
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আগামী বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখন পর্যন্ত মোট ৭০২টি হজ এজেন্সিকে প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সপ্তম দফায় আরও ২২টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগের ছয় ধাপে ৬৮০টি সংস্থাকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা বরাদ্দ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হজ নিবন্ধনের শেষ তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর এবং এর পর কোনোভাবেই সময় বাড়ানো হবে না।
এজেন্সি ও হজযাত্রী নিবন্ধনের প্রধান নির্দেশনাসমূহ:
ন্যূনতম কোটা ও গ্রুপ গঠন: প্রতিটি এজেন্সিকে কমপক্ষে ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন
শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো যোগ্য এজেন্সি নিবন্ধন না করলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিবন্ধিত কাউকেই সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না; নিয়ম ভাঙলে বিনা কারণে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ই-হজ ও চুক্তিপত্র: ঘোষিত ই-হজ প্যাকেজটিই এজেন্সি ও যাত্রীর মধ্যকার মূল চুক্তিপত্র হিসেবে গণ্য হবে। এতে আবাসন, সেবার মান, হোটেলের দূরত্ব ও মূল্যের স্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে।
হজ গাইড নিয়োগ: প্রতি ৪৪ জন যাত্রীর জন্য অন্তত একজন আরবি ভাষায় পারদর্শী ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ অভিজ্ঞ হজ গাইড নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
লাইসেন্স নবায়ন: যোগ্য এজেন্সির তালিকা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে লাইসেন্স, ট্রাভেল ও ট্রেড লাইসেন্স এবং আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বর্তমানে যোগ্য তালিকায় নাম না থাকা এজেন্সিগুলোর প্রাক্-নিবন্ধন বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হলে তাদের কার্যক্রম পুনরায় চালুর সুযোগ দেওয়া হবে।