
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য সমতা থাকলেও অতিরিক্ত সময়ে বদলি খেলোয়াড় ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ম্যাচের শেষ দিকে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ায় আর্জেন্টিনা আরও চাপে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙে যায়।
পুরো ম্যাচেই ছিল স্পেনের একচ্ছত্র আধিপত্য। প্রায় ৬৫ শতাংশ বলের দখল ধরে রেখে তারা ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা মাত্র দুটি শট নিতে সক্ষম হলেও একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। লিওনেল মেসিকেও কার্যকরভাবে আটকে রাখে স্পেনের রক্ষণভাগ ও
প্রথমার্ধ থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালায় স্পেন। লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো এবং মিকেল ওইয়ারসাবাল একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে দলকে বাঁচিয়ে রাখেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কয়েকটি সম্ভাবনাময় মুহূর্তও নষ্ট হয়ে যায় উনাই সিমনের দ্রুত সিদ্ধান্ত ও দৃঢ় রক্ষণে।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। শেষদিকে এন্সো ফের্নান্দেস দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের আর্জেন্টিনা আরও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে। এরপর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেডে তৈরি সুযোগ থেকে জোরালো শটে জালের দেখা পান ফেররান তোরেস। এই গোলই স্পেনকে এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত জয় ও বিশ্বকাপ শিরোপা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির একটি বিপজ্জনক ক্রস এবং টানা তিনটি কর্নার থেকেও গোল আদায় করতে পারেনি দলটি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেন শিবিরে শুরু হয় উৎসব, আর আর্জেন্টিনা শিবিরে নেমে আসে হতাশা। ম্যাচ শেষে উত্তেজনায় জড়িয়ে লাল কার্ডও দেখেন লেয়ান্দ্রো পারেদেস।
এই শিরোপার মাধ্যমে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। পুরো আসরে মাত্র একটি গোল হজম করে বিশ্বকাপ জয়ের অনন্য নজিরও গড়েছে তারা। অন্যদিকে, এই ম্যাচই সম্ভবত বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির শেষ উপস্থিতি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
/টি