logo
youtube logotwitter logofacebook logo

বয়সে

প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

27 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬ থেকে এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। এ উপলক্ষে আজ (২৮ জানুয়ারি) বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। রুদ্র মাহফুজের রচনায় ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ২৭, ২০১৬
আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

30 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: প্রথমবারের মতো সপ্তাহে ৫ দিন ধারাবাহিক নাটক প্রচার করবে এটিএন বাংলা। নতুন এ ধারাবাহিকের নাম ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। আজ (০১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬) প্রচার হবে ধারাবাহিকটির প্রথম পর্ব। ধারাবাহিকটি রবি থেকে বৃহস্পতিবার, রাত ৯টা ২০মিনিটে প্রচার হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। রুদ্র মাহফুজের রচনা এব বি ইউ শুভ’র পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। ধারাবাহিকটি প্রচার উপলক্ষে গত ২৮ জানুয়ারি বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। নাটকের কাহিনী সংক্ষেপ: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ৩০, ২০১৬
ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো - image

ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো

02 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। লাইফ ইন এ মেট্রো-আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তার এই ব্যান্ডের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দুই ধর্মের দু’জন হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়।অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। তারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনভাবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্ব করবে। পাশাপাশি তাদের বাবা-মা এবং সেই সূত্রে আত্মীয়-পরিজনরাও প্রাসঙ্গিক চরিত্র হয়ে দেখা দিবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’তে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৬
ঈদে ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’ - image

ঈদে ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’

01 জুলাই 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে জনপ্রিয় নির্মাতা মোহন পরিচালিত ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’। নাটকটি ঈদের দিন থেকে ৬ষ্ঠ দিন পর্যন্ত রাত ৭.৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে। মোহন খানের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, অহনা, মৌ, সাকী শেরিফ চৌধুরী, রাকেশ, কাজী উজ্জল এবং আজিজুল হাকিম। সম্পুর্ন ধারাবাহিকটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনীর মনোরম সব লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে এভাবেÑ অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে থাকেন শাহেদ সাহেব। একটু বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু জানতেন না তার বউ বিয়ের আগে চার বছল একটা ছেলের সাথে প্রেম করেছিল। এই নিয়ে তাদের সংসারে কোন ঝামেলা হয়নি। কিন্তু সেই ছেলেটা হঠাৎ করে একদিন সিডনীতে চলে আসে। নানা অজুহাতে সে শাহেদ সাহেবের বাসায় আসার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শাহেদ সাহেবের খালাতো বোনের সঙ্গে সম্পর্ক করে সরাসরি তার বাসায় এসে হাজির হয় ছেলেটি। এরপর থেকে শুরু হয় মিথ্যা বলার খেলা। সেই সাথে যোগ হয় কম লেখাপড়া জানা আর একজন মেয়ে সাবাবা। যার কাজ হলো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো আর বিভিন্ন অজুহাতে মানুষের কাছ থেকে ৫০ ডলার ধার নেওয়া। এ ধারাবাহিকতায় এক সময় এরা সবাই একসাথে মিলিত হয়। আর বের হয়ে আসে ভিন্ন একটি গল্প। যার জন্য কেউই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল না।

জুলাই ০১, ২০১৬
১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’ - image

১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’

05 জুলাই 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে জনপ্রিয় নির্মাতা মোহন পরিচালিত ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’। নাটকটি ঈদের দিন থেকে ৬ষ্ঠ দিন পর্যন্ত রাত ৭.৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে। মোহন খানের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, অহনা, মৌ, সাকী শেরিফ চৌধুরী, রাকেশ, কাজী উজ্জল এবং আজিজুল হাকিম। সম্পুর্ন ধারাবাহিকটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনীর মনোরম সব লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে এভাবেÑ অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে থাকেন শাহেদ সাহেব। একটু বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু জানতেন না তার বউ বিয়ের আগে চার বছল একটা ছেলের সাথে প্রেম করেছিল। এই নিয়ে তাদের সংসারে কোন ঝামেলা হয়নি। কিন্তু সেই ছেলেটা হঠাৎ করে একদিন সিডনীতে চলে আসে। নানা অজুহাতে সে শাহেদ সাহেবের বাসায় আসার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শাহেদ সাহেবের খালাতো বোনের সঙ্গে সম্পর্ক করে সরাসরি তার বাসায় এসে হাজির হয় ছেলেটি। এরপর থেকে শুরু হয় মিথ্যা বলার খেলা। সেই সাথে যোগ হয় কম লেখাপড়া জানা আর একজন মেয়ে সাবাবা। যার কাজ হলো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো আর বিভিন্ন অজুহাতে মানুষের কাছ থেকে ৫০ ডলার ধার নেওয়া। এ ধারাবাহিকতায় এক সময় এরা সবাই একসাথে মিলিত হয়। আর বের হয়ে আসে ভিন্ন একটি গল্প। যার জন্য কেউই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল না।

জুলাই ০৫, ২০১৬
এটিএন বাংলায় আজ দেখবেন ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’ - image

এটিএন বাংলায় আজ দেখবেন ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’

16 জুলাই 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (১৭ জুলাই) রাত ৮ টায় প্রচার হবে জনপ্রিয় নির্মাতা মোহন পরিচালিত ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’। মোহন খানের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, অহনা, মৌ, সাকী শেরিফ চৌধুরী, রাকেশ, কাজী উজ্জল এবং আজিজুল হাকিম। সম্পুর্ন ধারাবাহিকটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনীর মনোরম সব লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে এভাবেÑ অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে থাকেন শাহেদ সাহেব। একটু বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু জানতেন না তার বউ বিয়ের আগে চার বছল একটা ছেলের সাথে প্রেম করেছিল। এই নিয়ে তাদের সংসারে কোন ঝামেলা হয়নি। কিন্তু সেই ছেলেটা হঠাৎ করে একদিন সিডনীতে চলে আসে। নানা অজুহাতে সে শাহেদ সাহেবের বাসায় আসার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শাহেদ সাহেবের খালাতো বোনের সঙ্গে সম্পর্ক করে সরাসরি তার বাসায় এসে হাজির হয় ছেলেটি। এরপর থেকে শুরু হয় মিথ্যা বলার খেলা। সেই সাথে যোগ হয় কম লেখাপড়া জানা আর একজন মেয়ে সাবাবা। যার কাজ হলো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো আর বিভিন্ন অজুহাতে মানুষের কাছ থেকে ৫০ ডলার ধার নেওয়া। এ ধারাবাহিকতায় এক সময় এরা সবাই একসাথে মিলিত হয়। আর বের হয়ে আসে ভিন্ন একটি গল্প। যার জন্য কেউই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল না।

জুলাই ১৬, ২০১৬
আজ শেষ হচ্ছে ১২ পর্বের ঈদের ধারাবাহিক - image

আজ শেষ হচ্ছে ১২ পর্বের ঈদের ধারাবাহিক

17 জুলাই 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (১৮ জুলাই) রাত ৮ টায় প্রচার হবে জনপ্রিয় নির্মাতা মোহন পরিচালিত ১২ পর্বের ধারাবাহিক ‘দু হাতে একগুচ্ছ কষ্ট’ এর শেষ পর্ব। নাটকটি এবারের ঈদুল ফিতরের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় ঈদের দিন থেকে প্রচার শুরু হয় যা আজ শেষ হচ্ছে। মোহন খানের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, অহনা, মৌ, সাকী শেরিফ চৌধুরী, রাকেশ, কাজী উজ্জল এবং আজিজুল হাকিম। সম্পুর্ন ধারাবাহিকটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনীর মনোরম সব লোকেশনে চিত্রায়িত হয়েছে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে এভাবেÑ অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে থাকেন শাহেদ সাহেব। একটু বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু জানতেন না তার বউ বিয়ের আগে চার বছল একটা ছেলের সাথে প্রেম করেছিল। এই নিয়ে তাদের সংসারে কোন ঝামেলা হয়নি। কিন্তু সেই ছেলেটা হঠাৎ করে একদিন সিডনীতে চলে আসে। নানা অজুহাতে সে শাহেদ সাহেবের বাসায় আসার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শাহেদ সাহেবের খালাতো বোনের সঙ্গে সম্পর্ক করে সরাসরি তার বাসায় এসে হাজির হয় ছেলেটি। এরপর থেকে শুরু হয় মিথ্যা বলার খেলা। সেই সাথে যোগ হয় কম লেখাপড়া জানা আর একজন মেয়ে সাবাবা। যার কাজ হলো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো আর বিভিন্ন অজুহাতে মানুষের কাছ থেকে ৫০ ডলার ধার নেওয়া। এ ধারাবাহিকতায় এক সময় এরা সবাই একসাথে মিলিত হয়। আর বের হয়ে আসে ভিন্ন একটি গল্প। যার জন্য কেউই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল না।

জুলাই ১৭, ২০১৬
ঈদের নাটক ‘জলছবি’ - image

ঈদের নাটক ‘জলছবি’

16 সেপ্টেম্বর 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: প্রচার- ঈদের ৭মদিন, রাত ১০টা ৪৫মিনিট রচনা ও পরিচালনা- অঞ্জন আইচ এবারই প্রথম দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলা প্রচার করবে ৮দিনব্যাপী ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। এ অনুষ্ঠানমালায় ঈদের সপ্তম দিন, রাত ১০টা ৪৫মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘জলছবি’। ‘প্রত্যেকটি নারীর স্বপ্ন থাকে স্বামী-সংসারের। কিন্তু বিয়ের পর সেই স্বামী যখন স্ত্রীকে বিক্রি করে দেয়, তখন মেয়েটি বিপদে পড়ে যায়। আমাদের সমাজে অনেক মেয়েই এমন বিপদের শিকার হচ্ছে। এমন গল্পই তৈরি হয়েছে ঈদের নাটক ‘জলছবি’। অঞ্জন আইচের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে নাটকটি। পরিবারহীন জরী নামের মেয়েটি আশ্রয় নেয় তার দূরসম্পর্কের মামার বাড়িতে। মামা বয়সে বৃদ্ধ হলেও নিজেকে তরুণ মনে করে। একসময় ভাগ্নিকে উক্ত্যক্ত করতে থাকে সে। বিষয়টি পরিবারের সবাই জেনে যাওয়ায় এক লোকের সঙ্গে বিয়ে দেয় জরীকে। শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়ার নাম করে জরীকে বিক্রি করে দেয় তার স্বামী। সময়ের সঙ্গে হাতবদল হতে হতে সে তার বিপদ বুঝতে পারে। তারপর হয়ে ওঠে প্রতিবাদী নারী। এই জরী চরিত্রটি রূপায়ণ করেছেন রুনা খান। রুনা ছাড়াও এতে আরো অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ফারুক আহমেদ, টুটুল চৌধুরী প্রমুখ। জলছবি নাটকটি প্রচার হবে ঈদের ৭ম দিন রাত ১০.৪৫ মিনিটে এটিএন বাংলায়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৬
বিশেষ নাটক ‘দিগন্তের শেষ প্রান্তে’ - image

বিশেষ নাটক ‘দিগন্তের শেষ প্রান্তে’

20 সেপ্টেম্বর 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় ২২ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৫৫মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘দিগন্তের শেষ প্রান্তে’। আহসান আলমগীরের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন দেবাশীষ বড়–য়া দীপ। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অহনা, তানভীর, নুসরাত, ডায়না প্রমুখ। চারু হাইওয়েতে এসে সুইসাইট করার জন্য অপেক্ষা করছে। সুইসাইট করা ছাড়া যে তার কোন মুক্তি নাই। তার হাজবেন্ড তার চাইতেও দ্বিগুন বয়সের একজন বিপতœীক পুরুষ। নেশাগ্রস্থ স্বামীর অত্যাচার সহ্য করা তার পক্ষে আর কোন ভাবেই সম্ভব হচ্ছেনা। তার ফ্যামিলিরতে এই সব বলতে বলতে অসহ্য হয়ে গেছে। ইদানিং সবাই উল্টো তার দোষ দিচ্ছে। তাই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা তার কাছে অর্থহীন মনে হচ্ছে, সো সুইসাইট। একটা প্রাইভেট গাড়িতে ঝাঁপিয়ে পড়ে চারু। গাড়িটি ড্রাইভ করছিলো নিউরো স্পেশালিষ্ট ডাঃ মোনা। চারু মারা যায়নি। ডাঃ মোনা কিছুদিন তাকে নিজের কর্মস্থল হসপিটালে টিটমেন্ট করিয়ে আজ বাসায় নিয়ে এসেছে। বাসায় এনে রাখাটা চারুর টিটমেন্টেরই অংশ। চারুর মেমোরী লস হয়েছে। তার দীর্ঘ মেয়াদী নিউরো টিটমেন্ট দরকার। ডাঃ মোনার হাজবেন্ড উৎসব একজন তরুণ স্থপতি। একটি রিয়েল এষ্টেট কোম্পানীতে সে কনসালটেন্ট হিসাবে কাজ করে। সন্ধায় চায়ের টেবিলে উৎসবের সাথে চারুর পরিচয় করিয়ে দেয় মোনা, চারুকে দেখে উৎসব কিংকর্তব্যবিমূঢ় ! এতো সেই চারু যার সাথে উৎসবের কাবিন হওয়ার পর পারিবারিক মনোমালিন্যের জের ধরে উৎসব বিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছিলো। উৎসব চারুকে চেনার পরও মোনার কাছে বিষয়টি চেপে যায়। মোনার ডিউটি টাইমের ফাঁকে উৎসব বাসায় আসে, চারুও যে উৎসবকে চিনতে পেরেছে, কথার প্রসঙ্গে সেটি বেরিয়ে আসে। উৎসব স্তম্ভিত, তবে কি চারুর ম্যামোরী লসের বিষয়টি ভান ?

সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬
শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’ - image

শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’

02 জানুয়ারি 2017, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা ২৫মিনিটে প্রচার হবে শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’। লিটন অধিকারী রিন্টু’র পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি ২০০৬ সাল থেকে সপ্তাহিকভাবে অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হচ্ছে। শিক্ষার পাশাপাশি শিশু বিনোদনকে প্রাধ্যন্য দিয়ে নির্মাণ করা হয়ে থাকে অনুষ্ঠানটি। পাপেট ও শিশুদের সংমিশ্রনে তৈরী এই সিরিজটি শিশুদের জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। এটি দেখে শিশুরা খুবই উপকৃত হচেছ, যেমন তারা স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস ও নৈতিকতা স¤পর্কে জানতে পারছে ও তেমনি শিক্ষাও পাচ্ছে। তারা আরো জানতে পারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিশু সংস্কৃতির অজানা অনেক তথ্য। এই অনুষ্ঠানে আরো যে সব বিষয় তুলে ধরা হয় তা হলো বংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লুকিয়ে থাকা শিশু প্রতিভা। বিভিন্ন বস্তুর সৃষ্টির রহস্য জানা, বিভিন্ন খাবারের গুনাবলী উপকারিতা ও অপকারিতা তুলে ধরা, ইসপের গল্প এনিমেশনের অথবা পাপেটের মাধ্যমে তৈরী করে শিক্ষা দেওয়া, সত্য কথা বলা, পড়াশুনায় মনোযোগী হওয়া, ছোটথেকেই কিভাবে সর্ঠিক ভাবে জীবন যাপন করা উচিৎ তাছাড়া ন্যায় ও অন্যায় সম্পর্কে ধারনা দিয়ে এই ধরনের বিষয় বস্তুর উপর ভিত্তি করে গল্প তৈরী করে আনন্দের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয়। ক্লাসের বাইরেও পরিবার থেকে শিশুরা শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। শিশু বয়সেই একটি শিশু মজার মজার বিনোদনমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে টিভি অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে সেই বিষয়টিকেই অনুষ্ঠানের নির্মাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

জানুয়ারি ০২, ২০১৭
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo