logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ডোনার

ম্যারাডোনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে! - image

ম্যারাডোনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে!

23 মে 2023, বিকাল 6:00

দিয়েগো ম্যারাডোনার চিরপ্রয়াণের তিন বছর হতে চলল। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আর্জেন্টাইন এই ফুটবল ঈশ্বর। তবুও মাঠে অনন্য সব কীর্তির জন্য এখনও বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের নাম।এই তো কয়েক দিন আগেই ৩৩ বছর পর ইতালিয়ান লিগের শিরোপা জিতেছে নাপোলি। যা স্বাভাবিকভাবেই স্মরণ করিয়ে দেয় ম্যারাডোনার কথা। কারণ, তার অধীনেই শেষবারের মতো লিগ শিরোপা জিতেছিল ন্যাপোলসরা। তবে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন ফুটবলের এই মহাতারকা। পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট রয়ে গেছে ম্যারাডোনার। মঙ্গলবার (২৩ মে) রাতে তার সেই অ্যাকাউন্টটি হ্যাকিংয়ের কবলে পড়ে! আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হ্যাকিংয়ের শিকার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে এরপর বেশ কয়েকটি পোস্ট করা হয়। বিভ্রান্তিকর সেসব পোস্ট পরবর্তীতে নজরে আসে ভক্তদের। এরপরই তারা বুঝতে পারেন যে, আইডি হ্যাক হয়েছে।হ্যাক হওয়ার পর ম্যারাডোনার আইডি থেকে প্রথম পোস্টটি ছিল এমন, ‘তারা জানে যে আমি আমার মৃত্যুকে জাল করেছি, তাই না?’ পরবর্তীতে ম্যারাডোনার ঘনিষ্ঠ ও তার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট টিম কোনো পোস্ট গুরুতরভাবে না নিয়ে হ্যাক হয়েছে বলে জানান। একই সঙ্গে সেসব পোস্ট এড়িয়ে যেতে আহ্বান জানান তারা। এরপর আরও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য পোস্ট করা হয়। যেখানে এক পোস্টে লিওনেল মেসিকে নিয়ে ইতিবাচক কথা বললেও তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আক্রমণ করা হয়। যা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেছে। এ ছাড়া আরেকটি পোস্টে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করেন হ্যাকাররা। তাই ম্যারাডোনার ফেসবুক হ্যাকিংয়ের সঙ্গে মেক্সিকান কেউ জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বিভ্রান্ত ভ্ক্তদের উদ্দেশ্যে পরে ম্যারাডোনার পরিবার জানিয়েছে, ‌‌‘আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, দিয়েগো ম্যারাডোনার অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা হয়েছে। আমরা অ্যাকাউন্টটি উদ্ধার করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

মে ২৩, ২০২৩
আজ বিশ্ব রক্তদান দিবস - image

আজ বিশ্ব রক্তদান দিবস

13 জুন 2023, বিকাল 6:00

১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালিত হয়। ২০০৫ সাল থেকে  প্রতি বছর বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। অগণিত মুমূর্ষু রোগীকে স্বেচ্ছায় রক্তদান করে যারা জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেন, তাদের  মূল্যায়ন, স্বীকৃতি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্য বিশ্ব জুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য জনগণকে রক্তদানে এবং নিরাপদ রক্ত ব্যবহারে উত্সাহিত করা, স্বেচ্ছায় রক্তদানে সচেতন করা এবং নতুন নতুন রক্তদাতা তৈরি করা। এ দিবস পালনের আরো উদ্দেশ্য জনগণকে প্রাণঘাতী রক্তবাহিত রোগ এইডস, হেপাটাইটিস ‘বি’ ও হেপাটাইটিস ‘সি’সহ অন্যান্য রোগ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য স্বেচ্ছা রক্তদান ও রক্তের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ। আমাদের ভালো কাজ, ভালো চিন্তা, মহত্ উদ্যোগ মানবজাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এরূপ একটি কল্যাণকর কাজ হলো ‘রক্তদান’। স্বেচ্ছায় রক্তদানে অন্য মানুষের মূল্যবান প্রাণ রক্ষা পায় এবং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত থাকে। রক্তদানের ব্যাপারে ইসলাম ধর্মেও কোনো বিধিনিষেধ নেই। কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে,  ‘যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে রক্ষা করে, তবে যেন সে সমস্ত মানুষকে রক্ষা করল।’ (সুরা আল মায়িদা :আয়াত ৩২)। স্বেচ্ছায় রক্তদান করলে তা মানুষের অনেক উপকারে আসে। অন্যদিকে সামর্থ্যবান রক্তদাতাও পরোপকারের মাধ্যমে দৈহিক ও মানসিক দিক দিয়ে উজ্জীবিত হয়ে সুস্থ, সবল ও নিরাপদ থাকেন। এজন্য বিশ্বমানবতার উপকার ও জীবন রক্ষার্থে হজরত রসুলুল্লাহ (স.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘তোমাদের কেউ তার অন্য ভাইয়ের উপকার করতে সক্ষম হলে, সে যেন তা করে।’ (সহিহ মুসলিম) রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের আবিষ্কারক ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের জনক অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ী জীববিজ্ঞানী ও চিকিত্সক কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৮৬৮ সালের ১৪ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯০০ সালে ব্লাড গ্রুপ আবিষ্কার করেন। তার এই আবিষ্কার উন্মোচন করে দিয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক বিশাল অধ্যায়।  জন্মদিনে তাকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানাতে ১৪ জুন উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব রক্তদান দিবস’। প্রতি বছরই এই দিবসের একটি প্রতিপাদ্য থাকে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রক্ত দিন, প্লাজমা দিন, জীবন ভোগ করুন, অধিকাংশ শেয়ার দিন।’ রক্ত অবশ্যই মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। রক্তের বিকল্প শুধু রক্তই। অতি প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি কলকারখানায় তৈরি হয় না। মানুষের রক্তের প্রয়োজনে মানুষকেই রক্ত দিতে হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে আজ পর্যন্ত রক্তের কোনো বিকল্প আবিষ্কার হয়নি। রক্তের অভাবে যখন কোনো মানুষ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়, তখন অন্য একজন মানুষের দান করা রক্তই তার জীবন বাঁচাতে পারে। তাই এর চেয়ে মহত্ কাজ আর কী হতে পারে? জীবন বাঁচাতে রক্তদান এতই গুরুত্বপূর্ণ যে বলা হয়—‘করিলে রক্তদান, বাঁচিবে একটি প্রাণ’, ‘আপনার রক্ত দিন, একটি জীবন বাঁচান,’ ‘সময় তুমি হার মেনেছ রক্তদানের কাছে, ১০টি মিনিট করলে খরচ একটি জীবন বাঁচে।’ ধর্ম-বর্ণ-জাতিনির্বিশেষে সবার রক্তই একই রকম, লাল রঙের। সবকিছুতেই বিভেদ থাকলেও এর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। মানুষের শরীরে রক্তের প্রয়োজনীয়তা এত বেশি যে, রক্ত ছাড়া কেউ বেঁচে থাকতে পারে না। মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে প্রায়ই জরুরি ভিত্তিতে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। যেমন—অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে, দুর্ঘটনায় আহত রোগী, অস্ত্রোপচারের রোগী, সন্তান প্রসবকালে, ক্যানসার বা অন্যান্য জটিল রোগে, অ্যানিমিয়া, থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া, ডেঙ্গু হিমোরেজিক ফিভার ইত্যাদি রোগের কারণে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের মতো দেশে বছরে ৫-৭ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, যার মাত্র ৩১ ভাগ পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতার মাধ্যমে। বাকি রক্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে পেশাদার রক্তদাতা এবং আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। ১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর  নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও  ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়। তবে রক্ত যারা দিতে পারেন না—(১) রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে (পুরুষদের ন্যূনতম ১২ গ্রাম/ডেসিলিটার এবং নারীদের ন্যূনতম ১১ গ্রাম/ডেসিলিটার)। (২) রক্তচাপ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে। (৩) কিছু রোগ শনাক্ত হলে, যেমন—হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’, জন্ডিস, এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি। (৪) শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত রোগ; যেমন, হাঁপানি, সিওপিডি, হৃদরোগ, অন্য কোনো জটিল রোগ। (৫) অন্তঃসত্ত্বা নারী, ঋতুস্রাব চলাকালীন, সন্তান জন্মদানের এক বছরের মধ্যে। (৬) যারা কিছু ওষুধ সেবন করছেন, যেমন—কেমোথেরাপি, হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। (৭) ছয় মাসের মধ্যে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা অপারেশন হলে। অনেকে রক্তদানে ভয় পান। কেউ কেউ ভাবেন, এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে, দুর্বল হয়ে পড়বেন বা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়বেন। কেউ আবার মনে করেন এতে হৃদপিণ্ড দুর্বল বা রক্তচাপ কম হয়, এমনকি কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা করেন। তদুপরি কিছু সামাজিক বা ধর্মীয় কুসংস্কার আর অজ্ঞতা অনেক সময় মানুষকে রক্তদানে নিরুত্সাহিত করে। বলা বাহুল্য, এগুলো সম্পূর্ণ অমূলক। কেউ ধর্মের দোহাই দিয়ে বলেন, রক্তদান করা নিষিদ্ধ, তাই অন্যকে রক্তদান থেকে বিরত রাখেন। কিন্তু এগুলোর কোনো ভিত্তিই নেই। যে কোনো সুস্থ-সবল মানুষ রক্তদান করলে রক্তদাতার স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হয় না। এমনিতেই রক্তের লোহিত কণিকাগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চার মাস পরপর নষ্ট বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। সুতরাং এমনি এমনি নষ্ট করার চেয়ে তা স্বেচ্ছায় অন্যের জীবন বাঁচাতে দান করাই উত্তম। বরং রক্তদানে যেসব উপকার হয়; তা হলো, (১) রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। (২) নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। (৩) রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। (৪) অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। (৫) যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো। আয়রন কমাতে সহায়তা করে। (৬) রক্ত দেওয়ার সময় রক্তের গ্রুপিং করা হয়। ফলে রক্তদাতা তার রক্তের গ্রুপ জানতে পারেন। (৭) সাধারণত যে সংস্থার কাছে রক্ত দেওয়া হয়, তারা একটি ‘ডোনার কার্ড’ তৈরি করে দেয়। এই কার্ডের মাধ্যমে একবার রক্ত দিয়েই রক্তদাতা আজীবন নিজের প্রয়োজনে ঐ সংস্থা থেকে রক্ত পেতে পারেন। তাই নিজের ক্ষতি যেখানে হবে না, বরং লাভই হবে এবং একজন মানুষের জীবনও বাঁচবে, তাহলে আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসব না কেন? সরকারি-বেসরকারিভাবে যারা এই রক্ত সংগ্রহের কাজে জড়িত তারা কিছু বিষয়ে রক্তদাতাদের উত্সাহিত করতে পারেন। যেমন—তাদের সঠিক মূল্যায়ন করা, পুরস্কারের ব্যবস্থা করা বা অন্য কোনোভাবে সম্মানিত করা ইত্যাদি। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদাতার সংখ্যা বেড়ে যাবে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও উত্সাহ বৃদ্ধি পাবে। মিডিয়া, রাজনীতিবিদ ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও ধর্মীয় নেতারা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। মনে রাখতে হবে, আমার শরীরের রক্তে আরেকটি জীবন রক্ষা করছে। পৃথিবীর আলো-বাতাস উপভোগের অপার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাই পরোপকারই হোক আমাদের জীবনের ব্রত।  যখন পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে অশান্তি, সংঘাত আর বিদ্বেষের বাষ্প, ঠিক তখনই আমরা একবাক্যে বলতে চাই, ‘রক্ত দিয়ে যুদ্ধ নয়, রক্ত দিয়ে জীবন জয়।’

জুন ১৩, ২০২৩
বিশ্বকাপজয়ী মেসির আজ জন্মদিন - image

বিশ্বকাপজয়ী মেসির আজ জন্মদিন

23 জুন 2023, বিকাল 6:00

ডিয়েগো ম্যারাডোনার ঐশ্বরিক ক্ষমতার ফুটবল দেখেছিল বিশ্ব। তার পায়ের জাদুতে ১৯৮৬ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিল আর্জেন্টিনা। তার পরের বছর পৃথিবীতে জন্ম হয় এক বিস্ময় বালকের। ফুটবল ঈশ্বরের মতো সেও পায়ের জাদু শিখে যায়। ফুটবল জাদুকর হিসেবে উপাধি পায়। কিন্তু বিশ্বকাপ দেখতে পায় না। জিততে পারে না কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা। দীর্ঘ ৩ যুগ হয়ে যায়, শিরোপা খরা কাটে না আর্জেন্টিনার। অবশেষে কাতারে আসে বিশ্বকাপ। সেখানে সেই বিস্ময় বালক নিজের সব জাদুকরী বিদ্যা প্রয়োগ করলেন। সতীর্থদের সেই বিদ্যা দান করলেন। আর তাতেই আশ্চর্য রকমের ফল পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা। সেই বালকের নাম লিওনেল মেসি। যার জাদুকরী ফুটবলে অবশেষে বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা। আজ ফুটবল জাদুকরের জন্মদিন। ৩৬ বছর পর আলবেসিলিস্তেদের বিশ্বকাপ জেতানো তারকা পা রাখলেন ছত্রিশে। জীবনের ৩৫টি জন্মদিন পেছনে ফেলে এসেছেন ফুটবলের এই বরপুত্র। কত রাশ-উৎসবই না হয়েছে তার বিশেষ দিনে। কিন্তু তার এবারের জন্মদিনটা যে একেবারেই আলাদা। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মেসির প্রথম জন্মদিন। মেসির জন্মের পরই যে এটাই প্রথম আর্জেন্টাইনদের বিশ্বকাপ জয়। টানা ৪ বিশ্বকাপে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যাওয়া মেসি পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে স্পর্শ পেলেন শিরোপার। বিশ্বকাপ জিততে যেমন লড়াই করতে হয়েছে মেসিকে। তেমনি ফুটবলার হতে গিয়েও বহু চড়াই উৎরাই পাড়ি দিয়ে আসতে হয়েছে তাকে। রোজারিওর স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলি থেকে নিওয়েলস ওল্ড বয়েজে চমক দেখিয়েছিলেন শৈশবেই। ছোটোদের লিগের ফুটবলার হয়েও বড়দের ম্যাচের বিরতির সময় বল নিয়ে কলাকৌশল দেখাতেন। ফলে অল্পদিনেই ক্ষুদে প্রতিভা হিসেবে সাড়া জাগান তিনি। ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে বার্সেলোনায় মেসির একটা ট্রায়ালের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে মেসির খেলা দেখে বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের ফার্স্ট টিম ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাচ মুগ্ধ হয়ে তাকে দলে নিতে চান। ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে ঘটে সেই বিখ্যাত ঘটনা, হাতের কাছে কাগজ না পেয়ে ন্যাপকিনে বার্সেলোনায় মেসিকে সই করিয়েছিলেন রেক্সাচ। মেসির চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছিল বার্সেলোনা। এই একটা ঘটনাই মেসির জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তারপর গোটা ফুটবল বিশ্বকে রাজত্ব করেছেন। সেটা পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। নিজের ১৮তম জন্মদিনে বার্সেলোনার পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন। তারপর গল্পটা সবারই জানা। বার্সেলোনার হয়ে ৯ বার লা লিগা জিতেছে। তার যোগদানের পর কাতালানরা ইউরোপসেরা হয়েছে চারবার। ক্লাব ফুটবলে কোনো শিরোপাই তার বাকি ছিল না। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে ছিল না কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে জয়। একাধিকবার খুব কাছে গিয়েও হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। অবশেষে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথমবার কোনো শিরোপা জয় হয় মেসির। অধরা বিশ্বকাপটাও মেসি করায়ত্ত করেছেন। মরুভূমির বুকে তারার আলোয় ফুটবলের কালপুরুষ হাতে তুলে নিয়েছেন আরাধ্য সেই সোনালি স্মারক।

জুন ২৩, ২০২৩
মির্জা ফখরুলকে জামিন দেননি হাইকোর্ট, রুল জারি - image

মির্জা ফখরুলকে জামিন দেননি হাইকোর্ট, রুল জারি

06 ডিসেম্বর 2023, বিকাল 6:00

ধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। তবে, কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন মির্জা ফখরুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাস্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন গত ৩ ডিসেম্বর। বিএনপির আইনজীবীরা তার পক্ষে এ আবেদন জমা দেন। তার আগে গত ২২ নভেম্বর এ মামলায় বিএনপির মহাসচিবের জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গত ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৩
সব দেশ নির্বাচন নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে : সিইসি - image

সব দেশ নির্বাচন নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে : সিইসি

17 ডিসেম্বর 2023, বিকাল 6:00

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘সব দেশ আমাদের নির্বাচন নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে; বিশেষ করে ডোনার কান্ট্রিগুলো। সেটাকে আপনারা চাপ বলেন, দৌড়ঝাঁপ বলেন; সেজন্য সরকার বারবার বলেছে নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু হবে। আমরাও বলছি নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। সেখানে কেউ যদি প্রতিহত করতে চায় সেটা তাদের রাজনৈতিক কৌশল। আমাদের লক্ষ্য— নির্বাচনকে অবাধ-সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করা। ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি সাথে আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি বলেন, ‘জাপান আমাদের নির্বাচনকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য তারা আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে চাচ্ছে। আমরা তাদের ধন্যবাদ দিয়েছি। তারা আমাদের নির্বাচনের বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। সর্বশেষ প্রস্তুতির অবস্থা তাদের জানিয়েছি।’ ‘এই নির্বাচনে একটা গুরুত্বপূর্ণ দল (বিএনপি) অংশগ্রহণ করছে না। আপনারা জানেন আমরা প্রথম থেকেই তাদের নির্বাচনে আসার আহ্বান জানাচ্ছিলাম। তারা অংশগ্রহণ করলে নির্বাচনটা আরো বেশি ইনক্লুসিভ ও পার্টিসিপেটরি হতো। তবে না নিলে কী হবে, সেই বিষয়ে আমি যাচ্ছি না,’- বলেন কাজী হাবিবুল আউয়াল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩
মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি পেছাল - image

মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি পেছাল

02 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন আবেদনের শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকালে বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চে মির্জা ফখরুলের পক্ষে আইনজীবী ওয়ালিউর রহমান এক সপ্তাহ সময় আবেদন করেন। এ সময় আদালত বলেন, শুনানির তাড়া ছিল, এখন নেই কেন? এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির কার্যতালিকার ১ নম্বরে ছিল। এদিন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী পরদিন সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) শুনানির জন্য আবেদন করলে আদালত বলেন, ‘বন্ধের পর শুনানি হবে। এখন কোনোভাবে সম্ভব না।’ পরে বুধবার (৩ জানুয়ারি) শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল। গত ৭ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। তার আগে গত ৩ ডিসেম্বর এই মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এরও আগে গত ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। সেই মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। পরে ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

জানুয়ারি ০২, ২০২৪
মির্জা ফখরুলকে জামিন দেননি হাইকোর্ট - image

মির্জা ফখরুলকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

09 জানুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

প্রধান বিচারপতির বাসায় হামলার ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। তার আগে গত ৩ ডিসেম্বর এই মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এরও আগে ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। গত ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।গত ২৮ অক্টোবর (শনিবার) বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। সেই মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৪
মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির - image

মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

20 মার্চ 2024, বিকাল 6:00

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষে আগামী ২৫ মার্চ রাজধানীতে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করবে দলটি। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ঢাকা মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ড. ফরহাদ হালিম ডোনার, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুদু, বিলকিস জাহান শিরিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতা দিবসের তিন দিনের কর্মসূচির প্রথম দিন ২৫ মার্চে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করা হবে। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় সমাবেশ শেষ হবে। স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৭টায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা করবেন নেতাকর্মীরা। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। পরের দিন ২৭ মার্চ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা আয়োজন করবে বিএনপি।

মার্চ ২০, ২০২৪
বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত - image

বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

02 এপ্রিল 2026, বিকাল 6:42

বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির উদ্যোগে ৩য় রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী এ আয়োজনটি রংপুর জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে।সম্মেলনে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাসভিত্তিক মোট ১২টি টিমের প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি সংগঠনের দায়িত্বশীলরাও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ৭টি জেলা, ৩টি উপজেলা এবং ২টি ক্যাম্পাস টিম প্রতিনিধিত্ব করে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আনিসুজ্জামান নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ তানবীর হোসেন আশরাফী (সভাপতি, বাংলার চোখ, সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী) এবং ইফতেখার আলম (জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর, রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট)। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।বর্তমানে বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সাইদ খান। তার নেতৃত্বে সারাদিনব্যাপী এ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়।সম্মেলনে রক্তদানের গুরুত্ব, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিকতা ও সেবার মানসিকতা আরও জোরদার হবে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo