logo
youtube logotwitter logofacebook logo

বিয়ে

শততম পর্ব পেরিয়ে ধারাবাহিক ‘জীবনের অলিগলি’ - image

শততম পর্ব পেরিয়ে ধারাবাহিক ‘জীবনের অলিগলি’

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

ধারাবাহিক নাটক- জীবনের অলিগলি রচনা- ফজলুল হক আকাশ পরিচালনা- ফজলুর রহমান প্রচার- মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিট এটিএন বাংলায় মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’। ইতোমধ্যে ধারাবাহিকটি শততম পর্ব অতিক্রম করেছে। ফজলুল হক আকাশের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন ফজলুর রহমান। অভিনয়ে ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, আনিসুর রহমান মিলন, সুমাইয়া শিমু, নওশিন, হুমাইরা হিমু, শিরিন বকুল, ড.এজাজ ও সাইদ বাবু প্রমুখ। মানুষ জীবন নয় যাপন করে সম্পর্ক। প্রতিটি সম্পর্কের অলিগলি মোড়ে মোড়ে রয়েছে প্রেমের আনন্দ, বিরহের কান্না। পারিবারিক সম্পর্কের পটভূমিতেই দাঁড়িয়ে আছে ‘জীবনের অলিগলি’। এডভোকেট আরিফের মেঝো ভাই পরাগ, প্রভাষক হাসানের মেঝো বোন কাকনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। বড় ভাই আরিফের ইশারাতে পরাগ, কাকনের সাথে প্রেম-প্রেম নাটক খেলছে। এসব বুঝতে পেরে প্রভাষক হাসান তার ছোট বোন কাকনের অনত্র বিয়ে ঠিক করে। কাকনের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর পরাগ কাকনকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে, বিয়ের আসর থেকে পালানোর বুদ্ধি দেয়। কাকন ভালোবাসার মোহে বিয়ের আসর থেকে পালায়, পরাগকে বিয়ে করবে স্বপ্ন নিয়ে। প্রভাষক হাসানের পরিবারের সামাজিকভাবে সম্মানহানী করার জন্য এডভোকেট আরিফ ছোট ভাই পরাগকে নীল নকশা একে দেয়- বিয়ের দিন কাকনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘরের বাহির করা এবং দিন পার করে দিয়ে কাকনকে বিয়ে না করে বাসায় ফিরিয়ে দেয়া। এভাবেই শুরু হয় ধারাবাহিক নাটক জীবনের অলিগলি। জীবনের অলিগলি ধারাবাহিকে মূলত শহরের তিন পরিবারের পারিবারিক বন্ধন, প্রেম, বিরহ, বিচ্ছেদ ও অন্তদ্বন্দ্ব ফুটে উঠে।

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক- দহন - image

ধারাবাহিক নাটক- দহন

09 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

রচনা ও পরিচালনা- অরণ্য আনোয়ার প্রচার- রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টা এটিএন বাংলায় রবি থেকে মঙ্গলবার, রাত ৮টায় প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’। ইতোমধ্যে ধারাবাহিকটি ৫০তম পর্ব অতিক্রম করেছে। অরণ্য আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। জেলা শহর থেকে প্রায় বারো তেরো কিলোমিটার দুরে অজো পাড়া গাঁয়ে তাজরিনদের বাড়ী। প্রতিদিন টেম্পোতে করে জেলা শহরের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়ত করে সে। গ্রামের বাজারে বাবার মুদি দোকান। সেই দোকানের আয়ে কোনভাবে কেটে যাচ্ছিল তাদের সংসার। সংসারে মানুষ তারা তিনজন। বাবা মা আর সে। তাজরিনের মনে সব সময় ভাবনা একটাই, লেখাপড়া শেষ করে অভাবী বাবা মার সংসারের হাল ধরবে, নিজেরও হবে একটা সুখের সংসার। কিন্তু ভাবনা মতো মানুষের জীবন চলেনা। তাজরিনের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে বিপর্জয়। হঠাৎ একদিন আবিষ্কৃত হয় নেশায় আক্রান্ত হয়ে দোকান বিক্রি করে দিয়েছে তার বাবা। দুরারোগ্য ব্যধিতে পড়ে মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মায়ের এমন অবস্থায়ও বাবার নেশা কমেনা। নেশার সেই টাকা যোগান দিচ্ছেন সুজাউদ্দৌলা নামের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ষাটোর্ধ সুজাউদ্দৌলার টাকাতেই এখন তাদের সংসার চলছে। একদিন এই সুজাউদ্দৌলা তাদের বাড়ীতে আসে। আর সেদিনই তাজরিন জানতে পারে বাবা ষাটোর্ধ এই লোকটির সাথেই তার বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। অথৈ জলে পড়ে যায় তাজরিন। কি করবে এখন সে!

অক্টোবর ০৯, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’ - image

ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’

01 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (০২ নভেম্বর) রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’। অরণ্য আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। জেলা শহর থেকে প্রায় বারো তেরো কিলোমিটার দুরে অজো পাড়া গাঁয়ে তাজরিনদের বাড়ী। প্রতিদিন টেম্পোতে করে জেলা শহরের ইউনিভার্সিটিতে যাতায়ত করে সে। গ্রামের বাজারে বাবার মুদি দোকান। সেই দোকানের আয়ে কোনভাবে কেটে যাচ্ছিল তাদের সংসার। সংসারে মানুষ তারা তিনজন। বাবা মা আর সে। তাজরিনের মনে সব সময় ভাবনা একটাই, লেখাপড়া শেষ করে অভাবী বাবা মার সংসারের হাল ধরবে, নিজেরও হবে একটা সুখের সংসার। কিন্তু ভাবনা মতো মানুষের জীবন চলেনা। তাজরিনের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে বিপর্জয়। হঠাৎ একদিন আবিষ্কৃত হয় নেশায় আক্রান্ত হয়ে দোকান বিক্রি করে দিয়েছে তার বাবা। দুরারোগ্য ব্যধিতে পড়ে মা শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মায়ের এমন অবস্থায়ও বাবার নেশা কমেনা। নেশার সেই টাকা যোগান দিচ্ছেন সুজাউদ্দৌলা নামের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ষাটোর্ধ সুজাউদ্দৌলার টাকাতেই এখন তাদের সংসার চলছে। একদিন এই সুজাউদ্দৌলা তাদের বাড়ীতে আসে। আর সেদিনই তাজরিন জানতে পারে বাবা ষাটোর্ধ এই লোকটির সাথেই তার বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। অথৈ জলে পড়ে যায় তাজরিন। কি করবে এখন সে!

নভেম্বর ০১, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’ - image

ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’

04 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (০৫ নভেম্বর) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’। ফজলুল হক আকাশের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন ফজলুর রহমান। অভিনয়ে ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, আনিসুর রহমান মিলন, সুমাইয়া শিমু, নওশিন, হুমাইরা হিমু, শিরিন বকুল, ড.এজাজ ও সাইদ বাবু প্রমুখ। মানুষ জীবন নয় যাপন করে সম্পর্ক। প্রতিটি সম্পর্কের অলিগলি মোড়ে মোড়ে রয়েছে প্রেমের আনন্দ, বিরহের কান্না। পারিবারিক সম্পর্কের পটভূমিতেই দাঁড়িয়ে আছে ‘জীবনের অলিগলি’। এডভোকেট আরিফের মেঝো ভাই পরাগ, প্রভাষক হাসানের মেঝো বোন কাকনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। বড় ভাই আরিফের ইশারাতে পরাগ, কাকনের সাথে প্রেম-প্রেম নাটক খেলছে। এসব বুঝতে পেরে প্রভাষক হাসান তার ছোট বোন কাকনের অনত্র বিয়ে ঠিক করে। কাকনের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর পরাগ কাকনকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে, বিয়ের আসর থেকে পালানোর বুদ্ধি দেয়। কাকন ভালোবাসার মোহে বিয়ের আসর থেকে পালায়, পরাগকে বিয়ে করবে স্বপ্ন নিয়ে। প্রভাষক হাসানের পরিবারের সামাজিকভাবে সম্মানহানী করার জন্য এডভোকেট আরিফ ছোট ভাই পরাগকে নীল নকশা একে দেয়- বিয়ের দিন কাকনকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঘরের বাহির করা এবং দিন পার করে দিয়ে কাকনকে বিয়ে না করে বাসায় ফিরিয়ে দেয়া। এভাবেই শুরু হয় ধারাবাহিক নাটক জীবনের অলিগলি। জীবনের অলিগলি ধারাবাহিকে মূলত শহরের তিন পরিবারের পারিবারিক বন্ধন, প্রেম, বিরহ, বিচ্ছেদ ও অন্তদ্বন্দ্ব ফুটে উঠে।

নভেম্বর ০৪, ২০১৫
লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘মোহ’ - image

লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘মোহ’

05 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (৬ নভেম্বর) রাত ১১টায় প্রচার হবে লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘মোহ’। লুৎফা হোসেন এর রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সাঈদ বাবু, প্রিয়াংকা, ডলি জহুর প্রমুখ। নাটকের গল্পে দেখা যাবেÑ কবির মায়ের পছন্দের মেয়ে এ্যানিকে বিয়ে করে। কিন্তু এ্যনি মনে করে কবিরকে বিয়ে করে সে ভুল করেছে। বাবার চাকুরীর গোনা টাকায় বড় হয়েছে। ভাই বোন নিয়ে অভাবে থেকে এ্যানি বাড়ী গাড়ীর স্বপ্ন দেখে। বাড়ী গাড়ী  যার নেই তার জীবন অর্থহীন। জীবনতো একটাই, সংসার করতে হচ্ছে সেই গোনা টাকার মধ্যে। কেন অভাবের মধ্যে থেকে নিজেকে তিলে তিলে নিঃশেষ করবে। তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। একদিন হঠাৎ করেই মার্কেটে দেখা হয় কবিরের বড় ভাইয়ের মত বিশিস্ট শিল্পপতি আকাশের সাথে। এ্যানি আবেগে অচেতন হয়ে পরকিয়ায় জড়িয়ে যায় আকাশের সাথে। এক পর্যায়ে কবিরকে ডিভোর্স দিয়ে আকাশকে বিয়ে করে চলে যায় দেশের বাইরে। বেশ কিছুদিন কেটে যায় সুখে স্বাচ্ছন্দে। আকাশ এ্যানির সাথে প্রতারণা করেছেন জেনে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেও ডিভোর্স দিয়ে দেশে চলে আসে। মাঝরাতে হোটেল থেকে কবিরকে ফোন করে। কবিরকে নতুন করে ঘর বাঁধার কথা বলে। দেখা করতে চায়। কবির ফোনেই বলে, আমি আর মা বাকী জীবটা কাটাতে চায়। নতুন করে ঘর বাঁধার, স্বপ্ন দেখার কোন সাধ নেই, সব সাধ মিটে গেছে। দেশে আসার পর এ্যানির মা-বাবা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন কেউই তার সাথে সম্পর্ক রাখতে চায় না। কাছের মানুষদের অনেক কাছে থেকে কষ্ট পেতে চায় না এ্যানি। তাইতো দেশের মায়া ছেড়ে আবারো চলে যায় দেশের বাইরে।

নভেম্বর ০৫, ২০১৫
এটিএন বাংলায় ‘নির্বিকার মানুষ’ - image

এটিএন বাংলায় ‘নির্বিকার মানুষ’

10 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (১১ নভেম্বর) রাত ১১টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘নির্বিকার মানুষ’। টুকু মজনিউলের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ মহিউদ্দীন। অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, নাফিজা জাহান, আদনান ফারুক হিল্লোল, নওশীন, নাজনীন হাসান চুমকি, হুমায়রা হিমু, সামস্ সুমন, তনিমা আহমেদ, আরফান আহমেদ, লুৎফর রহমান জর্জ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, শর্মিলী আহমেদ, কে এস ফিরোজ, ড. ইনামুল হক, আহসানুল হক মিনু প্রমুখ। হাসান এস এস সি ও ইন্টারমিডিয়েটে স্ট্যান্ড করা ছাত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ল’ ডিপার্টমেন্ট থেকে অনার্স শেষ করার পর কোন এক অজ্ঞাত কারণে মাস্টার্সে ভর্তি হয় না। ঠিক করে আর পড়াশোনা করবে না। ঘুম আর রাস্তায় রাস্তায় ঘোরাফেরা করে সময় পার করতে থাকে। এক বিস্ময়কর জীবন বেছে নিয়েছে সে। তার সঙ্গে যাদের পরিচয় হয় তারা প্রায় সবাই হাসনের দ্বারা কেমন যেন প্রভাবিত হয়ে যায়। হাসানকে ভালবাসে আলপনা নামের এক মেয়ে। যে হাসানের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো। কিন্তু হাসান তাকে ভালবাসে কিনা তা বুঝতে পারে না। হাসানের অন্য এক ক্লাসমেট সুমিকে পাগলের মত পছন্দ করে সোহেল। কিন্তু সুমি ভাবে হাসান হয়তো তাকে একসময় ভালবাসতো। তার কারণেই হাসান আজ লেখাপড়া বন্ধ করে বাউন্ডেলে হয়ে গেছে। ওদিকে আলপনার মা চায় তার মৃত বোনের সুন্দরী মেয়ে মায়াকে বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হাসান আবার পড়াশোনা শুরু করুক। হাসান মায়াকে পছন্দ করে কিনা বোঝা যায় না। কিন্তু মায়া হাসানকে পছন্দ করে ফেলে। হাসানের সিনিয়র বন্ধু মিঠু। একমাত্র বোন বিন্তিকে নিয়ে মিঠুর সংসার। হাসান মাঝে মধ্যে মিঠু ভাইয়ের বাসায় যায়। বিন্তি হাসানকে পছন্দ করে কিনা হাসান বুঝতে পারে না। কিন্তু মিঠু হাসানকে খুব পছন্দ করে। আলপনাকে বিয়ে দেওয়ার জন্যে উঠে পড়ে চেষ্টা করে তার বাবা। আলপনা একদিন হাসানকে কথাটা বলে কিন্তু হাসান নির্বিকার। সুমি প্রতি নিয়ত হাসানকে খুজে বেড়াচ্ছে তার ভালবাসার কথা জানাবে বলে। মায়া অপেক্ষা করে কবে হাসান বর সেজে মায়ার সামনে গিয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু হাসান হাসানের মত। সে এসবের কিছুই ভাবে না। এরই মধ্যে মায়াকে পুরাতন ঢাকার এক প্রভাশালী ছেলে নাজিম রাস্তায় দেখে পছন্দ করে ফেলে। নাজিমের বড় ভাই আজিম পুরাতন ঢাকার গডফাদার। আজিম চাই যে ভাবেই হোক মায়ার সাথে নাজিমের বিয়ে দেবে। কিন্তু মায়া রাজি হয় না। আজিম-নাজিমের লোকজনের চোখে পড়ে হাসান। একসময় হাসানকে তুলে নিয়ে যায় তারা। কি করবে হাসান. এভাবেই এগিয়ে যেতে থাকে গল্প...।

নভেম্বর ১০, ২০১৫
লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘অপার আনন্দ’ - image

লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘অপার আনন্দ’

12 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিনোদন ডেক্স: এটিএন বাংলায় আজ (১৩ নভেম্বর) রাত ১১টায় প্রচার হবে লাক্স এ সপ্তাহের নাটক ‘অপার আনন্দ’। ফারিয়া হোসেনের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, জাকিয়া বারী মম, নাজিরা আহমেদ মৌ প্রমুখ। ৩ বছর পর মিলা বড়বোন পলার অসুস্থতার খবর পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরে। সে দেশ ছেড়ে গিয়েছিল যখন তার প্রেমিক মাসুদের সাথে বড়বোন পলার বিয়ে হয়। পলা ৩ বছর সংসার করেছে। এর মধ্যে তার কোন সন্তান হয়নি। আবার মাসুদের মনও সে পায়নি। পলা এখন কঠিন বিষন্নতায় ভুগছে। মিলা বোনকে আবারও ভাল করে তুলতে চায়। জানার চেষ্টা করে পলার বিষন্নতার কারণ কি। মাসুদের মুখোমুখি হয়ে বোঝে, সে যেমন মাসুদকে ভোলেনি, মাসুদও এখনও ওকেই ভালবাসে। মিলা জানতে পারে পলার কোন একটি কষ্ট, একটি কোন বিষয় শুধু নিজের মধ্যে চেপে রেখেছে। একসময় ও পলার মুখোমুখি হয়।

নভেম্বর ১২, ২০১৫
২০০ পর্বে ‘নির্বিকার মানুষ’ - image

২০০ পর্বে ‘নির্বিকার মানুষ’

17 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (১৮ নভেম্বর) রাত ১০.৫৫ মিনিটে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘নির্বিকার মানুষ’। আজ প্রচার হবে ধারাবাহিকটির ২০০তম পর্ব। টুকু মজনিউলের রচনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ মহিউদ্দীন। অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, নাফিজা জাহান, আদনান ফারুক হিল্লোল, নওশীন, নাজনীন হাসান চুমকি, হুমায়রা হিমু, সামস্ সুমন, তনিমা আহমেদ, আরফান আহমেদ, লুৎফর রহমান জর্জ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, শর্মিলী আহমেদ, কে এস ফিরোজ, ড. ইনামুল হক, আহসানুল হক মিনু প্রমুখ। হাসান এস এস সি ও ইন্টারমিডিয়েটে স্ট্যান্ড করা ছাত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ল’ ডিপার্টমেন্ট থেকে অনার্স শেষ করার পর কোন এক অজ্ঞাত কারণে মাস্টার্সে ভর্তি হয় না। ঠিক করে আর পড়াশোনা করবে না। ঘুম আর রাস্তায় রাস্তায় ঘোরাফেরা করে সময় পার করতে থাকে। এক বিস্ময়কর জীবন বেছে নিয়েছে সে। তার সঙ্গে যাদের পরিচয় হয় তারা প্রায় সবাই হাসনের দ্বারা কেমন যেন প্রভাবিত হয়ে যায়। হাসানকে ভালবাসে আলপনা নামের এক মেয়ে। যে হাসানের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো। কিন্তু হাসান তাকে ভালবাসে কিনা তা বুঝতে পারে না। হাসানের অন্য এক ক্লাসমেট সুমিকে পাগলের মত পছন্দ করে সোহেল। কিন্তু সুমি ভাবে হাসান হয়তো তাকে একসময় ভালবাসতো। তার কারণেই হাসান আজ লেখাপড়া বন্ধ করে বাউন্ডেলে হয়ে গেছে। ওদিকে আলপনার মা চায় তার মৃত বোনের সুন্দরী মেয়ে মায়াকে বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হাসান আবার পড়াশোনা শুরু করুক। হাসান মায়াকে পছন্দ করে কিনা বোঝা যায় না। কিন্তু মায়া হাসানকে পছন্দ করে ফেলে। হাসানের সিনিয়র বন্ধু মিঠু। একমাত্র বোন বিন্তিকে নিয়ে মিঠুর সংসার। হাসান মাঝে মধ্যে মিঠু ভাইয়ের বাসায় যায়। বিন্তি হাসানকে পছন্দ করে কিনা হাসান বুঝতে পারে না। কিন্তু মিঠু হাসানকে খুব পছন্দ করে। আলপনাকে বিয়ে দেওয়ার জন্যে উঠে পড়ে চেষ্টা করে তার বাবা। আলপনা একদিন হাসানকে কথাটা বলে কিন্তু হাসান নির্বিকার। সুমি প্রতি নিয়ত হাসানকে খুজে বেড়াচ্ছে তার ভালবাসার কথা জানাবে বলে। মায়া অপেক্ষা করে কবে হাসান বর সেজে মায়ার সামনে গিয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু হাসান হাসানের মত। সে এসবের কিছুই ভাবে না। এরই মধ্যে মায়াকে পুরাতন ঢাকার এক প্রভাশালী ছেলে নাজিম রাস্তায় দেখে পছন্দ করে ফেলে। নাজিমের বড় ভাই আজিম পুরাতন ঢাকার গডফাদার। আজিম চাই যে ভাবেই হোক মায়ার সাথে নাজিমের বিয়ে দেবে। কিন্তু মায়া রাজি হয় না। আজিম-নাজিমের লোকজনের চোখে পড়ে হাসান। একসময় হাসানকে তুলে নিয়ে যায় তারা। কি করবে হাসান. এভাবেই এগিয়ে যেতে থাকে গল্প...।

নভেম্বর ১৭, ২০১৫
ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’ - image

ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’

02 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (০৩ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’। মাতিয়া বানু শুকু’র রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন যুবরাজ খান ও মাতিয়া বানু শুকু। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, শিমুল, সানজিদা প্রীতি, আফরান নিশো, তানিয়া হোসাইন, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, শম্পা রেজা, শাহেদ আলী, সুষমা সরকার, ডমিনিক, দ্বিপান্বীতা, দিহান, ফারজানা ছবি প্রমুখ। মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে প্রজ্ঞা, একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সায়েন্স টিচার। ঢাকায় দাদীর পুরোনো বাড়ীতে সে তার দাদীর সাথে থাকে। প্রজ্ঞার মা বাবা কেউ নেই। সে ভালোবাসে পলাশকে, তারা বিয়ে করবে সব কথাবার্তা পাকা। বিয়ে নিয়ে প্রজ্ঞার পাগলামি তার কলিগ বন্ধুদের অস্থির করে তোলে। শেষ মুহুর্তে পলাশ জানায় সে প্রজ্ঞাকে বিয়ে করতে পারবে না। প্রজ্ঞা ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। আন্ডার-কন্সট্রাকশন বাড়ীর ছাদের শেষ প্রান্তে সে দাড়িয়ে আছে আকাশের দিকে মুখ তুলে শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে এমন সময় সেখানে এক পাগল আসে। পাগলটা প্রজ্ঞাকে একটা পেন্সিল দেয়। প্রজ্ঞার আতœহত্যা করা হয় না। ঘরে ফিরে সে মনের সব অভিমান তার ডায়েরী ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’তে লিখে রাখে, অন্যদের অভিসম্পাৎ করে। প্রজ্ঞা আবার স্কুলে যায় ক্লাস নেয় কিন্তু সে আর আগের মত উচ্ছল নেই। প্রজ্ঞা জানতে পারে তার কলিগ রোজানার বোনকেই পলাশ বিয়ে করেছে। প্রজ্ঞা আবার ডায়েরী লেখে সেই পেন্সিল দিয়ে। দুদিন পরে যে খবর শুনে সে ধাক্কা খায় তা হল সে ডায়েরিতে যাকে নিয়ে যা লিখেছিলো তাদের জীবনে তাই ঘটেছে। এবারে প্রজ্ঞা তার কলিগদের নিয়ে পরিক্ষামুলক ভাবে ডায়েরীতে লিখতে থাকে। এবং অবাক ভাবে তাই ঘটে যেতে থাকে তাদের জীবনে। ডায়েরী লিখতে লিখতে প্রজ্ঞার পেন্সিল ছোট হয়ে আসে। দাদী বলে অন্যদের নিয়ে যা তা সব করলি নিজের জন্য এক পাতাও তো লিখলি না। প্রজ্ঞা নিজের জন্য লিখতে বসে। পেন্সিলের শেষ আংশ দিয়ে সে বড় জোর পাঁচ ছয় লাইন লিখতে পারবে। তার তো চাইবার আছে আনেক কিছু। প্রজ্ঞা বুঝে পায় না এবারে সে কি লিখবে ? কিছু না পেয়ে প্রজ্ঞা আবারো সেই একই জায়গায় যায়, পাগলটার খোঁজে। পাগলটার দেখা পাওয়া যায়....।

ডিসেম্বর ০২, ২০১৫
এটিএন বাংলায় ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’ - image

এটিএন বাংলায় ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’

08 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’।  মাতিয়া বানু শুকু’র রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন যুবরাজ খান ও মাতিয়া বানু শুকু। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, শিমুল, সানজিদা প্রীতি, আফরান নিশো, তানিয়া হোসাইন, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, শম্পা রেজা, শাহেদ আলী, সুষমা সরকার, ডমিনিক, দ্বিপান্বীতা, দিহান, ফারজানা ছবি প্রমুখ। মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে প্রজ্ঞা, একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সায়েন্স টিচার। ঢাকায় দাদীর পুরোনো বাড়ীতে সে তার দাদীর সাথে থাকে। প্রজ্ঞার মা বাবা কেউ নেই। সে ভালোবাসে পলাশকে, তারা বিয়ে করবে সব কথাবার্তা পাকা। বিয়ে নিয়ে প্রজ্ঞার পাগলামি তার কলিগ বন্ধুদের অস্থির করে তোলে। শেষ মুহুর্তে পলাশ জানায় সে প্রজ্ঞাকে বিয়ে করতে পারবে না। প্রজ্ঞা ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। আন্ডার-কন্সট্রাকশন বাড়ীর ছাদের শেষ প্রান্তে সে দাড়িয়ে আছে আকাশের দিকে মুখ তুলে শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে এমন সময় সেখানে এক পাগল আসে। পাগলটা প্রজ্ঞাকে একটা পেন্সিল দেয়। প্রজ্ঞার আতœহত্যা করা হয় না। ঘরে ফিরে সে মনের সব অভিমান তার ডায়েরী ‘প্রজ্ঞা পারমিতা’তে লিখে রাখে, অন্যদের অভিসম্পাৎ করে। প্রজ্ঞা আবার স্কুলে যায় ক্লাস নেয় কিন্তু সে আর আগের মত উচ্ছল নেই। প্রজ্ঞা জানতে পারে তার কলিগ রোজানার বোনকেই পলাশ বিয়ে করেছে। প্রজ্ঞা আবার ডায়েরী লেখে সেই পেন্সিল দিয়ে। দুদিন পরে যে খবর শুনে সে ধাক্কা খায় তা হল সে ডায়েরিতে যাকে নিয়ে যা লিখেছিলো তাদের জীবনে তাই ঘটেছে। এবারে প্রজ্ঞা তার কলিগদের নিয়ে পরিক্ষামুলক ভাবে ডায়েরীতে লিখতে থাকে। এবং অবাক ভাবে তাই ঘটে যেতে থাকে তাদের জীবনে। ডায়েরী লিখতে লিখতে প্রজ্ঞার পেন্সিল ছোট হয়ে আসে। দাদী বলে অন্যদের নিয়ে যা তা সব করলি নিজের জন্য এক পাতাও তো লিখলি না। প্রজ্ঞা নিজের জন্য লিখতে বসে। পেন্সিলের শেষ আংশ দিয়ে সে বড় জোর পাঁচ ছয় লাইন লিখতে পারবে। তার তো চাইবার আছে আনেক কিছু। প্রজ্ঞা বুঝে পায় না এবারে সে কি লিখবে ? কিছু না পেয়ে প্রজ্ঞা আবারো সেই একই জায়গায় যায়, পাগলটার খোঁজে। পাগলটার দেখা পাওয়া যায়....।

ডিসেম্বর ০৮, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo