
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দুবাই ভ্রমণে বিদেশি পর্যটকদের জন্য চালু হয়েছে নতুন ভিসা আবেদন সুবিধা। এখন থেকে দুবাইয়ের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইট ‘ভিজিট দুবাই’ থেকেই সিঙ্গেল ও মাল্টিপল এন্ট্রি পর্যটন ভিসার আবেদন করতে পারবেন বিদেশিরা। ১ নভেম্বর থেকে এ সুবিধা চালু হয়েছে। দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ঘোষিত দুটি উদ্যোগের একটি এটি।
রোববার (১ নভেম্বর) শেখ হামদান এ ঘোষণা দেন। নতুন উদ্যোগের পাশাপাশি ঘন ঘন দুবাই ভ্রমণ করেন এমন পর্যটকদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘দুবাই অ্যাকসেস ক্লাব’ নামে একটি লয়্যালটি কর্মসূচি। তবে এ ক্লাবের সদস্যপদ শুধু আমন্ত্রণের ভিত্তিতে পাওয়া যাবে। নতুন ব্যবস্থায় পর্যটকদের ভিসা আবেদন থেকে শুরু করে ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যন্ত বিভিন্ন সেবা একটি প্ল্যাটফর্মে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতদিন দুবাইয়ের ভিজিট ভিসার জন্য সরকারি বিভিন্ন চ্যানেল, অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি এবং এমিরেটস ও ফ্লাইদুবাইয়ের মতো বিমান সংস্থার মাধ্যমে আবেদন করা যেত। নতুন ব্যবস্থায় ‘ভিজিট দুবাই’ আরও একটি আবেদন মাধ্যম হিসেবে যুক্ত হয়েছে। ফলে আগের আবেদন পদ্ধতিগুলো চালু থাকবে। একই ওয়েবসাইটে ভিসা আবেদনের পাশাপাশি দর্শনীয় স্থান, অনুষ্ঠান, টিকিট বুকিং ও ভ্রমণ পরিকল্পনার তথ্যও পাওয়া যাবে। আবেদন যাচাই ও ভিসা ইস্যুর দায়িত্বে থাকবে জেনারেল ডিরেক্টরেট অব আইডেন্টিটি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স (জিডিআরএফএ)।
ভিজিট দুবাইয়ের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ৩০ দিনের সিঙ্গেল এন্ট্রি পর্যটন ভিসার ফি ভ্যাট ছাড়া ২০০ দিরহাম থেকে শুরু। সাধারণত তিন কর্মদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়। বর্তমানে ওয়েবসাইটে সিঙ্গেল এন্ট্রি, মাল্টিপল এন্ট্রি এবং পাঁচ বছর মেয়াদি মাল্টিপল এন্ট্রি—এই তিন ধরনের পর্যটন ভিসার তথ্য রয়েছে। জিডিআরএফএর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আহমেদ আল মারি জানিয়েছেন, নতুন সেবা ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও দক্ষতার মান বজায় রাখবে।
জিডিআরএফএ, দুবাই ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমি অ্যান্ড ট্যুরিজম (ডিইটি) ও ডিজিটাল দুবাই যৌথভাবে উদ্যোগ দুটি বাস্তবায়ন করছে। এটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেখ হামদানের অনুমোদিত ‘শেয়ার্ড ডিজিটাল চ্যানেলস ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ। ভবিষ্যতে আরও ভিসা এই সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। দুবাইয়ের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ডি৩৩-এর লক্ষ্য অনুযায়ী, শহরটিকে ব্যবসা ও অবকাশ যাপনের অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা নতুন সুবিধার আওতায় কীভাবে আবেদন করতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।
টি/