
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
১৪ বছরের বিধ্বংসী গৃহযুদ্ধের ক্ষত সারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে বড় এক অর্থনৈতিক বার্তা দিল সিরিয়া। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনে সৌদি আরবের সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি করেছে দামেস্ক। বিমান চলাচল, জ্বালানি, আবাসন ও টেলিযোগাযোগ—এ চার খাতকে কেন্দ্র করে এই চুক্তিকে সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিরিয়ান ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির প্রধান তালাল আল-হিলালি এসব চুক্তির ঘোষণা দেন। চুক্তির আওতায় আলেপ্পোতে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, সিরিয়া-সৌদি যৌথ উদ্যোগে স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন চালু এবং ‘সিল্কলিংক’ নামে একটি টেলিযোগাযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য সিরিয়াকে একটি আঞ্চলিক সংযোগকেন্দ্রে রূপান্তর করা।
দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৪ সালের
টেলিযোগাযোগ খাতেও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আসছে। সিরিয়ার যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আবদুলসালাম হায়কাল জানান, প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সংযোগ জোরদারে হাজার হাজার কিলোমিটার কেবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সৌদি বাজেট এয়ারলাইন ফ্লাইনাস ও সিরিয়ান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্লাইনাস সিরিয়া’ নামে নতুন এয়ারলাইন চালু হবে, যার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ২০২৬ সালের শেষ দিকে।
এ ছাড়া সৌদি প্রতিষ্ঠান এসিডব্লিউএ পাওয়ারের সঙ্গে পানি ও জ্বালানি খাতে চুক্তি করেছে সিরিয়া। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি কর্মকর্তারা এসব উদ্যোগকে পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রশংসা করেছেন, বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন—স্বল্পমেয়াদে এসব চুক্তির রাজনৈতিক গুরুত্বই বেশি। কারণ অতীতে ঘোষিত বহু বিদেশি বিনিয়োগ এখনো বাস্তব চুক্তিতে রূপ নেয়নি।