রমিকরা এতে অগ্রাধিকার পাবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে গেয়েল মার্টিন। অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজারও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই অর্থ সহায়তা বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে আসছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংক থেকে অনুদান, সুদবিহীন ও সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে ৪৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সহায়তা পেয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৫
জার্মানিতে কেমন বেতন পান প্রবাসীরা? - image

জার্মানিতে কেমন বেতন পান প্রবাসীরা?

22 জুলাই 2025, বিকাল 6:00

উন্নত জীবন যাপনের আশায় প্রতিবছর প্রবাস জীবন বেছে নেন বহু মানুষ। স্বপ্ন দেখেন, উন্নত এসব দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ভালো আয় করে পরিবারকে সুখে রাখার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সেখানে গিয়েই স্বপ্ন ভঙ্গ হয় বহু প্রবাসীর। বিদেশে গিয়ে শুধু সামাজিক নয়, বরং অর্থনৈতিক বৈষম্যেও পড়তে হয় অভিবাসীদের, বিশেষ করে আয় সংক্রান্ত ক্ষেত্রে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার-এ প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে উঠে এসেছে এই বাস্তবতা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানিতে অভিবাসীরা স্থানীয় জার্মানদের তুলনায় গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম বেতন পান। শুধু প্রথম প্রজন্ম নয়, দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীরাও আয়ের ক্ষেত্রে এমন বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। গবেষণায় জার্মানি ছাড়াও কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসসহ আটটি পশ্চিমা দেশের অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবস্থা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সব দেশেই কমবেশি আয়বৈষম্য রয়েছে। তবে সুইডেন ও কানাডা কিছুটা সফল হয়েছে এই ব্যবধান কমাতে। বিশেষত, দ্বিতীয় প্রজন্মের মধ্যে এ বৈষম্য প্রায় নেই বললেই চলে। তবে জার্মানিতে দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদের আয়বৈষম্য এখনো গড়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক গড়ের চেয়েও বেশি। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত অভিবাসীরা এমনকি তাদের উত্তরসূরিরাও এখনো অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আয়ের বৈষম্য দেখা গেছে স্পেনে যা গড়ে ২৯.৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে কানাডা, নরওয়ে , জার্মানি এবং ফ্রান্স। তবে অভিবাসীদের অর্থনৈতিক সমতা নিশ্চিত করতে হলে শুধু চাকরির সুযোগ নয়, প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি বৈষম্য হ্রাস এবং পরিকল্পিত নীতিমালা। বিশেষ করে দ্বিতীয় প্রজন্মের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ভাষা শেখার সুযোগ এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের বাধা দূর করার দিকে জোর দিতে হবে বলে মনে করেন গবেষকরা।   এমি/এটিএন বাংলা

জুলাই ২২, ২০২৫
এবার বিনা খরচে বাংলাদেশি শ্রমিক নিচ্ছে মালয়েশিয়া - image

এবার বিনা খরচে বাংলাদেশি শ্রমিক নিচ্ছে মালয়েশিয়া

20 আগস্ট 2025, বিকাল 6:00

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিবছর বিদেশে পাড়ি জমান বহু মানুষ। কিন্তু দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকের সে স্বপ্ন থমকে যায়। জমি-বাড়ি বিক্রি করে বিদেশে যাওয়ার পথ তৈরি করলেও বাস্তবে অনেকেই হয়ে পড়েছেন প্রতারিত। এমনকি বৈধপথে প্রতি বছর লাখ লাখ শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সুযোগ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ভিসা সিন্ডিকেট, দালাল ও দুর্নীতির কারণে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে মাথাপিছু ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। এমন করূণ অবস্থার অবসানে হঠাৎ এক সুখবর দিচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটি একেবারে বিনাখরচে বাংলাদেশি শ্রমিক নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এবার থেকে আর দালাল ধরে নয় বরং নিয়োগকর্তার খরচেই মালয়েশিয়ায় আসতে পারবেন শ্রমিকরা। ভিসা, মেডিকেল এমনকি বিমান ভাড়াসহ সব খরচই এখন থেকে নিয়োগকর্তাই বহন করবে। বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য এবার এমন অভিনব প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়া আসার সুযোগ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে এমন অভাবনীয় সুবিধা এবার থেকে পেতে চলেছে অভিবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা। জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নীতিমালা মেনে গড়ে তোলা হয়েছে ইউনিভার্সেল রিক্রুটমেন্ট প্রসেস (ইউআরপি) এবং ডাইরেক্ট লেবার রিক্রুটমেন্ট (ডিএলআর) প্ল্যাটফর্ম। আর পুরো সিস্টেমটাই চলবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে। ফলে শ্রমিক ও নিয়োগকর্তার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হবে, কোনো দালাল বা সিন্ডিকেট ঢুকতে পারবে না। শ্রমিকরা সরাসরি অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন, নিয়োগকর্তাও সরাসরি প্রার্থী বাছাই করবেন। ফলে অতীতে যেখানে একজন শ্রমিককে মালয়েশিয়া যেতে গুনতে হতো ৪-৫ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা), সেখানে এবার খরচ কার্যত শূন্য। শুধু প্রথম মাসের বেতন থেকে সার্ভিস চার্জ কেটে নেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অভিবাসন ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং শ্রমবাজারে বাংলাদেশ নতুন মর্যাদা পাবে। তবে এর বড় চ্যালেঞ্জও আছে। দেশের ভেতরে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা এবং অতীতের মানবপাচারের অভিযোগ এখনো ঝুলে আছে। এসব জটিলতা না মিটলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রবেশ আবারও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবুও আশার আলো জ্বলছে। মালয়েশিয়া ইতিমধ্যেই সাড়ে ২৪ লাখ কর্মীর জন্য কলিং ভিসা কোটা উন্মুক্ত করেছে। কৃষি, বাগান, নির্মাণ, সার্ভিস সেক্টরসহ ১৩টি খাতে বাংলাদেশিরা যেতে পারবেন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে,এবার সত্যিই যদি শূন্য খরচে শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হয়, তাহলে বাংলাদেশের অভিবাসন খাতে শুরু হবে এক নতুন যুগান্তকারী অধ্যায়। এমি/এটিএন বাংলা

আগস্ট ২০, ২০২৫
২০২৬ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হবে যে দেশ - image

২০২৬ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হবে যে দেশ

25 অক্টোবর 2025, বিকাল 12:45

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্তৃক প্রকাশিত অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে থাকবে এবং তাদের বার্ষিক গড় আয় ৩১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এরপরেই ২০২৬ সালে ২০.৬ ট্রিলিয়ন মাার্কিন ডলার অর্থনীতি নিয়ে চীন এবং ৫.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে য জার্মানি থাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে অপরিবর্তিত থাকবে। ভারত ৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি নিয়ে ২০২৫ সালে জাপানকে ছাড়িয়ে চতুর্থ স্থানে পৌঁছেছে এবং ২০২৬ সালেও একই অবস্থান ধরে রাখবে।জাপানের পর তালিকার ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য ৪,২২৫.৬৪ বিলিয়ন, ৭ম ফ্রান্স ৩,৫৫৮.৫৬ বিলিয়ন, ৮ম ইতালি ২,৭০১.৫৪ বিলিয়ন, ৯ম রাশিয়া ২,৫০৯.৪২ বিলিয়ন, এবং ১০ম কানাডা ২,৪২০.৮৪ বিলিয়ন।কিছুটা স্থিতিশীল শ্রমবাজার এবং অব্যাহত ভোক্তা ব্যয় এই আধিপত্যকে সমর্থন করে। তবে বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ববাজারকে বিপর্যস্ত করার এবং বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতির দাম বৃদ্ধিতে অবদান রাখার পর গত বছরের এই সময় থেকে এর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস নিম্নমুখী করা হয়েছে। সূত্র: ভিজুয়াল ক্যাপিটালিস্ট।/টিএ

অক্টোবর ২৫, ২০২৫
বিএনপির লক্ষ্য লাখো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি : তারেক রহমান - image

বিএনপির লক্ষ্য লাখো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি : তারেক রহমান

30 অক্টোবর 2025, বিকাল 7:26

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন,  বিএনপির লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোষ্টে তিনি এ কথা জানান।  তারেক রহমান বলেন, ‘যখন কোনো তরুণী মা পর্যাপ্ত শিশু পরিচর্যার সুযোগ না পেয়ে চাকরি ছেড়ে দেন, অথবা কোনো ছাত্রী পড়াশোনা বন্ধ করে দেন, তখন কী হয়? বাংলাদেশ হারায় সম্ভাবনা, উৎপাদনশীলতা এবং অগ্রগতি। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট- একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারী, গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির লক্ষ্য সহজ- এমন একটি আধুনিক, গণমুখী বাংলাদেশ গড়া, যেখানে কোনো নারীকে তার পরিবার ও ভবিষ্যতের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে না হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী পুরুষদের তুলনায় নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম; মোট পুরুষদের ৮০ শতাংশের বিপরীতে মোট নারীদের মাত্র ৪৩ শতাংশ কর্মজীবী। এই ব্যবধান আমাদের সতর্ক করছে যে আমরা আমাদের জাতির অর্ধেকেরও বেশি মেধা ও দক্ষতাকে পেছনে ফেলে যাচ্ছি। এই কারণেই বিএনপি সারা দেশে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে, যাতে শিশু পরিচর্যা (চাইল্ডকেয়ার) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হয়।’/টিএ

অক্টোবর ৩০, ২০২৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo