
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
অ্যাপলের পরবর্তী প্রজন্মের আইফোন বাজারে আসার আগেই সম্ভাব্য দাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। মেমরি চিপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় আইফোন ১৮ প্রো-এর উৎপাদন খরচ বাড়তে পারে। বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের একটি অংশ ক্রেতাদের ওপর চাপানোর বিষয়টি অ্যাপল বিবেচনা করছে বলে বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তবে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
ব্লুমবার্গের প্রযুক্তি সাংবাদিক মার্ক গুরম্যানের তথ্য অনুযায়ী, মেমরি চিপসহ বিভিন্ন উপাদানের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আসন্ন কিছু আইফোনের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে অ্যাপল। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রেন্ডফোর্সের হিসাব অনুযায়ী, ২৫৬ জিবি আইফোন ১৮ প্রো-এর যন্ত্রাংশের ব্যয় আগের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় ৩৮ শতাংশ বেশি হতে পারে। এর মধ্যে মেমরি
তবে যন্ত্রাংশের ব্যয় ৩৮ শতাংশ বাড়লেও আইফোন ১৮ প্রো-এর খুচরা দাম একই হারে বাড়বে—এমনটা নিশ্চিত নয়। কারণ ফোনের চূড়ান্ত মূল্যের সঙ্গে উৎপাদন, সফটওয়্যার, পরিবহণ ও বিপণনসহ আরও নানা ব্যয় যুক্ত থাকে। বাড়তি খরচ সামাল দিতে অ্যাপল চাইলে মুনাফার হার কমিয়ে দিতে পারে, আবার খরচের একটি অংশ পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে। ট্রেন্ডফোর্সের মতে, বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ধরে রাখতে অ্যাপল কম মুনাফা নিয়েও বিক্রি ধরে রাখার চেষ্টা করতে পারে।
নতুন আইফোনের পাশাপাশি আগের মডেলগুলোর দামেও পরিবর্তন আসতে পারে। সাধারণত নতুন আইফোন বাজারে এলে পুরনো মডেলের দাম কমায় অ্যাপল। তবে যন্ত্রাংশের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এ কৌশলেও পরিবর্তন আনতে পারে। এখনো আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের আনুষ্ঠানিক দাম, পূর্ণ স্পেসিফিকেশন বা নির্দিষ্ট বাজারজাতের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। ফলে সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির তথ্যকে আপাতত বাজার বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
/টি