
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ দুই মাসে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী দুই মাসে দেশের আবহাওয়ায় একাধিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শীতের মৌসুমে তাপমাত্রার ওঠানামার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রার ভিত্তিতে শৈত্যপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলে সেটিকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
সব মিলিয়ে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন, যান চলাচল এবং দৈনন্দিন কাজে প্রভাব পড়তে পারে। তাই শীতের মৌসুমে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
টি/