logo
youtube logotwitter logofacebook logo

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

পাকিস্তান তো দেউলিয়া হয়েই গেছে, সমাধান আইএমএফের কাছে নেই - image

পাকিস্তান তো দেউলিয়া হয়েই গেছে, সমাধান আইএমএফের কাছে নেই

19 ফেব্রুয়ারি 2023, বিকাল 6:00

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, তার দেশ ইতিমধ্যেই দেউলিয়া হয়ে গেছে। তিনি বলেন, দেশের এই পরিস্থিতির জন্য সরকার, আমলা ও রাজনীতিকসহ সবাই দায়ী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, গত ৭৫ বছরে ২৩ বার আইএমএফের দ্বারস্থ হয়েছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ায় আর কোনো দেশ এতবার আইএমএফের কাছে হাত পাতেনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যে দেশটিতে সংকট আরো ঘনীভূত হতে পারে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ সিয়ালকোটের একটি কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় খাজা আসিফ বলেন, কানে এসেছে পাকিস্তান দেউলিয়া হতে চলেছে। খবরটা ঠিক নয়। খবর হলো, আমরা এমন একটা দেশে বাস করছি, যে দেশ ইতিমধ্যেই দেউলিয়া হয়ে গেছে। নতুন করে দেউলিয়া হওয়ার কিছু নেই। আর এই পরিস্থিতির জন্য অন্য কেউ দায়ী নয়। দায়ী সরকার, সরকারি আমলা থেকে শুরু করে নেতা-মন্ত্রীরা। সমস্যা আমাদের তৈরি, সমাধান আমাদেরই করতে হবে। এবার নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে বলেও উল্লেখ করেন খাজা আসিফ। আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা দ্বিতীয় কেউ আমাদের সমস্যার সমাধান করে দিতে পারবে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এও বলে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান এখনো পর্যন্ত ২৩ বার আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের দ্বারস্থ হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া তারাই একমাত্র দেশ যার ৭৫ বছরের মধ্যে এত বার আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের কাছে হাত পেতেছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে। পাকিস্তানে নিত্যপণ্যের দাম উচ্চ পর্যায়ে। এক লিটার দুধের দাম ২৫০ রুপি এবং এক কেজি মুরগির মাংস ৭৮০ রুপি। দেশের এই পরিস্থিতির জন্য আসিফ আগের ইমরান খান সরকারকেই দূষছেন। তার অভিযোগ, ইমরানের সরকারের আমলেই দেশে ফের সন্ত্রাসবাদের আমদানি হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ রয়েছে পাকিস্তানেই। তার কথায়, ‘আমরা আইএমএফের (আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার) সাহায্যের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। খাজা আসিফের বক্তব্যের এই ভিডিও এখন ভাইরাল। এ নিয়ে শাহবাজ শরিফ সরকারকে একহাত নিয়েছেন বিরোধী পিটিআই (পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ) নেতারা। তাদের অভিযোগ, গত ১০ মাসে দেশকে শোচনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার। সুত্রঃ  ডন ও লাইভ মিন্ট ডটকম

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী - image

পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

15 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

চার বছর ধরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করা বেন ওয়ালেস পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রিসভায় পরবর্তী রদবদলের সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি। একইসঙ্গে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দেন তিনি। রোববার (১৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। বিবিসি জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভায় পরবর্তী রদবদল হতে পারে। সেই রদবদলের সময় প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক তার মন্ত্রিসভার শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন মন্ত্রীকে রদবদলের পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। তবে সেটির নির্দিষ্ট কোনও তারিখ এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেন ওয়ালেস যুক্তরাজ্যের তিনজন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাজ্য যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তাতে বড় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।ওয়ালেস বলেছেন, রাজনীতির কারণে তার পরিবারের ওপর যে প্রভাব পড়েছে সে জন্যই তিনি ফ্রন্টলাইন রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ছাড়া তার মিত্ররাও জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তটি ঋষি সুনাকের নেতৃত্বের প্রতি কোনো ধরনের ভাবনা থেকে নেয়নি ওয়ালেস। বিবিসি জানায়, ওয়ালেসের মন্ত্রিসভা ছাড়ার বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা চলছে। সানডে টাইমসকে দেওয়া তার এই ঘোষণা সেই গুঞ্জনকেই নিশ্চিত করল। এর আগে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাককে মন্ত্রিসভা থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন ওয়ালেস। প্রসঙ্গত সাবেক আর্মি ক্যাপ্টেন বেন ওয়ালেস ২০০৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হন। এর আগে অবশ্য ১৯৯৯ সালে স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতিতে নাম লেখান তিনি। এরপর ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সরকারের জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে দায়িত্ব পান তিনি।

