logo
youtube logotwitter logofacebook logo

সোসাইটির

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের কল্যাণ হয়: প্রধানমন্ত্রী - image

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের কল্যাণ হয়: প্রধানমন্ত্রী

02 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই বাঙালি হয়েও কীভাবে ঘাতকরা জাতির পিতার বুকে গুলি চালিয়েছিল ঘাতকরা। একসময় আমাদের বাসায় নিয়মিত আসা-যাওয়া করতো। আজও তারা তৎপর, আমাকে ও আওয়ামী লীগকে সরিয়ে দিতে চায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে এ দেশের মানুষের কল্যাণ হয় না। এ সময় তিনি ১৫ আগস্টের দুঃসহ স্মৃতিচারণ করে বিস্ময় প্রকাশ করেন। বুধবার (০৩ আগস্ট) গণভবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নবনির্বাচিত বোর্ড সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয় জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে বোর্ড সদস্যরা বন্যা, করোনা, রোহিঙ্গাসহ দুর্যোগকালে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির তৎপরতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তারা বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ৭৫ এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্যতম ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তার পরিবারের শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগকালে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মানবতার সেবায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশব্যাপী রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রম বিস্তারে বরাবরের মতো তার সরকার ও তার ব্যক্তিগত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সেইসঙ্গে আগামী ৪ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক রেডক্রস সংস্থা আইএফআরসির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহাবকে অভিনন্দন জানান। আবেগজড়িত কন্ঠে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা রেডক্রস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মানবতার কল্যাণে। ৭৫-এ জাতির পিতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার পর সেই রেডক্রসেরই এক টুকরো কাপড়কে কাফন বানিয়ে তাকে দাফন করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের পুরনো মর্যাদা ফিরিয়ে আনাসহ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিকে আধুনিকায়নের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহাবের নেতৃত্বে ভাইস চেয়ারম্যান নূরুর রহমান, ট্রেজারার এম এ সালাম, মহাসচিব কাজী সফিকুল আজম, আরমা দত্ত, এম মঞ্জুরুল ইসলামসহ অন্য বোর্ড সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
সারাদেশে চেম্বারে রোগী দেখা ও অস্ত্রোপচার বন্ধ - image

সারাদেশে চেম্বারে রোগী দেখা ও অস্ত্রোপচার বন্ধ

16 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সারাদেশের গাইনি চিকিৎসকরা দুদিন ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখা ও অস্ত্রোপচার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছে চিকিৎসকদের অন্যান্য সংগঠন। ফলে এ সময় কার্যত দেশের বেশির ভাগ মানুষ চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসাসেবা পাবেন না। সোমবার (১৭ জুলাই) ও মঙ্গলবার সারাদেশের গাইনি চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে থাকবেন। তবে, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকরা সেবা দেবেন বলে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে, শনিবার (১৫ জুলাই) সেন্ট্রাল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহজাদী মুস্তার্শিদা সুলতানা ও ডা. মুনা সাহাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গাইনি ও প্রসূতিবিদ চিকিৎসকদের সংগঠন অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনিকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ বিষয়ে সোসাইটি অব সার্জন, বাংলাদেশের সভাপতি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, সোমবার ও মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে আমরা ওজিএসবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছি। এ সময় ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ রাখব। পাশাপাশি সেখানে কোনো ধরনের অস্ত্রোপচারও হবে না। এটা শুধু চেম্বারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা চালু থাকবে, অস্ত্রোপচারও হবে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেছেন, সোসাইটির সদস্যরা ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ রাখবেন। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী ফেরানো হবে না। আমরা কর্মসূচি পালন করব। এখন পর্যন্ত সোসাইটি অব সার্জনস, বাংলাদেশ; বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতি; মেডিকেল অনকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ; বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যানেস্থিসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ান্স; অ্যাসোসিয়েশন ফর দি স্টাডি অব লিভার ডিজিজেস বাংলাদেশ; বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি; সোসাইটি অব অটোলারিঙ্গোলজিস্ট অ্যান্ড হেড নেক সার্জনস অব বাংলাদেশ, সোসাইটি ফর মেডিকেল ভাইরোলজিস্টস, বাংলাদেশ; বাংলাদেশ একাডেমি অব প্যাথলজি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হেপাটোলজি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন একাত্মতা জানিয়েছে ওজিএসবির কর্মসূচির সঙ্গে। এর আগে, প্রসব ব্যথা ওঠায় গত ৯ জুন রাত ১২টা ৫০ মিনিটে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে ভর্তি করা হয় মাহবুবা রহমান আঁখিকে। কিন্তু ডা. সংযুক্তা সাহার বদলে ওই নারীর ডেলিভারি করতে যান ডা. মিলি। এ সময় ডা. মিলি ওই প্রসূতির পেট কাটতে গিয়ে মূত্রনালি ও মলদ্বার কেটে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়ে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অজ্ঞান অবস্থায় সিজার করে বাচ্চা বের করা হয়। এতে বাচ্চার হার্টবিট কমে গেলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নবজাতককে মৃত ঘোষণা করে। এ অব্স্থায় স্বামী ইয়াকুব আলী সেন্ট্রাল হাসপাতালের কোনো সহযোগিতা না পেয়ে পরে তার স্ত্রীকে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর রোববার (১৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহবুবা রহমান আঁখি। এ ঘটনায় বুধবার (১৪ জুন) ধানমন্ডি থানায় ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’র একটি মামলা দায়ের করেন ইয়াকুব আলী। মামলায় ডা. শাহজাদী, ডা. মুনা, ডা. মিলি, সহকারী জমির, এহসান ও হাসপাতালের ম্যানেজার পারভেজকে আসামি করা হয়। এ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়। পরে ১৫ জুন ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনাকে গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে তারা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যু এবং মায়ের মৃত্যুঝুঁকির জন্য নিজেদের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জুলাই ১৬, ২০২৩
ভিসানীতি নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ভয়ভীতি থাকতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী - image

ভিসানীতি নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ভয়ভীতি থাকতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

30 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

সরকারি কর্মচারী এবং সমাজের উঁচুস্তরের মানুষের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতির বিষয়ে ভয়-ভীতি থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সম্প্রতি মার্কিন ভিসানীতিসহ বর্তমান রাজনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে দেশের একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন মোমেন। এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে একটা ভয়-ভীতি থাকতে পারে, কিংবা এ ধরনের যারা সমাজের উঁচুস্তরের মানুষ আছেন তাদের মধ্যে থাকতে পারে। কারণ তাদের ছেলেমেয়ে বিদেশে থাকে। ওনারা অনেকে ঘুস-টুস খেয়ে দুর্নীতি করে বিদেশে বাড়ি-ঘর করেছেন। ওনাদের একটা ভয় থাকতে পারে যে ওনাদের যদি ভিসা না দেয় তাহলে বাড়ি-ঘরটা দেখভাল করবেন কীভাবে।’ মার্কিন ভিসানীতিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, আমাদের দেশে নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের মাতামাতি বেশি। এর একটি কারণ আমাদের সংবাদ মাধ্যম। কারণ আমাদের সংবাদ মাধ্যম বিদেশিদের বক্তব্য শুনলেই লাফিয়ে ওঠে। বিদেশে যখন ইলেকশন হয়, আমেরিকায় যখন ইলেকশন হয় কোনো বিদেশি সাংবাদিক তাদের খবরও দেয় না। আর বিদেশি কোনো রাষ্ট্রদূত কিংবা বিদেশি সম্মানিত নোবেল লরিয়েটের আমেরিকার ইলেকশন নিয়ে কথা বলার সাহস নেই। কারণ মিডিয়া এটা ফলাও করে বলবে না। এখানে এটা একটা মজা, বিদেশিরা কিছু বললেই আপনারা (মিডিয়া) ফলাও করে বলেন।’ ভিসানীতিতে চাপ নেই উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাইরের লোকের এই যে চাপ আপনারা তৈরি করেন, আমরা কোনো প্রেশার ফিল করি না। কারণ আমরা সৎ পথে আছি, স্বচ্ছ পথে আছি। ভিসানীতি আমাদের জন্য অপ্রাসঙ্গিক। ভিসানীতি সব দেশেরই আছে। সে যাকে ইচ্ছা তাকেই ভিসা দেয়। আর হঠাৎ করে তারা একটা ঘোষণা করল, এটা আমাদের জন্য অপ্রাসঙ্গিক। এটা করেছে কারণ আমাদের দেশের অনেক সংখ্যক সরকারি কর্মচারী বড় বড় ব্যাংকের মালিক কিংবা ব্যাংকে চাকরি করেন, এমডি-সিইও যারা আছেন এবং যারা সিভিল সোসাইটির নেতা, আমাদের দেশে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড সিভিল সোসাইটির অনেক নেতা বিদেশি পয়সায় চলেন। ওরা টাকা দেয়, কীভাবে ওনারা খরচ করেন আমরা কিছুই জানি না।’

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩
বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও পূজায় ফুলের বাজার হাজার কোটি টাকার - image

বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও পূজায় ফুলের বাজার হাজার কোটি টাকার

13 ফেব্রুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

যেকোনো উৎসবে ফুলই হয়ে উঠেছে এখন প্রধান অনুষঙ্গ। বছরজুড়েই এখন মিলছে নানান প্রজাতির ফুল। ফুল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ২০০ কোটি টাকার ফুলের বাজার কয়েক বছরেই হাজার কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই বাড়ছে ফুলের চাষ। দুই-তিনটি জেলা থেকে এখন ফুলের আবাদ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ২৪টি জেলায়। পাশ্চাত্যের ভালোবাসা দিবস আর বাংলার বসন্ত যেন প্রেমিকযুগল হয়ে আসে একইদিন। আজ বুধবার বসন্তের প্রথম দিন। সঙ্গে ভালোবাসা দিবস (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এদিন বাড়তি পাওনা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা। এ তিনটি উৎসবেই প্রধান অনুষঙ্গ ফুল। একই দিনে তিন উৎসব ঘিরে ফুল বাজারে রমরমা অবস্থা। ব্যস্ত ফুল ব্যবসায়ীরাও। ফুলের দাম বেড়েছে তিনগুণ। এবার রেকর্ড ফুল বিক্রির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটি বলছে, রাজধানীতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ১২০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে। ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির অধীনে শাহবাগে দেড় শতাধিক তালিকাভুক্ত ব্যবসায়ী পাইকারি ফুলের বাজারে নেতৃত্ব দেন। আর শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অধীনে আছে খুচরা ফুল বিক্রির অর্ধশতাধিক দোকান। এ ছাড়া ৩০ থেকে ৩৫টি অস্থায়ী খুচরা দোকান রয়েছে। ফুলের বাজার এখন কেমন জানতে চাইলে, বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি বাবুল প্রসাদ বলেন, ‘এবার একই দিনে পহেলা ফাল্গুন, সরস্বতী পূজা ও ভালোবাসা দিবস। এ কারণে চাহিদা বেশি থাকায় ফুলের দাম বেড়ে গেছে। দাম বাড়তি হওয়ায় বাণিজ্যের হিসাবও বেড়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘিরে রাজধানীতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ১২০ কোটি টাকার মতো ফুল বিক্রি হবে বলে আশা করছি। তিন উৎসবের ফুলের চাহিদা এক দিনে পূরণ করা কষ্টকর। সবাই চাইবেন ফুল সংগ্রহ করতে। সেক্ষেত্রে ফুলের দামটাও চড়া থাকবে। বর্তমানে বছরজুড়ে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়। আমরা আশা করছি, দু-এক বছরের মধ্যে দেশে ফুলের বাজার দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে।’ পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস ঘিরে জমজমাট ব্যবসা ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ী ইমামুল হোসেন বলেন, ‘তিনটি উপলক্ষ একসঙ্গে হওয়ায় এবার ফুলের চাহিদা অনেক বেশি। আমরা পাইকারি মার্কেটেও চাহিদা অনুযায়ি ফুল পাচ্ছি না। দুদিন আগেও যে গোলাপের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা মঙ্গলবার কিনেছি ৬০ টাকায়। বুধবার এই গোলাপ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে পারে। সাধারণ একটা ফুলের তোড়া ২৫০ টাকা।’ ১৯৯৪ সাল থেকে শাহবাগে ফুল ব্যবসা করেন জামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘তিনটি উৎসব তিন দিনে হলে ব্যবসা আরও ভালো হতো। ফুলের দোকান দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। সাধারণত শাহবাগে বড় দোকানে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বিক্রি হয়। আর ছোট দোকানে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হয়। এবার ফুলের বিক্রি খুবই ভালো হচ্ছে। দোকানে ৫০ রকমের ফুল রয়েছে। এর মধ্যে আছে ১৫ ধরনের বিদেশি ফুল।’ অধিকাংশ ক্রেতার অবশ্য অভিযোগ, ফুলের দাম বাড়তি। রফিকুল আলম নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে ইতোমধ্যে ফুলের চাহিদা বেড়েছে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও দাম বেশি চাইছেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। তারা সাধারণ মানুষের চাহিদাকে পুঁজি করে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। শারমিন সুলতানা নামে এক নারী বলেন, অন্য সময়ের চেয়ে ফুলের দাম তিন গুণ বেশি। ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা বেশি হয়ে ওঠে, কারণ এটি ভালোবাসা প্রকাশের উপযুক্ত উপহার। ফুলের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার আনন্দ ও মনোমুগ্ধতা বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ঠিক এ সুযোগটি নিচ্ছেন। বাড়ছে ফুলের উৎপাদন যশোরের নীলকণ্ঠনগর গ্রামের ফুল চাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমি এক একর জমিতে ফুলের চাষ করি। বছরে খরচ বাদে সাত-আট লাখ টাকা আয় হয়। আগে আমরা শুধু কয়েকজন ফুলের চাষ করলেও এখন আমাদের ঝিকরগাছায় মাঠের পর মাঠ ফুল চাষ হচ্ছে। অন্য আবাদ ছেড়ে ফুল চাষ করছেন।’ কেন চাষিরা ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন, জানতে চাইলে ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘প্রথমত এটা অনেক বেশি লাভজনক। আর দ্বিতীয়ত, কোন মৌসুমে একটু লস হলেও পরের মৌসুমে সেটা পুষিয়ে যায়। আর তৃতীয়ত, ফুল প্রতিদিন বিক্রি করা যায়। ধান বা অন্যান্য আবাদ একটা নির্দিষ্ট সময় পর উঠিয়ে বিক্রি করতে হয়। ফুলের ক্ষেত্রে তেমন না। একটি বাগান করলে প্রতিদিনই সেখান থেকে ফুল বিক্রি করা যায়। একেকদিন একেক জাতের ফুল তোলা যায়। ফলে চাষিদের হাতে সব সময় টাকা থাকে।’ যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, ‘যশোরের গদখালী ফুলের অন্যতম বড় মার্কেট। আমরাই প্রথম ফুলের যে ব্যবসা হয়, সেটা দেশের মানুষকে শিখিয়েছি। বছরে আমাদের গদখালী আড়তে ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়। যেভাবে এটা বাড়ছে, তাতে ১০০ কোটিতে পৌঁছতে বেশিদিন লাগবে না। ২০১৯-২০২০ সালের দিকে আমাদের একটা জরিপ হয়েছিল, তখন দেখা গিয়েছিল এক হাজার ২০০ থেকে ৩০০ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়েছিল। এখন সেটা আরও অনেক বেড়েছে। সরকারি সহায়তাও এখন অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহণও সহজ হয়েছে। দ্রুত আমরা ঢাকায় ফুল পৌঁছতে পারছি। যশোর থেকে এখন ফুল সব জেলাতেই যাচ্ছে। দেখেন, নেদারল্যান্ডসের ৬০ ভাগ রাজস্ব আসে ফুল থেকে। আমরাই চাই, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফুল একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আর ফুল চাষের জন্য আমাদের দেশের মাটি-আবহাওয়া অনেকটা ভালো। ফলে দিনদিন এটার বিস্তৃতি বাড়বে।’ ফুল চাষে নতুন করে বিস্তৃতি ঘটেছে নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সাবদি গ্রামে। সেখানকার ফুল চাষি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জামান হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানে ৮০ হেক্টর জমিতে দুই শতাধিক চাষি বর্তমানে ফুল চাষ করছেন। পাশাপাশি সাবদির আশপাশের দিঘলদি, সেলশারদি, মাধবপাশা ও আইছতলা গ্রামের আরও কয়েক হেক্টর জমিতে ফুলের আবাদ হয়। এছাড়া সোনারগাঁ উপজেলার সম্ভুপুরা ইউনিয়নের কয়েক গ্রামেও আবাদ করেন চাষিরা। এসব গ্রামের বাগানগুলোতে রজনীগন্ধা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, বাগানবিলাস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, কসমস, দোলনচাঁপা, নয়নতারা, মোরগঝুঁটি, কলাবতি, বেলি, জিপসি, চেরি, কাঠমালতি, আলমন্ডা, জবা, রঙন, টগর ও রক্তজবাসহ ২০ থেকে ২৫ ধরনের ফুল চাষ হয়। তবে এবার অতিরিক্ত শীত ও বৃষ্টির কারণে কিছু ফুল নষ্ট হয়ে গেছে। ফুলচাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে আমাদের ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার নারী-পুরুষ।’ বন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা সুলতানা জানিয়েছেন, ‘বছরের বারোমাসই বন্দরের কয়েকটি গ্রামে ফুল চাষ করা হয়। পুরো জেলায় ১৫৫ হেক্টরের বেশি জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। বিশেষ দিন ও বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে ফুলের বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীরা। এ তিনটি দিবসেই প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যস্ততা ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীদের।’

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪
আফতাবনগরে গরুর হাট বসানো যাবে না, আদেশ বহাল - image

আফতাবনগরে গরুর হাট বসানো যাবে না, আদেশ বহাল

02 জুন 2024, বিকাল 6:00

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর আফতাবনগরে গরুর হাট বসানোর সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে আসন্ন ঈদে আফতাবনগরে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আজ সোমবার (৩ জুন) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর আফতাবনগরে গরুর হাট বসানোর ইজারার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেন হাইকোর্ট। আফতাবনগর আবাসিক এলাকায় হওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। এর ফলে কোরবানির ঈদে আফতাবনগরে কোরবানির পশুর হাট বসানো যাবে না বলে জানান আইনজীবীরা। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ও অ্যাডভোকেট এস এম শামীম হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।এর আগে আফতাবনগরে গরুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ঢালী ও সাধারণ সম্পাদক এস এম কামাল। গত ৪ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ঈদুল আজহা ২০২৪ উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট বসানোর জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি দেন। ওই বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) ২০০৯ আইনের ধারা ৩ (২) ও ১ম তফসিল অনুযায়ী আফতাবনগর (ইস্টার্ন হাউজিং) বাড্ডা থানার ৩৭ নং ওয়ার্ড অধীন, যা ঢাকা নর্থ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অন্তর্ভুক্ত।

জুন ০২, ২০২৪
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিলে রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার - image

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিলে রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার

19 আগস্ট 2024, বিকাল 6:00

ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে রিটের পক্ষে রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া নিজেই শুনানি করেন। এর আগে সোমবার (১৯ আগস্ট) ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়।মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি করেন। এই রিটে যেসব প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনার নামে রয়েছে সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়েছে।এ ছাড়া রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন তিন বছর চাওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বিদেশে পাচার করা ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বদলি চাওয়া হয়েছে। রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া বলেন, রিটের বিষয়গুলোতে রুল ও আদেশ চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চেয়ে করা রিট খারিজ - image

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চেয়ে করা রিট খারিজ

31 আগস্ট 2024, বিকাল 6:00

ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিটের পক্ষে রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া শুনানি করেন। ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে গত ২৭ আগস্ট আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। এর আগে গত ১৯ আগস্ট ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি করেন। এই রিটে যেসব প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনার নামে রয়েছে সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়েছে। এছাড়া রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন তিন বছর চাওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বিদেশে পাচার করা ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বদলি চাওয়া হয়েছে। রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া বলেন, রিটের বিষয়গুলোতে রুল ও আদেশ চাওয়া হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
জাতির পিতার পরিবারের পেছনে রাষ্ট্রের খরচ কত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট - image

জাতির পিতার পরিবারের পেছনে রাষ্ট্রের খরচ কত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

01 সেপ্টেম্বর 2024, বিকাল 6:00

জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯ এবং বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন-২০২১ অনুসারে তার পরিবারের সদস্যদের সুবিধা দিতে রাষ্ট্রের খরচ নিরূপণ এবং বিশেষ সুবিধায় তারা যেসব সম্পত্তি পেয়েছেন সে বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট। আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর মহাপরিচালককে ৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ গতকাল রোববার (১ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ দিয়েছেন। রুলে ওই আইনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তারা যে সুবিধা ভোগ করেছেন এবং বিশেষ সুবিধায় যেসব সম্পত্তি পেয়েছেন তা পুনরুদ্ধার কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান জনস্বার্থে ২৫ আগস্ট এ রিট দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। রিটে বিবাদী করা হয়েছে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর মহাপরিচালক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রুপান্তি ও ক্রিস্টিয়ান পারচিকে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৪
নোয়াখালীতে বন্যার্তদের মাঝে মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির পক্ষে খাবার ও উপহার সামগ্রী বিতরন - image

নোয়াখালীতে বন্যার্তদের মাঝে মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির পক্ষে খাবার ও উপহার সামগ্রী বিতরন

01 সেপ্টেম্বর 2024, বিকাল 6:00

সময় যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বন্যাকবলতি মানুষরে সংখ্যাও। ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডাকাতিয়া নদীর  পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহতি হচ্ছে। নদীর পানি উপচে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ অবনতি হয়েছে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এলাকায় কয়েকটি ইউনিয়ন। দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। এ অবস্থায় শনিবার (৩১ আগষ্ট) দক্ষিন কেরানীগঞ্জের মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির উদ্যোগে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার যাদবপুরে প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাবার ও উপহার সামগ্রী বিতরন করে। মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির উদ্যোক্তা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ ওবায়দুল্লাহ ইমন জানায়, নোয়াখালীতে বন্যার্তদের মাঝে মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির পক্ষে যতটুকু সহায়তা করা যায় আমরা সেইরকম ভাবে কাজ করে গেছি। মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায় দক্ষিন কেরানীগঞ্জের মীরেরবাগ এলাকাবাসী। মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটির এই কার্যক্রমে মোঃ মহিউদ্দিন, রাসেল, জিতু, আপন, নাসির, রাব্বি বন্ধুমহল সহ ২৩ জন সোসাইটির সদস্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে। আমাদের প্রচেষ্টায় এ আয়োজন, ভবিষ্যতে প্রাকৃতকি সকল র্দুযোগে মীরেরবাগ নাগরিক সোসাইটি সবসময় সাধারণ মানুষরে পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ। স্থানীয় ভাবে মানবিক সংস্থা যাদবপুর আমাদের সার্বিক ভাবে সহযোগীতা করেন বর্ন্যাত মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়ার জন্য। অধিকাংশ এলাকায় লাখ-লাখ মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়ছে। সবখানেই বন্যার্তদের মাঝে হাহাকার দেখা গেছে অনেক এলাকায় আশ্রয়কন্দ্রেগুলো পানি বন্দী হয়ে পড়ায় বন্যার্তদের র্দুভােগ আরও বেড়ে গিয়েছে। আমরা আপনাদের থেকে সহযোগিতা পেলে আরও এগিয়ে যাবো মানুষের সেবায়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৪
ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রামার কাদেরের ৭ কোটি টাকা মূল্যের দুটি বাড়ি ক্রোকের নির্দেশ - image

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রামার কাদেরের ৭ কোটি টাকা মূল্যের দুটি বাড়ি ক্রোকের নির্দেশ

12 মে 2025, বিকাল 6:00

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের ৭ কোটি ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৯ টাকা মূল্যের দুটি বাড়ি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন বলে জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম। দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম প্রোগ্রামার কাদেরের দুটি বাড়ি ক্রোকের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন। আবেদন অনুযায়ী রাজধানীর শ্যামপুরে একটি দশতলা ভবন ও বাসাবো কদমতলীর হক আবাসিক সোসাইটির একটি ছয়তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়। আবেদনে বলা হয়, আবদুল কাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ত্রাণের অর্থ আত্মসাৎ এবং বদলি ও জনবল নিয়োগে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব অভিযোগ দুদক অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, অভিযুক্ত আবদুল কাদের যেকোনো সময় দেশ ত্যাগ করে পালাতে পারেন। তিনি যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সে জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

মে ১২, ২০২৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo