logo
youtube logotwitter logofacebook logo

বড় ধাক্কা

যেভাবে জাওয়াহিরিকে খুঁজে পেল সিআইএ - image

যেভাবে জাওয়াহিরিকে খুঁজে পেল সিআইএ

01 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

আফগানিস্তানে মার্কিন হামলায় শীর্ষনেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হওয়ার ঘটনা ২০১১ সালে লাদেন হত্যার পর আল-কায়েদার জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা। তবে বছরের পর বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা জাওয়াহিরির অবস্থান শনাক্ত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, জাওয়াহিরিকে খুঁজে বের করে হত্যার এই অভিযান সন্ত্রাসবিরোধী ও গোয়েন্দা বাহিনীর অত্যন্ত সতর্কতা এবং লেগে থাকার ফল। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার আগ পর্যন্ত জাওয়াহিরি পাকিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকায় বা আফগানিস্তানে আছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) দাবি, যাঁর মৃত্যু হয়েছে, তিনি জাওয়াহিরি কি না, তা অনেকভাবে খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জাওয়াহিরি হত্যার অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য প্রদান করেছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সরকার জাওয়াহিরি সমর্থিত একটি নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অবগত ছিল এবং গত এক বছরে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর দেশটিতে আল-কায়েদার উপস্থিতির বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছিলেন কর্মকর্তারা। চলতি বছর তাঁরা শনাক্ত করেন, জাওয়াহিরির পরিবার কাবুলের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে আছেন। পরে জাওয়াহিরিকেও একই স্থানে শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরও নিশ্চিত হন যে কাবুলের ওই গোপন আস্তানায় নিজের পরিবারের সঙ্গে আছেন জাওয়াহিরি। গত এপ্রিলের শুরুতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ব্রিফিং শুরু করেন তাঁরা। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান পরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিষয়টি অবহিত করেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযানের জন্য আমরা একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে একটি প্যাটার্ন তৈরি করতে সক্ষম হই।’ কর্মকর্তারা বাড়িটির নির্মাণ-প্রকৃতি যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত করেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের কিংবা জাওয়াহিরির পরিবারের ক্ষতি ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করতে এবং মোক্ষম পদক্ষেপের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত ১ জুলাই সিআইএ পরিচালক উইলিয়াম বার্নস ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা একটি প্রস্তাবিত অভিযান সম্পর্কে বাইডেনকে ব্রিফ করেন। ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন তাঁর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও উপদেষ্টাদের একটি চূড়ান্ত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। জাওয়াহিরিকে হত্যায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে তালেবানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ককে কীভাবে প্রভাবিত করবে তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ডাকেন। আলোচনায় অন্যদের কাছ থেকে মতামত চাওয়ার পর বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি কম থাকবে এমন শর্তে একটি সুনির্দিষ্ট বিমান হামলার অনুমোদন প্রদান করেন বাইডেন। শেষ পর্যন্ত ৩০ জুলাই স্থানীয় সময় ৯টা ৪৮ মিনিটে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তথাকথিত ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এই অভিযান সম্পন্ন করা হয়। জাওয়াহিরি বাড়ির ব্যালকনিতে বসে থাকা অবস্থায় ড্রোন হামলা হয়। এতে জাওয়াহিরি ছাড়া আর কারও প্রাণহানি হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২২
জটিল রোগে আক্রান্ত ‘থর’ তারকা, অভিনয় থেকে বিরতি - image

জটিল রোগে আক্রান্ত ‘থর’ তারকা, অভিনয় থেকে বিরতি

19 নভেম্বর 2022, বিকাল 6:00

‘থর’ দিয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পাওয়া হলিউড তারকা ক্রিস হেমসওয়ার্থ। অ্যাকশন ঘরানার ছবিতে তাঁর দুর্ধর্ষ অভিনয় মাতিয়ে রাখে দর্শকদের। সেই দর্শকদের জন্যই একটি মন খারাপের সংবাদ দিলেন অভিনেতা। তিনি ‘আলঝেইমার’ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই অভিনয় থেকে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক দিন আগে এক টেলিভিশন শো’তে নিজের রোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন ক্রিস। অভিনেতা জানান, থরের চরিত্রে আর খুব বেশি দিন দর্শকেরা দেখতে পাবেন না তাঁকে। কাজ থেকে লম্বা বিরতি নেবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রিস বলেছেন, ‘এটা জানার পর আমি কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেসব কাজের সঙ্গে আগে থেকেই চুক্তিবদ্ধ ছিলাম সেগুলো করে ফেলছি। এরপর আমি বাড়ি চলে যাব এবং কিছুটা ভালো সময় কাটাব। স্ত্রী ও সন্তানদের পাশে থাকব।’ ডিজনি প্লাস সিরিজ ‘লিমিটলেস’-এর শুটিং করতে গিয়ে আলঝেইমারের ঝুঁকির বিষয়টি জানতে পারেন ক্রিস। শুটিংয়ের সময় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হয় এই অভিনেতাকে। এর মধ্যে ছিল জিন সংক্রান্ত পরীক্ষা। সেই সময় ক্রিস তাঁর এই রোগ সম্পর্কে জানতে পারেন। ওই পরীক্ষায় জানা যায়, অভিনেতার মধ্যে আলঝেইমার রোগের জিন আছে। এই রোগে মূলত স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। ক্রিস জানান, তাঁর বাবা ও মা দুজনেরই এই জিন প্রকট। সপ্তাহখানেকের মধ্যে ‘লিমিটলেস’ সিরিজের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে জানান ক্রিস হেমসওয়ার্থের। এরপরই তিনি ফিরে যাবেন বাড়িতে। লিমিটলেস’ ডকুসিরিজটি নির্মিত হয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের উদ্যোগে। এটি নির্মাণ করেছেন ড্যারেন আরনোফস্কি। গত ১৬ নভেম্বর সিরিজটি প্রচার হয়েছে ডিজনি প্লাস হটস্টারে। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে ‘থর’ চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছেন ক্রিস। সর্বশেষ ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’ ছবিতেও দেখা গেছে ক্রিসকে। অভিনয় থেকে তাঁর বিরতি মার্ভেলের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২২
যান্ত্রিক ত্রুটি, সর্বকালের সবথেকে শক্তিশালী রকেটের প্রথম মনুষ্যবিহীন যাত্রা স্থগিত - image

যান্ত্রিক ত্রুটি, সর্বকালের সবথেকে শক্তিশালী রকেটের প্রথম মনুষ্যবিহীন যাত্রা স্থগিত

17 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

পৃথিবীতে তৈরি হওয়া এ যাবৎকালের সবথেকে শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’। সোমবার তার প্রথম মনুষ্যবিহীন যাত্রা শুরুর কথা ছিল। যদিও শেষ মুহূর্তে গিয়ে এর যাত্রা স্থগিত করা হয়। উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট আগে জানানো হয়, রকেটটিতে থাকা একটি ভালভ জমে গিয়েছিল এবং ঠিকমত কাজ করছিল না। তাই কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে উৎক্ষেপণ পিছিয়ে দেবারই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। খবরে জানানো হয়, সোমবার সকালে মেক্সিকো উপসাগরের তীরবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের বোকা চিকা থেকে উৎক্ষেপণ করার কথা ছিল রকেটটির। তার পর এটির ওপরের অংশটি পূর্ব দিকে যাবে এবং পৃথিবীর প্রায় পুরো চারপাশ জুড়ে একবার প্রদক্ষিণ করে সাগরে নেমে আসবে। প্রায় ১২০ মিটার উঁচু এই বিশালকায় রকেটটি তৈরি করেছে মার্কিন উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের স্পেসএক্স কোম্পানি। এই রকেটটি মানুষের তৈরি সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট। এটি উৎক্ষেপণের সময় যে থ্রাস্ট তৈরি হওয়ার কথা তা এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া যে কোনো রকেটের দ্বিগুণ। ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এটি আবার উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হবে।মূলত এই রকেটের ওপরে মানবজাতির অন্যগ্রহে বসতি স্থাপনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলেই প্রথম বারে কোনো ঝুঁকি নেননি মাস্ক। বিশ্বের এযাবৎকালের বৃহত্তম রকেট উৎক্ষেপণ দেখতে বোকা চিকায় কয়েক হাজার লোক জড়ো হয়েছিল। আরো বহু লক্ষ মানুষে বসেছিলেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে টিভির সামনে। কিন্তু এটি ব্যর্থ হলে মানুষের অন্য গ্রহে যাওয়া এবং বসতি স্থাপন বড় ধাক্কা খেতো। তাই স্পেসএক্স এ নিয়ে তাড়াহুড়ো করে কোন অকারণ ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি। উৎক্ষেপণের আগেই ইলন মাস্ক সবার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, মানুষ যেন এই প্রথম উৎক্ষেপণ থেকে খুব বেশি কিছু আশা না করেন। কারণ এসব রকেটের প্রথম যাত্রায় কিছু না কিছু একটা সমস্যা দেখা দেয়া মোটেও অস্বাভাবিক নয়। তাছাড়া এই রকেট ইলন মাস্কের জন্যেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার বিশ্বাস, স্টারশিপের মাধ্যমে রকেট ব্যবসাকে তিনি সম্পূর্ণ পাল্টে দেবেন। এই রকেট তৈরি হয়েছে এমনভাবে যে তা বারবার ব্যবহার করা যাবে। ইলন মাস্কের স্বপ্ন হলো, অন্য গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন করতে যাবার উপযোগী রকেট তৈরি করা। এই রকেট বার বার ব্যবহার করা যাবে এবং একেকবারে ১০০-র বেশি মানুষকে মঙ্গলগ্রহে নিয়ে যেতে পারবে। এর উপযোগী করেই বানানো হয়েছে এই স্টারশিপ রকেটযানকে।

এপ্রিল ১৭, ২০২৩
তামিমের সিদ্ধান্তে অবাক বিসিবি - image

তামিমের সিদ্ধান্তে অবাক বিসিবি

05 জুলাই 2023, বিকাল 6:00

হঠাৎ সংবাদ সম্মেলন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সময় তামিম আবেগতাড়িত হয়েছেন। কেঁদেছেন। তামিম কি অভিমানেই ক্রিকেট ছেড়ে দিলেন—এমন একটা প্রশ্ন আসছে। আর সেই প্রশ্নের তির বিসিবির দিকে। তবে বিসিবি অবাক তামিমের সিদ্ধান্তে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডের আগে তামিম জানিয়েছিলেন, তিনি পুরোপুরি ফিট না থাকলেও খেলবেন। তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। বিষয়টি নিয়ে পাপন একটা জাতীয় দৈনিকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও জানান। তবে তামিম যে এভাবে আকস্মিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেবেন, সেটি ভাবতে পারেনি বিসিবি। বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের মাত্র দুই-তিন মাস আগে অধিনায়কের অবসরের সিদ্ধান্ত বড় ধাক্কাই হয়ে এসেছে বিসিবির কাছে। আজ দুপুরে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে জানাব। তবে এটা অপ্রত্যাশিতই...।’ বিসিবির এক নির্বাচক মনে করিয়ে দিলেন, গত বছরও একইভাবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন তামিম। তাঁর মতে, এটা একেবারেই ইমোশনাল হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তামিম। তামিমের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ায় বিসিবিকে একই সঙ্গে দুটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ে একজন অধিনায়ক খুঁজতে হবে। একই সঙ্গে বড় দুটি টুর্নামেন্টের আগে একজন অভিজ্ঞ ওপেনারকে হারিয়ে ফেলাটাও অনেক বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে বাংলাদেশ দলের জন্য।

জুলাই ০৫, ২০২৩
ভারতকে হারিয়ে শেষটা রাঙাল বাংলাদেশ - image

ভারতকে হারিয়ে শেষটা রাঙাল বাংলাদেশ

15 সেপ্টেম্বর 2023, বিকাল 6:00

এশিয়া কাপে ফাইনাল খেলার স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছাড়লেও আদতে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি বাংলাদেশের। ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে যায় আগেই। যার ফলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য ছিল স্রেফ নিয়মরক্ষার। এমন ম্যাচেই জ্বলে উঠল বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলের চমকে ভারতকে ৬ রানে হারানোর স্বস্তি নিয়ে এশিয়া কাপ শেষ করল সাকিব আল হাসানের দল। আজ শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ২৬৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। জবাবে ৪৯.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রানে থামে ভারত। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় ধাক্কা খেল রোহিত শর্মার দল। এদিন ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। অভিষিক্ত তানজিম হাসান সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দলীয় ১৭ রানের মাথায় দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও তিলক ভার্মাকে হারায় ভারত। রোহিত শূন্য ও তিলক ভার্মা ব্যক্তিগত ৫ রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর অবশ্য কেএল রাহুলকে নিয়ে জুটি গড়ে চাপ সামাল দেন শুভমান গিল। এই দুইজনের ৫৭ রানের জুটি ভাঙেন শেখ মেহেদি। ৩৯ বলে ১৯ রান আসে রাহুলের ব্যাট থেকে। এরপর সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে ফের জুটি গড়েন শুভমান। সেই জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন সাকিব। ৩৪ বলে ২৬ রান আসে সূর্যকুমারের ব্যাট থেকে। এরপর জাদেজাকে নিয়ে ফের জুটি গড়েন গিল। যদিও এই জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ১৭০ রানের মাথায় রবীন্দ্র জাদেজাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ। এরপর অক্ষর প্যাটেলকে সঙ্গী করে ভারতকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করতে থাকেন গিল। মাঝে তুলে নেন শতক। শেষমেশ লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে গিল ছোট ছোট জুটিতে ভর করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও জিততে পারেনি ভারত। ১২১ রানে গিল বিদায় নিলে শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে যেতে ব্যর্থ হয় ফাইনালিস্টরা। এর আগে, কলম্বোর প্রেমেদাসায় ম্যাচটিতে চাওয়া-পাওয়ার কিছু ছিল না বাংলাদেশের। প্রত্যাশার চাপ দূরে ঠেলে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে লাল-সবুজ দল। কিন্তু বরাবরের মতো সেই ওপেনিংয়ে ব্যর্থতা। নাঈম শেখের বদলে একাদশে আসা তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস মিলে ওপেন করেন। এই জুটি টিকেছে মাত্র দুই ওভারে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বোল্ড হন লিটন। মোহাম্মদ শামির বল বুঝে ওঠার আগেই স্টাম্প হন তিনি। ফেরেন শূন্যতে। পরের ওভারে আউট হন তানজিদ হাসান তামিম। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম থেমেছেন ১৩ রানে। শার্দুলের ক্রস সিম ডেলিভারিতে ইনসাইড-এজে বোল্ড হয়েছেন এই ওপেনার। মাত্র ১৫ রানে চাপা পড়া বাংলাদেশের বিপদ আরও বাড়ালেন এনামুল হক বিজয়। ১০ মাস পরে একাদশে ফিরে তিনি টিকলেন মাত্র ১১ বল। শার্দুল ঠাকুরের বলে পুল করতে গিয়ে খাড়া ওপরে ক্যাচ তুলে দেন এনামুল। উইকেটকিপার রাহুল ক্যাচ ধরতে ভুল করেননি। ৪ রানেই বিদায় এনামুলের। তিন টপ অর্ডারকে হারানোর ধাক্কা মিরাজকে নিয়ে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন সাকিব। কিন্তু মিরাজও আশা জাগিয়ে পারলেন না থিতু হতে। ১৩ রানে মিরাজ পড়েন অক্ষর প্যাটেলের ফাঁদে। চার ব্যাটারের বিদায়ের পর উইকেটে আশা জাগান সাকিব ও তাওহিদ হৃদয়। দুজনে থিতু হয়ে যান উইকেটে। ভারতীয় বোলারদের দেখেশুনে খেলে ৬৫ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন সাকিব। তাওহিদও ছুটতে থাকেন দারুণ ছন্দে। ছুটতে থাকা এই জুটিতে বাংলাদেশ আশা দেখে বড় ইনিংসের। কিন্তু ইনিংসের ৩৩.১তম ওভারে সেই আশা ভেস্তে দেন শার্দুল ঠাকুর। তামিমের মতো সাকিবকেও ইনসাইড-এজে বোল্ড করেন তিনি। ওয়ানডেতে গত ৫০ মাস ধরে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা সাকিব এবার থামলেন ৮০ রানে। ৮৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর তিন ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। সাকিবের বিদায়ে ভাঙে ১০১ রানের জুটি। এরপর উইকেটে এসে হতাশ করেন শামীম। উইকেটের এসে জাদেজার ২০০তম শিকার হন তিনি। ফেরেন মাত্র ১ রানে। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে উইকেটে থিতু ছিলেন হৃদয়। কিন্তু, হাফসেঞ্চুরি ছুঁয়ে তিনিও ফিরলেন সাজঘরে। ৮১ বলে ৫৪ রান করা হৃদয় ফেরার পর বাকি পথ টানেন নাসুম আহমেদ ও শেখ মেহেদি।  বোলার নাসুম দায়িত্ব নেন ইনিংস গড়ার। খেলেন ৪৫ বলে ৪৪ রানের ইনিংস। মেহেদিও করেন ২৯ রান। ফলে লেজের শক্তিতে ভর করে মোটামুটি লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে বল হাতে ৬৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর। ৩২ রানে দুটি নেন মোহাম্মদ শামি। জাদেজার শিকার একটি। সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ২৬৫/৮ (তামিম ১৩, লিটন ০, বিজয় ৪, সাকিব ৮০, মিরাজ ১৩, তাওহিদ ৫৪, শামীম ১, নাসুম ৪৪, মেহেদী ২৯, তানজিম ৯; শামি ৮-১-৩২-২, শার্দুল ১০-০-৬৫-৩, প্রসিদ ৯-০-৪৩-১, অক্ষর ৯-০-৪৭-১, তিলক ৪-০-২১-০, জাদেজা ১০-১-৫৩-১)। ভারত : ৪৯.৫ ওভারে ২৫৯ (রোহিত ০, শুভমান ১২১, তিলক ৫, রাহুল ১৯, ইশান ৫, সূর্যকুমার ২৬, জাদেজা ৭, অক্ষর ৪২, শারদুল ১১, শামি ৬, প্রসিদ ০; তানজিম ৭.৫-১-৩২-২, মোস্তাফিজুর ৮-০-৫০-৩, নাসুম ১০-০-৫০-০, সাকিব ১০-২-৪৩-১, মেহেদি ৮-১-৩৬-২, মিরাজ ৫-০-২৯-১) ফলাফল : বাংলাদেশ ৬ রানে জয়ী।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
মুস্তাফিজের মাথায় বলের আঘাত, নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে - image

মুস্তাফিজের মাথায় বলের আঘাত, নেওয়া হচ্ছে হাসপাতালে

17 ফেব্রুয়ারি 2024, বিকাল 6:00

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম পর্বের ম্যাচ চলছে। যদিও আজ কোনো দলের খেলা নেই। তবে ম্যাচহীন দিনে অনুশীলনের সময় মাথায় আঘাত পেয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ম্যাথু ফোর্ডের বল ফিজের মাথায় আঘাত করে। এরপর তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার মিডিয়া ম্যানেজার খান নয়ন। তিনি বলেন, ‘দেখছেন তো মাথায় লেগেছে। এরপর বসে ছিল মাঠে, যদিও রক্ত বের হয়েছে বেশ খানিকটা। তবে সে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছে। তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। তার সঙ্গে দলের দায়িত্বে থাকা সকলেই গেছে।’ আজ (রোববার) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করার সময় ওই ঘটনা ঘটে। মুস্তাফিজের চোট কতটা গুরুতর সেটা নিশ্চিত হওয়া যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে। মূলত মাথার পেছনের সাইডে বল লেগেছে মুস্তাফিজের। বিদেশি সতীর্থ ম্যাথু ফোর্ড যখন ব্যাট করছিলেন, তখন তিনি বোলিং সাইডে ছিলেন। হঠাৎই বল উড়ে গিয়ে ফিজের মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মুস্তাফিজকে স্ট্রেচারে শুইয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। পরে তাকে চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। যা নিঃসন্দেহে তার ফ্র্যাঞ্চাইজি কুমিল্লার জন্য বড় ধাক্কা। এখন পর্যন্ত দলটির জার্সিতে ৯ ম্যাচে ১১ উইকেট শিকার করেছেন মুস্তাফিজ।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪
প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত - image

প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত

22 মার্চ 2024, বিকাল 6:00

ব্রিটিশ রাজবধূ ও যুক্তরাজ্যের প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত। এখন চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। এক ভিডিও বার্তায় রাজবধূ ক্যাথেরিন মিডলটন নিজের শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গত দুই মাসের কঠিন সময়ে এটি ছিল একটি বেশ বড় ধাক্কা। প্রিন্সেস অব ওয়েলস ইতিবাচক বার্তা দিয়ে বলেন, ‘আমি ভালো আছি এবং দিন দিন শক্তি সঞ্চয় করছি।’ তবে ক্যানসারের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন তিনি। কেনসিংটন প্যালেস দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে, তিনি এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করবেন। ভিডিও বিবৃতিতে ক্যাথরিন ব্যাখ্যা করেন, গত জানুয়ারিতে তার পেটে অপারেশন হয়। তবে এটা জানা ছিল না যে সেখানে কোনো ক্যানসার আছে কি নেই! কেট মিডলটন বলেন, ‘অপারেশনের পর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ফলাফল থেকে জানা যায় ক্যানসারের অস্তিত্ব। আমার মেডিকেল টিম এরপর আমাকে ক্যানসার প্রতিরোধী কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেয় এবং সে অনুযায়ী, আমি চিকিৎসার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি।’ কেনসিংটন প্যালেস থেকে চিকিৎসার বিষয়ে আর কোনো তথ্য, যেমন এটি কোন ধরনের ক্যানসার, সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি। শুধু এটুকুই জানানো হয়, কেমোথেরাপি শুরু হয় ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগে। ৪২ বছর বয়সী প্রিন্সেস জানান, তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত লোকজনকে নিয়ে ভাবছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা সবাই এই রোগে ভুগছেন, তা যে ধরনেরই হোক না কেন বা যে মাত্রারই হোক না কেন, আপনারা বিশ্বাস হারাবেন না। নিজেকে একা ভাববেন না।’ কেট মিডলটন আরও বলেন, ‘প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে আমাদের এই তরুণ পরিবারটির জন্য যা যা করা প্রয়োজন, সে প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করছি আমরা।’ প্রিন্সেস অব ওয়েলস আরও জানান, তার পরিবারের এখন কিছুটা সময় একান্তে কাটানো খুবই প্রয়োজন।

মার্চ ২২, ২০২৪
বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার - image

বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

31 মে 2024, বিকাল 6:00

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া কর্মী নেওয়া বন্ধ করেছে। আপাতত সব সোর্স কান্ট্রি থেকেই কর্মী নেওয়া স্থগিত করেছে দেশটি। ফলে গতকাল রাত ১২টার পর থেকে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের জন্য বন্ধ হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গতকাল শেষ মুহূর্তে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য উপচে পড়া ভিড় ছিল ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। কিন্তু ভিসা পেয়ে, কয়েক লাখ টাকা খরচ করেও মালয়েশিয়া যেতে পারেনি প্রায় ৩১ হাজার বাংলাদেশি। শেষ মুহূর্তে বেশ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট আয়োজন করেও এ বিশালসংখ্যক ভিসাপ্রাপ্ত কর্মীকে পাঠানো যায়নি। ঋণ করে টাকা দিয়ে নিঃস্ব এসব কর্মী হাহাকার করেছে বিমানবন্দরে। গত দেড় বছরে প্রায় ৫ লাখ কর্মী যাওয়া মালয়েশিয়ার রাস্তা বন্ধ হওয়ায় বড় ধাক্কা খেল বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালে নানা প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করা হয়। এরপর মালয়েশিয়া থেকে পাওয়া চাহিদাপত্রের বিপরীতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। গত মার্চে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, আপাতত আর শ্রমিক নেওয়া হবে না। আর অনুমোদন ও ভিসা পাওয়াদের ৩১ মে’র মধ্যে মালয়েশিয়ায় ঢুকতে হবে। সর্বশেষ মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা থেকে গতকাল (৩১ মে) রাত ১২টার আগে পর্যন্ত ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদেরই কর্মী হিসেবে গ্রহণ করা হবে। রাত ১২টার পর ছেড়ে যাওয়া আর কোনো ফ্লাইটকে অনুমোদন দেওয়া হবে না। রাত ১২টা পর্যন্ত মালয়েশিয়া যেতে পেরেছে ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১০২ জন। সে হিসেবে মালয়েশিয়া যেতে পারেনি ৩০ হাজার ৮৪৪ জন ভিসা ও অনুমোদন পাওয়া বাংলাদেশি কর্মী। গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, শেষ দিনে মালয়েশিয়া যেতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করেছে হাজারো শ্রমিক। অনেকেই চার-পাঁচ দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছে। এজেন্সিগুলো আশ্বাস দিলেও মিলছে না ফ্লাইটের টিকিট। নাটোর থেকে আসা হাবিবুর রহমান নামে এক মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু বলেন, ‘পাঁচ দিন থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছি। কিন্তু বিমানের কোনো টিকিট পাচ্ছি না। এজেন্সি থেকে বলছে তারা চেষ্টা করছে, টিকিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। টিকিটের মূল্য ৪০ হাজার টাকা হলেও তারা প্রথমে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে। তখন বলেছিল টিকিটের দাম বেড়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার এজেন্সি থেকে বলা হয়, একটা টিকিট পাওয়া গেছে। এজন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তারা। এলাকা থেকে ঋণ করে এনে সেই অতিরিক্ত টাকা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো টিকিট পাইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় এক ইলেকট্রিক কোম্পানিতে চাকরি পেয়েছি। ভিসাও এসেছে ২০ দিন আগে। এর পর থেকে টিকিটের জন্য এজেন্সিকে তাড়া দিয়ে আসছি। এখন পর্যন্ত তারা আমার কাছ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নিয়েছে। জমি, গরু ও বউয়ের গয়না বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেছি। সর্বশেষ টিকিটের জন্য অতিরিক্ত টাকা ঋণ করে আনতে হয়েছে। এখন যদি আমি যেতে না পারি তাহলে পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।’ মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা রুবেল হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘এজেন্সিকে টাকা দিয়ে বিপদে পড়েছি। ভিসা এসেছে প্রায় এক মাস আগে। এর পর থেকে টিকিটের জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু তারা টিকিটের জন্য বারবার ঘোরাচ্ছে। এখন তারা বলছে এক সপ্তাহ পর আবার মালয়শিয়ার বিমান চালু হবে। তখন টিকিট দিতে পারবে।’ মাদারীপুর থেকে আসা আকবর আলী নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘আট-দশ দিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু কোনো টিকিট পাইনি। টিকিটের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে সব টাকা শেষ হয়ে গেছে। টাকার অভাবে গতরাতে বিমানবন্দরেই ঘুমিয়েছি। আমার কাছে আর মাত্র ৪০ হাজার টাকা আছে। এখন টিকিটের জন্য এজেন্সি দেড় লাখ টাকা চাইছে। এত টাকা আমি কোথায় পাব? সময়মতো টিকিট না পাওয়ায় এখন আর মালয়েশিয়া যেতে পারব কি না জানি না।’ রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু হওয়ার পর থেকে বিমানের টিকিট নিয়ে চলছিল হরিলুট। সর্বশেষ মার্চে মালয়েশিয়ায় ৩১ মে’র মধ্যে ঢোকার ঘোষণা আসার পর থেকে ছাড়িয়ে যায় সব সীমা। ২০ হাজার টাকার টিকিটে ১ লাখ টাকার বেশি দামে বিক্রি হয়। শেষে আর পাওয়াও যায়নি। সর্বশেষ এক সপ্তাহ চেষ্টা করেও কোনো বিমানেরই টিকিট পাওয়া যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে শেষ দিনে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এক মাস আগে থেকে এ ব্যবস্থা থাকলে এতসংখ্যক কর্মীকে হতভাগ্য হয়ে ফিরতে হতো না। অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না কর্মী বা এজেন্সিকে। জানা যায়, বাংলাদেশের অন্যতম আগ্রহের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০০৯ সালে প্রথম দফায় বন্ধ হয়েছিল। এরপর ২০১৬ সালের শেষে চালু হয় শ্রমবাজার। পরে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আবার বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। সেই শ্রমবাজার আবার চালু হয় ২০২২ সালে। এখন আবার কর্মী নেওয়া স্থগিত করল দেশটি। শ্রমবাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালয়েশিয়া সরকার নতুন কোটা বরাদ্দ করে বাংলাদেশসহ সব সোর্স কান্ট্রি থেকে আবার কর্মী নেওয়া শুরু করবে ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে।

মে ৩১, ২০২৪
জার্মানিদের কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন - image

জার্মানিদের কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

05 জুলাই 2024, বিকাল 6:00

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের শেষ মুহূর্তে গোল করে আশা জাগিয়েছিল জার্মানি। হতাশার অন্ধকারে ঢেকে যাওয়া জার্মান সমর্থকদের মুখে হাসিও ফুটেছিল তাতে।  কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে সেই হাসি কান্নায় রূপ নিল। শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে বিদায় নিল স্বাগতিকরা। আর রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিফাইনালে উঠে গেল স্পেন। ২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়েছে স্প্যানিশরা। স্টুটগার্ট অ্যারেনায় আজ দানি ওলমোর গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে ভির্টৎসের গোলে সমতায় ফেরে জার্মানি। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে মিকেল মেরিনোর গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।অথচ ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল স্পেন। পঞ্চম মিনিটে জার্মান মিডফিল্ডার টনি ক্রুসের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে পড়ে যান বার্সেলোনার মিডফিল্ডার পেদ্রি। এরপর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার জায়গায় নামেন দানি ওলমো। এরপর খেলার নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই জার্মানির হাতে চলে যায়। ২১তম মিনিটে প্রথম ভালো সুযোগ আসে তাদের সামনে। কিমিচের উঠিয়ে দেওয়া ক্রসে নেওয়া কাইল হাভার্টজের হেডে বল চলে যায় স্পেন গোলরক্ষক সিমোনের হাতে। হাভার্টজ ৩৫তম মিনিটে আরও একবার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এবার তার নিচু শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ফেরান সিমোন। ৩৯তম মিনিটে স্পেনের অলমোর একটি প্রচেষ্টা বানচাল করে দেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। ফলে গোলশূন্য কাটে প্রথমার্ধ। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে আধিপত্য দেখায় স্পেন। এক পর্যায়ে এগিয়েও যায় তারা। ৫১তম মিনিটে বার্সার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের নিচু পাসে বল পেয়ে প্রথম প্রচেষ্টায় নিচু শটে বাম দিক দিয়ে বল জালে পাঠান বদলি নামা স্ট্রাইকার ওলমো। গোল হজমের পর অবশ্য মরিয়া হয়ে উঠে জার্মানি। ৬৯তম মিনিটে রবার্ট আনড্রিখের দারুণ শট ঠেকিয়ে দেন সিমোন।হাভার্টজ পরে দুইবার সুযোগ নষ্ট না করলে আরও আগে সমতায় ফিরতে পারতো জার্মানি। ৮৩তম মিনিটে সিমোনকে একা পেয়েও বল তার ওপর দিয়ে জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন হাভার্টজ। বল বারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। মিনিট তিনেক পরে ক্রুসের ক্রসে বল পেয়ে নিচু হেড নিয়েছিলেন হাভার্টজ। এবারও তিনি পরাস্ত হন সিমোনের কাছে। অবশেষে ৮৯তম মিনিটে সমতায় ফেরে জার্মানি। সতীর্থের ক্রসে ব্যাক পোস্ট থেকে বল পেয়ে হেডে মিডফিল্ডার ফ্লোরিয়ান ভির্টৎসের দিকে বাড়ান কিমিচ। আর সঙ্গে সঙ্গে নিচু শট বাঁদিকের পোস্টে বল পাঠান ভির্টৎস। সমতা ফেরার পর যোগ করা সময়ে তেমন আক্রমণ শানাতে দেখা যায়নি দুই দলকে। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। যেখানে প্রথম ভাগে দুই দল একবার করে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। তবে দ্বিতীয় ভাগের শুরুতেই পেনাল্টির আবেদন করেছিল জার্মানি। মুসিয়ালার বুলেট গতির নিচু শট গোলমুখের দিকে যাওয়ার সময় স্প্যানিশ সেন্টার-ব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার হাতে লাগে। কিন্তু ভিএআর দেখে পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। অতিরিক্ত সময়ের খেলাও সমতায় শেষ হওয়ার পথে ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আচমকা গোল করে জার্মানদের স্বপ্ন ভাঙেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। এই গোলে অবদান রাখেন ওলমো। বাঁদিক থেকে বল নিয়ে ডান পায়ে বক্সের ভেতরে ক্রস দেন তিনি। সেখানে থাকা মেরিনো  দারুণ দক্ষতায় হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। অবশ্য ১২৫তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে দানি কারভাহাল মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্পেন। কিন্তু পরের দুই মিনিট নির্বিঘ্নে পাড়ি দিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে ফেলে তারা। এটি এই আসরে তাদের টানা পঞ্চম জয়। ইউরোর এক আসরে টানা পাঁচ জয়ের রেকর্ড আছে শুধু ফ্রান্স (১৯৮৪) এবং ইতালির (২০২০) দখলে। দুই দলই পরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

জুলাই ০৫, ২০২৪
অপ্রতিরোধ্য কলম্বিয়াকে ফাইনালে পেলো আর্জেন্টিনা - image

অপ্রতিরোধ্য কলম্বিয়াকে ফাইনালে পেলো আর্জেন্টিনা

10 জুলাই 2024, বিকাল 6:00

টানা ২৮ ম্যাচ অপরাজিত। গেল বছর আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারিয়ে দেয়া উরুগুয়েও ছাড় দিল না হামেস রদ্রিগেজের কলম্বিয়া। মার্সেলো বিয়েলসার দলটিকে বলা হচ্ছিল, এবারের কোপা আমেরিকার অন্যতম সেরা এক দল। ট্যাকটিক্সের কারণেই কিনা উরুগুয়ের পক্ষে বাজি ধরেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নেস্তোর লরেঞ্জোর দলটা যেন রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য।  লাতিনের খেলায় শিল্পের ছাপ হারিয়েছে বহু আগেই। সেই জায়গায় এখন এসেছে শরীরী ফুটবল। উরুগুয়ে এবং কলম্বিয়ার ম্যাচেও দেখা গেল তা। ৬ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড আর ২৪ ফাউলের ম্যাচের ফল নির্ধারণ করলেন জেফারসন লারমা। পুরো আসরে দারুণ ছন্দে থাকা এই মিডফিল্ডারের একমাত্র গোলে ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়া। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে এবারের কোপা আমেরিকার ফাইনালে খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়া। এর আগে একবারই দুই দলের দেখা হয়েছিল কোপা আমেরিকার ফাইনালে। ১৯৯১ সালের সেই ফাইনালে ২-১ গোলে জয় নিয়ে ফেরে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার উন্মাদনা ছাপিয়ে এবারের আসরে সবচেয়ে আলোচিত দুই দল ছিল কলম্বিয়া এবং উরুগুয়ে। দুই দলেরই সাম্প্রতিক রেকর্ড ছিল দুর্দান্ত। ১৯৬০ সালের পর থেকে একই বছরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারানো একমাত্র দল ছিল উরুগুয়ে। এবারের আসরেই তারা বিদায় করেছে ব্রাজিলকে। অন্যদিকে কলম্বিয়া গেল কয়েক বছর ধরেই আছে দারুণ ছন্দে। টানা ২৭ ম্যাচ হারের মুখ দেখেনি তারা। নর্থ ক্যারোলিনায় তাই দারুণ এক ফুটবলের অপেক্ষায় ছিলেন ফুটবলের ভক্তরা। কিন্তু দুই দলের কারো খেলাতেই দেখা গেল না সুস্পষ্ট পরিকল্পনার ছাপ। কলম্বিয়া বরাবরই হামেস রদ্রিগেজ এবং লুইস দিয়াজের গতিশীল ফুটবলের ওপর নির্ভর করেছে। সেমির মঞ্চেও তারাই খেললেন হলুদ জার্সিতে। বিপরীতে উরুগুয়ে খেলতে চেয়েছে বিয়েলসার চিরায়ত জোনাল মার্কিং সিস্টেমে। বল প্রতিপক্ষের পায়ে থাকলেই কড়া প্রেসিং করেছে। কিন্তু সেটা প্রেসিংয়ের তুলনায় ফাউলের জন্ম দিয়েছে বেশি। অবশ্য এরমাঝেও কলম্বিয়াই আধিপত্য দেখিয়েছে বেশি। ১৩ মিনিটে মুনোজ গোলের খুব কাছ থেকে ফিরে আসেন। ১৬ মিনিটে জেফারসন লারমার দুরপাল্লার শটও ভয় ধরিয়েছিল উরুগুয়ের বুকে। এরপরের মিনিটেই ম্যাচের সেরা সুযোগ মিস করেন উরুগুয়ের ডারউইন নুনিয়েজ। ফেডে ভালভার্দের দারুণ এক পাস সফলভাবেই নিয়ন্ত্রণে নেন এই স্ট্রাইকার। ছিটকে ফেলেছিলেন ডিফেন্ডার কার্লোস কুয়েস্তাকেও। এরপরেই অবিশ্বাস্যভাবে শট করেন গোলপোস্টের বাইরে। ম্যাচে লিড নেয়া হয়নি কলম্বিয়ার। ২৮ মিনিটে আরও একবার সুযোগ পেয়েছিলেন নুনিয়েজ। এবারও সেই একইভাবে শেষ ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে চলে গিয়েছিলেন গোলের খুব কাছে। কিন্তু ফলাফল একই। বল রাখতে পারেননি পোস্টে। এমন মিসের শাস্তিটাও কলম্বিয়া দিল মিনিট দশেক পর। কর্নার থেকে হামেস রড্রিগেজ বল রেখেছিলেন দূরের পোস্টে। সেখান থেকেই মাথা ছুঁইয়ে দলকে গোল এনে দেন জেফারসন লারমা। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে উরুগুয়ের ম্যানুয়েল উগার্তেকে মেজাজ হারিয়ে কনুই দিয়ে ধাক্কা দেন মুনোজ। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হজম করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ফাইনাল মিস করছেন এই রাইটব্যাক। বড় ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা খেতে হলো কলম্বিয়াকে। নাটকীয় আর ঘটনাবহুল প্রথমার্ধের পর খুব বেশি কিছু দেখা যায়নি দ্বিতীয়ার্ধে। ৫১ মিনিটে হামেসের কর্নার আরেকদফায় ভয় দেখিয়েছিল উরুগুয়েকে। দশ জনের দলের বিরুদ্ধেও উরুগুয়ে হতাশ করেছে। ৬৬ মিনিটে ডারউইন নুনিয়েজের শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। যদিও সেই প্রচেষ্টা বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ৭১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের প্রচেষ্টাও ফিরে আসে বারপোস্ট থেকে। ম্যাচের এরপরের বড় মুহূর্ত এসেছে ৮৮ মিনিটে। কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার কাস্তানোর শট ফিরে আসে ক্রসবার থেকে। তবে তাতে আক্ষেপ করার কিছু ছিল না কলম্বিয়ার জন্য। ডিফেন্স শক্ত রেখেই অতিরিক্ত ৭ মিনিট পার করে দেয় তারা। তাতেই ২০০১ সালের পর ২৩ বছরের অপেক্ষা শেষে ফাইনালের টিকিট কাটলো কলম্বিয়া।

জুলাই ১০, ২০২৪
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo