logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ব্লাড

আজ বিশ্ব রক্তদান দিবস - image

আজ বিশ্ব রক্তদান দিবস

13 জুন 2023, বিকাল 6:00

১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালিত হয়। ২০০৫ সাল থেকে  প্রতি বছর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। অগণিত মুমূর্ষু রোগীকে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে যারা জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেন, তাদের  মূল্যায়ন, স্বীকৃতি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্য বিশ্ব জুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য জনগণকে রক্তদানে এবং নিরাপদ রক্ত ব্যবহারে উত্সাহিত করা, স্বেচ্ছায় রক্তদানে সচেতন করা এবং নতুন নতুন রক্তদাতা তৈরি করা। এ দিবস পালনের আরো উদ্দেশ্য জনগণকে প্রাণঘাতী রক্তবাহিত রোগ এইডস, হেপাটাইটিস ‘বি’ ও হেপাটাইটিস ‘সি’সহ অন্যান্য রোগ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য স্বেচ্ছা রক্তদান ও রক্তের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। আমাদের ভালো কাজ, ভালো চিন্তা, মহত্ উদ্যোগ মানবজাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এরূপ একটি কল্যাণকর কাজ হলো ‘রক্তদান’। স্বেচ্ছায় রক্তদানে অন্য মানুষের মূল্যবান প্রাণ রক্ষা পায় এবং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত থাকে। রক্তদানের ব্যাপারে ইসলাম ধর্মেও কোনো বিধিনিষেধ নেই। কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে,  ‘যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে রক্ষা করে, তবে যেন সে সমস্ত মানুষকে রক্ষা করল।’ (সুরা আল মায়িদা :আয়াত ৩২)। স্বেচ্ছায় রক্তদান করলে তা মানুষের অনেক উপকারে আসে। অন্যদিকে সামর্থ্যবান রক্তদাতাও পরোপকারের মাধ্যমে দৈহিক ও মানসিক দিক দিয়ে উজ্জীবিত হয়ে সুস্থ, সবল ও নিরাপদ থাকেন। এজন্য বিশ্বমানবতার উপকার ও জীবন রক্ষার্থে হজরত রসুলুল্লাহ (স.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘তোমাদের কেউ তার অন্য ভাইয়ের উপকার করতে সক্ষম হলে, সে যেন তা করে।’ (সহিহ মুসলিম) রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের আবিষ্কারক ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের জনক অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ী জীববিজ্ঞানী ও চিকিত্সক কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৮৬৮ সালের ১৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯০০ সালে ব্লাড গ্রুপ আবিষ্কার করেন। তার এই আবিষ্কার উন্মোচন করে দিয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক বিশাল অধ্যায়।  জন্মদিনে তাকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানাতে ১৪ জুন উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব রক্তদান দিবস’। প্রতি বছরই এই দিবসের একটি প্রতিপাদ্য থাকে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রক্ত দিন, প্লাজমা দিন, জীবন ভোগ করুন, অধিকাংশ শেয়ার দিন।’ রক্ত অবশ্যই মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। রক্তের বিকল্প শুধু রক্তই। অতি প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি কলকারখানায় তৈরি হয় না। মানুষের রক্তের প্রয়োজনে মানুষকেই রক্ত দিতে হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে আজ পর্যন্ত রক্তের কোনো বিকল্প আবিষ্কার হয়নি। রক্তের অভাবে যখন কোনো মানুষ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়, তখন অন্য একজন মানুষের দান করা রক্তই তার জীবন বাঁচাতে পারে। তাই এর চেয়ে মহত্ কাজ আর কী হতে পারে? জীবন বাঁচাতে রক্তদান এতই গুরুত্বপূর্ণ যে বলা হয়—‘করিলে রক্তদান, বাঁচিবে একটি প্রাণ’, ‘আপনার রক্ত দিন, একটি জীবন বাঁচান,’ ‘সময় তুমি হার মেনেছ রক্তদানের কাছে, ১০টি মিনিট করলে খরচ একটি জীবন বাঁচে।’ ধর্ম-বর্ণ-জাতিনির্বিশেষে সবার রক্তই একই রকম, লাল রঙের। সবকিছুতেই বিভেদ থাকলেও এর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। মানুষের শরীরে রক্তের প্রয়োজনীয়তা এত বেশি যে, রক্ত ছাড়া কেউ বেঁচে থাকতে পারে না। মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে প্রায়ই জরুরি ভিত্তিতে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। যেমন—অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে, দুর্ঘটনায় আহত রোগী, অস্ত্রোপচারের রোগী, সন্তান প্রসবকালে, ক্যানসার বা অন্যান্য জটিল রোগে, অ্যানিমিয়া, থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া, ডেঙ্গু হিমোরেজিক ফিভার ইত্যাদি রোগের কারণে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের মতো দেশে বছরে ৫-৭ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, যার মাত্র ৩১ ভাগ পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতার মাধ্যমে। বাকি রক্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে পেশাদার রক্তদাতা এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। ১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর  নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও  ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়। তবে রক্ত যারা দিতে পারেন না—(১) রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে (পুরুষদের ন্যূনতম ১২ গ্রাম/ডেসিলিটার এবং নারীদের ন্যূনতম ১১ গ্রাম/ডেসিলিটার)। (২) রক্তচাপ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে। (৩) কিছু রোগ শনাক্ত হলে, যেমন—হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’, জন্ডিস, এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি। (৪) শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগ; যেমন, হাঁপানি, সিওপিডি, হৃদরোগ, অন্য কোনো জটিল রোগ। (৫) অন্তঃসত্ত্বা নারী, ঋতুস্রাব চলাকালীন, সন্তান জন্মদানের এক বছরের মধ্যে। (৬) যারা কিছু ওষুধ সেবন করছেন, যেমন—কেমোথেরাপি, হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। (৭) ছয় মাসের মধ্যে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা অপারেশন হলে। অনেকে রক্তদানে ভয় পান। কেউ কেউ ভাবেন, এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে, দুর্বল হয়ে পড়বেন বা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়বেন। কেউ আবার মনে করেন এতে হৃদপিণ্ড দুর্বল বা রক্তচাপ কম হয়, এমনকি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা করেন। তদুপরি কিছু সামাজিক বা ধর্মীয় কুসংস্কার আর অজ্ঞতা অনেক সময় মানুষকে রক্তদানে নিরুত্সাহিত করে। বলা বাহুল্য, এগুলো সম্পূর্ণ অমূলক। কেউ ধর্মের দোহাই দিয়ে বলেন, রক্তদান করা নিষিদ্ধ, তাই অন্যকে রক্তদান থেকে বিরত রাখেন। কিন্তু এগুলোর কোনো ভিত্তিই নেই। যে কোনো সুস্থ-সবল মানুষ রক্তদান করলে রক্তদাতার স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হয় না। এমনিতেই রক্তের লোহিত কণিকাগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চার মাস পরপর নষ্ট বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। সুতরাং এমনি এমনি নষ্ট করার চেয়ে তা স্বেচ্ছায় অন্যের জীবন বাঁচাতে দান করাই উত্তম। বরং রক্তদানে যেসব উপকার হয়; তা হলো, (১) রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। (২) নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। (৩) রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। (৪) অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। (৫) যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো। আয়রন কমাতে সহায়তা করে। (৬) রক্ত দেওয়ার সময় রক্তের গ্রুপিং করা হয়। ফলে রক্তদাতা তার রক্তের গ্রুপ জানতে পারেন। (৭) সাধারণত যে সংস্থার কাছে রক্ত দেওয়া হয়, তারা একটি ‘ডোনার কার্ড’ তৈরি করে দেয়। এই কার্ডের মাধ্যমে একবার রক্ত দিয়েই রক্তদাতা আজীবন নিজের প্রয়োজনে ঐ সংস্থা থেকে রক্ত পেতে পারেন। তাই নিজের ক্ষতি যেখানে হবে না, বরং লাভই হবে এবং একজন মানুষের জীবনও বাঁচবে, তাহলে আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসব না কেন? সরকারি-বেসরকারিভাবে যারা এই রক্ত সংগ্রহের কাজে জড়িত তারা কিছু বিষয়ে রক্তদাতাদের উত্সাহিত করতে পারেন। যেমন—তাদের সঠিক মূল্যায়ন করা, পুরস্কারের ব্যবস্থা করা বা অন্য কোনোভাবে সম্মানিত করা ইত্যাদি। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদাতার সংখ্যা বেড়ে যাবে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও উত্সাহ বৃদ্ধি পাবে। মিডিয়া, রাজনীতিবিদ ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও ধর্মীয় নেতারা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। মনে রাখতে হবে, আমার শরীরের রক্তে আরেকটি জীবন রক্ষা করছে। পৃথিবীর আলো-বাতাস উপভোগের অপার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাই পরোপকারই হোক আমাদের জীবনের ব্রত।  যখন পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে অশান্তি, সংঘাত আর বিদ্বেষের বাষ্প, ঠিক তখনই আমরা একবাক্যে বলতে চাই, ‘রক্ত দিয়ে যুদ্ধ নয়, রক্ত দিয়ে জীবন জয়।’

জুন ১৩, ২০২৩
সুষ্ঠূ নির্বাচন আয়োজনে সব ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ : আইজিপি - image

সুষ্ঠূ নির্বাচন আয়োজনে সব ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ : আইজিপি

11 ডিসেম্বর 2023, বিকাল 6:00

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। অবৈধ অস্ত্রধারী এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শিরু মিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশ পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে নাশকতাকারীদের দাঁড়ানোর সামর্থ্য নেই। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেড় শ’ বছরের পুরোনো একটি প্রতিষ্ঠান। আমরা এরমধ্যে অনেক নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করে আসছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আমাদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ আছে, লজিস্টিকস ও ইক্যুইপমেন্টও আছে। তফসিল ঘোষণার পর আমরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। আইজিপি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের তালিকা পাইনি, তবে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশনা পেয়েছি। সন্ত্রাসী-অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান আমরা সবসময়ই করি, এখনও করছি। প্রতিনিয়ত তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
তামিমের পর মাঠে অসুস্থতা, এবার ভেঙে পড়লেন আম্পায়ার - image

তামিমের পর মাঠে অসুস্থতা, এবার ভেঙে পড়লেন আম্পায়ার

08 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) কদিন আগে মাঠে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তামিম ইকবাল। আজ বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে ঠিক তেমনই আরেকটি ঘটনা ঘটেছে। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও অগ্রণী ব্যাংকের ম্যাচে টসের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন দায়িত্বপ্রাপ্ত আম্পায়ার গাজী সোহেল। সূত্র জানায়, টস শেষে গাজী সোহেল শারীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করেন এবং কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ঘুমাতে না পেরে মাথা ঘোরার কথা জানান তিনি। এরপর ম্যাচ রেফারি দেবব্রত পালের পরামর্শে দ্রুত তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিকেএসপির মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়। মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক সামির উল্লাহ ‘আজকের পত্রিকাকে’ জানান, ‘আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, তিনি রাতে ঠিকমতো ঘুমাননি। এ কারণে শরীরে দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিক থাকলেও হার্টরেট কিছুটা বেশি ছিল। বর্তমানে তিনি বিশ্রামে রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আধা ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে আছেন, এরপর ছেড়ে দেওয়া হবে।’ গাজী সোহেল অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর পরিবর্তে ম্যাচে আম্পায়ারিং করছেন চতুর্থ আম্পায়ার শারফুদ্দিন আহমেদ। সঙ্গে রয়েছেন হাবিবুর রহমান।

এপ্রিল ০৮, ২০২৫
প্রযোজক হিসেবে সামান্থার প্রথম মিশন - image

প্রযোজক হিসেবে সামান্থার প্রথম মিশন

27 এপ্রিল 2025, বিকাল 6:00

দুটি বছর আগে, নিজের পছন্দের গল্পগুলো দর্শকদের সামনে আনার লক্ষ্য নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চালু করেছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। তার প্রতিষ্ঠানের নাম ট্রালালা মুভিং পিকচার্স, এবং ইতিমধ্যেই তারা একটি সিনেমা তৈরি করেছে। সামান্থা প্রযোজিত প্রথম সিনেমার নাম ‘শুভম’। আগামী ৯ মে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে তেলুগু ভাষার এই সিনেমাটি, এবং এর ট্রেলার সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে, যা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রথম সিনেমায় ভিন্ন ধরনের বিষয় উপস্থাপন করার জন্য প্রযোজক সামান্থাও প্রশংসিত হচ্ছেন। বর্তমান সময়ে বলিউড ও দক্ষিণি সিনেমায় অনেক সময় দেখা যায় উগ্র পুরুষতন্ত্রের জয়গান, তবে শুভম সিনেমাটি তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে নারীশক্তির বিষয়টি হরর ও কমেডি ঘরানায় তুলে ধরেছে, এবং পুরুষতন্ত্রকে কটাক্ষ করেছে। সিনেমাটির কাহিনি একটি উপশহরের কিছু দম্পতির গল্প নিয়ে। ট্রেলারে দেখা যায়, কিছু পুরুষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে কীভাবে তারা তাদের স্ত্রীর উপর শাসন বজায় রাখে এবং নিজেদের ‘আলফা মেল’ হিসেবে দাবি করে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন একটি টিভি সিরিয়াল প্রচারিত হতে শুরু করে। সেই সিরিয়ালের প্রভাব পড়তে থাকে এলাকাবাসী নারীদের ওপর, এবং তারা অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করে। তারা স্বামীদের উপেক্ষা করে, এমনকি তাদের ওপর নির্যাতনও চালাতে থাকে। বিপদে পড়েন পুরুষরা, এবং তাদের উদ্ধারের জন্য সিনেমায় 'মাতা' নামক একটি চরিত্রের আগমন ঘটে। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামান্থা। প্রাভিন কান্দ্রেগুলা পরিচালিত ‘শুভম’ সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন হারশিত মালগিরেড্ডি, শ্রেয়া কোন্থাম, চরণ পেরি, শালিনী কোন্ডেপুদি এবং অন্যান্য। সামান্থা বলেন, ‘আমরা একটি সিনেমা তৈরি করতে চেয়েছিলাম, যা দর্শকদের ভাবাবে এবং চিন্তার খোরাক দেবে। ট্রালালা মুভিং পিকচার্সের প্রথম প্রচেষ্টায় সেটা দর্শকরা পাবেন। শুভম নিয়ে আমি উত্তেজিত এবং খুব আগ্রহী এই সিনেমাটি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে।’ এছাড়া, হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে যে, ‘শুভম’ ছাড়াও সামান্থার প্রযোজনায় তৈরি হচ্ছে ‘মা ইনতি বানগারাম’ নামের একটি নতুন সিনেমা, যেখানে প্রধান চরিত্রে থাকবেন তিনি। বর্তমানে সামান্থা রাজ ও ডিকের পরিচালনায় ‘রক্ত ব্রহ্মাণ্ড: দ্য ব্লাডি কিংডম’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২৫
এবার বাংলাদেশ থেকে দেখা মিলবে সুপারমুন - image

এবার বাংলাদেশ থেকে দেখা মিলবে সুপারমুন

07 অক্টোবর 2025, সকাল 12:00

গত সেপ্টম্বরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সাক্ষী হয়েছিল বিরল এক চন্দ্রগ্রহণের যা ব্লাডমুন নামে পরিচিত। এবার চাঁদপ্রেমীদের জন্য আবারও দারুণ খবর। ব্লাডমুনের পর এবার সুপারমুন দেখবে বিশ্ব। আর বাংলাদেশ থেকেও এটি দেখা যাবে স্পষ্ট ও খালিচোখেই। চলতি বছরের প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে আগামী ৬ অক্টোবর। এ সময় চাঁদ তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি চলে আসবে। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় চাঁদকে বেশ বড় এবং উজ্জ্বল দেখা যাবে। জ্যোতির্বিদদের ভাষায়, এই সময়ের সুপারমুনকে বলা হয় হার্ভেস্ট মুন, যা প্রতি বছর শরৎ ঋতুর শুরুতে দেখা যায়। চলতি বছর পরপর তিনটি সুপারমুন দেখার সুযোগ মিলবে। এর প্রথমটি হচ্ছে এই অক্টোবরের হার্ভেস্ট মুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৫ সালের হার্ভেস্ট মুন শারদ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে ঘটবে। বিষুবের সময় সূর্য পৃথিবীর নিরক্ষরেখার ওপর দিয়ে অতিক্রম করে বলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। এই সময় উদিত পূর্ণিমার চাঁদকে সাধারণের তুলনায় বড়, সোনালি-কমলা রঙের এবং অধিক উজ্জ্বল মনে হয়, বিশেষ করে যখন এটি দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান করে। সাধারণত পূর্ণিমার চাঁদ দ্রুত ওঠে না, তবে হার্ভেস্ট মুনের সময় চাঁদ স্বাভাবিকের তুলনায় তাড়াতাড়ি ওঠে এবং একাধিক রাত ধরে আকাশে বড় আকৃতিতে দৃশ্যমান থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় এটি অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। ৬ ও ৭ অক্টোবর দুই রাতেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে দেখা যাবে এই সুপারমুন। বিশেষ করে চাঁদ যখন দিগন্তরেখার কাছাকাছি থাকবে, তখন সেটি আরও বড় এবং গাঢ় সোনালি-কমলা রঙের দেখাবে। সুপারমুন দেখার জন্য কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন নেই। খোলা আকাশে দিগন্ত বরাবর তাকালেই এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। তবে শহরের কোলাহল থেকে দূরে, আলোদূষণমুক্ত কোনো জায়গায় গেলে এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।       এমি/এটিএন বাংলা

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত - image

বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

02 এপ্রিল 2026, বিকাল 6:42

বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির উদ্যোগে ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এ আয়োজনটি রংপুর জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে।সম্মেলনে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাসভিত্তিক মোট ১২টি টিমের প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি সংগঠনের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ৭টি জেলা, ৩টি উপজেলা এবং ২টি ক্যাম্পাস টিম প্রতিনিধিত্ব করে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আনিসুজ্জামান নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ তানবীর হোসেন আশরাফী (সভাপতি, বাংলার চোখ, সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী) এবং ইফতেখার আলম (জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর, রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট)। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।বর্তমানে বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সাইদ খান। তার নেতৃত্বে সারাদিনব্যাপী এ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়।সম্মেলনে রক্তদানের গুরুত্ব, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিকতা ও সেবার মানসিকতা আরও জোরদার হবে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo