
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কমলা ও লেবুর মতো ফল রাখা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এসব ফ্লে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে লেবুজাতীয় এসব ফল খেলে শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সুস্থতা বজায় থাকে। সহজলভ্য হওয়ায় প্রতিদিনের খাবারে কমলা ও লেবু অন্তর্ভুক্ত করা খুবই সহজ।
কমলা মিষ্টি স্বাদ ও সতেজ ঘ্রাণের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। কমলায় থাকা ভিটামিন সি শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে এবং ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় কোলাজেন গঠনে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ফলের খাদ্যআঁশ হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে, লেবুতেও রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ও উদ্ভিজ্জ উপকারী উপাদান, যা শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। খাবারের সঙ্গে লেবুর রস যোগ করলে স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ভিটামিন সি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ে, আর লেবুপানি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে। তবে লেবু একাই হজমের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে পারে—এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সীমিত।
দীঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতেও এসব ফল বেশ সহায়ক। কমলা ও লেবুর পুষ্টি উপাদান কোষের কার্যক্রম ঠিক রেখে হৃৎস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটায়। তবে শুধুমাত্র কমলা বা লেবু খেলেই হৃদ্রোগ কিংবা ক্যানসার সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়; এজন্য সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও জরুরি।
খাবার তালিকায় কমলা সরাসরি খাওয়া যায় এবং লেবুর রস সালাদ, তরকারি বা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া সুবিধাজনক। অতিরিক্ত চিনি দিয়ে শরবত না বানিয়ে গোটা ফল খাওয়াই বেশি উপকারী, কারণ এতে প্রয়োজনীয় ফাইবার পাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে কমলা ও লেবু গ্রহণের পাশাপাশি সঠিক সংরক্ষণের নিয়ম মেনে চললে এগুলোর সতেজতা ও গুণাগুণ দীর্ঘদিন বজায় থাকে।
টি/