
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিহত সেনাসদস্যের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই ঘটনায় আরও একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩০ জনের বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সামরিক সূত্র।
রোববার (১৯ জুলাই) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, গত ১ মার্চ সংঘাত শুরুর পর প্রথম প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই দিন কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। একই দিনে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে পৃথক
এরপর ১২ মার্চ ইরাকে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী একটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হলে আরও ছয় সেনার মৃত্যু হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, অন্য একটি বিমানের সঙ্গে অপ্রত্যাশিত ঘটনার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং এটি কোনো শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের গুলিবর্ষণের ফল নয়। এছাড়া ১ জুলাই আরব সাগরে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নৌবাহিনীর একজন পাইলট নিহত হন, যার ক্ষেত্রেও শত্রুপক্ষের হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ জুলাই) জর্ডানে মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং চারজন গুরুতর আহত হন। আহতদের জর্ডানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই ঘটনায় একজন সেনা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
এই হামলার জন্য ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-কে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় রাতভর হামলা চালিয়েছে। পাল্টাপাল্টি এই হামলার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং টানা অষ্টম দিনের মতো সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/টি