logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ড্রোন হামলা

রুশ তেল শোধনাগারে পরপর দু’বার ভয়াবহ ড্রোন হামলা - image

রুশ তেল শোধনাগারে পরপর দু’বার ভয়াবহ ড্রোন হামলা

22 জুন 2022, বিকাল 6:00

ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরপর দু’বার ওই শোধনাগারে হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রথম ড্রোনটি সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে আঘাত হানলে বিস্ফোরণে ঘটে। দ্বিতীয়টি ৯টা ২৩ মিনিটের দিকে আঘাত হানে। শোধনাগারে দুটি ড্রোনের টুকরো পাওয়া গেছে। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও পক্ষ হামলার দায় স্বীকার করেনি। শোধনাগারটি ইউক্রেন সীমান্ত থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি রোস্তভ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার।   রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলের নভোশাখতিনস্ক তেল শোধনাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার কারণে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এরপর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমরা মনে করছি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে পশ্চিম সীমান্ত থেকে এ হামলা চালানো হয়েছে। এতে আমাদের কোনও কর্মী হতাহত হয়নি এবং নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।” সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

জুন ২২, ২০২২
খাশোগি হত্যা : কী আলোচনা হয়েছিল যুবরাজ সালমান ও বাইডেনের মধ্যে - image

খাশোগি হত্যা : কী আলোচনা হয়েছিল যুবরাজ সালমান ও বাইডেনের মধ্যে

16 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে বলেছেন। বাইডেন এবং যুবরাজের মধ্যে কথোপকথন সম্পর্কে জেদ্দায় এক সংবাদ সম্মেলনে আরব নিউজের প্রশ্নের জবাবে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফলসাল বিন ফারহান এ কথা বলেন। সৌদি সাংবাদিক ও লেখক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডকে জঘন্য বলে বর্ণনা করেছেন বাইডেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ক্রাউন প্রিন্স খাশোগির বিষয়ে বাইডেনের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে ‘এ অপরাধটি দুর্ভাগ্যজনক এবং ঘৃণ্য হলেও রাজ্যটি খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে এবং দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করেছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রাউন প্রিন্স বাইডেনকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো দেশেই এমন ভুলগুলো হয়।’ যুবরাজ ফারহানের মতে, ক্রাউন প্রিন্স উল্লেখ করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ভুল করেছে এবং ‘দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে ভুলগুলো সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সৌদি আরব একটি দায়িত্বশীল দেশের মতো আচরণ করেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্রাউন প্রিন্স ইরাকের আবু গারিব কারাগারে আমেরিকার বাড়াবাড়ি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথাও উল্লেখ্য করেন। এছাড়া আফগানিস্তানে ২০২১ সালের ড্রোন হামলার কথাও উল্লেখ করেন, যার ফলে একটি পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে এই ঘটনার জন্য নিজেদের দায়বদ্ধ রাখে এবং সৌদি আরবও ঠিক একই কাজ করেছে। ক্রাউন প্রিন্স এবং বাইডেনের মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল তার বিশদ বিবরণ দিয়ে প্রিন্স ফারহান বলেন, এ সময় দেশ দুটির মূল্যবোধ সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছিল। বাইডেনের দিকে ইঙ্গিত করে যুবরাজ সালমান বলেছিলেন যে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা ‘আমাদের ইসলামিক বিশ্বাস এবং আরব ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে রাজ্যের মূলনীতি ও মূল্যবোধ।’ প্রিন্স ফারহান বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মার্কিন নেতাকে বলেছিলেন যে ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে সংলাপের মাধ্যমে মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়া উচিত। আপনার মূল্যবোধ অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা কার্যকর হবে না। এটি আপনাকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেবে। আপনার মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়ার সঠিক উপায় হলো, বিশ্বকে দেখানো যে আপনি প্রথম সেগুলো মেনে চলেন। ‘এবং তারপরে যদি আপনার মূল্যবোধগুলো বৈধ এবং বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তবে সেগুলো গ্রহণ করা হবে। আপনি জোর করে আপনার মূল্যবোধ চাপিয়ে দিতে পারবেন না এবং আপনাকে সেটা বুঝতে হবে।’ ‘ক্রাউন প্রিন্স বাইডেনকে বেশ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজস্ব মূল্যবোধ রয়েছে। এই মূল্যবোধগুলো মার্কিন মূল্যবোধের সাথে শতভাগ মিলবে না কারণ আমরা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য, নিজস্ব মূল্যবোধ, নিজস্ব বিশ্বাসের জন্য খুব, খুব বেশি গর্বিত। প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব ব্যবস্থা, নিজস্ব মূল্যবোধ রক্ষা করতে চায়।’ যুবরাজ ফারহান ক্রাউন প্রিন্সকে উদ্ধৃত করে বলেছেন যে ‘আমরা আমাদের দেশ এবং আমাদের মূল্যবোধের জন্য অত্যন্ত গর্বিত। এবং যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেবলমাত্র তার মতো দেশগুলোর সাথে মোকাবিলা করতে চায় তবে দেশগুলোর তালিকা খুব ছোট হতে চলেছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, বাইডেনকে বলা হয়েছে যে ‘আমাদের একসাথে কাজ করার একমাত্র উপায় হলো যদি আমরা একে অপরকে সম্মান করি এবং একে অপরের মূল্যবোধ এবং সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে।’ সূত্র : আরব নিউজ

জুলাই ১৬, ২০২২
যেভাবে জাওয়াহিরিকে খুঁজে পেল সিআইএ - image

যেভাবে জাওয়াহিরিকে খুঁজে পেল সিআইএ

01 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

আফগানিস্তানে মার্কিন হামলায় শীর্ষনেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হওয়ার ঘটনা ২০১১ সালে লাদেন হত্যার পর আল-কায়েদার জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা। তবে বছরের পর বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা জাওয়াহিরির অবস্থান শনাক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, জাওয়াহিরিকে খুঁজে বের করে হত্যার এই অভিযান সন্ত্রাসবিরোধী ও গোয়েন্দা বাহিনীর অত্যন্ত সতর্কতা এবং লেগে থাকার ফল। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার আগ পর্যন্ত জাওয়াহিরি পাকিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় বা আফগানিস্তানে আছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) দাবি, যাঁর মৃত্যু হয়েছে, তিনি জাওয়াহিরি কি না, তা অনেকভাবে খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জাওয়াহিরি হত্যার অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য প্রদান করেছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সরকার জাওয়াহিরি সমর্থিত একটি নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অবগত ছিল এবং গত এক বছরে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর দেশটিতে আল-কায়েদার উপস্থিতির বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছিলেন কর্মকর্তারা। চলতি বছর তাঁরা শনাক্ত করেন, জাওয়াহিরির পরিবার কাবুলের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে আছেন। পরে জাওয়াহিরিকেও একই স্থানে শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরও নিশ্চিত হন যে কাবুলের ওই গোপন আস্তানায় নিজের পরিবারের সঙ্গে আছেন জাওয়াহিরি। গত এপ্রিলের শুরুতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ব্রিফিং শুরু করেন তাঁরা। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান পরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিষয়টি অবহিত করেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযানের জন্য আমরা একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে একটি প্যাটার্ন তৈরি করতে সক্ষম হই।’ কর্মকর্তারা বাড়িটির নির্মাণ-প্রকৃতি যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত করেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের কিংবা জাওয়াহিরির পরিবারের ক্ষতি ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করতে এবং মোক্ষম পদক্ষেপের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত ১ জুলাই সিআইএ পরিচালক উইলিয়াম বার্নস ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা একটি প্রস্তাবিত অভিযান সম্পর্কে বাইডেনকে ব্রিফ করেন। ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন তাঁর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও উপদেষ্টাদের একটি চূড়ান্ত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। জাওয়াহিরিকে হত্যায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে তালেবানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করবে তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ডাকেন। আলোচনায় অন্যদের কাছ থেকে মতামত চাওয়ার পর বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি কম থাকবে এমন শর্তে একটি সুনির্দিষ্ট বিমান হামলার অনুমোদন প্রদান করেন বাইডেন। শেষ পর্যন্ত ৩০ জুলাই স্থানীয় সময় ৯টা ৪৮ মিনিটে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তথাকথিত ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এই অভিযান সম্পন্ন করা হয়। জাওয়াহিরি বাড়ির ব্যালকনিতে বসে থাকা অবস্থায় ড্রোন হামলা হয়। এতে জাওয়াহিরি ছাড়া আর কারও প্রাণহানি হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২২
ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ, সতর্কতা জারি - image

ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ, সতর্কতা জারি

03 মে 2023, বিকাল 6:00

ক্রেমলিনের ওপর ড্রোন হামলার পরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও অন্যান্য শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে দেশটির কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। এরপর শহরগুলোতে বিমান সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ মে) ভোরের দিকে কিয়েভ ছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়া এবং ওডেসা বন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।বিস্ফোরণের পরে ইউক্রেনের নিপ্রোপেট্রোভস্ক, মাইকোলাইভ এবং খেরসনসহ দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও বিমান সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এদিকে, ক্রেমলিনের ওপর ড্রোন হামলা এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হত্যার ইউক্রেনের প্রচেষ্টার 'প্রতিশোধ' নেওয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। ড্রোন হামলাকে 'ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড' উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনভ বলেছেন, এই হামলার চেষ্টার জন্য জবাব দেবে রাশিয়া। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ড্রোন হামলায় তার দেশের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমরা পুতিন বা মস্কোকে আক্রমণ করি না। আমরা আমাদের ভূখণ্ডে লড়াই করছি। আমরা আমাদের গ্রাম ও শহর রক্ষা করছি।

মে ০৩, ২০২৩
কিয়েভকে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী - image

কিয়েভকে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

05 মে 2023, বিকাল 6:00

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারি বাসভবন ক্রেমলিনের ইউক্রেনের শত্রুতামূলক ড্রোন হামলার চেষ্টার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “এটা সম্পূর্ণভাবে শত্রুতাপূর্ণ কাজ এবং এটা পরিষ্কার যে, কিয়েভের সন্ত্রাসীরা তাদের প্রভুদের না জানিয়ে এই কাজ করেনি।” বৃহ্স্পতিবার ভারতে সাংহাই সহযোগিতা পরিষদের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের অবকাশে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ল্যাভরভ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুটি ড্রোন প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবনের ওপর বিস্ফোরিত হয়। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইলেক্ট্রনিক ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে ড্রোন দুটি অকার্যকর করে দেয়। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও ড্রোন হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, আমেরিকার নির্দেশে কিয়েভ এই হামলা চালিয়েছে। ড্রোন হামলার জন্য ইউক্রেন ও আমেরিকাকে দায়ী করা হলেও দু’ দেশই এর সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। বিষয়টিকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন ত্রিমিত্রি পেসকভ। তিনি বলেন, “আমরা ভালোভাবেই জানি যে, এই ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতার সিদ্ধান্ত কিয়েভে নয় বরং ওয়াশিংটনে হয়েছে।”

মে ০৫, ২০২৩
শস্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে ইউক্রেন বন্দরে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা - image

শস্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে ইউক্রেন বন্দরে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা

17 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

কৃষ্ণ সাগরে শস্যচুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পর একদিন পর মঙ্গলবার ইউক্রেনের ওডেসা বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলার মাধ্যমে মস্কো তার পূর্বের মত আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স। টেলিগ্রামে এক বার্তায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রধান অ্যান্ড্রি ইয়ারমাক জানান, “ইউক্রেনের বন্দরগুলিতে রাশিয়ার রাতারাতি হামলা প্রমাণ যে সন্ত্রাসী দেশটি ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানির উপর নির্ভরশীল বিভিন্ন দেশে ৪০ কোটি মানুষের জীবনকে বিপন্ন করতে চায়” সোমবার ক্রিমিয়ার সেতুটিতে হামলা হওয়ার পরপরই, মস্কো কৃষ্ণ সাগর শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়। রাশিয়ার এই পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে বলে জানায় জাতিসংঘ। দক্ষিণে উপকূলীয় ওডেসা এবং মাইকোলাইভ অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ছয়টি ক্যালিব্রো ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৬টি ড্রোন, যার মধ্যে ৩১টি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী। রুশ এ হামলায় ওডেসায় বেশ কয়েকটি বাড়ি এবং বন্দর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড। এ ছাড়া মাইকোলাইভে বন্দরে বিস্ফোরণ থেকে ভয়াবহ আগুন লাগে বলে জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এদিকে ক্রিমিয়াতে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা ব্যার্থ করার দাবি জানিয়েছে মস্কো। হামলায় বড় ধ্রনের কোন ক্ষতি হয়নি বলছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

জুলাই ১৭, ২০২৩
ইসরায়েলি হামলায় হামাসের উপপ্রধান নিহত - image

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের উপপ্রধান নিহত

02 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের উপকণ্ঠে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সহযোগী হিজবুল্লাহর একটি শক্ত ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-আরুরি নিহত হয়েছেন। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। পরে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-আরুরির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল-আরুরিসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। এই হামলার ফলে প্রায় তিন মাস ধরে চলতে থাকা হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লেবাননের রাজধানীতে প্রথমবারের মতো চালানো ইসরায়েলি হামলায় এই প্রথম হামাসের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার মৃত্যু হলো। আল-আরুরি ছিলেন হামাসের অন্যতম প্রধান সমরবিদ। বৈরুতের হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কাছে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা বিদেশি কোনো গণমাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য প্রচার করে না বলে জানানো হয়। লোবননের উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, আল-আরুরি তার দেহরক্ষীসহ নিহত হয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করে আরেকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, আর-আরুরিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একটি ভবনের দুটি তলা ও একটি গাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। হামাস পরে আল-আরুরি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাদের টেলিভিশনে জানায়, তিনি বিশ্বাসঘাতক ইহুদিদের আক্রমণে নিহত হয়েছেন। সংগঠনটির তাদের গণমাধ্যমে আরও জানায়, হামলায় তাদের অপর দুই সদস্যও নিহত হয়েছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানায়, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে আল-মুশারাফিয়া এলাকায় ফিলিস্তিনি সংগঠনটির এক বৈঠক চলাকালে এই হামলা চালানো হয়। আল-আরুরিকে অসংখ্য হামলার জন্য প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছিল ইসরায়েল। ২০১৭ সালে তিনি হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়েহর ডেপুটি হিসেবে নির্বাচতি হন। দুই যুগেরও বেশি সময় ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি থাকার পর ২০১০ সালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল বিদেশে নির্বাসিত জীবনযাপনের শর্তে। ইজ্জাত আল-রিশক নামের হামাসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল যে তার লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হচ্ছে, তা-ই প্রমাণ করে। পাশাপাশি আল-আরুরির মৃত্যুতে হামাসের সাহসী প্রতিরোধকে থামানো যাবে না বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, গাজায় হামাসের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত ইসলামিক জিহাদ সংগঠনটিও আল-আরুরি ও তার সহযোদ্ধাদের মৃত্যুতে একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছে। তারা জানায়, এই মৃত্যু পুরো অঞ্চলকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে। অন্যদিকে, আল-আরুরিকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে লেবাননকে জড়িত করতে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ করেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশের সমর্থন - image

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশের সমর্থন

14 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ। এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের যে বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে তা অবসানের লক্ষ্যে সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধসহ দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া খুবই প্রয়োজন।’ সম্প্রতি ইসরায়েলের পক্ষে জার্মানির সমর্থন দেওয়ার বিষয়টিতে নামিবিয়ার তীব্র সমালোচনার মুখে বেশকিছু দেশ জানায় যে, তারা জাতীসংঘের শীর্ষ আদালতের এই মামলায় হস্তক্ষেপ করবে। গাজাবাসীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে অবস্থান নেওয়া এসব দেশের পাশে নতুন করে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম। খবর আলজাজিরার।এদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) ওয়াসেল আবু ইউসেফ বলেছেন, গাজা উপত্যকার যুদ্ধের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পশ্চিম তীরেও বিস্তৃতি ঘটেছে সহিংসতার। গাজা উপত্যকায় গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান প্যালটেল জানিয়েছে, যোগাযোগ চালু করার চেষ্টার সময় তাদের দুই কর্মচারীকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গতকাল রোববার (১৪ জানুয়ারি) গাজা যুদ্ধের ১০০তম দিনে ইসরায়েলি নৃসংশতার প্রতিবাদ এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সারাবিশ্বে হয়েছে বিক্ষোভ। পর্তুগাল থেকে শুরু করে তুরস্ক, যুক্তরাজ্য থেকে শুরু করে পাকিস্তানেও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায় হাজারো জনতা। তবে গাজার খান ইউনিসে গতকাল রাতেও শোনা গেছে গোলাগুলির শব্দ। সেখানে ফিলিস্তিনি যোদ্ধা ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি ড্রোন হামলাও চালানো হয় সেখানে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে গতকাল রোববার সহিংস হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। রামাল্লাহর কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্সে ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা গুলিবর্ষণ করলে দুই কিশোর নিহত হয়। এছাড়া হেবরনের উত্তরে ও এইন আল সুলতান শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে হত্যা করা বাকীদের। এছাড়া পশ্চিম তীর জুড়ে চলছে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার গ্রেপ্তার অভিযান।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৪
ইয়েমেনে আবারও যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হামলা - image

ইয়েমেনে আবারও যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হামলা

17 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

ইয়েমেনে হুতিদের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে চতুর্থ দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী। লোহিত সাগরে ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মধ্যেই এ হামলা চালানো হলো। হুতিদের পরিচালিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বন্দরগুলোর দিকে চলা ইসরায়েলি জাহাজে আমরা হামলা অব্যাহত রাখব, মার্কিন ও ব্রিটিশ আগ্রাসী শক্তি যতই আমাদের বিরত রাখার চেষ্টা করুক না কেন।’ আল-মাসিরাহ টিভি ও হুতিদের বার্তা সংস্থা সাবাহ ডটনেট আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চতুর্থ দফার এই হামলায় ইয়েমেনের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্দর শহর হোদেইদা ও তায়েজ নগরী। খবর এএফপির।সিবিএস ও সিএনএনসহ মার্কিন গণমাধ্যমগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইয়েমেনের বেশ কিছু হুতি স্থাপনায় আরেক ধাপ হামলা চালানো হয়েছে।গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে থাকা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে চলাচল করা বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। লোহিত সাগরে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের আবারও ‘সন্ত্রাসী’ তালিকায় তুলে আনার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ইয়েমেনে এ হামলা চালানো হয়।গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইয়েমেনে প্রায় ৩০টি অবস্থান লক্ষ্য করে ১৫০টিরও বেশি বোমা ফেলে। এ ছাড়া বিমান হামলায় হুতিদের একটি রাডার স্টেশনও  আক্রান্ত হয়।গতকাল বুধবার হুতিরা বলেছিল, তারা ইয়েমেন উপকূলের কাছে একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাজ্যের নৌ-বাণিজ্য পরিচালনাকারী সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছিল, এডেন উপসাগরে একটি জাহাজ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও হুতিদের দাবি, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তবে ব্রিটিশ নৌ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কোম্পানি আমব্রে জানায়, জাহাজটি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার ছিল। ইউকেএমটিও আরও জানায়, হামলায় জাহাজে আগুন ধরে গেলেও পরে তা নিভিয়ে ফেলা হয় এবং পণ্যবাহী জাহাজটি ও এর নাবিকরা নিরাপদে আছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৪
গাজায় যুদ্ধ থামাতে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে - image

গাজায় যুদ্ধ থামাতে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে

23 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

গাজায় যুদ্ধ থামাতে ইসরায়েলের সরকারের ওপর চাপ বাড়তে থাকার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দেশটির সেনাবাহিনী চলতে থাকা সংঘাতে একদিনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। শোক প্রকাশের পাশাপাশি এই ঘটনার জবাব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসরায়েলিরা। খবর এএফপির ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ডেনিয়েল হাগারি জানান, সোমবার অভিযানে অংশ নেওয়া ইসরায়েলি সৈন্যদের একটি দল ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের আচমকা হামলার মুখে পড়ে। রকেট চালিত গ্রেনেড হামলায় ২৪ ইসরায়েলি সৈন্যের মধ্যে ২১ জনই মারা যায়। যোদ্ধাদের আক্রমণে ইসরায়েলি সেনাদের একটি ট্যাংকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘এই বিপর্যয়ের তদন্ত হবে। আর ইসরায়েলকে অবশ্যই ঘটনাগুলো থেকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিতে হবে।’ এদিকে, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে স্থলযুদ্ধ আরও জোরালো হয়েছে। ইসরায়েলি সেনারা বলেছে, তারা শহরটি ঘিরে ফেলেছে।গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি ট্যাংক খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে গোলাবর্ষণ করেছে। এতে বেশকিছু লোক আহত হয়েছে। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা এ ব্যাপারে কিছু জানে না।ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলি সৈন্যরা সংস্থাটির সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। এতে সেখানে আশ্রয় নেওয়া বেশ কিছু নিরীহ লোক আহত হয়েছে। অন্যদিকে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সাহায্য সংস্থা হুঁশিয়ারি দিয়ে আবারও বলেছে, ১৭ লাখ বাস্তুচ্যুত বেসামরিক ফিলিস্তিনি নাগরিক রোগ ও দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ার হুমকির মুখে রয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র আবির ইতেফা জানান, গাজা প্রতিদিন একটু একটু করে ভয়াবহ দুর্যোগের দিকে এগোচ্ছে। এই ভূখণ্ডে বিশাল জনগোষ্ঠী দুর্ভিক্ষের মতো অবস্থায় রয়েছে, যা এই মুহূর্তে বিশ্বের কোথাও নেই। এর মাঝেও থেমে নেই ইসরায়েলি আগ্রাসন। গাজা যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যেই লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ ছাড়া পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলিতে একজন নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা নিতে এই হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হুতিরা। ইরাকে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে বেশ কিছু ড্রোন হামলা চালিয়েছে জিহাদিরা। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এ নিয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর ওপর ১৪০টি হামলা চালানো হলো। এদিকে, ইসরায়েলের দ্বি-রাষ্ট্র ধারণার বিরোধিতা করা এবং তা প্রত্যাখ্যান করার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইসরায়েলের অবস্থান অগ্রহণযোগ্য। আর এটা শুধু যুদ্ধকে দীর্ঘায়িতই করবে। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, যুদ্ধ শেষে ইসরায়েল অবশ্যই পুরো গাজার নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ নেবে, এমনকি হামাসকে ধ্বংস করে দেওয়া হলেও। এ ছাড়া পশ্চিম তীরের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিকেও তিনি বাতিল করে দেন। তবে ইসরায়েলের মিত্ররা এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে। এমনটি হলে কেউ কেউ ইসরায়েলের ওপর থেকে তাদের সমর্থন তুলে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিবও জানান, ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবশ্যই অবসান  হতে হবে। গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলা ও বোমাবর্ষণে মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৫ হাজারে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে ৭০ শতাংশই হলো নিরীহ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৪
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo