
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জীবনের অত্যন্ত কঠিন ও বেদনাদায়ক সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৬২ বছর বয়সী এই অভিনেতা জানিয়েছেন, সেই সময়ে তিনি প্রচণ্ড মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন এবং তার মনে আত্মহত্যার চিন্তাও এসেছিল। আমেরিকান সাময়িকী এসকোয়ারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জীবনের ওই সময়ের অভিজ্ঞতা অকপটে তুলে ধরেন তিনি।
ব্র্যাড পিট বলেন, জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময় ছাড়া তিনি কখনো এতটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি। ওই সময়টিতে তার মনে হয়েছিল, আর এগিয়ে যাওয়ার কোনো পথ নেই। তিনি বলেন, ‘আমি একটি ছোট সময় ছাড়া কখনো আত্মহত্যাপ্রবণ ছিলাম না। কিন্তু ওই নির্দিষ্ট সময়টিতে আমার মনে হয়েছিল, আমি আর পারছি না—সামনে
নিজের মানসিক অবস্থার তীব্রতা বোঝাতে পিট জানান, নিজের ক্ষতি করার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। তবে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় থাকা একজন মানুষ কেন মৃত্যুকে মুক্তির পথ হিসেবে দেখতে পারেন, তা তিনি তখন উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তার ভাষায়, সেই সময়ের কষ্ট এতটাই দমবন্ধ করা ছিল যে তার মনে মৃত্যুকে যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একটি উপায় বলে মনে হয়েছিল।
পিট জানান, এসব চিন্তার পেছনে ছিল মূলত মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, নিজের জীবন শেষ করার ইচ্ছা নয়। শেষ পর্যন্ত তার বেঁচে থাকার প্রবল আত্মরক্ষামূলক অনুভূতিই জয়ী হয়। সাক্ষাৎকারে ওই কঠিন সময়ের সঙ্গে সন্তানদের কোনো বিষয় জড়িত ছিল কি না জানতে চাইলে পিট সংক্ষেপে বলেন, ‘পারিবারিক বিষয়।’ এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
‘মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ সিনেমার সেটে ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পরিচয় হয়। পরে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের ছয় সন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করার পর তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালে তারা আইনগতভাবে একক মর্যাদা পান এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়।
/টি