logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ব্যাংক

ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রানি - image

ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রানি

15 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে এসেছেন নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা। সোমবার সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত হিসেবে ঢাকা এসে পৌঁছান তিনি। জাতিসংঘ মহাসচিবের  ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স ফর ডেভেলপমেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে রানি ম্যাক্সিমা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর আতিউর রহমান, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিমিয় করবেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

নভেম্বর ১৫, ২০১৫
বড় ব্যবধানে থাইল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল - image

বড় ব্যবধানে থাইল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল

27 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে থাইল্যান্ড নারী দলকে ৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেয়া ১০৫ রানের জবাবে মাত্র ৩২ রানে গুটিয়ে যায় থাইল্যান্ডের ইনিংস। ব্যাংককের ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন থাইল্যান্ড অধিনায়ক সোমনারিন তিপোচ। অন্যদিকে আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৮ রান তোলে বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ১২ রানে আউট হন শারমিন আক্তার। দলীয় ৫৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আয়েশা রহমান। তবে ফারহানা হকের অপরাজিত ২৩ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১০৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এছাড়া শায়লা সারমিন করেন ১৭। জবাবে শুরুতেই বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়েন থাইল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ২০ রানের মাথায় ৫ উইকেট হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩২ রানে থামে থাইল্যান্ডের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে রুমানা, ফাহিমা ও রিতু মনি নেন ২টি করে উইকেট।

নভেম্বর ২৭, ২০১৫
‘বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এখন বড় খেলোয়াড়’ - image

‘বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এখন বড় খেলোয়াড়’

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌসিক বসু। বললেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এখন বড় খেলোয়াড়। রোববার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত লোক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌসিক বসু। পরামর্শ দিলেন, পলিসি ডিজাইন হওয়া উচিত গরীবের প্রয়োজনমাফিক।প্রায় চল্লিশ মিনিটের বক্তব্যে বেশিরভাগ ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রশংসা আর সম্ভাবনার বর্ণনা। ২২ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি কতটা এগুলো মাথাপিছু আয়, রিজার্ভ, দারিদ্র কমানোসহ নানা সুচকে, তিনি তুলে ধরলেন বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতির কথা ।আগামী তিন বছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮শতাংশে উন্নীত হবার আশাবাদও ছিল তার বক্তব্যে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

27 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬ থেকে এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। এ উপলক্ষে আজ (২৮ জানুয়ারি) বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। রুদ্র মাহফুজের রচনায় ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ২৭, ২০১৬
আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

আজ থেকে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

30 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: প্রথমবারের মতো সপ্তাহে ৫ দিন ধারাবাহিক নাটক প্রচার করবে এটিএন বাংলা। নতুন এ ধারাবাহিকের নাম ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। আজ (০১ ফেব্র“য়ারি ২০১৬) প্রচার হবে ধারাবাহিকটির প্রথম পর্ব। ধারাবাহিকটি রবি থেকে বৃহস্পতিবার, রাত ৯টা ২০মিনিটে প্রচার হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। রুদ্র মাহফুজের রচনা এব বি ইউ শুভ’র পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাজিরা মৌ, নেহা, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমাসহ আরও অনেকে। ধারাবাহিকটি প্রচার উপলক্ষে গত ২৮ জানুয়ারি বিএফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে (এটিএন বাংলা স্টুডিও) নাটকটির প্রিমিয়ার শো এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। এছাড়া এটিএন বাংলার উর্দ্ধতন কর্মকতা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটকের পরিচালক, শিল্পী এবং কলাকুশলীরা। প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো এবং গানে পারফর্ম করেন নাটকের অভিনয় শিল্পীরা। তানভীর-নেহা এবং নীরব-নাজিরা মৌ’র পারফরম্যান্স ছাড়াও ছিল র‌্যাম্প মডেল ইমি, হীরা, রুমাসহ অন্যান্যদের ক্যাটওয়াক। নাটকের কাহিনী সংক্ষেপ: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

জানুয়ারি ৩০, ২০১৬
রাজধানীর গ্রীনরোডে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ - image

রাজধানীর গ্রীনরোডে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩

30 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর গ্রীনরোডের একটি বাড়িতে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েছেন একই পরিবারের ৩ জন। শনিবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আহতের মধ্যে রয়েছেন বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান,  তাঁর স্ত্রী ঢাকা কলেজের শিক্ষিকা আফরোজা পারভীন এবং তাদের সন্তান ত্রিমান। কামরুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রীর শরীররে ৫ ভাগ এবং  তাদের সন্তানের ৮ ভাগ পুড়ে গেছে। আহত কামরুজ্জামান জানান, বাসার ড্রইংরুমের কার্নিসের ওপর দিয়ে গ্যাসের লাইন গেছে। এর পাশ দিয়ে আইপিএস এর তার টানানোর সময় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণ হয়।

জানুয়ারি ৩০, ২০১৬
ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো - image

ধারাবাহিক নাটক : লাইফ ইন এ মেট্রো

02 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: জীবনের ছন্দ ও আলোয় রাঙা জোনাককে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে নিরন্তর ছুটে চলে তারুণ্য। নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে কেউ সহজেই সাফল্যের পালক গুঁজে দিতে পারে আপন দিনলিপিতে আবার কেউবা নষ্ট সময়ে হারতে হারতে এক সময় স্রোতের মাঝেই হারিয়ে যায়। অবশ্য পিঠটান করেও দাঁড়ায় অবাক বিস্মিত কোন কোন মানুষ। ব্যস্ত শহর এই ঢাকার জীবনাচারণে দেখা মেলে আনন্দ, দুঃখ ও ভালোবাসার মিশ্র এক মেলবন্ধন। চার’শ বছরের পুরনো এ নগরের পরতে পরতে বয়সের ভারে ন্যুজ্ব স্বপ্ন যেমন রয়েছে তেমনি আছে সৃজন উৎকর্ষতার বিস্ময়। লাইফ ইন এ মেট্রো-আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তার এই ব্যান্ডের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দুই ধর্মের দু’জন হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়।অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। তারা প্রত্যেকেই কোনো না কোনভাবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্ব করবে। পাশাপাশি তাদের বাবা-মা এবং সেই সূত্রে আত্মীয়-পরিজনরাও প্রাসঙ্গিক চরিত্র হয়ে দেখা দিবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’তে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১৬
বিডিএইচপিএ-ওয়ালেটমিক্সের মধ্যে সমযোতা স্মারক চুক্তি। - image

বিডিএইচপিএ-ওয়ালেটমিক্সের মধ্যে সমযোতা স্মারক চুক্তি।

26 মার্চ 2016, বিকাল 6:00

২৬শে মার্চ ২০১৬, ওয়ালেটমিক্স এর অফিসে বিডিএইচপিএ (বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার এসোসিয়েশন) এবং অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সেবাদlতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটমিক্স এর মধ্যে একটি সমযোতা স্মারক চুক্তি হল। এর ফলে বাংলাদেশের যেকোন ব্যাংকের ইস্যুকৃত ভিসা/মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন ও রিনিউয়াল ফি দিতে পারবেন বিডিএইচপিএ এর সকল সদস্যগণ। এছাড়াও বিডিএইচপিএ এর সদস্যরা সাশ্রয়ী মূল্যে ওয়ালেটমিক্স এর পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা গ্রহণ করতে পারবে। চুক্তিটিতে ওয়ালেটমিক্সের পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মোঃ হুমায়ুন কবির এবং বিডিএইচপি এর সভাপতি সালেহ আহমেদ। এ বিষয়ে বিডিএইচপি এর ডিরেক্টর মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন "নিঃসন্দেহে চুক্তিটি বিডিএইচপিএর জন্য একটি মাইলফলক এবং সকল সদস্যরা এতে দারুনভাবে উপকৃত হবে" । অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত হোসেন (সহ-সভাপতি), মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ডিরেক্টর), মাসুমূল হক এবং ওয়ালেটমিক্সের পক্ষে মোঃ আবুল বাশার (ম্যানেজার) , মোঃ ফারুক হোসাইন (এক্সিকিউটিভ)। ওয়েবসাইট: http://www.bdhpa.org

মার্চ ২৬, ২০১৬
৫০তম পর্বে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ - image

৫০তম পর্বে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’

16 এপ্রিল 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (১৭ এপ্রিল) রাত ৯.২০ মিনিটে প্রচার হবে প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’। আজ প্রচার হবে ধারাবাহিকটির ৫০তম পর্ব। রুদ্র মাহফুজের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন বি ইউ শুভ। অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, দিতি, শহীদুজ্জামান সেলিম, অরুণা বিশ্বাস, অপূর্ব, নীরব, নাঈম, তানভীর, ইমি, তমালিকা, হীরা, রুমা প্রমুখ। ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ আধুনিক ঢাকার বেশকিছু তরুণের গল্প। যারা কখনো মেধাবী, কর্মদক্ষ, সৃজনশীল, প্রেমিক আবার কখনোবা উশৃংখল, পরিবারের জন্য দুঃস্বপ্ন, বেকার ও মাদকাসক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া স্মার্ট তরুণ জারিফ, শার্লিন, আরিশা, এ্যানা, শামা, নীল, সৌমিক, প্রীত,রাইসা, লাবণ্য ,তুর্য এবং সারাহ ভিন্ন সমাজিক ও অর্থনৈতিক প্রার্থক্যে বেড়ে উঠলেও সবার মাঝে মিলটা হলো বন্ধুত্বের। এই তরুণদের মধ্যে জারিফ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মেধাবী ও বেশ স্মার্ট। শার্লিন ধনী পরিবারের মেয়ে। কিছুটা উশৃংখলা জীবনযাপনে সে অভ্যস্ত। চাইলে হাতের কাছে অর্থ হাজির হয় বলেই শার্লিন সবকিছু টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করে। আরিশার বাবা ব্যাংকার আর মা চিকিৎসক। উচ্চবিত্ত হলেও আরিশা কখনো জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করে না। তার ভাষায় জীবনটা সিস্পলি দ্য বেষ্ট। এ্যানা গান পাগল, নিজের একটা ব্যান্ড রয়েছে যদিও তাদের গানের শ্রোতা ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। শামার বাবা আকবর আলী পেশায় ব্যবসায়ী আর মা শ্রীজয়া কলেজে বাংলা পড়ান। দু’জন দুই ধর্মের হলেও শামা কখনোই তা বুঝতে পারেনি বাবা-মা’র জীবনাচারণে। শামা ছবি আঁকে। জীবন নিয়ে তার দর্শন হলো-রঙিন নয় সাদাকালোর মাঝেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। নীলকে সবাই সমীহ করে। নষ্ট ছাত্র রাজনীতির শিকার নীল। তার একটি দল রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। জমি দখল থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিতেও নীলের নাম পুলিশের খাতায় লাল কলমে লেখা রয়েছে। সৌমিকের নেশা ফটোগ্রাফি নিয়ে। ঘুরে ফিরে ছবি নিয়েই তার বিস্তর আলাপ। প্রীত সবার থেকে একটু আলাদা। খবরের কাগজে কাজ করার পাশাপাশি গল্প-কবিতাও লেখে। প্রীতকে নিয়ে আড়ালে সবাই হাসলেও সামনাসামনি বাহবাই দেয়। অন্যদিকে আরিশা, রাইসা, সারাহ এবং লাবণ্য একসাথে একটি ফ্ল্যাটে থাকে। তাদের বাবা মা মফস্বলের বাসিন্দা। এই তরুণদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিরহ, দ্বন্দ্ব, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও সর্বোপরি বন্ধুত্বটা স্পটভাবে উঠে আসবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকে। নানান প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবনের জয়গানই মুগ্ধ ক্যানভাসে চিত্রিত হয়ে টেলিভিশন পর্দায় আবির্ভূত হবে ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে...।

এপ্রিল ১৬, ২০১৬
রিজার্ভ লোপাট: রিজাল ব্যাংকের সিইও লরেঞ্জোর পদত্যাগ - image

রিজার্ভ লোপাট: রিজাল ব্যাংকের সিইও লরেঞ্জোর পদত্যাগ

05 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লোপাটের ঘটনায় পদত্যাগ করলেন ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন আরসিবিসি’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তান। ফিলিপাইনের দৈনিক ইনকোয়ারার জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় আরসিবিসি ব্যাংক এক বিবৃতির মাধ্যমে লরেঞ্জো তানের পদত্যাগের কথা জানায় । এতে বলা হয়, লরেঞ্জো তান বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ‘নৈতিক দায়’ নিয়ে পদত্যাগ করেছেন এবং তা কার্যকর হয়েছে। এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় তান ব্যাংকের কোনো আইন ভঙ্গ করেননি বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদকে স্বাধীনতা দিতেই পদত্যাগ করেছেন লরেঞ্জো। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রিজার্ভ লোপাটের ঘটনায় কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’ আলাদা এক বিবৃতিতে লরেঞ্জো তান বলেছেন, তিনি কোনো অনিয়ম করেন নি। তবে ব্যাংকের ইতিহাসের এমন একটি দুঃখজনক ঘটনার জন্য, নৈতিক দায় নিয়ে আরসিবিসি ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও সিইও-র পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। গত মার্চ মাস থেকেই ছুটিতে ছিলেন লরেঞ্জো তান। আরসিবিসি জানিয়েছে, তানের পদে কাউকে স্থলাভিষিক্ত করার আগ পর্যন্ত, ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলেন ডি ব্যাংকের পরিচালনা কার্যক্রমের দেখভাল করবেন। এর আগে একই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনার জের ধরে পদত্যাগ করেছিলেন ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষ রাউল তান।

মে ০৫, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo