
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
দাঁতের সমস্যায় কমবেশি অনেকেই ভোগেন। দাঁতে ছিদ্র বা ক্যারিজ, দাঁতের ক্রাউন বা ওপরের অংশ ভেঙে যাওয়া, আঘাত পেয়ে দাঁত নড়ে যাওয়া কিংবা দাঁতের পালপ বা মজ্জা আক্রান্ত হলে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া দাঁতের ক্ষয় থেকেও ধীরে ধীরে যন্ত্রণা বাড়তে পারে।
দাঁতের সমস্যার অন্যতম কারণ হলো নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে ব্রাশ না করা। মিষ্টি ও আঁঠালো খাবার, ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত কোমল পানীয় গ্রহণের কারণেও দাঁতে প্ল্যাক বা ক্যালকুলাস জমতে পারে। সময়মতো পরিষ্কার না করলে সেখান থেকে ক্যারিজ তৈরি হয়। শুরুতে ব্যথা না থাকলেও পরে তা ধীরে ধীরে তীব্র ব্যথায় পরিণত হতে পারে।
দাঁতের সমস্যা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে ভালো। এজন্য রাতে
হঠাৎ দাঁতে ব্যথা শুরু হলে সাময়িকভাবে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে ৪০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত কুলকুচি করা যেতে পারে। দিনে তিন থেকে চারবার এভাবে কুলকুচি করলে কিছুটা আরাম মিলতে পারে। এ ছাড়া লবণযুক্ত টুথপেস্ট সামান্য পরিমাণে আঙুলে নিয়ে ব্যথার স্থানে লাগিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট পর ব্রাশ করে নেওয়ার কথাও বলা হয়। লবণের অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সাময়িকভাবে অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
তবে এসব ঘরোয়া পদ্ধতি দাঁতের ব্যথার স্থায়ী সমাধান নয়। ব্যথার পেছনে ক্যারিজ, মজ্জার সংক্রমণ, দাঁত ভেঙে যাওয়া বা অন্য কোনো সমস্যা থাকতে পারে, যার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দরকার। তাই দাঁতে ব্যথা হলে সাময়িক উপশমের পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব একজন ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে ব্যথা তীব্র হলে, মুখ ফুলে গেলে বা জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
সূত্র: জাগো নিউজ
/টি