logo
youtube logotwitter logofacebook logo

শেফালী

মন্ত্রী এমপিদের লিখিত সুপারিশে উপসচিব হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা এখনো সচিবের চেয়ারে, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিবকে না সরালে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা - image

মন্ত্রী এমপিদের লিখিত সুপারিশে উপসচিব হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা এখনো সচিবের চেয়ারে, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিবকে না সরালে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা

12 জানুয়ারি 2025, বিকাল 6:00

ডা. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সহকারি সচিব থেকে উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি পেতে একের পর এক পলাতক আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিদের লিখিত সুপারিশ নিয়েছেন। সম্প্রতি এসব সুপারিশনামা সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়েছে। এবার দুর্নীতিবাজ, আওয়ামীলীদের সুপারিশে পদ বাগানো ভারতের দালাল ডা. মো. সাইফুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র জনতা মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ফ্যাসিবাদ বিরোধি ছাত্র জনতা মঞ্চের সদস্য সচিব ডিকে সোলায়মান, আহ্বায়ক জাকি সুমন এবং যুগ্ন আহবায়ক নাসির হোসেন। ডিকে সোলায়মান তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের হাতে বিভিন্ন দালিলিক প্রমাণ এসেছে। যার একটিতে দেখা যায় ডা. সাইফুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক ও তার পরিবারের সবাইকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় হিসেবে প্রত্যায়ন করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে। এরপর ডা. সাইফুল ইসলাম সাবেক মৎস্য ও সাকেব প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমান ফকির এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি অধ্যক্ষ খাদিজা খাতুন শেফালীর সুপারিশ নিয়েছেন। তারা সবাই ডা. সাইফুল ইসলামকে সহকারি সচিব থেকে উপ সচিব পদে প্রমোশনের জন্য সুপারিশ করেছেন। তিনি সহকারি সচিব থাকাকলিন সময়ে আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপির সুপারিশে অনুষদের সাথে সম্পর্কিত নয় এমন বিষয়ে সার্জরি তে কোর্স করার জন্য পেষনে ছুটি নেন কিন্তু তিনি কোর্স সম্পন্ন না করায় অনুষদে অভিঞ্জতা অর্জিত না হওয়ায় অনুষদের পদোন্নতি কমিটি তার পদোন্নতি প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করে মিটিং রেজুলেশন করনে এতে ডা: মোঃ সাইফুল ইসলাম পদোন্নতির জন্য মরিয়া হয়ে য়ায় তার ফলশ্রুতিতে তিনি ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রভাব ঘাটিয়ে পদোনন্তির সুপারিশ করান। সোলায়মান আরও বলেন, এত এত দালিলিক প্রমাণ থাকার পরেও ডা. সাইফুল ইসলাম কী করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকে? তাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধি ছাত্র জনতা মঞ্চের আহ্বায়ক জাকি সুমন বলেন, দালালদের একগাদা সুপারিশের ভিত্তিতে ২০১৩ সালে ঠিকই ডা. সাইদুর রহমানকে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের উপ সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি উপসচিবের পদ ধরে রেখেছেন। জাকি সুমন আরও বলেন, আমরা সময়ক্ষেপণ চাই না। সচিবালয়ে ফ্যাসিস্টদের লাগানো ভয়াবহ আগুনের কথা আমরা জানি। ডা. সাইফুল ইসলামের মতো ভারতের ও আওয়ামী লীগের দালাল যদি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থাকে, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগবে। তারা সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য ওঁত পেতে আছে। সাইফুল ইসলামকে অপসারণ করা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধি ছাত্র জনতা মঞ্চের যুগ্ন আহবায়ক নাসির হোসেন বলেন, বর্তমানে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে অনৃষদের সাবেক সচিব ডা: জাহিদুর রহমান পদত্যাগ করলে ডা: মো: সাইফুল ইসলাম রাতারাতি হয়ে যায় বি এন পি সমর্থীত ডাক্তার নেতা। মোবাইলে রেখেছেন নেতাদের ছবি কেও গেলে তাকে দেখান সে সব ছবি। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিরা কেউ পালিয়ে গেছেন, কেউ গ্রেফতার হয়েছেন। ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম থেকে গেছেন নিজ পদে বহায় তবিয়তে। এখন তিনি টাকা দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে স্বপদে বহাল আছেন। বং দ্বায়িত্ব নিয়েছেন সচিব পদের। সচিব পদে দ্বাযিত্ব নিয়ে হয়ে যান বেপোরয়া অফিস স্টাফ দের সাথে করেন দুরব্যাবহার এমনকি রুমে ডেকে নিয়ে গালাগালি করেন ইচ্ছামত তার সহযোগী হিসাবে পাশে বসে থাকেন অফিসের হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা গোলাম মাহমুদুল হাসান। এমনকি বাহিরে লোক নিয়ে এসে স্টাফদের দেন হুমকি থামকি সাম্প্রতি অফিসের স্টাফ তার এই অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে মন্ত্রনালয়ে সচিব বরাবার অনুষদের ১১ জন কর্মচারী অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে উল্লেখ্য অনুষদের মো স্টাফ ২০ জন। নাসির হোসেন বলেন, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদে অনুসন্ধান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আরও বড় বড় দুর্নীতির খবর মিলেছে। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদকে বানিয়েছেন দুর্নীতির আখড়া। ছাত্রদের থেকে পরীক্ষার অর্থ নিয়ে পরীক্ষা না নেওয়া, একই দিনে রাঙ্গামাটি ও কুমিল্লায় অডিট দেখিয়ে টাকা তোলা, পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কামিয়েছেন শতকোটি টাকা। এখন সেই টাকা খরচ করছেন বিভিন্ন পেশাদার ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের পিছে। এমনকি নামে বেনামে রয়েছে বিঘা বিঘা জমি ও ব্যাংকে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। বক্তব্যে নাসির হোসেন বলেন, এসব বিষয়ে বিভিন্ন সময় তার সহকর্মীরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানালেও টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে নিয়েছেন ডা. মো সাইফুল ইসলাম এখন সাংবাদিক দেখলে তিনি পালিয়ে বেড়ান। অফিসের নিচে তার লোক বসে থাকে, সাংবাদিক যাওয়ার খবর পেলে অফিস থেকে পালিয়ে যান। উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাড়া দেননি সাইফুল ইসলাম। অভিযোগ উঠছে, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হয়ে বসে আছেন আওয়ামীলীগের এজেন্ট। যে কোনো সময় দলীয় নাশকতার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। বক্তব্যের শেষে নাসির হোসেন হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন বলেন, ‘এক সপ্তাহের ভেতর যদি ডা. সাইফুল ইসলামকে অপসারণ করা না হয় তাহলে প্রয়োজনে আমরা সরকার পতনের ডাক দেব। যে সরকার শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে তারাই যদি আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেয় সেই সারকারকে আমরা চাই না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৫
শেফালী জরিওয়ালার মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তার স্বামী - image

শেফালী জরিওয়ালার মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তার স্বামী

14 মে 2026, বিকাল 5:47

২০২৫ সালের জুন মাসে মাত্র ৪২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে যান ‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী শেফালী জরিওয়ালা। ‘বিগ বস ১৩’-তে অংশগ্রহণ করে নতুন করে আলোচনায় আসা এই অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যু স্তম্ভিত করেছিল বিনোদন জগতকে। তার অকাল প্রয়াণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা গুঞ্জন ও বিতর্ক, যা নিয়ে এতদিন ভক্তদের মাঝে ধোঁয়াশা ছিল।সম্প্রতি সেই সব জল্পনা ও বিতর্কের অবসান ঘটাতে মুখ খুলেছেন শেফালীর স্বামী, অভিনেতা পরাগ ত্যাগী। সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন ভিডিওবার্তা শেয়ার করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেফালীর মৃত্যু নিয়ে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তার অধিকাংশই ভিত্তিহীন। বিশেষ করে, বয়স ধরে রাখার জন্য বা ‘অ্যান্টি-এজিং’ ইনজেকশন নেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে যে দাবি উঠেছে, পরাগ সেটিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।পরাগ তার ভিডিওতে প্রশ্ন তোলেন, কোন ইনজেকশনের কথা বলা হচ্ছে তা যেন তাকেও জানানো হয়। তিনি জানান, শেফালী নিয়মিত কোনো অ্যান্টি-এজিং ওষুধ গ্রহণ করতেন না। তবে সুস্থ থাকার জন্য এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাসে একবার মাল্টিভিটামিন, ভিটামিন সি, কোলাজেন এবং গ্লুটাথিয়নের আইভি ড্রিপ নিতেন তিনি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এগুলো সাধারণ স্বাস্থ্য রক্ষার অনুষঙ্গ হিসেবেই পরিচিত।মৃত্যুর দিনের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে পরাগ আরও বলেন, শেফালী সেদিন উপবাস করেছিলেন ঠিকই, তবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি খাবার গ্রহণ করেছিলেন। তাই খালি পেটে কোনো ইনজেকশন বা ওষুধ নেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে যে খবর রটেছে, তা একেবারেই সঠিক নয়। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই এমন স্পর্শকাতর তথ্য প্রচার না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।পরিশেষে পরাগ ত্যাগী বলেন, শেফালীর তারুণ্য ও সুস্বাস্থ্যের আসল রহস্য ছিল তার সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও নিয়মিত ব্যায়াম। তিনি কোনো দিনই নিজেকে পছন্দের খাবার থেকে বঞ্চিত করেননি; আইসক্রিম বা চাইনিজ—সবই খেতেন পরিমিত পরিমাণে। সত্য না জেনে কাউকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়ে পরাগ বলেন, ভিত্তিহীন জল্পনা ছড়ানোর আগে প্রকৃত তথ্য জেনে নেওয়া উচিত।/টিএ

মে ১৪, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo