
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি এগিয়ে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সৌদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে এবং এটাই সেই পদক্ষেপ নেওয়ার উপযুক্ত সময়।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ইসরায়েলের শর্ত ছাড়া চলতি সপ্তাহের শুরুতে পারমাণবিক চুক্তির ঘোষণা দিয়ে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ তার অবস্থানের চেয়ে এগিয়ে গিয়েছিল কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, কেউ এগিয়ে যায়নি। তিনি বলেন, সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে হবে এবং সফল আব্রাহাম চুক্তির সদস্য হতে হবে।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে
ট্রাম্প বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের আগে তিনি জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের সঙ্গে এসব চুক্তি নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করেননি। তবে বিষয়টি সবসময়ই অনুমিত ছিল এবং ক্রিস রাইট ও সৌদি আরব এ বিষয়ে জানত। এদিকে, পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত যুক্ত করার বিষয়ে সৌদি আরব এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের বিষয়টি উল্লেখ না করে পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছিল। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এই চুক্তি কয়েক দশকব্যাপী বড় ধরনের অংশীদারিত্বের অংশ এবং এটি চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া হবে। চুক্তির পুরো বিবরণ প্রকাশ না হলেও কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এতে সৌদি আরবকে নিজ দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে ট্রাম্প পরে জানিয়েছেন, কোনো উপাদানের সমৃদ্ধকরণ হবে না। আশা করা হচ্ছে, নতুন এই পারমাণবিক চুক্তি ৩০ বছর স্থায়ী হবে এবং এর মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা সৌদি আরবে হস্তান্তর করা হবে। সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে করা হয়েছে। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এই চুক্তির কারণে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের কোনো সুযোগ বা ঝুঁকি নেই, কারণ মার্কিন ঠিকাদাররা প্রকল্পটি তদারক করবে।
সূত্র: আলজাজিরা