
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
গ্রীষ্মকাল এলেই বাজারে দেখা মেলে টক-মিষ্টি স্বাদের জনপ্রিয় ফল জামের। স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফল শুধু জিভের রুচিই বাড়ায় না, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুস্থতাও নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে লিভার বা যকৃতের স্বাস্থ্য রক্ষায় জাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে জাম রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জামে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান লিভারের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, লিভারে চর্বি জমতে শুরু করলে কিছু এনজাইমের মাত্রা বেড়ে যায়,
লিভারের পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, হজমশক্তি বৃদ্ধি এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও জামের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া জামে থাকা আঁশ অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও বিপাকক্রিয়া উন্নত করে। কম ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি কার্যকর বলে মনে করা হয়।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, জাম কোনোভাবেই লিভারের চিকিৎসার বিকল্প নয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি সহায়ক খাদ্য হিসেবে কাজ করতে পারে। অতিরিক্ত জাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি থাকতে পারে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণকারীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জাম খাওয়া উচিত, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে। দ্রুত পচনশীল হওয়ায় খাওয়ার আগে জাম ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: দ্য ওয়াল