
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি মাসেই দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণ বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে। এতে বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম দ্রুত কমে যায়।
শুক্রবার এক দিনেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪১৯ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের পর লেনদেনের একপর্যায়ে দাম আরও কমে ৪ হাজার ৩৬৪ ডলারে দাঁড়ায়। চলতি সপ্তাহে এটিই স্বর্ণের বাজারে সবচেয়ে বড় দরপতন হিসেবে দেখা হয়েছে।
মার্কিন সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশটিতে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। একই সময়ে বেকারত্বের হারও কমে স্থিতিশীল রয়েছে। শক্তিশালী শ্রমবাজার ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে আরও আগ্রহী হতে পারে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। সাধারণত সুদের হার বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ স্বর্ণের তুলনায় ব্যাংক আমানত ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৮৩ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক তথ্যের প্রভাব পুরো মূল্যবান ধাতুর বাজারেই পড়েছে।
তবে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশের পর স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী গতিপথ আরও স্পষ্ট হতে পারে। মূল্যস্ফীতির তথ্য ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন আসন্ন অর্থনৈতিক তথ্য ও ফেডের নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে। সূত্র: রয়টার্স।
/টি