
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শান্তি চুক্তি করাতে খুবই দক্ষ, এবং এটি এখন তার কাছে প্রায় শখের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটিকে তিনি ঐতিহাসিক ‘শান্তি চুক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, তার নেতৃত্বেই এই দুই দেশের দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে সীমান্ত নিয়ে সংঘাতে জড়ায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। সে সময় ট্রাম্প দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ওপর বাণিজ্যিক চাপ প্রয়োগের হুমকি দেন, যা তাদের আলোচনায় বসতে বাধ্য করে। রবিবার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন ভবিষ্যতেও বাণিজ্য চুক্তিকে কূটনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে, যাতে বিশ্বে স্থায়ী শান্তি
চুক্তি স্বাক্ষরের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “এই চুক্তি লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারে। আমি শান্তি চুক্তি করাতে খুবই দক্ষ—এটা এখন আমার শখের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।” কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত এ সময় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে ঘোষণা দেন, আগামী বছরের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনোনয়ন দিয়েছেন।
এএফপির তথ্য অনুযায়ী, কুয়ালালামপুরে থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। চুক্তির অংশ হিসেবে ১৮ জন কম্বোডিয়ান যুদ্ধবন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদিও থাই কর্তৃপক্ষ একে কেবল “যৌথ ঘোষণা” বলে উল্লেখ করেছে, ট্রাম্প এটিকে নাম দিয়েছেন “কুয়ালালামপুর পিস অ্যাকর্ড” বা “কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি।” তবে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেত বলেছেন, এটি এখনো একটি “শান্তির পথে পদক্ষেপ”, পুরোপুরি শান্তি চুক্তি নয়। /টিএ