logo
youtube logotwitter logofacebook logo

মূল্য

একটি  সামান্য  আইসিটি বিষয়ক সফলতার গল্পঃ - image

একটি সামান্য আইসিটি বিষয়ক সফলতার গল্পঃ

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

একটা সময় ছিল আমি একদমেই কপি-পেস্ট করতে পারতাম না । কম্পিঊটার কি তাও জানতাম না । প্রবল আকর্ষণ ছিল কম্পিউটা্রের প্রতি । তাই মাধ্যমিকে ৪র্থ বিষয় নিলাম কম্পিঊটার, দুঃখের বিষয় স্কুলে যে কম্পিউটার ছিল তা অকেজো হয়েছিল। কম্পিঊটার শেখাতো দুরের কথা ,কম্পিঊটার ছুইতেউ পারলাম না। বড় আসফোস রয়ে গেল। ক্লাস সেভেনে এ থাকা অবস্থায় বড় ভাই মোবাইল কিনে আনায় ইন্টারনেটের উপর বেশ নেশা হল।তখন ফেইসবুক ছিল না।এলাকায় বাবার টেলিকম দোকানে বসতাম । সেক্ষেত্রে মেগাবাইট কেনা তেমন ব্যাপার ছিল না যাইহোক, উচ্চ-মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকায়, প্রাইভেট-ইউনির্ভাসিটিতে কম্পিঊটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হলাম । একটু একটু কম্পিউটার জানি । ২০০৯ সালে জিয়া বন্ধুর বড় ভাই আলীমুল রাজী,উনি একটা সফটওয়ার কোম্পানির প্রজেক্ট ডিরেক্ট্রর ছিলেন । বাংলাদেশে একটা জবসাইট খুলব তাই ওনার কাছে গেলাম । ওনি জবসাইট খুলে দিল,সেটা জুমলায় ছিল। আমি সেটা ঘাটাঘাটি করে সব কিছু শিখলাম কিন্তু কি শিখলাম , তাও জানি না । ৬ মাস পরে জানতে পারলাম আমি জুমলা শিখেছি ।আমি একা একা সবসময় ঘাটাঘাটি করতাম। জব-সাইট ভালই চলছে, যে কয়েকজন র্পাটনার ছিল ,তখন তারা এমএল (ডেসটিনির) তে কাজ করা শুরু করল। টাকার অভাবে ২ বছর পর সেটি বন্ধ হল। আমার তখনো কোন ল্যাপটপ ছিল না। ঢাকায় এসে প্রাইভেট ইউনিভাসিটিতে পড়ে, আব্বার কাছে অনেক টাকাই নিয়েছি । তাই ল্যাপটপ নিজের টাকা দিয়েই কিনব, কারন টাকা চাওয়াটা নিজের কাছে কেমন জানি লজ্জা লাগত । বন্ধুদের প্রোগাম ও ডিজাইন শেখাতে গিয়ে নিজেউ অনেক কিছু শেখেছি। কিছুদিন পরে আমার কিছু ইনকাম ও আব্বার টাকায় ল্যাপটপ কিনলাম। জুমলায় আমাদের ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটের প্রজেক্ট করলাম।তখন জুমলায় এক্সর্পাট ছিলাম । শুরু করলাম ছোট একটা সোসাল সাইট এলাহান ডট কম। ৬ মাসেই ৩ লক্ষ ইউজার হল । সেই সময় একা একা এত কিছু বুজতাম না । এত ইউজার সেজন্য ডেডিকেটেট সার্ভার লাগে ।কিন্তু এত টাকা পাব কোথায়? তাই আবারও টাকার অভাবে সাইট বন্ধ। আবার কিছুদিন পরে ২০১১ সালে প্ল্যান করলাম,নিজেই হোস্টিং ব্যবসা শুরু করব। অনেকের কাছে গেলাম । বিজনেস পার্টনার বানানোর জন্য কিন্তু কেউ টাকা দিতে রাজি না। তাই ২০১২ সালে আমার ছোটবেলার দোস্ত ও আমার ১০ হাজার টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করলাম।তখন আমি ছোট একজন ছোট উদ্যোক্তা। এটা শুরু করে সার্ভার বিষয়ে অনেক কিছু জানলাম। ব্যবসায় ৩ মাস কোন ইনকাম করতে পেলাম না। এর পরে ব্যবসায় লাভও নেই লসও নেই । এবার অনেকেই আমার বিজনেস পার্টনার হতে চাইল। একজন কে ব্যবসায় পার্টনার না নেয়ায় আমাকে হুমকিও দিয়েছিল ।প্রথম বড় প্রজেক্টে লস করেছিলাম। মাঝখানে বাংলাদেশী আউটর্সোসিং কোম্পানিতে ৪ মাস জব করে,কোন স্যালারিই পাই নেই ,সেই দিন কান্না করতে করতে বাসায় আসি । এর পরে Symphonysoft এ ৪ মাস জব করি , কিন্তু কোম্পানির ক্রাইসিসে কয়েকজনকে বাসায় বসে আউটসোর্সিং করাতে বলে চাকুরী থেকে বাদ দিয়ে দেয়। সেই থেকে দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মনে সিদ্ধান্ত নেই আর কোন দিন চাকুরী করব না । অনলাইন র্মাকেটিং করে এখন প্রায় ২০০ এর বেশী ক্লাইন্টস। আর ডোমেইনের ক্লাইন্ট ৫০০ এর বেশী। অনেক ছাত্র ও কিছু নন-প্রফিট কোম্পানিকেউ ফ্রীতে হোস্টিং দিয়েছি ।ভালভাবেই প্রতিষ্ঠা করলাম Hostcoding Corporation . প্রজেক্টের কাজ করে অনেক টাকাই পেতাম । ২০১২ সাল থেকেই দেশ-বিদেশে একের পর এক প্রজেক্ট করেই চলছি,আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি । আমার অনেক ছাত্র রয়েছে তারা এখন আমার চেয়েও অনেক বেশী ইনকাম করে । যদি কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়ে অন্য বিষয়ে পড়তাম তাহলে এখনো আমি বেকার থাকতাম। এখনো চাকুরীর পিছনে ধর্না দিতে হত। আমার জবের জন্য চিন্তা করা লাগে না । প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সময় অনেকেই নিষেধ করেছিল । কিন্তু আমি কারও কথা না শুনে ভাইদের কথায় ঢাকায় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলাম।আসলে ইউনিভার্সিটি কোন বিষয় না, কয়েকটা কোম্পানিতে চাকুরী করেছিলাম,সেখানে দক্ষতাই প্রধান বিষয় ছিল। আমি নিজে নিজেই গুগুলের কাছে সার্চ করেই ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলমেন্ট শেখেছি । এখন আমি একটি অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানিতে কান্ট্রি-ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছি , শ্রীঘই বড় পরিসরে গুছিয়ে নামব এবং আমার ছোট আইটি প্রতিষ্ঠান Hostcoding Corporation এরও কাজ করছি। ভার্চুয়াল শিক্ষা প্রদানের জন্য অনলাইনে বিনা-মূল্যে বিভিন্ন শিক্ষা দেয়ার জন্য এলানটিচ ডটকম চালু করি । গ্রামের মানুষ দেশে বসে বিদেশের ইনকামের(আউটসোর্সিংয়ের) কথা বললে হাসে ।কিন্তু বাংলাদেশে এখন আইসিটি বিষয়ে অনেক বেশী উন্নয়ন ও প্রোগাম করছে।আসলে আমাদের সময়ে গ্রামে এত কিছু উন্নয়ন থাকলে এখন আরো উপরে থাকতে পারতাম । এখন আমি আইসিটি , মিডিয়া ও টূরিজম নিয়ে কাজ করছি। আমি একজন উদেক্তা হিসাবে অনেক ভালই আছি। উদ্যোক্তা হতে হলে আপানাকে অবশ্যই রিক্স নিয়ে কাজ করতে হবে। সময় পরিবর্তনের সাথে সাথেই প্রোগ্রাম,সফটওয়ারের ভার্সন পরিবর্তন হয় । সে সাথে নিজেকেউ আপগ্রেড করতে হয়। আগে যারা শিখেছে ,তাদেরকেঊ নতুন করে নতুন নতুন সর্বশেষ বিষয়ে শিখতে হয় ।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

27 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬ থেকে এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। এ উপলক্ষে আজ (২৮ জানুয়ারি) বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। রুদ্র মাহফুজের রচনায় ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ২৭, ২০১৬
আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

30 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: প্রথমবারের মতো সপ্তাহে ৫ দিন ধারাবাহিক নাটক প্রচার করবে এটিএন বাংলা। নতুন এ ধারাবাহিকের নাম ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। আজ (০১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬) প্রচার হবে ধারাবাহিকটির প্রথম পর্ব। ধারাবাহিকটি রবি থেকে বৃহস্পতিবার, রাত ৯টা ২০মিনিটে প্রচার হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। রুদ্র মাহফুজের রচনা এব বি ইউ শুভ’র পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। ধারাবাহিকটি প্রচার উপলক্ষে গত ২৮ জানুয়ারি বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। নাটকের কাহিনী সংক্ষেপ: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ৩০, ২০১৬
ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো - image

ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো

02 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। লাইফ ইন এ মেট্রো-আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তার এই ব্যান্ডের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দুই ধর্মের দু’জন হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়।অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। তারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনভাবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্ব করবে। পাশাপাশি তাদের বাবা-মা এবং সেই সূত্রে আত্মীয়-পরিজনরাও প্রাসঙ্গিক চরিত্র হয়ে দেখা দিবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’তে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৬
বিডিএইচপিএ-ওয়ালেটমিক্সের মধ্যে সমযোতা স্মারক চুক্তি। - image

বিডিএইচপিএ-ওয়ালেটমিক্সের মধ্যে সমযোতা স্মারক চুক্তি।

26 মার্চ 2016, বিকাল 6:00

২৬শে মার্চ ২০১৬, ওয়ালেটমিক্স এর অফিসে বিডিএইচপিএ (বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার এসোসিয়েশন) এবং অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সেবাদlতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটমিক্স এর মধ্যে একটি সমযোতা স্মারক চুক্তি হল। এর ফলে বাংলাদেশের যেকোন ব্যাংকের ইস্যুকৃত ভিসা/মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন ও রিনিউয়াল ফি দিতে পারবেন বিডিএইচপিএ এর সকল সদস্যগণ। এছাড়াও বিডিএইচপিএ এর সদস্যরা সাশ্রয়ী মূল্যে ওয়ালেটমিক্স এর পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা গ্রহণ করতে পারবে। চুক্তিটিতে ওয়ালেটমিক্সের পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মোঃ হুমায়ুন কবির এবং বিডিএইচপি এর সভাপতি সালেহ আহমেদ। এ বিষয়ে বিডিএইচপি এর ডিরেক্টর মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন "নিঃসন্দেহে চুক্তিটি বিডিএইচপিএর জন্য একটি মাইলফলক এবং সকল সদস্যরা এতে দারুনভাবে উপকৃত হবে" । অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত হোসেন (সহ-সভাপতি), মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ডিরেক্টর), মাসুমূল হক এবং ওয়ালেটমিক্সের পক্ষে মোঃ আবুল বাশার (ম্যানেজার) , মোঃ ফারুক হোসাইন (এক্সিকিউটিভ)। ওয়েবসাইট: http://www.bdhpa.org

মার্চ ২৬, ২০১৬
৫০তম পর্বে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

৫০তম পর্বে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

16 এপ্রিল 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (১৭ এপ্রিল) রাত ৯.২০ মিনিটে প্রচার হবে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। আজ প্রচার হবে ধারাবাহিকটির ৫০তম পর্ব। রুদ্র মাহফুজের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমা প্রমুখ। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

এপ্রিল ১৬, ২০১৬
‘রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হবে’ - image

‘রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হবে’

07 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। রোববার বিকেলে পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, রমজানের আগেই রসুনের দাম বেড়েছে ১শ ৬৮ শতাংশ। ছোলার দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারও অস্থিতিশীল জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের দলীয় নেতা কর্মীদের সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। তবে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বেতন বাড়ানো হলে, তার প্রভাব সাধারণ মানুষকেই সামলাতে হবে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী।

মে ০৭, ২০১৬
কুষ্টিয়ায় হোমিও চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা - image

কুষ্টিয়ায় হোমিও চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

19 মে 2016, বিকাল 6:00

কুষ্টিয়াপ্রতিনিধি: কুষ্টিয়ায় মীর সানোয়ার রহমান (৫৫) নামে এক হোমিও চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় চিকিৎসকের সাথে থাকা কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক মো. সাইফুজ্জামান গুরুতর আহত হন। শুক্রবার সকাল ৯ টায় শহরতলীর বটতৈল এলাকার শিশির মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি শুক্রবারের ন্যায় আজ সকালেও হোমিও চিকিৎসক সানোয়ার রহমান শিশির মাঠ এলাকার নিজ চেম্বারে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা দিতে যান। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সাইফুজ্জামান কে সঙ্গে নিয়ে তার চেম্বারে গেলে একটি মোটরসাইকেল যোগে তিনজন দুর্বৃত্ত ঘটনাস্থলে এসে চিকিৎসক সানোয়ার রহমানকে এলাপাতাড়িভাবে কুপাতে থাকে। এ সময় পাশে থাকা শিক্ষক সাইফুজ্জামান বাঁধা দিলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। হোমিও চিকিৎসকের মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কতর্ব্যরত চিকিৎসক। নিহত হোমিও চিকিৎসক মীর সানোয়ার রহমান শহরের পূর্ব মজমপুর এলাকার মৃত মীর বজলার রহমানের ছেলে।

মে ১৯, ২০১৬
অনলাইনে বিনা মূল্যে ভার্চুয়াল শিক্ষা - image

অনলাইনে বিনা মূল্যে ভার্চুয়াল শিক্ষা

23 মে 2016, বিকাল 6:00

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের তরুণ সমাজ অবসরের বেশির ভাগ সময় পার করে দিচ্ছেন অনলাইনে। তথ্য প্রযুক্তির এই ছোয়া আজ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জেও। তাই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।অনলাইনে বিনা মূল্যে ভার্চুয়াল শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে অলাভজনক ওয়েব সাইট এলানটিচ ডটকম।তাই এলানটিচ ডটকম স্বল্প পরিসর বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব পরিমণ্ডলে দেশি বিদেশি তরুণ সমাজের অসংখ্য পাঠক ভিজিট করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এলানটিচ ডটকমে বিশ্বের যে কেউ তার মেধা, জ্ঞান অর্জন বা জ্ঞানের বিকাশ ঘটাতে পারেন। দেশে বিদেশে ইতোমধ্যে অনেক সদস্য হয়েছে। সাইটিতে আগ্রহীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিয়ে প্রযুক্তিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে সাহায্য করতে পারবেন। এতে বিখ্যাত মানুষের জীবনী, তথ্যপ্রযুক্তি, সাধারণ শিক্ষাসহ বিশ্ব সম্পর্কিত নানা তথ্য যোগ করার সুযোগ রয়েছে। এলানটিচ ডটকমের ভার্চুয়াল শিক্ষায় যা যা থাকছে । বর্নমালায় অনলাইন ভিডিও: পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে যে কোনো সময়ে শিশুরা তাদের শেখার জন্য মজার এনিমেশন অনলাইন ভিডিও ভিক্তিক টিউটোরিয়াল, বাংলা বর্নমালা (স্বরবর্ন, ব্যঞ্জনবর্ণ), আরবী এবং ইংলিশ বর্নমালা শিখতে পারবে। শিশুরা এই ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে সহজে বর্নমালা শিখতে পারে। বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী: সারা পৃথিবীর বিখ্যাত ব্যক্তিদের যেমন কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, ব্যবসায়িক, দার্শনিক, অভিনেতা, অর্থনীতি বিদ, রাজনীতিবিদের জীবন কাহিনী ভিডিওসহ তুলে ধরা হয়েছে। আরো রয়েছে কবি নজরুল ইসলামের নিজের কণ্ঠের কবিতা এবং যোগ করা হচ্ছে তাদের জীবনের নানা তথ্য। অনলাইনে সরাসরি পরীক্ষা: এলানটিচ ডট কমে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সাথে সাথে পরীক্ষার রেজাল্ট পেতে পারে এবং কতগুলির প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছে তা নিজে নিজে দেখতে পারে, যা অটোমেটিকভাবে পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়ে থাকে। একজন শিক্ষার্থী সহজে বিনামূল্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জ্ঞান বাড়াতে পারে। আরো এতে রয়েছে আইকিউ টেস্টের সুযোগ। সাধারণ জ্ঞানের তথ্য: এই ওয়েবসাইটে বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ, পৃথিবীর বিস্ময়কর সব খবর , ধর্মীয়, মানুষের শরীর ও আন্তজার্তিক বিষয়ের উপর সাধারণ জ্ঞানের তথ্য পাওয়া যাবে। প্রযুক্তিতে অনলাইন ভিডিও টিউটোরিয়াল: জ্ঞানভিত্তিক ও অনলাইনে মুক্ত জ্ঞান বিকাশের লক্ষ্যে বিজ্ঞান, ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলোপমেন্টের ভিডিও টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে ও এ সকল বিষয়ের তথ্য প্রতিনিয়ত বাড়ানো হচ্ছে। জীবনের পরামর্শ: প্রতিটি মানুষের জীবনের নানা সমস্যার সমাধান তুলে ধরা হচ্ছে এই ওয়েব সাইটিতে। তাছাড়াও ক্যারিয়ারের বিষয়ে পরামর্শ এবং সফল ব্যক্তিদেরও তথ্য রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও ই-ট্রেইনার হিসেবে যোগ: বিশ্বব্যাপী শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি, জ্ঞানভিত্তিক ও অনলাইনে মুক্ত জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে, স্বেচ্ছাসেবক ও ই-ট্রেইনার হিসেবে যোগ দিতে পারেন এলানটিচ ডট কমে। তাই আপনিও চাইলে যোগ দিতে পারেন এলানটিচ ডটকমের সকল সদস্যদের সঙ্গে। আপনি স্বেচ্ছাসেবক ও ই-ট্রেইনার হিসেবে যোগ দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি, জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর এর সকল কার্যক্রমকে সফলতার সাথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারবেন। এছাড়াও এতে সকল ইউনিভার্সিটি ও মেডিকেলের তথ্য পাওয়া যাবে। সাধারণ শিক্ষাসহ বিশ্ব সম্পর্কিত নানা তথ্য যোগ করার সুযোগ রয়েছে সাইটটিতে। বিস্তারিত জানার জন্য ভিজিট করুন (www.elanteach.com) এ।

মে ২৩, ২০১৬
মূল্যস্ফীতি নিয়ে স্বস্তি, বিনিয়োগ না বাড়ায় হতাশা অর্থমন্ত্রীর - image

মূল্যস্ফীতি নিয়ে স্বস্তি, বিনিয়োগ না বাড়ায় হতাশা অর্থমন্ত্রীর

01 জুন 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মূল্যস্ফীতি নিয়ে স্বস্তি, বিনিয়োগ না বাড়ায় হতাশা। আক্ষেপ সরকারি টাকার অপব্যয়ে আর বিদেশি সাহায্যের সঠিক ব্যবহার না হওয়ায়। তবে সামগ্রিক অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে এই তৃপ্তির ঢেকুর তুলে বাজেটে অর্থমন্ত্রী দেখালেন বেশ কিছু স্বপ্নও। এবারের বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় স্বস্তির কারণ বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম। যেভাবে তেলের দাম কমছে তাতে জিনিসপত্রের দাম হুহু করে বেড়ে যাবার প্রধান কারণ নাই। আর এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে মূল্যস্ফীতি। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী রমজানে দাম বাড়ার হিড়িক সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২ পার হবে না। আর আগামী অর্থবছরে সেটা আরও কমে ৫ দশমিক ৮ নামাবে। হতাশার জায়গায় মুখ্য বিষয় বিনিয়োগ। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, যা হচ্ছে তা যথেষ্ট না।  সক্ষমতার ঘাটতির জন্য উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়না ঠিকমতো। বিদেশি সাহায্যও কাজে লাগানো যায়না পুরোটা। অর্থবছরের শেষভাগে প্রকল্প শেষ করার তাড়াহুড়োয় নষ্ট হয় সরকারি টাকা। বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন নিয়ে সন্তুষ্ট অর্থমন্ত্রী বলছেন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছুচ্ছে না এটাই কষ্টের কারণ। সঞ্চালনজনিত দুর্বলতাকেই এর কারণ মনে করেন মন্ত্রী। নানা ঘাটতির মধ্যেও অর্থমন্ত্রী তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়েই। বলছেন উদীয়মান দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। আর তাই এবার একটি স্বপ্নও দেখতে চান ৮৩ বছর বয়সী এই মন্ত্রী। সেই স্বপ্ন ঢাকার বুকে ১৪২ তলা ভবনের। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ না, সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও দেখাচ্ছে অর্থমন্ত্রী। ‌নানা খাতে সেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চান তিনি। থাকছে সব ধরণের চাকুরীজীবীদের জন্য পেনশনের গল্পও।

জুন ০১, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo