logo
youtube logotwitter logofacebook logo

কারাগার

ঐশীর ফাঁসির আদেশ - image

ঐশীর ফাঁসির আদেশ

11 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমাকে মৃত্যু দণ্ডের  আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় তার ঐশীর বন্ধু রনির দুই বছরের কারাদণ্ড ও জনিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেয়া হয়েছে। যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে গত ৪ নভেম্বর তিনিই রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করে দিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা কনেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সোয়া ১১টার দিকে প্রধান আসামি নিহত দম্পতির মেয়ে ঐশী এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী হিসেবে আসামি হওয়া ঐশীর ২ বন্ধু আসাদুজ্জামান জনি ও মিজানুর রহমান রনিকে আদালতে হাজির করা হয়। জনি শুরু থেকেই কারাগারে ছিলেন। রনি মাঝখানে জামিনে থাকলেও রায়ের দিন ঠিক করে দিয়ে বিচারক তাকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ মামলায় ঐশীদের বাসার শিশু গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার বিচার চলছে শিশু আদালতে। গত বছরের ১ জুন গাজীপুরের কিশোর সংশোধন কেন্দ্র থেকে মা সালমা বেগমের জিম্মায় তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

নভেম্বর ১১, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
যেকোনো সময় রায় কার্যকর - image

যেকোনো সময় রায় কার্যকর

09 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল তিনটার পরে রাজু কারাগারে প্রবেশ করে। নিজামী এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেননি। প্রাণ ভিক্ষার আবেদন না করলে যেকোনো সময় নিজামীর রায় কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এর আগে সোমবার রাতে নিজামীকে রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় পড়ে শোনানো হয়। রাত ৮ টার দিকে রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌছে। এর আগে সোমববার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন।এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশের পর বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চাইবেন তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। আদালতের সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী নিজামীর সামনে এখন কেবল ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগই বাকি রয়েছে। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে জেল কর্তৃপক্ষ দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করবে। সে ক্ষেত্রে দণ্ড কার্যকরের জন্য কারাকর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গত বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।

মে ০৯, ২০১৬
কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার - image

কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার

09 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯ ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর রায় কার্যকরকে সামনে রেখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ এবং র‌্যাব। কারাগারের সামনের ফটকের যান চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। কারা ফটকে সংবাদ কর্মীদের ভির বাড়ছে। উৎসুক জনতার ভীরও লক্ষ করা গেছে। সোমবার বিকেল থেকেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়। সন্ধ্যায় নিজামীর রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌছে।  এর পরই কারাগারের চিত্র পাল্টাতে থাকে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেছে। কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারাগার পরিদর্শন করেছেন। এর আগে সোমববার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশের পর বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চান তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। তিনি এখনও জানাননি। আদালতের সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী নিজামীর সামনে এখন কেবল ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগই বাকি রয়েছে। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে জেল কর্তৃপক্ষ দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করবে। সে ক্ষেত্রে দণ্ড কার্যকরের জন্য কারাকর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গত বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।  

মে ০৯, ২০১৬
মধ্যরাতে নিজামীর ফাঁসি কার্যকর - image

মধ্যরাতে নিজামীর ফাঁসি কার্যকর

10 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার ফাঁসি কার্যকর হয়। গত ৫ মে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন বা রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। সোমবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। এর পর দ্রুতই নিজামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু হয়। রায় প্রকাশের পর সোমবার বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া রায়ের কপি আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়েও পাঠানও হয়। রাত ৮ টার দিকে রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চান তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। সোমবার রাত থেকেই কারাগার এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল তিনটার পরে রাজু কারাগারে প্রবেশ করে। একই সময় ‘নিজামী এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেননি।  প্রাণ ভিক্ষার আবেদন না করলে যেকোনো সময় নিজামীর রায় কার্যকর হবে’ বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এদিকে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। কারা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারাগার পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যার পর বিপুল পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় আশেপাশের এলাকার যান চলাচল। কারাগারের ভেতরে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়। সন্ধ্যায় ছয়টার দিকে নিজামীর সাথে দেখা করতে তার পরিবারকে খবর পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। উত্তরা বাসা থেকে নিজামীর স্বজনরা সন্ধ্যায় ৭ টায় রওনা দেন। সন্ধ্যায় ৭ টা ৫০ মিনিটে পরিবারের ২২ জন সদস্য তিনটি জীপে করে কারা ফটকে পৌঁছান। এদিকে মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের অপেক্ষায় ঢাকার শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। চলছে প্রতিবাদী গান ও স্লোগান। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে এক মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০১৩ সালের ২৮ মে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৬টি অভিযোগ এনে নিজামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর নিজামীর বিরুদ্ধে আনা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি (১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮ ও ১৬) অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডসহ হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণের প্রমাণিত ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নিজামীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ৪টিতে ফাঁসি ও ৪টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় তকে। এর পর ওই বছর ২৩ নভেম্বর উচ্চ আদালতে আপীল করেন নিজামী। পরে গত ৬ মার্চ  ২০১৬আপিলের রায়ে ৩ টিতে ফাঁসি ও ২ টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখে সুপ্রিমকোর্ট। সেই আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে নিজামী । ৫ মে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন বা রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এর মাধ্যমে নিজামীর মামলার সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়। এর পর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের সুযোগ থাকলেও বাকীদের মত নিজামীয় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে (১০ মে, ২০১৬) তার ফাঁসি কার্যকর হয়। এর আগে  ২০১৪ সালের গত ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এস এম মজিবুর রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মতিউর রহমান নিজামীসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মে ১০, ২০১৬
সিরিয়ার কারাগারে ৫ বছরে ৬০ হাজার বন্দি নিহত - image

সিরিয়ার কারাগারে ৫ বছরে ৬০ হাজার বন্দি নিহত

21 মে 2016, বিকাল 6:00

অনলাইন ডেস্ক: সিরিয়ায় গত পাঁচ বছরের সরকার নিয়ন্ত্রিত কারাগারগুলোতে নির্যাতন ও খাদ্যাভাবে ৬০ হাজারের বেশি বন্দির মৃত্যু হয়েছে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের কর্মকর্তা রামি আবদেল রাহমান বলেছেন, সিরিয়ার কারাগারগুলোতে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত, সরকারি বাহিনীর নির্যাতন, অপর্যাপ্ত খাদ্য এবং ওষুধের অভাবে এতো বন্দির মৃত্যু হয়েছে। এদিকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য গবেষক নাদিম হাউরিও একই সংখ্যার বন্দি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সিরিয়ার কারাগারগুলোতে বন্দিদের ওপর সরকারি সংস্থাগুলো নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায়। নির্যাতনের কারণেই বেশিরভাগ বন্দি মারা গেছে বলে তিনি জানান। এর আগে গত ডিসেম্বরে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক এক প্রতিবেদনে সিরিয়ার সরকার নিয়ন্ত্রিত কারাগারগুলোতে, ২৮ হাজার বন্দির মৃত্যুর কথা বলা হয়েছিলো। ওই প্রতিবেদনে সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে মানবতা-বিরোধী অপরাধের অভিযোগও আনা হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে,  গত পাঁচ বছরের যুদ্ধে সিরিয়ায় ৪ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

মে ২১, ২০১৬
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল - image

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

14 জুন 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ৭ জনের যাবজ্জীবনএবং ১৩ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীতে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। পরদিন নিহতের ভাই ১৭ জনকে আসামী করে মামলা করেন। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্তদের আপিল ওপর শুনানি শুরু হয় চলতি বছর ২১ জানুয়ারি। দণ্ডিতদের মধ্যে ইতোমধ্যে দুজন মারা গেছেন। ১৭ আসামি কারাগারে ও বাকি নয় আসামি বর্তমানে পলাতক।

জুন ১৪, ২০১৬
আজ সকালের গানে মুজিব পরদেশী - image

আজ সকালের গানে মুজিব পরদেশী

31 অক্টোবর 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: সঙ্গীত প্রিয় মানুষের জন্য এটিএন বাংলায় সোম থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৮টা ২০মিনিটে প্রচার হচ্ছে প্রভাতী সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আজ সকালের গান’। শ্রোতাদের চাহিদা অনুযায়ী অনুষ্ঠানে থাকে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, লোকগীতি, আধুনিক গান, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ইত্যাদী। একেক দিন এক ধরনের গান দিয়ে সাজানো হয় অনুষ্ঠানের একটি পর্ব। অনুষ্ঠানে আজকের পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন মুজিব পরদেশী। আমি বন্দী কারাগারে, কলমে নাই কালি, আমার সাদা দিলে কাদা লাগায় গেলি ইত্যাদি জনপ্রিয় গানগুলো তারই কন্ঠে গাওয়া। আজকের পর্বে দশক শুনতে পাবেন মোট ৪টি গান। গানগুলো হলো- কলমে নাই কালি, ওরে ঐ শোনা যায়, আমি বন্দি কারাগারে এবং মনের আগুন জ্বলে দ্বিগুন। ফেরদৌস বাপ্পীর উপস্থাপনা এবং সেলিম দৌলা খান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচার হবে আজ (০১ নভেম্বর), সকাল ৮টা ২০মিনিটে।

অক্টোবর ৩১, ২০১৬
খাশোগি হত্যা : কী আলোচনা হয়েছিল যুবরাজ সালমান ও বাইডেনের মধ্যে - image

খাশোগি হত্যা : কী আলোচনা হয়েছিল যুবরাজ সালমান ও বাইডেনের মধ্যে

16 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে বলেছেন। বাইডেন এবং যুবরাজের মধ্যে কথোপকথন সম্পর্কে জেদ্দায় এক সংবাদ সম্মেলনে আরব নিউজের প্রশ্নের জবাবে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফলসাল বিন ফারহান এ কথা বলেন। সৌদি সাংবাদিক ও লেখক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডকে জঘন্য বলে বর্ণনা করেছেন বাইডেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ক্রাউন প্রিন্স খাশোগির বিষয়ে বাইডেনের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে ‘এ অপরাধটি দুর্ভাগ্যজনক এবং ঘৃণ্য হলেও রাজ্যটি খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে এবং দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করেছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রাউন প্রিন্স বাইডেনকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো দেশেই এমন ভুলগুলো হয়।’ যুবরাজ ফারহানের মতে, ক্রাউন প্রিন্স উল্লেখ করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ভুল করেছে এবং ‘দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে ভুলগুলো সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সৌদি আরব একটি দায়িত্বশীল দেশের মতো আচরণ করেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্রাউন প্রিন্স ইরাকের আবু গারিব কারাগারে আমেরিকার বাড়াবাড়ি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথাও উল্লেখ্য করেন। এছাড়া আফগানিস্তানে ২০২১ সালের ড্রোন হামলার কথাও উল্লেখ করেন, যার ফলে একটি পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে এই ঘটনার জন্য নিজেদের দায়বদ্ধ রাখে এবং সৌদি আরবও ঠিক একই কাজ করেছে। ক্রাউন প্রিন্স এবং বাইডেনের মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল তার বিশদ বিবরণ দিয়ে প্রিন্স ফারহান বলেন, এ সময় দেশ দুটির মূল্যবোধ সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছিল। বাইডেনের দিকে ইঙ্গিত করে যুবরাজ সালমান বলেছিলেন যে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা ‘আমাদের ইসলামিক বিশ্বাস এবং আরব ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে রাজ্যের মূলনীতি ও মূল্যবোধ।’ প্রিন্স ফারহান বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মার্কিন নেতাকে বলেছিলেন যে ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে সংলাপের মাধ্যমে মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়া উচিত। আপনার মূল্যবোধ অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা কার্যকর হবে না। এটি আপনাকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেবে। আপনার মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেয়ার সঠিক উপায় হলো, বিশ্বকে দেখানো যে আপনি প্রথম সেগুলো মেনে চলেন। ‘এবং তারপরে যদি আপনার মূল্যবোধগুলো বৈধ এবং বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তবে সেগুলো গ্রহণ করা হবে। আপনি জোর করে আপনার মূল্যবোধ চাপিয়ে দিতে পারবেন না এবং আপনাকে সেটা বুঝতে হবে।’ ‘ক্রাউন প্রিন্স বাইডেনকে বেশ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজস্ব মূল্যবোধ রয়েছে। এই মূল্যবোধগুলো মার্কিন মূল্যবোধের সাথে শতভাগ মিলবে না কারণ আমরা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য, নিজস্ব মূল্যবোধ, নিজস্ব বিশ্বাসের জন্য খুব, খুব বেশি গর্বিত। প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব ব্যবস্থা, নিজস্ব মূল্যবোধ রক্ষা করতে চায়।’ যুবরাজ ফারহান ক্রাউন প্রিন্সকে উদ্ধৃত করে বলেছেন যে ‘আমরা আমাদের দেশ এবং আমাদের মূল্যবোধের জন্য অত্যন্ত গর্বিত। এবং যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেবলমাত্র তার মতো দেশগুলোর সাথে মোকাবিলা করতে চায় তবে দেশগুলোর তালিকা খুব ছোট হতে চলেছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, বাইডেনকে বলা হয়েছে যে ‘আমাদের একসাথে কাজ করার একমাত্র উপায় হলো যদি আমরা একে অপরকে সম্মান করি এবং একে অপরের মূল্যবোধ এবং সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে।’ সূত্র : আরব নিউজ

জুলাই ১৬, ২০২২
শাওনের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে কারাগারে রবিউল - image

শাওনের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে কারাগারে রবিউল

27 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিণী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ করা মামলায় গ্রেফতার আসামি রবিউল ইসলামকে (৪১) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলামের আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) আদালত তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, জনৈক প্রতারক নিজেকে ডেপুটি স্পিকার পরিচয় দিয়ে শাওনকে ফোন করে জানান, নুহাশপল্লীর উন্নয়নবাবদ অস্ট্রেলিয়া থেকে বড় অংকের একটি ফান্ড এসেছে, যা বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা আছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিবের মোবাইল নম্বরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। শাওন ওই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে অন্য প্রান্ত থেকে নিজেকে উপসচিব পরিচয় দিয়ে ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য সরকারি ফি বাবদ ৩১ হাজার ৮৫০ টাকা দিতে বলেন। ফাঁদে পা দেন শাওন। টাকা দিয়ে দেন প্রতারককে। প্রতারকের নম্বর বন্ধ পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পেরে নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। এরপর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা চারটি সিমকার্ড জব্দ করে ডিবি।

আগস্ট ২৭, ২০২২
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo