
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
রাতে ঘুমানোর আগে কিংবা সকালে ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ফোন হাতে নেওয়ার অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের সময় শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কও বিশ্রামে থাকে। এ সময় মস্তিষ্ক ডেল্টা মোডে অবস্থান করে। ঘুম ভাঙার পর ধীরে ধীরে থিটা ও আলফা মোড অতিক্রম করে মস্তিষ্ক বিটা মোডে সক্রিয় হয়। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহার করলে মস্তিষ্ককে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ তথ্য প্রক্রিয়াজাত করতে হয়, ফলে মস্তিষ্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
এ ছাড়া সকালে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি
চিকিৎসকদের মতে, ঘুম ভাঙার পরপরই স্মার্টফোনের নীল আলো চোখের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এর ফলে চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া বা ড্রাই আইয়ের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শুধু তাই নয়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানোর ফলে দিনের কাজে মনোযোগ কমে যেতে পারে। নেতিবাচক খবর বা মন্তব্যের প্রভাব সারাদিনের মানসিক অবস্থার ওপরও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে স্মার্টফোনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণেও বাধা সৃষ্টি করে। এই হরমোন মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে রাতে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের পাশাপাশি সকালে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইল ব্যবহার করলেও শরীরে অস্বস্তি ও মানসিক উদ্বেগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঘুম থেকে ওঠার অন্তত ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর মোবাইল ফোন ব্যবহার করা শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তুলনামূলকভাবে উপকারী।
/টি