জুলাই ১৫, ২০২৩
উত্তেজনা বাড়ছে নাইজারে, লড়াইয়ের শঙ্কা - image

উত্তেজনা বাড়ছে নাইজারে, লড়াইয়ের শঙ্কা

06 আগস্ট 2023, বিকাল 6:00

পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলির জোট রোববার পর্যন্ত নাইজারের সেনা শাসককে সময় দিয়েছিল। সেনা সেই সময়সীমাকে গুরুত্ব দেয়নি। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলি নিয়ে গঠিত সংস্থা ইকোনমিক কমিউনিটি অফ ওয়াস্টার্ন আফ্রিকান স্টেটস (ইকোয়াস)। নাইজারে সদ্য গঠিত সেনা শাসককে তারা জানিয়েছিল, রোববারের মধ্যে শাসনক্ষমতা দেশের গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ফেরত দিতে হবে। নইলে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলি যৌথভাবে নাইজারের সেনা শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষণা করবে। কিন্তু বাস্তবে নাইজারের হুন্টা সরকার সেই হুমকিতে কান দেয়নি। তারা দুইটি ঘোষণা দিয়েছে। এক, দেশের আকাশসীমা আপাতত বন্ধ রাখা হবে। বহির্শত্রুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতেই এই সিদ্ধান্ত বলে তারা জানিয়েছে। দুই, বিদ্রোহী সেনা অফিসারদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদ দেওয়া হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট পদে বসেছেন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের চিফ গার্ড। দেশের সংবিধান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত সরকারি দপ্তর থেকে সাবেক কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশে সামরিক শাসন জারি করা হয়েছে। দেশের সাবেক প্রধান এখনো সেনার জিম্মায়। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলি তার হাতেই পুনরায় ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা একত্রে যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, তাতে বলা হয়েছিল, রোববারের মধ্যে সেনা ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে তারা আক্রমণ করতে বাধ্য হবেন। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি আরো একটা যুদ্ধ শুরু হবে নাইজারে? বিশ্বের গরিবতম দেশগুলির অন্যতম নাইজার। ইসলামিক সন্ত্রাসীরা এই অঞ্চলে অত্যন্ত সক্রিয়। মনে করা হচ্ছে, সেনার যে অংশ ক্ষমতা দখল করেছে তাদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের যোগাযোগ আছে। এদিকে সেনার এই অভ্যুত্থানে রাশিয়ার প্রাইভেট সেনা ভাগনারের হাত আছে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষমতা দখলের পর নাইজারের রাস্তায় রাশিয়ার পতাকা উড়তে দেখা গেছে। দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে পড়েছে। সেনার সমর্থনে তারা পিপলস মিলিশিয়া গ্রুপ তৈরি করে ফেলেছে। রাস্তায় রাস্তায় তারা অস্ত্র হাতে পাহারা দিচ্ছে।

আগস্ট ০৬, ২০২৩
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত - image

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত

03 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভকে বরখাস্ত করার জন্য পার্লামেন্টের কাছে অনুরোধ করেছেন দেশটির প্রেসিযেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। তার জায়গায় ইউক্রেনের প্রধান বেসরকারিকরণ তহবিলের প্রধান রুস্তেম উমেরভকে নিয়োগ করার সুপারিশও তিনি করেছেন। রোববার রাতে জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভিডিও ভাষণে এই ঘোষণা দেন জেলেনস্কি। রাশিয়ার সাথে যুদ্দ হওয়ার পর এটা হবে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। রেজনিকভকে ২০২১ সালের নভেম্বরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ করা হয়েছিল। তিনি যুদ্ধপ্রয়াসে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাশ্চাত্য সহায়তা সংগ্রহ করেছিলেন। তবে তার মন্ত্রণালয়কে ঘিরে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ ছিল। তিনি অবশ্য এসব অভিযোগকে সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবে উড়িয়ে দিয়ে আসছিলেন। জেলেনস্কি বলেন, 'আমি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওলেকসি রেজনিকভ পূর্ণ যুদ্ধের ৫৫০ দিনেরও বেশি সময় ছিলেন। আমি বিশ্বাস করি, এই মন্ত্রণালয়ের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা দরকার, সামরিক বাহিনী ও সমাজের মধ্যে আরো মতবিনিময় হওয়া উচিত।' প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পরিবর্তন অবশ্যই পার্লামেন্টে অনুমোদিত হতে হবে। তবে ভারর্কোবনা রাডার বেশিভাগ আইনপ্রণেতা তা অনুমোদন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী উমেরভের বয়স ৪১ বছর। তিনি সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য এবং ক্রিমিয়ান তাতার। তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইউক্রেনের স্টেট প্রপার্টি ফান্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কৃষ্ণসাগরীয় শস্য চুক্তির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। রেজনিকভ মিত্রদের সরবরাহ করা এফ-১৬ যুদ্ধবিমান আগামী বসন্তে মোতায়েন করা হবে- এমন মন্তব্য করার পরপরই জেলেনস্কি তাকে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
ইন্টারনেটের গতি কমানোয় পাকিস্তানে বাড়ছে ক্ষোভ-নিন্দার ঝড় - image

ইন্টারনেটের গতি কমানোয় পাকিস্তানে বাড়ছে ক্ষোভ-নিন্দার ঝড়

17 আগস্ট 2024, বিকাল 6:00

ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে পাকিস্তান সরকার। রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের অংশ হিসেবে এমনটি করছে দেশটির সরকার বলে রয়েছে অভিযোগ। এর প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতির ওপর। এতে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ী নেতারা। মানবাধিকার কর্মীরাও তুলে ধরেছেন এর নেতিবাচক প্রভাব। খবর এএফপির। গত জুলাই মাস থেকে পাকিস্তানে ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিকের চাইতে ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। দেশটির আইটি অ্যাসোসিয়েশন এই তথ্য দিয়েছে। এর ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী এক কোটিরও বেশি গ্রাহক তাদের ডকুমেন্ট, ইমেজ, ভয়েস নোট পাঠাতে ভীষণ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। ডিজিটাল প্লাটফর্মের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্র ফায়ারওয়াল নামের একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটরিংসহ অনলাইন স্পেস নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ডিজিটাল অধিকারকর্মী ও বিশেষজ্ঞ উসামা খিলজি এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ন্যাশনাল ফায়ারওয়াল এবং কন্টেন্ট ফিল্টারিং সিস্টেম প্রবর্তনের কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। এই ব্যবস্থাটি চালু করা হয়েছে রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি করতে, বিশেষ করে রাজনীতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর নাকগলানোর বিষয়ে যারা সোচ্চার তাদের দমন করতে।’ পাকিস্তানের সরকারি কর্তৃপক্ষ এই কাজে টার্গেট হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপকে বেছে নিয়েছে এর এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন ক্ষমতার কারণে এতে তৃতীয়পক্ষ অনুপ্রবেশ করতে পারে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় একজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের নেতৃত্বে পাকিস্তানের টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ এসব কাজ করে থাকলেও ইন্টারনেটের গতি কমানোর জন্য কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় সংস্থাটি। দেশটির লাখ লাখ নাগরিক ইতোমধ্যে অনুমান করে নিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনেই চলছে এসব কাজ। পাকিস্তানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত সেনাবাহিনী অবমশ্য বলেছে ‘ডিজিটাল সন্ত্রাস’ ঠেকাতে কাজ করছে তারা। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন এই ‘ডিজিটাল ব্যাঘাতের’ কাজটি হচ্ছে মূলত কারান্তরীণ বিরোধী দলের নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকদের টার্গেট করে। তরুণদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয় এই নেতার সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন ভোটার যারা সংখ্যায় অনেক। গতকাল শনিবার (১৭ আগস্ট) পাকিস্তান বিজনেস কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এহসান মালিক বলেন, ‘ফায়ারওয়াল যদি নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য হয় তবে হাজার হাজার ফ্রিল্যান্স সফটওয়্যার ডেভেলপারের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এর সঙ্গে আইটি শিল্পে পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নটি জড়িত।’এদিকে, অধিকারকর্মীরা সরকারের সেন্সরশিপের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়টির ভীষণ সমালোচনা করেছেন। গত নির্বাচনের পর থেকে এই রক্ষণশীল দেশটিতে সামাজিক প্লাটফর্ম এক্স নিষিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি ইমরানের দলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দলের সদস্যরা আটক ও গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হচ্ছেন।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর! - image

কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর!

05 এপ্রিল 2026, বিকাল 4:19

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাদানুবাদ এবার চরম রূপ নিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক বিস্ফোরক মন্তব্যে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে দিল্লি কোনো ‘দুঃসাহসিক পদক্ষেপ’ নিলে তার জবাব শুধু সীমান্তেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সেটি কলকাতা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতে পারে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক কড়া সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল সংঘটিত পাহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। খাজা আসিফ দাবি করেছেন, ভারত সম্ভাব্য কোনো ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অভিযানে নিজেদের লোকজন বা আটক পাকিস্তানিদের ব্যবহার করে নাটক সাজাতে পারে এবং পরে তার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপাতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এর আগে কেরালার এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, পাকিস্তান যদি পুনরায় কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে ভারত এমন নজিরবিহীন ও কঠোর জবাব দেবে যা তারা কখনো ভুলবে না। রাজনাথ সিং দাবি করেন, গত বছরের পাহেলগাম হামলার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিনদুর’-এর মাধ্যমে মাত্র ২২ মিনিটে পাকিস্তানের ভেতরে একাধিক সন্ত্রাসী ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।ভারতের দাবি অনুযায়ী, অপারেশন সিনদুরে অন্তত নয়টি সন্ত্রাসী শিবির ধ্বংস করা হয়েছিল। রাজনাথ সিং স্পষ্ট করে বলেন যে, সেই অভিযান এখনো শেষ হয়ে যায়নি। পাকিস্তান যদি আবার কোনো ‘নোংরা কাজ’ করে, তবে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক আহবানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও বর্তমান পাল্টাপাল্টি হুমকিতে আবারও সীমান্তে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে।উত্তেজনার মধ্যেই খাজা আসিফ মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধের ধারণা অবাস্তব। পাকিস্তান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও যেকোনো আগ্রাসনের জবাব হবে ‘দ্রুত, পরিকল্পিত ও দৃঢ়’। দুই দেশের এই কূটনৈতিক ও সামরিক বাদানুবাদে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি এখন এক অস্থির সময় পার করছে।/টিএ

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo