
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
বিশ্ববাজারে শুক্রবার স্বর্ণের দাম সামান্য বেড়েছে। তবে শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে—এমন প্রত্যাশায় চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮৮ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ দশমিক ১০ ডলার।
এদিকে চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের দরও বাড়ার পথে রয়েছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সুদহার বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে—ফেডের দুই নীতিনির্ধারকের এমন বক্তব্যের পর উচ্চ সুদহার দীর্ঘ সময় বহাল থাকার প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে। ফিলাডেলফিয়া ফেডের প্রেসিডেন্ট আনা পলসন বলেন, মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে ফিরিয়ে আনা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় নীতিপথ তিনি সমর্থন করবেন। নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামসও আরও কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হলেও সুদহার বাড়লে সুদ বা মুনাফা পাওয়া সম্পদের আকর্ষণ বাড়ে, ফলে স্বর্ণের চাহিদায় চাপ তৈরি হতে পারে।
তবে বছরের বাকি সময়ে স্বর্ণের বিষয়ে ইতিবাচক থাকার কথা জানিয়েছেন জে. রোটবার্ট অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জোশুয়া রোটবার্ট। তাঁর মতে, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাড়তে থাকা সরকারি ঋণের কারণে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা অব্যাহত থাকতে পারে। এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ৮১ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৯০ ডলার হলেও প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৫৭ দশমিক ৫৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন ধাতুর দামই চলতি সপ্তাহে কমার পথে রয়েছে।
/টি