
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা জোট গড়ে উঠেছে। তবে এই চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশ, বিশেষ করে ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, চুক্তিতে ইরান বা অন্য কোনো দেশকে যৌথ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, চুক্তিতে কোনো
ফিদান জানান, কোনো দেশ আক্রান্ত হলে সহযোগিতা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। আক্রান্ত দেশকে সহায়তার জন্য অনুরোধ করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্য, রসদ, গোলাবারুদ কিংবা সামরিক ইউনিট পাঠানোর মতো সহায়তা দেওয়া হতে পারে। চুক্তির আওতায় পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক প্রধানদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবে একটি সচিবালয় স্থাপন করা হবে।
এদিকে চুক্তিটি নিয়ে ইরানের কয়েকজন কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সৌদি আরবকে নতুন নিরাপত্তা অংশীদারদের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দিয়েছেন। ইরানের সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্যরা এটিকে ‘কাগজে-কলমের চুক্তি’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তবে তুরস্ক জানিয়েছে, চুক্তিটির প্রস্তুতি প্রায় দুই বছর আট মাস ধরে চলেছে এবং এটি কোনো সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়ায় তৈরি হয়নি। একই সঙ্গে তিন দেশ যৌথ প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করবে।
/টি