logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ঘূর্ণিঝড়

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু : চার নম্বর সতর্কতা সংকেত - image

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু : চার নম্বর সতর্কতা সংকেত

19 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’  আরও ঘনীভূত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে  জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়েরর কারণ উপকূলীয় এলাকার সকল সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। নিম্নচাপটি মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১শ ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে। এর ফলে চট্টগ্রাম, মংলা, কক্সবাজার ও পায়রা বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। আর নদী বন্দর গুলোতে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মংলা প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ এর কারনে মংলা বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্নিঝড়টি বর্তমানে মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১শ ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সাগর প্রচন্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে। এদিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া সকল নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঘাটে থাকতে বলেছে।  এর প্রভাবে বিকেল থেকে মংলা ও সুন্দরবন উপকুলীয় এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি ও বাতাস বয়ে যাচ্ছে । এদিকে বন্দর কর্তপক্ষের মেম্বার অপারেশন আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, বন্দরে অবস্থানরত সকল জাহাজ গুলকে সর্তক রাখা হয়েছে । এছাড়া বন্দরে ১টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে । তাছাড়া বন্দরের পশুর চ্যানেল ও হাড়বাড়িয়া অবস্থানরত জাহাজের পন্য বোঝাই খালাস কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে । কোস্টগার্ড এর মংলার জোনাল কমান্ডার জানান, দূযোর্গপরবর্তী উদ্দারের জন্য তাদের বোট ও জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে । এছাড়া কোস্ট গার্ড ১টি কন্ট্রোল রুম চালু রেখেছে । এছাড়া উপজেলা প্রশাসন দূযোর্গ মোকাবেলায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল সহ ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রেখেছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রিন্স ।

মে ১৯, ২০১৬
ধেয়ে আসছে রোয়ানু, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত - image

ধেয়ে আসছে রোয়ানু, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

19 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর, কক্সবাজরে ৬ নম্বর, এবং খুলনা ও মংলায় ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৮০ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে সকালে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলেও বিকেলে তার বাড়ানো হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। রোয়ানুর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে উপকূলের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ঢাকায় বৃহস্পতিবার থেকে আকাশ মেঘলা রয়েছে। আর থেকে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে, মংলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া সকল নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে নিরাপদে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে বিকেল থেকে মংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি ও বাতাস বয়ে যাচ্ছে । মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বার অপারেশন আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, বন্দরে অবস্থানরত সকল জাহাজ গুলকে সর্তক রাখা হয়েছে । এছাড়া বন্দরে ১টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে কোস্টগার্ড এর মংলার জোনাল কমান্ডার জানান, দূর্যোগ পরবর্তী উদ্ধারের জন্য তাদের বোট ও জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে । এছাড়া কোস্ট গার্ড ১টি কন্ট্রোল রুম চালু রেখেছে । এছাড়া উপজেলা প্রশাসন দুর্যোগ মোকাবেলায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল সহ ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রেখেছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রিন্স ।

মে ১৯, ২০১৬
২৫ কি.মি. বেগে ধেয়ে আসছে রোয়ানু; চট্টগ্রাম বিমানবন্দর বন্ধ - image

২৫ কি.মি. বেগে ধেয়ে আসছে রোয়ানু; চট্টগ্রাম বিমানবন্দর বন্ধ

20 মে 2016, বিকাল 6:00

দুপুর ১২ টার পর যে কোনো সময় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু। আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৯টার দিকে ঝড়টি পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে  ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। ঝড়টি প্রতি ঘন্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছে। সে হিসেবে দুপুর ১২ টার পর যে কোনো সময় ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা  ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় জেলাসহ প্রায় সারা দেশেই ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়। রোয়ানুর কারণে চট্টগ্রাম, পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় জেলাগুলোতেও রয়েেছ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত । খারাপ আবহাওয়া মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য ওঠা নামা বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বন্ধ রয়েছে সবধরণের ফ্লাইটও। উপকূলীয় অঞ্চলে সব ধরনের নৌ চলাচলে  নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ২০, ২০১৬
রোয়ানু: সীতাকুন্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু - image

রোয়ানু: সীতাকুন্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু

20 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানুর’ প্রভাবে ঘর চাপা ও গাছ ভেঙে চট্টগ্রাম, ভোলা ও পটুয়াখালীতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট বিধ্বস্ত হয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঘর চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে সলিমপুরে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ওই ঘরের খুটি ভেঙ্গে পড়লে, ঘরচাপায় তারা মারা যান। ভোলার তজুমদ্দিনে ভোর ৪টার দিকে ঝড়ের তীব্রতা বেড়ে গেলে ঘর চাপায় আকরাম নামে একজন আহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গাছ ভেঙে ঘরের ওপর পড়লে মারা যান শশিগঞ্জ গ্রামের রেখা বেগম। সকালে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় ঘর ভেঙে পটুয়াখালী দশমিনার লক্ষ্মীপুর গ্রামের নয়া বিবি নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

মে ২০, ২০১৬
আঘাত হেনেছে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু - image

আঘাত হেনেছে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু

20 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ভোলা ও সন্দ্বীপ উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। এটি ক্রমশ এগিয়ে মেঘনার মোহনা হয়ে ফেনী, নোয়াখালী, হাতিয়ায় আঘাত হেনে সন্ধ্যার পর দুর্বল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার দুপুর নাগাদ রোয়ানু ভোলা এবং সন্দ্বীপের কাছাকাছি এলাকা অতিক্রম শুরু করে। তবে এর প্রভাবে সকাল থেকেই ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, হাতিয়াসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঘুর্ণিঝড়টি দুর্বল না হওয়া পর্যন্ত ঊপকূলে ৪ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছাস এবং ঘুর্ণি বাতাস থাকবে। সন্ধ্যার পর জলোচ্ছাস কমে গেলেও আগামী ২৪ ঘন্টা এসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘুর্ণিঝড়ের কারনে এখনও চট্টগ্রাম, মংলা বন্দরসহ ঊপকূলীয় এলকায় ৭ নম্বর এবং কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে সব রকম নৌ-যান চলাচল।

মে ২০, ২০১৬
পেছানো এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ আবারও পরিবর্তন - image

পেছানো এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ আবারও পরিবর্তন

23 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: আরেক দফা পরিবর্তন হয়েছে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানুর কারণে পেছানো এইচএসসির পরীক্ষার তারিখ। ২৭ মে শুক্রবার অনুষ্ঠেয় ওই পরীক্ষাটি আগামী ১২ জুন রোববার হবে। মঙ্গলবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘অনিবার্য কারণে’ ২৭ মে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি ও ডিআইবিএস পরীক্ষাগুলো ১২ জুন অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময়সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১২ জুন সকালের পালায় অনুষ্ঠিত হবে অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল দ্বিতীয়পত্র, লঘু সংগীত (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, নাট্যকলা (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (ডিআইবিএস) বিষয়ের পরীক্ষা। আর বিকেলের পালায় অনুষ্ঠিত হবে , রসায়ন (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র (মানবিক শাখা), ইসলামের ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র (ঐচ্ছিক-১), ইসলামের ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র (ঐচ্ছিক-২), ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র (ঐচ্ছিক-১), ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র (ঐচ্ছিক-২), গৃহ-ব্যবস্থাপনা ও শিশুবর্ধন এবং পারিবারিক সম্পর্ক (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা। উল্লেখ্য ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র কারণে ২২ মে রোববারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২৭ মে শুক্রবার সকাল ৯টায় পরিবর্তন কর হয়। অপরদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা হবে ২৪ মে মঙ্গলবার। এ পরীক্ষা শুরু হবে দুপুর ২টায়।

মে ২৩, ২০১৬
বাঁশখালীর নির্বাচন স্থগিত, সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা করবে ইসি - image

বাঁশখালীর নির্বাচন স্থগিত, সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা করবে ইসি

31 মে 2016, বিকাল 6:00

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: সংসদ সদস্যের হাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা লাঞ্ছিত হওয়ার পর, চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শেষ দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কথামতো কাজ না করায়, দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে ঢুকে কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে মারধর করেন বাঁশখালির সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। ৪ জুন বাঁশখালী উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়নে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে তিনটি ইউনিয়নে ভোট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর কারণে স্থগিত করা হয়। আজ বুধবার বাকি ১১ ইউপির ভোটও স্থগিত হয়ে গেল। এদিকে, মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তাকে বাদী করে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ৩১, ২০১৬
ঝুঁকির মুখে বিশ্ব ব্যাংকের ৩০০কোটি টাকার বেড়িবাঁধ - image

ঝুঁকির মুখে বিশ্ব ব্যাংকের ৩০০কোটি টাকার বেড়িবাঁধ

30 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

বলেশ্বর নদের ভাঙ্গনের কবলে রয়েছে বাগেরহাটের শরণখোলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের নব নির্মিত টেকসই বেড়ীবাধ। মোরেলগঞ্জের ফাসিয়াতলা থেকে শরণখোলার বগী পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকার ১০টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে এই ভাঙন। ফলে ঝুঁকির মুখে পড়েছে বিশ্ব ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) নির্মিত টেকসই বেড়িবাঁধটি। বলেশ্বর নদের তীরে নির্মিত বেড়িবাঁধের শরণখোলা উপজেলা অংশের বগী, গাবতলা, তাফালাবাড়ী, চালরায়েন্দা, রাজেশ্বর, জিলবুনিয়া, রাজৈর মারকাজ মসজিদ, বটতলা, পূর্ব খোন্তাকাটা, এবং মোরেলগঞ্জ অংশের ফাসিয়াতলাসহ ১০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে রাজেশ্বর, রাজৈর বটতলা ও ফাসিয়াতলা এলাকার মূল বেড়িবাঁধেই ভাঙন শুরু হয়েছে। নদী শাসন না করে বাঁধ নির্মাণের ফলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বাঁধের পাশের বাসিন্দারা। রবিবার (২৪এপ্রিল) সকালে শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সাউথখালীর গাবতলা এলাকায় বাঁধের পাশের প্রায় দুই বিঘা জমি গাছপালাসহ নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এদিকে টেকসই বাঁধ বাস্তবায়ন সংস্থা ‘উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প (সিইআইপি)’ কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের প্রকল্পের কাজ শতভাগ শেষে হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বাঁধটি হস্তান্তর করা হবে। এখানে নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহনের সুযোগ নেই তাদের। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ‘সিইআইপি’ প্রকল্পের কাছে নদী শাসনের অর্থ বরাদ্দ রয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে বিষয়টি। তবে স্থানীয়দের মতে, সিইআইপি ও পনি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বহীনতা এবং তদারকির অভাবে বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ঝুঁকির মুখে পড়েছে বাঁধটি। বাঁধের স্থায়ীত্ব নিয়েও দেখা দিয়ে সংশয়। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করি ঘূর্ণিঝড় সিডরের জলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে শরণখোলায় সহস্রাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এর পর এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহন করে সরকার। উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শরণখোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের ৬২ কিলোমিটার টেসকই বেড়িবাঁধ নির্মাণ শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি। কিন্তু তিন বছর মেয়াদের এই প্রকল্পের কাজ ছয় বছরেও শেষ করতে পারেনি চায়না ‘সিএইচডব্লিউই’ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ভাঙনকবলিত গাবতলা এলাকার বাসিন্দা মো. মোকসেদ আলী সরদার,পাভেজ খান, মাহিনুর হোসেন, জানান, বাঁধের বাইরে তার প্রায় আড়াই বিঘা জমিতে অসংখ্য গাছপালা ছিল। রবিবার সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ গাছপালাসহ দুই বিঘা জমি নদীতে তলিয়ে যায়। ভাঙন এলাকায় প্রায় ১০০ ফুট গভীর খাদ হয়েছে। মূল বেড়িবাঁধে ভাঙন পৌঁছাতে আর মাত্র ৮-১০ ফুট বাকি আছে। বাঁধের পাশের বাসিন্দা অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম দুলাল খান, পারভেজ খান, রুহুল আমিন খোন্দকার, কালাম মোল্লা, লুৎফর শেখসহ অনেকেই জানান, ভাঙনের ফলে তারা আতঙ্কে রয়েছেন। বর্ষা শুরু হলে ভাঙন আরো বাড়বে। তখন মূল বেড়িবাঁধও ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে না। নদী শাসন না করার কারণে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সাউথখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সাউথখালী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন হাওলাদার বলেন, নদীর ভাঙন দিন দিন বাঁধের কাছে চলে আসছে। হঠাৎ হঠাৎ বিশাল অংশ নিয়ে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত নদী শাসন করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই মূল বাঁধে ভাঙন ধরবে।ইউপি সদস্য  আরো বলেন, বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। সিইআইপি প্রকল্পের লোকজনের তদারকি না থাকায় চায়নার ঠিকাদাররা তাদের ইচ্ছেমতো কাজ করেছে। বাঁধটি সম্পূর্ণ বালু দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। টেকসই বাঁধের নামে করা হয়েছে বালুর বাঁধ। যে কারণে বাঁধের স্থায়ীত্ব নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি আমরা। রায়েন্দা ইউনিয়নের রাজেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা মো. হেলাল খান বলেন, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডরে বেড়িবাঁধ ভেঙে জলোচ্ছাসে আমাদের একই বাড়ির ২৬ জন লোক মারা যায়। কিন্তু চায়না ঠিকাদাররা সেই স্থানের বাঁধে কোনো সিসি ব্লক দেয়নি। বলেশ্বর নদের ঢেউয়ের আঘাতে এখনই মূল বাঁধে ভাঙন ধরেছে। আমরা আতঙ্কে আছি। উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা বলেন,  বর্ষা শুরুর আগেই বলেশ্বর নদীর ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় দ্রুত  ডাম্পিং না করা হলে বেড়িবাধে ধ্বস নামবে। সিইআইপি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়হীনতায় বিশাল এই প্রকল্পের কাজে কোনো তদারকি হয়নি। যার ফলে চায়নারা দায়সারা কাজ করে গেছে। বলেশ্বর তীরের কমপক্ষে ১০টি পয়েন্টে নদী শাসন জরুরী হয়ে পড়েছে। তা না হলে এই বাঁধ কোনোভাবেই টেকানো যাবে না। বাঁধ হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজের মান যাচাই করার দাবি জানাই। এব্যাপারে জানতে চাইলে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, আমাদের প্রকল্পে যে পরিমান কাজ করার কথা, তা শেষ হয়ে গেছে। ডিসেম্বরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ হস্তান্তর করা হবে। নদী শাসনের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, যেহেতু প্রকল্পের মেয়াদ এবং কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। এখানে আর নতুন করে সিইআইপির কিছু করার নেই। হস্তান্তরের পর পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী শাসনের বিষয়টি দেখবে। অপরদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘সিইআইপি’ প্রকল্পে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ গাবতলা ও ফাসিয়াতলা এলাকায় নদী শাসনের অর্থ ধরা আছে। বর্ষা মৌসুমের আগেই দুই পক্ষের সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই স্থানে নদী শাসন করা হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
১৭০ কিলোমিটার গতিতে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে  ‘মোচা’ - image

১৭০ কিলোমিটার গতিতে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে ‘মোচা’

30 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

বঙ্গোপসাগরে ৯ থেকে ১১ মের মধ্যে ‘মোচা’ নামে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়টি সৃষ্টি হলে এটি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ১৩ থেকে ১৬ মের মধ্যে। আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, ৮ থেকে ৯  মের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। লঘুচাপ ১০ মের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে ও ১১ মের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।পূর্বাভাস অনুসারে, ঘূর্ণিঝড়টি ১৪ মে মধ্যরাত থেকে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে সরাসরি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল গ্লোবাল ফোরকাস্টের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে স্থলভাগে আঘাত করার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থলভাগে আঘাতের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি থাকতে পারে ১৪০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। কারণ ১৪ মে (চাঁদের ৮১ শতাংশ অন্ধকার থাকবে) সন্ধ্যার পর থেকে যদি ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে আঘাত হানা শুরু করে তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের চর ও উপকূলীয় এলাকাগুলো কমপক্ষে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি ১৭ বা ১৮ মে আঘাত হানে তাহলে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের চর ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ১৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ১৮ মে আমাবস্যার রাত।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
ঘূর্ণিঝড় মোচা কবে আঘাত হানতে পারে? - image

ঘূর্ণিঝড় মোচা কবে আঘাত হানতে পারে?

02 মে 2023, বিকাল 6:00

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোচা। জানা গেছে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে রূপ নেবে। ৬ মের পর থেকে তা শক্তিশালী আকার ধারণ করবে। ফলে ওড়িশাজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই নিয়ে এবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন ওড়িশার  মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। মঙ্গলবার তিনি সরকারি কর্মকর্তা এবং একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি আলোচনায় বসেন। ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যে একজনেরও যেন মৃত্যু না হয়, তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে মোচা। নামটি রেখেছে ইয়েমেন। লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়েমেনে মোচা নামে একটি সমুদ্রবন্দর রয়েছে। সেই অনুসারেই নামটি রাখা হয়েছে। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে ১৩টি দেশের সুপারিশ লাগে। এই দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশসহ ভারত, ইয়েমেন, কাতার, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওড়িশার ১৮টি উপকূলবর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবেলায় ১৭টি দল, ২০টি ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এখনো কোনো সতর্কতা জারি না করলেও একটি মার্কিন বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, বঙ্গোপসারে সৃষ্টি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। ৮ মে নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে সমতলে আছড়ে পড়তে পারে বলে সংস্থাটি আগাম সতর্ক করেছে।

মে ০২, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo