বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যদি কেউ কোন দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন, তাহল শুধু ডিপার্টমেন্টই না, তিনি যদি রাজনৈতিক ব্যক্তিও হন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে এখানে এসেছি দীর্ঘদিন পর আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেক ত্যাগ শ্রম, সবশেষ জুলাই আন্দোলনে অনেকে শহীদ হয়।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক আরও বলেন, কোনভাবে যেন দুর্নীতি না হয়। সেটা জেলা পরিষদ হোক, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন, রোডস অফিস আর এলজিইডিতে হোক। তার দায়িত্ব কিন্তু তাকে (দায়িত্বপ্রাপ্তরা) নিতে হবে। কোন দায়-দায়িত্ব কিন্তু আমরা নেব না। এনিয়ে সম্পুর্ণভাবে আমাদের সরকার

ওয়াকিবহাল। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সবসময় খুবই সতর্ক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসকের দায়িত্বভার গ্রহণে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের ১৫ কোটি টাকা ইউনিয়ন ব্যাংকে আটকে আছে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যা আছে, সে সম্পদটাও জব্ধ। শেষ পর্যন্ত তাও পাওয়া যাবে কি না তা কঠিন ব্যাপার। শুধু একটা ব্যাংকেই আজকে এ অবস্থা নয়। বাংলাদেশে ৭-৮টি ব্যাংক আজকে অচল অবস্থায় রয়েছে শুধু লুটপাট আর টাকা পাচারের কারণে। একটা কঠিন সময়ে আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। এই কঠিন সময় পার করাও কঠিন। এ জন্য সবাইকে আন্তরিকতা হতে হবে।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, সারাদেশে অনেকগুলো মেগা প্রজেক্ট হয়েছে। এই মেগা প্রজেক্টের বেনেফিশিয়ারি গ্রামের মানুষ না, আমরা সাধারণ মানুষও না। হয়তো এটা সাময়িক ক্ষেত্রে আপনার আমার বিশেষ প্রয়োজন হয়। এমন এমন মেগা প্রজেক্ট হয়েছে যা এ মুহুর্তে গত ১৭ বছর না করলেও চলতো। আবার কিছু মেগা প্রজেক্ট জরুরি ছিল। সেগুলো হয়েছে, কিন্তু ১ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ১০ হাজার কোটি টাকায় হয়েছে। মেগা প্রজেক্টে মেগা দুর্নীতি হয়েছে।
/টি