
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সকালের নাশতায় বাচ্চাকে কী খেতে দেবেন তা নিয়ে অনেক অভিভাবকই দুশ্চিন্তায় থাকেন। সকালের দিকে শিশুদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, তাই এসময় সঠিক খাদ্য নির্বাচন তাদের মেধা, স্মৃতিশক্তি এবং স্কুলের ক্লাসে মনোযোগ বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে সকালের খাবারে প্রক্রিয়াজাত বা প্রসেসড খাবার দিলে শরীরে শক্তির অভাব দেখা দেয়, মনোযোগ কমে এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
শিশুর মেধা বিকাশে সবচেয়ে কার্যকরী প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার হলো ডিম। ডিমকে বলা হয় নিখুঁত ‘ব্রেন ফুড’। এতে রয়েছে মানসম্মত প্রোটিন এবং ‘কোলিন’ (Choline) নামক উপাদান, যা মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান তৈরি করে শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। সকালে একটি ডিম খেলে শিশুর
শরীরে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি জোগাতে ওটসের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকা জটিল কার্বোহাইড্রেট খুব ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রচুর ফাইবার ও ভিটামিন-বি সমৃদ্ধ ওটস বা ওভারনাইট ওটস সকালে খেলে শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে স্কুলে শান্ত থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারে।
স্মৃতিশক্তি ত্বরান্বিত করতে এবং ব্রেন সেল সুরক্ষায় বাদাম ও বীজ দারুণ কাজ করে। আখরোট, কাঠবাদাম, তিশি এবং চিয়া বীজে রয়েছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন-ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সকালে দুধ, দই বা স্মুদির সঙ্গে ভিজিয়ে রাখা বাদাম ও বীজ মিশিয়ে দিলে শিশু প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।
এছাড়া সকালের নাশতায় তাজা ফল, দুধ ও দই রাখা ভীষণ জরুরি। কলা, বেরি বা আপেলের প্রাকৃতিক চিনি ব্রেনকে অতিরিক্ত চঞ্চল না করে ভারসাম্যপূর্ণ শক্তি দেয়। আর ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও প্রোপায়োটিক সমৃদ্ধ দুধ ও দই মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। শিশুর মস্তিষ্কের পূর্ণ বিকাশে প্রসেসড খাবার এড়িয়ে এসব পুষ্টিকর খাবার দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
/টি