
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
রাষ্ট্রায়ত্ত সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘সোনালী ব্যাংক পিএলসি’-তে দীর্ঘদিনের পদোন্নতি বৈষম্য দূর করে অন্তত একটি করে পদোন্নতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বঞ্চিত কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে এই দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত বঞ্চনার শিকার হওয়া কর্মকর্তাবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মেধা তালিকায় প্রথম দিকে অবস্থান করে চাকরিতে যোগ দেওয়া সত্ত্বেও সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা পদোন্নতির ক্ষেত্রে অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের (রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক) তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। বৈষম্যমূলক অর্গানোগ্রাম ও পদোন্নতি নীতিমালার কারণেই এমন জটলা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
স্মারকলিপিতে বিগত বছরগুলোতে সোনালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্তদের
সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ থেকে ২০২০ ব্যাচে যোগ দেওয়া সিনিয়র অফিসাররা এখনও কোনো পদোন্নতি পাননি। অথচ একই সময়ে রূপালী ও কৃষি ব্যাংকে যোগ দেওয়া প্রার্থীরা প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকের মোট শাখা এক হাজার ২৩৫টি এবং ২০২৫ সালে নীট মুনাফা এক হাজার ৩১৩ কোটি টাকা। অপরদিকে রূপালী ব্যাংকের শাখা ৫৩৭টি এবং মুনাফা মাত্র সাত হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। মুনাফা ও শাখার দিক থেকে সোনালী ব্যাংক অনেক এগিয়ে থাকলেও অনুমোদিত পদের সংখ্যানুপাতে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা চরম অবমূল্যায়নের শিকার বলে দাবি বঞ্চিতদের।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, রূপালী ব্যাংক পিএলসি বিগত ২০২৪ ও ২০২৫ সাল ভিত্তিক অফিশিয়েটিং পদ্ধতিতে পদোন্নতি দিয়ে তাদের সব বঞ্চনা দূর করেছে। ফলে সোনালী ব্যাংকেও একই নীতি অনুসরণ করে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও বঞ্চনা দূর করার সুযোগ রয়েছে। এতে বঞ্চিত কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সোনালী ব্যাংক পিএলসি-তে বিগত সরকারের আমলে (২০০৯–২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত) পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের বর্তমান গ্রেড থেকে পরবর্তী গ্রেডে নূ্যনতম একটি পদোন্নতি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে কার্যকর করতে হবে। এছাড়া বছরের যে সময়েই পদোন্নতি দেওয়া হোক না কেন, ‘কাট অফ ডেট’ ৩১ ডিসেম্বর এবং ‘ইফেক্ট ডেট’ ১লা জানুয়ারি ধরে হিসাবায়ন করারও দাবি জানানো হয়েছে।