
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
শাকিব খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হলো ‘আমার স্বপ্ন তুমি’। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমাটি তাকে রোমান্টিক হিরো হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে শক্ত অবস্থান করে দেয়। ত্রিভুজ প্রেমের এই গল্পে তার সাবলীল অভিনয় এবং পর্দার উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। এটি এমন একটি সিনেমা যা শাকিবকে সাধারণ নায়ক থেকে সুপারস্টার হওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল।
অ্যাকশন ধর্মী সিনেমার কথা বললে ‘নম্বর ওয়ান শাকিব খান’ সিনেমার নাম সবার আগে আসে। ২০১০ সালের এই ব্লকবাস্টার সিনেমাটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। এই সিনেমার মাধ্যমেই তিনি ‘কিং খান’ হিসেবে নিজের পরিচিতি আরও পোক্ত করেন। বড় পর্দায় তার মারকুটে ভঙ্গি এবং সংলাপ বলার ধরণ দর্শকদের
শাকিব খানের অভিনয় দক্ষতা নতুন করে চিনেছে দর্শক ‘শিকারি’ সিনেমার মাধ্যমে। ২০১৬ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার এই সিনেমায় তার লুক এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সবাইকে চমকে দিয়েছিল। এই সিনেমার মাধ্যমেই শাকিব নিজেকে আমূল বদলে ফেলেন এবং প্রমাণ করেন যে তিনি কেবল ঢালিউড নয়, আন্তর্জাতিক মানের একজন অভিনেতা। তার এই ‘মেকওভার’ ভক্তদের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।
ক্যারিয়ারের পরিণত সময়ে শাকিব খান উপহার দেন ‘নবাব’-এর মতো দারুণ সব কাজ। তবে ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘নবাব’ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মাইলফলক। এতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং স্টাইলিশ প্রেজেন্টেশন দুই বাংলার দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে যেমন সফল ছিল, তেমনি সমালোচকদের কাছেও সমাদৃত হয়েছিল।
এছাড়াও ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার নাম না নিলেই নয়। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দেয়। বিশেষ করে সিনেমাটিতে তার ‘বৃদ্ধ’ লুক দর্শকদের আবেগী করে তুলেছিল। এর গান এবং গল্প মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, যা তাকে ঢালিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল নায়ক হিসেবে পুনপ্রতিষ্ঠা করে।
/টিএ