logo
youtube logotwitter logofacebook logo

আয়

ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল - image

ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

মাত্র ৫ ঘন্টায় ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ডে সার্ভিস শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি কোম্পানী এমভি গ্রীন লাইনের দুটি জাহাজ। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান-এমপি আনুষ্ঠানিক ভাবে জাহাজ দুটির উদ্বোধন করবেন। দিবা সার্ভিসের জন্য গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজের আধুনিক জাহাজ দুটি বরিশালের যাত্রী সাধারনের দুর্ভোগ লাগবে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজ বরিশালের ইনচার্জ মো. বাদশা মিয়া জানান, প্রতিটিতে ৬শ যাত্রী বহনে সক্ষম এ জাহাজ একদিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশাল গিয়ে আবার ঢাকায় ফেরা সম্ভব। গত বৃহস্পতিবার বরিশালে পরীক্ষামূলক সার্ভিস দিয়েছে জাহাজ দুটি। তিনি আরও জানান, এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হবে। বিমানের আদলে গড়া এ জাহাজ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এতে দুই ক্যাটাগরির আসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইকোনোমি ক্লাসের ভাড়া ৭০০ টাকা এবং বিজনেস ক্লাসের ভাড়া ১০০০ টাকা। এ ভাড়ার মধ্যেই রয়েছে খাবারের আয়োজন। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা ও বিকাল তিনটায় জাহাজ চলাচলের সময় নির্ধারন করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ ঢাকার উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন বলেন, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে নৌ-পথের যাত্রীসেবা টিকিয়ে রাখতে দ্রুতগতিসম্পন্ন এ ধরণের জাহাজ চলাচলের কোন বিকল্প নেই। সূত্রমতে, প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ জাহাজ দুটি ক্যাটাম্যারান টাইপের ব্রিটিশ এয়ারলাইনসের বিমানের মতো চেয়ার সিট। এর নিচের অংশ স্টিল আর উপরের অংশ ফাইবারের তৈরি। যে কারণে ডুববে না বরং উল্টে গেলেও ভাসমানই থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বরিশাল বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. মেস্তাফিজুর রহমান জানান, ৮ সেপ্টেম্বর জাহাজ দুটি উদ্বোধনের পর ৯ সেপ্টেম্বর বরিশাল থেকে প্রথম যাত্রা শুরু করবে। জাহাজ দুটি চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষ দিনের বেলায়ও যানজটমুক্ত পরিবেশে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এজন্য বরিশাল নৌ-বন্দরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য অধ্যাপক মহসিন-উল ইসলাম হাবুল বলেন, লঞ্চ মালিকদের কাছে জিম্মি বরিশালের যাত্রীরা। তাদের কারণে অন্যকোনো নৌযানও এসে টিকে থাকতে পারেনা। সে অনুযায়ী লঞ্চের রোটেশন প্রথা ভাঙতে এমন অত্যাধুনিক দ্রুতগতির জাহাজ চালু হওয়া দরকার। লঞ্চ রোটেশন প্রথা বাতিল কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিপলু বলেন, ডে সার্ভিসে ওয়াটারওয়েজ জাহাজ বরিশালের মানুষের জন্য সুখবর। তবে এ জাহাজ যাতে লঞ্চ মালিকদের চক্রান্তে বে-ক্রুজের মতো বন্ধ না হয়ে যায় সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ - image

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

07 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

আইসিআরসি আয়োজিত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ৫ জাতির আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। ভারতের দেয়া ১১৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন বেঁচে রইল বাংলাদেশের। বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন কুনাল। এছাড়া আমিন উদ্দিন ২৬ ও নেগির ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। বাংলাদেশের আলম খান ৩টি ও দ্রুপম তীর্থ নেন ২টি উইকেট। জবাবে- দলীয় ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে আলিম উদ্দিনের ৪৫ ও শাহরিয়ার শামীমের ৪২ রানের সুবাদে এক ওভার বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৫
রিয়্যালিটি শো ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’ - image

রিয়্যালিটি শো ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’

07 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

সঞ্চালনা- খন্দকার ইসমাইল পরিচালনা- আসলাম শিকদার ‘সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৫’ টিভি রিয়্যালিটি শো, পাওয়ার্ড বাই মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিল এবং ফ্যামিলি পাম অলিন দেখা যাবে এটিএন বাংলায় অক্টোবরের ২য়/৩য় সপ্তাহ থেকে। প্রতিযোগিতার মোট ১৩টি পর্ব সপ্তাহিকভাবে প্রচার হবে এটিএন বাংলায়। প্রথম সাতটি পর্বে দেখা যাবে বিভাগীয় প্রতিযোগিতা। প্রতি বিভাগের সেরা ৭ জন রন্ধনশিল্পী এতে অংশ নেবেন এবং নির্বাচিত নিজস্ব রেসিপি অনুসারে তাদের রন্ধনশৈলি প্রদর্শন করবেন। বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ পরবর্তী পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। কয়েকটি পর্যায় পার হয়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবেন মাত্র ৪ জন। এদের মধ্যে থেকে চ্যাম্পিয়ন, ১ম ও ২য় রানার আপ নির্বাচিত করা হবে। সেরা পুষ্টি জ্ঞানের জন্য একজন প্রতিযোগীকে ‘অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবীর ট্রফি’ প্রদান করা হবে। শেষ তিনটি পর্বে রন্ধনশিল্পীরা বিশেষভাবে তৈরি শেফ কোট পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবেন। প্রতিযোগিতায় বিচার কার্য পরিচালনা করবেন বিশিষ্ট রন্ধন ও পুষ্টি বিশারদগণ। তারা হলেন- কল্পনা রহমান, লবী রহমান, তাহেরা ওয়াহিদ, নূর আয়েশা চাকলাদার, নাফিজ ইসলাম লিপি। রন্ধনশৈলি, উপস্থাপনা, পরিবেশন, পুষ্টিজ্ঞান, রান্নার স্বাদ ইত্যাদি বিবেচনায় প্রতি পর্বের বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে নিজস্ব রেসিপি অনুসারে রান্না করলেও পরবর্তী পর্যায়গুলোতে রন্ধনশিল্পীদের পরীক্ষাটা হবে অনেকটাই কঠিন। কোন পূর্বনির্ধারিত রেসিপি ছাড়াই সরবরাহকৃত উপদান ও উপকরণ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন ডিস, যেমন বাচ্চাদের খাবার, মায়ের হাতের রান্না, লাঞ্চ, ডিনার ইত্যাদি তৈরি করতে হবে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা পর্বে আরো কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে প্রতিযোগীদের। বিচারকবৃন্দ কর্তৃক তৈরি করা ডিস দেখে এবং চেখে তাৎক্ষণিকভাবে অনুরূপ ডিস তৈরি করতে হবে। এবারের প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে প্রায় দুই হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণের জন্য এন্ট্রি পাঠান। প্রতি বিভাগ থেকে ৭ জন করে মোট ৪৯ জনকে টিভি রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এই ৪৯ জনের জন্য গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার এফডিসিতে অবস্থিত এটিএন বাংলার স্টুডিওতে দিনব্যাপী গ্রুমিং সেশনের আয়োজন করা হয়। সেশনে বিচারকমন্ডলীর সদস্য, পৃষ্ঠপোষকতাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষে এটিএন বাংলা’র চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান ওএবং দি বাংলাদেশ মনিটর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম ছাড়াও বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলা’র বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের উপদেষ্টা এম শামসুল হুদা, অনুষ্ঠান বিভাগের উপদেষ্টা নওয়াজীশ আলী খান। সেরা রন্ধনশিল্পী প্রতিযোগিতা গত দশ বছর যাবৎ আয়োজন করে আসছে ভ্রমণ বিষয়ক পাক্ষিক দি বাংলাদেশ মনিটর। টিভি রিয়্যালিটি শো আকারে প্রতিযোগিতাটি গত বছরই প্রথম এটিএন বাংলায় প্রচার করা হয়। এবারেও এটিএন বাংলা ও দি বাংলাদেশ মনিটর যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করছে। খন্দকার ইসমাইলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আসলাম শিকদার। প্রতিযোগিতার টাইটেল স্পন্সর মালয়েশিয়ান পাম অয়েল কাউন্সিল, টিকে গ্রুপের ফ্যামিলি ব্র্যান্ড পাম অলিন। পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করছে আগোরা, ওমেন্স ওয়ার্ল্ড, বসুন্ধরা গ্রুপ এবং নাদিয়া ফার্নিশার্স।

অক্টোবর ০৭, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক- দহন - image

ধারাবাহিক নাটক- দহন

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

রচনা ও পরিচালনা- অরণ্য আনোয়ার প্রচার- রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টা এটিএন বাংলায় রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টায় প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’। ইতোমধ্যে ধারাবাহিকটি ৫০তম পর্ব অতিক্রম করেছে। অরণ্য আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। জেলা শহর থেকে প্রায় বারো তেরো কিলোমিটার দুরে অজো পাড়া গাঁয়ে তাজরিনদের বাড়ী। প্রতিদিন টেম্পোতে করে জেলা শহরের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়ত করে সে। গ্রামের বাজারে বাবার মুদি দোকান। সেই দোকানের আয়ে কোনভাবে কেটে যাচ্ছিল তাদের সংসার। সংসারে মানুষ তারা তিনজন। বাবা মা আর সে। তাজরিনের মনে সব সময় ভাবনা একটাই, লেখাপড়া শেষ করে অভাবী বাবা মার সংসারের হাল ধরবে, নিজেরও হবে একটা সুখের সংসার। কিন্তু ভাবনা মতো মানুষের জীবন চলেনা। তাজরিনের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে বিপর্জয়। হঠাৎ একদিন আবিষ্কৃত হয় নেশায় আক্রান্ত হয়ে দোকান বিক্রি করে দিয়েছে তার বাবা। দুরারোগ্য ব্যধিতে পড়ে মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মায়ের এমন অবস্থায়ও বাবার নেশা কমেনা। নেশার সেই টাকা যোগান দিচ্ছেন সুজাউদ্দৌলা নামের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ষাটোর্ধ সুজাউদ্দৌলার টাকাতেই এখন তাদের সংসার চলছে। একদিন এই সুজাউদ্দৌলা তাদের বাড়ীতে আসে। আর সেদিনই তাজরিন জানতে পারে বাবা ষাটোর্ধ এই লোকটির সাথেই তার বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। অথৈ জলে পড়ে যায় তাজরিন। কি করবে এখন সে!

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
অক্টোবর মাসের বাংলা ছায়াছবি - image

অক্টোবর মাসের বাংলা ছায়াছবি

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি প্রচার- রবি থেকে বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিট বৃহস্পতি থেকে শনিবার দুপুর ৩টা ১০ মিনিট এটিএন বাংলার অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি প্রচারিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রগুলো রবি থেকে বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিট এবং বৃহস্পতি থেকে শনিবার দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে। প্রতিদিন ছায়াছবি প্রচারের অনুষ্ঠানমালায় ১ অক্টোবর প্রচার হবে ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত ছায়াছবি দেহরক্ষী। ২ অক্টোবর প্রচার হবে এম বি মানিক পরিচালিত চলচ্চিত্র জান আমার জান। ৩ অক্টোবর প্রচার হবে বদিউল আলম খোকনের ডেয়ারিং লাভার। ৪ অক্টোবর প্রচার হবে এহতেসাম পরিচালিত চলচ্চিত্র সৈনিক। নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত হায় প্রেম হায় ভালবাসা প্রচার হবে ৫ অক্টোবর। ৬ অক্টোবর প্রচার হবে রেজা হাসমতের প্রেম পিয়াসী। ৭ অক্টোবর প্রচার হবে পল্লী মালেক পারিচালিত কঠিন প্রতিজ্ঞা। পরবর্তী সপ্তাহে ধারাবাহিকভাবে ৮ অক্টোবর প্রচার হবে মোকলেছুর রহমান গোলাপ পরিচালিত হৃদয়ের আয়না। ৯ অক্টোবর আজিজ আহমেদ বাবুলের মুখোমুখি, ১০ অক্টোবর মনতাজুর রহমান আকবরের কঠিন বাস্তব, ১১ অক্টোবর কমল সরকারের ক্ষ্যাপা বাসু, ১২ অক্টোবর গাজী মাহবুব পরিচালিত আমার পৃথিবী তুমি, ১৩ অক্টোবর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ভাবীর সংসার এবং ১৪ অক্টোবর প্রচার হবে মাসুম পারভেজ রুবেলের খুনের পরিনাম। ১৫ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচার হবে শত্রুতা, বিশ্ব বাটপার, ভালবাসা দিবি কিনা বল, লোভ লালসা, আঞ্জুমান, আসমান জমিন, লক্ষী বধু, সবাইতো ভালবাসা চায়, চাকরের প্রেম, জিদ্দি মামা, শিকারী, কঠিন প্রেম, আম্মা, জীবনের চেয়ে দামী, এক টাকার দেন মোহর, হিরো দ্যা সুপার স্টার এবং মাই নেম ইজ খান।

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
কৃষি জমি রক্ষা করেও শিল্পায়ন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী - image

কৃষি জমি রক্ষা করেও শিল্পায়ন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

21 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কৃষি জমি রক্ষা করেও দেশে শিল্পায়ন সম্ভব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ পরিচালনা পর্ষদের-বেজার তৃতীয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বেজার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আয়োজন করা হয় এর তৃতীয় সভা। এতে প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলার দিক নির্দেশনা দিয়ে বলেন, শিল্প কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থেই পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি নজরে রাখা জরুরী এবং পরিবেশে ও কৃষির কথা মাথায় রেখেই দেশে শিল্পায়ন গড়ে তুলতে হবে। যত্রতত্র শিল্পায়ন না করে কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষা করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল-ইপিজেড গড়ে তুলেতে ২০১০ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ২১টি জায়গা চিহ্নিত করেছে বেজা। এমনি ভাবে মোট ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলার ক্ষেত্রে নদী বা সমুদ্র বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় আনার পরামর্শ দেন তিনি। আর কর্মসংস্থান বাড়াতে শ্রমঘন ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের উপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অক্টোবর ২১, ২০১৫
‘পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স ক্যানভাসে ক্যাম্পাস’ - image

‘পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স ক্যানভাসে ক্যাম্পাস’

28 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

প্রচার- ২৯ অক্টোবর, রাত ১০টা ৫৫মিনিট উপস্থাপনা- লোপা হোসাইন এবং তানজিলা পৃথা পরিচালনা- মুকাদ্দেম বাবু ও রাসেল মাহমুদ। মিলিটারী ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এর র‌্যাগ ডে উপলক্ষে গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স ক্যানভাসে ক্যাম্পাস’। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে এমআইএসটি এবং এটিএন বাংলা। এমআইএসটি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ব্যান্ডদল আর্টসেল। ব্যান্ডের পাশাপাশি গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন কণ্ঠশিল্পী চুমকী, সামিয়া। অনুষ্ঠানে গানের সঙ্গে থাকে কোরিওগ্রাফি সম্বলিত নাচ। অনুষ্ঠানে গানের ফাঁকে ফাঁকে কৌতুক পরিবেশন করেন মীরাক্কেল খ্যাত শাওন ও শশী। এসব আয়োজনের বাইরেও ছিল এমআইএসটি’র শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের পরিবেশনা।

অক্টোবর ২৮, ২০১৫
প্রভাতী ম্যাগাজিন ‘তাজা চায়ের চুমুকে’ - image

প্রভাতী ম্যাগাজিন ‘তাজা চায়ের চুমুকে’

31 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর। জীবনানন্দের রূপসী বাংলা কবিতায় ফুটে উঠেছে বাংলা মায়ের অপরূপ সৌন্দর্য। কিন্তুু এই অপরূপ বাংলাকে দেখতে এবং এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আমাদের কতই না আয়োজন করতে হয়। তবে শুধুই কি আয়োজন করে অনেক দুরের কোন স্থানে গিয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করতে হয় ! আমাদের চারপাশে কি অপরূপ সৌন্দর্য নেই? অবশ্যই আছে। তবে সে সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেক আয়োজনের প্রয়োজন নেই। শুধু প্রয়োজন একটু চিন্তুা, একটু সময় এবং সুন্দর মনের। আমাদের চারপাশে, প্রতিটি গ্রামে, প্রকৃতির পরতে পরতে রয়েছে সৌন্দর্য। রয়েছে অনেক অজানা তথ্য। আর এসব সৌন্দর্য আর অজানা তথ্য জানাতে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আপনার নিকট উপস্থাপন করতে এটিএন বাংলায় রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে প্রভাতী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘তাজা চায়ের চুমুকে’। অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে তুলে ধরা হয় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতিকে। অনুষ্ঠানে আরও থাকে আজকের দিন সম্পর্কে জানা, আজকে জন্মগ্রহনকারীদের তথ্য, আবহাওয়া, রাশিফল, বিউটি টিপস, বাংলার গান, শিল্প সাহিত্যের খবরাখবর এবং অতিথির সাথে আড্ডা। অনুষ্ঠানের প্রতি পর্বেই আড্ডায় অংশগ্রহন করে থাকেন দেশের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত, নিজ গুনে গুনান্বিত ব্যক্তিবর্গ। ইমতু রাতিশ ও ফাইজা খান এর উপস্থাপনা এবং মোশতাক হোসেন মাশুক এর পরিচালনায় ‘তাজা চায়ের চুমুকে’ অনুষ্ঠানটি তে আজকের অতিথি সাংবাদিক শাহ আলম সাজু। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে আজ (০১ নভেম্বর) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এটিএন বাংলায়।

অক্টোবর ৩১, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’ - image

ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’

01 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (০২ নভেম্বর) রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’। অরণ্য আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। জেলা শহর থেকে প্রায় বারো তেরো কিলোমিটার দুরে অজো পাড়া গাঁয়ে তাজরিনদের বাড়ী। প্রতিদিন টেম্পোতে করে জেলা শহরের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়ত করে সে। গ্রামের বাজারে বাবার মুদি দোকান। সেই দোকানের আয়ে কোনভাবে কেটে যাচ্ছিল তাদের সংসার। সংসারে মানুষ তারা তিনজন। বাবা মা আর সে। তাজরিনের মনে সব সময় ভাবনা একটাই, লেখাপড়া শেষ করে অভাবী বাবা মার সংসারের হাল ধরবে, নিজেরও হবে একটা সুখের সংসার। কিন্তু ভাবনা মতো মানুষের জীবন চলেনা। তাজরিনের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে বিপর্জয়। হঠাৎ একদিন আবিষ্কৃত হয় নেশায় আক্রান্ত হয়ে দোকান বিক্রি করে দিয়েছে তার বাবা। দুরারোগ্য ব্যধিতে পড়ে মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মায়ের এমন অবস্থায়ও বাবার নেশা কমেনা। নেশার সেই টাকা যোগান দিচ্ছেন সুজাউদ্দৌলা নামের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ষাটোর্ধ সুজাউদ্দৌলার টাকাতেই এখন তাদের সংসার চলছে। একদিন এই সুজাউদ্দৌলা তাদের বাড়ীতে আসে। আর সেদিনই তাজরিন জানতে পারে বাবা ষাটোর্ধ এই লোকটির সাথেই তার বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। অথৈ জলে পড়ে যায় তাজরিন। কি করবে এখন সে!

নভেম্বর ০১, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo