logo
youtube logotwitter logofacebook logo

বিপদ

মুস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে বাংলাওয়াশ - image

মুস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে বাংলাওয়াশ

11 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

তামিম, ইমরুল আর মাহমুদুল্লার অর্ধ-শতকের পর মুস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৬১  রানে জয়ী হয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করল বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৬ রান করে। দলের পক্ষে তামিম ও ইমরুল ৭৩ করে এবং মাহমুদুল্লাহ করেন ৫২ রান। জবাবে মুস্তাফিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয়বারের মত ৫ উইকেটের উপর ভর করে জিম্বাবুয়েকে ২১৫ রানে অল-আউট করে দেয় টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের পক্ষে উইলিয়ামস করেন ৬৪ রান। এছাড়িা চিগুম্বুরা করেন ৪৫ রান। বাংলাদেশের পক্ষে মুস্তাফিজ ৩৪ রানে ৫ উইকেট লাভ করেন। এছাড়া মাশরাফি, নাসির, সাব্বির, আরাফাত সানি এবং আল-আমিন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন। এর আগে ২৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারিয়ে চাপে পরে জিম্বাবুয়ে। মোস্তাফিজ নিজের প্রথম বলে চার খেলেও দ্বিতীয় বলে বোল্ড করেন চিবাবাকে। এর পর ৪৩ রানের মাথায় মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হন চাকাবা।  দলীয় ৪৭ রানের মাথায় নাসির আরভিনকে ফেরালে চাপে পরে যায় জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে চিগুম্বুরা আর উইলিয়ামসন দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ৮০ রানের পার্টনারশিপ। নিয়মিত বোলাররা যখন এই জুটিকে আউট করতে পারছিল না তখনই মাশরাফি বল তুলে দেন পার্ট টাইমন বোলার সাব্বির রহমান হাতে। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিলেন ব্যাটিংয়ে ভাল করতে না পারা সাব্বির। নিজের দ্বিতীয় ওভারে চিগুম্বুরাকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে খেলায় ফিরিয়ে আনেন সাব্বির। এর পরও ওয়ালারকে নিয়ে চেস্টা চালিয়ে যাচিছলেন উইলিয়ামস। উইলিয়ামস তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধ-শতক।  কিন্তু ১৮৬ রানের মাথায় ওয়ালারকে আলআমিন এবং ১৮৮ রানে ৬৪ রান করা উইলিয়ামসকে মাশরাফি ফেরালে জিম্বাবুয়ের জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ২০৭ রানের মাথায় সিকান্দার রাজা আর জংওয়েকে পর পর দুই বলে আউট করে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন মুস্তাফিজ।  ২০৯ রানের মাথায় পানিয়াঙ্গারাকে আউট করে ক্যারিয়ারের তৃতীয় বারের মত ৫ উইকেট লাভ করেন মুস্তাফিজ। এর আগে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশের লক্ষ্যে, সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মিরপুরে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৬  রান করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবার ৭৩ করে এবং মাহমুদুল্লাহ করেন ৫২ রান। বাংলাদেশের ইনিংসের শুরু খানিকটা ধীর গতিতে হলেও, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রানের গতি বাড়ান তামিম ও ইমরুল। তবে, তামিমের চেয়ে বেশি আক্রমনাত্বক ব্যাটিং করে টানা দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমরুল। এরপর নিজের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম ইকবাল। ওপেনিং-এ শতরানের পার্টনারশিপও হয়েছে তামিম-ইমরুলের ব্যাটে। দুজনের যাচ্ছিলেন ব্যক্তিগত শতরানের দিকে। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন। দলীয় ১৪৭ রানের মাথায় সিকান্দার রাজার একটি বল ডাইন দ্যা উইকেটে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হন ইমরুল। আউট হবার আগে ৯৫ বলে চারটি ছক্কা এবং ছয়টি চারের মাধ্যমে করেন ৭৩ রান। এর পর টানা ব্যর্থ লিটন দাসের পরিবর্তে তিন নাম্বারে নামেন মুশফিকুর রহীম। তামিমের সাথে দারুণ খেলতে থাকেন তিনি। ১৭৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৭৩ রানে ক্রিমারের বলে স্ট্যাম্পিং হন তামিম। ৯৮ বলের ইনিংসে ছিল একটি ছয় এবং সাতটি চারে সাজানো। তামিমের আউটের পর চার নাম্বারে নামেন লিটন দাস।  কিন্তু লিটন মুশফিক জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৯০ রানের মাথায় মাত্র ২৫ বলে ব্যক্তিগত ২৮ রানে দলের টানা তৃতীয় ব্যাটমম্যান হিসেবে স্ট্যাম্পিং হন মুশফিক। এবারে বোলার ছিলেন ওয়ালার। মুশফিক আউট হবার পর পাঁচ নাম্বারে নামেন মাহমুদুল্লাহ। লিটন মাহমুদুল্লাহ মিলে দলকে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু আবারও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ লিটন। ১৭ রান করে ক্রেমারের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হন তিনি। শুরু হয় বাংলাদেশের িইনিংসে ছোট ধস। ৪ রানের বাংলাদেশ হারায় তিন উইকেট। ২২২ রানের মাথায় লিটন আউট হবার পর ২২৬ রানে আউট হন সাব্বির আর নাসির। পরে মাহমুদুল্লাহ ভাগ্যক্রমে অবিশাস্যভাবে রান আউটে থেকে বেঁচে না গেলে আরও বিপদে পরত বাংলাদেশ। আউট হয়ে সীমানা পর্যন্ত যেয়ে ভাগ্যক্রমে আবার ফিরে এসে অধিনায়ক মাশরাফিকে দারুন ব্যাট করেন মাহমুদুল্লা। তুলে নেন ক্যারিয়ারের  ১৪ তম হাফ-সেঞ্চুরি। এর মাঝে অবশ্য মাশরাফি ফিরে যান ১১ বলে কার্যকরী ১৮ রান করে। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৫২ রান করে ২৭৫ রানের মাথায় সেই রান আউটই হন মাহমুদুল্লাহ। আরাফাত সানি অপরাজিত থাকেন তিন রানে। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭৬ রানে। জিম্বাবুয়ের জংওয়ে ও ক্রেমার দুটি করে এবং পানিয়াঙ্গারা, সিকান্দার রাজা ও ওয়ালার একটি করে উইকেট লাভ করেন। ৭৩ রান করে ওপেনার তামিম ইকবাল ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন। আর সিরিজ সেরা হন মুশফিকুর রহীম।

নভেম্বর ১১, ২০১৫
এটিএন বাংলার আজকের অনুষ্ঠান সূচী - image

এটিএন বাংলার আজকের অনুষ্ঠান সূচী

23 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ০৯টা ১৫ মিঃ ছায়াছবির গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘ফেয়ার এন্ড লাভলী সিনে সং’ পরিচালনাঃ নন্দিনী ইসলাম। ১০টা এটিএন বাংলা সংবাদ। ১০টা ৩৫মিঃ ফেয়ার এন্ড লাভলী সিনেমা হলে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি ‘বিপদজনক’ পরিচালনাঃ শেখ দিদারুল ইসলাম দিদার। ১১টা ০০মিঃ এটিএন বাংলা সংবাদ ০৩টা ১০মিঃ ধারাবাহিক নাটক ‘পুতুল খেলা’ (০৫), রচনা ও পরিচালনা- মাসুদ সেজান। ০৩টা ৪৫মিঃ ছোটদের অনুষ্ঠান ‘আহা কী আনন্দ’, পরিচালনা- নাহিদ রহমান। ০৪টা এটিএন বাংলা সংবাদ ০৪টা ২৫মিঃ কম্পিউটার বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘আইটি জোন’, পরিচালনা- নাজমুছ সাদাত নাজিম। ০৫টা গ্রামগঞ্জের খবর। ০৫টা ২৫মিঃ ছোটদের অনুষ্ঠান ‘ডেলিসিয়া ছোটদের পৃথিবী’ (পর্ব-১২৩) পরিচালনাঃ লিটন অধিকারী রিন্টু। ০৬টা ১৫মিঃ ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে অনুষ্ঠান ‘রক্সি রঙের মেলা চার দেয়ালের কাব্য’ উপস্থাপনা- মুনমুন, পরিচালনা- সেলিম দৌলা খান। ০৭টা এটিএন বাংলা সংবাদ ০৮টা ধারাবাহিক নাটক ‘দহন’ (পর্ব-৯৭) রচনা ও পরিচালনাঃ অরণ্য আনোয়ার। অভিনয়েঃ আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, অরুণা বিশ্বাস, কে এস ফিরোজ, নাজনীন চুমকী, প্রভা, ফারহানা মিলি, জিতু আহসান, চাঁদনী, শাহাদাৎ হোসেন, শামীমা তুষ্টি, সমাপ্তি, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। ০৮টা৪০মিঃ সেলিব্রেটি শো ‘নোভা স্টার মোমেন্টস’ (পর্ব-০৭) উপস্থাপনা- নাবিলা, পরিচালনা- রুমানা আফরোজ। অংশগ্রহণে- কণ্ঠশিল্পী কণা। ০৯টা ২০মিঃ ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের অলিগলি’ (পর্ব-১৩১) রচনা: ফজলুল হক আকাশ, পরিচালনাঃ ফজলুর রহমান। অভিনয়েঃ ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিলন, সুমাইয়া শিমু, নওশিন, হুমাইরা হিমু, শিরিন বকুল, ড.এজাজ ও সাইদ বাবু প্রমুখ। ১০টা এটিএন বাংলা সংবাদ ১০টা ৫৫মিঃ ডেইলি সোপ ‘সাতটি তারার তিমির’ (১৮৮) পাওয়ার্ড বাই ইফাদ। রচনাঃ নজরুল ইসলাম। পরিচালনাঃ আফসানা মিমি ও রাকেশ বসু। অভিনয়েঃ মৌসুমী হামিদ, জয়িতা মহলানবীশ, স্বর্ণা, শর্মিমালা, সানজিদা প্রীতি, মৌটুসী বিশ্বাস, মুমতাহিনা টয়া, দিলারা জামান, আল মামুন, সুবণা মুস্তাফা, ইন্তেখাব দিনার প্রমুখ। ১১টা ৩০মিঃ ধারাবাহিক নাটক ‘দূরত্ব’ (পর্ব-১১৭) রচনাঃ ফজলুল করিম, পরিচালনাঃ এহসানুল হক সেলিম। অভিনয়েঃ সৈয়দ হাসান ইমাম, মাসুদ আলী খান, লায়লা হাসান, মাহমুদ সাজ্জাদ, খালেদা আক্তার কল্পনা, আল মামুন, হাসান মাসুদ, আরেফিন শুভ, হিল্লোল, এহসানুল হক সেলিম, মীম, নওশীন, মিমো, সোহান খান, সাব্বির আহমেদ, শম্পা, তানভীর, চৈতি, সোমা, সাজ্জাদ রেজা, প্রমুখ। ১২টা এটিএন বাংলা সংবাদ ১২টা ৩০মিঃ টক শো ‘সাদার্ন ইউনিভার্সিটি অন্যদৃষ্টি’ উপস্থাপনাঃ শ্যামল দত্ত, পরিচালনাঃ বিলাস খান। ০১টা ২০মিঃ প্রাণ চানাচুর নিবেদিত ছায়াছবির গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘সিনে মিউজিক’ (পর্ব ৩০৭) [প্রতি ঘন্টার সংবাদ : সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১১টা, দুপুর ১২টা, ১টা, বিকেল ৩টা ও ৪টা। ইংরেজী সংবাদ সন্ধ্যা ৬টা]

নভেম্বর ২৩, ২০১৫
বিপিএলের ফাইনালে সন্ধ্যায় মুখোমুখি কুমিল্লা-বরিশাল - image

বিপিএলের ফাইনালে সন্ধ্যায় মুখোমুখি কুমিল্লা-বরিশাল

14 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিআরবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএল এর তৃতীয় আসরের উত্তেজনা ফুরাচ্ছে মঙ্গলবার। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা ভিকটোরিয়ান্স এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বরিশাল বুলস। কে হবে চ্যাম্পিয়ন, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে সোমবার থেকেই। এবারের আসরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এগিয়ে আছে কুমিল্লা। গ্রুপ পর্বের দুবারের সাক্ষাতে দুবারই তারা হারিয়ে দিয়েছে বরিশালকে। কুমিল্লার বিপক্ষে বরিশালের আহামরি পারফরম্যান্সও ছিল না। কিন্তু একে তো গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেট, তার ওপর টি-টোয়েন্টি। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে বলা কঠিন, কে জিতবে। অবশ্য শেষ ম্যাচে বরিশালের খেলা দেখে অনেকেই হয়তো তাদের ফেভারিট ভাবতে পারেন। ক্রিস গেই চলে গেলেও, ওই ম্যাচে সাব্বির রহমানকে ব্যাট হাতে যে রুদ্রমূর্তিতে দেখা গেছে, আজও তা অব্যাহত থাকলে, কুমিল্লার জন্য বিপদ হতে পারে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০১৫
নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ - image

নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

05 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

নেপালকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের সেমিফা্ইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। নেপালের দেওয়া ২১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায় বাংলাদেশের যুবারা। ২০০৬ এ শ্রীলঙ্কায় যে কাজটি করতে পারেনি মুশফিক-সাকিব-তামিমরা; সেটাই করে দেখালো ১১তম আসরে এসে মিরাজ-শান্ত-পিনাক ঘোষরা। বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো নিয়ে গেলেন অর্নূর্ধ্ব – ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ইতিহাস রচনায় কোয়ার্টর ফাইনালের শুরুটা বেশ ভালো করেছিলো বাংলাদেশের যুবারা। ৬ বলের ব্যবধানে নেপালের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে শুরুতেই আঘাত হেনেছিল ১৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নেপাল প্রথম প্রতিরোধ করে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটিতে। ক্রমেই দুশ্চিন্তা বাড়াতে থাকা জুটিটা বাংলাদেশ ভেঙেছে দুর্দান্ত এক রান আউটে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চতুর্থ উইকেটে নেপালের যুবারা দারুণ খেলছিলেন। যাকে বলে ‘ক্লেভার ক্রিকেট’। বাউন্ডারি আসছিল, সঙ্গে সিঙ্গেল নিয়ে রানের চাকা সচল রাখা। এক সময় ওভারে ছয়েরও ওপরে রান পাচ্ছিল নেপাল। ভাগ্যও যেন পাশে ছিল তাদের। স্পিনে কাজ হচ্ছে না দেখে অধিনায়ক মিরাজ আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন পেসার সাইফউদ্দিনকে। আর তাতেই বাজিমাত। দারুণ বোলিংকে বেশ উজ্জীবিত করে ফিল্ডিংটাও যদি দুর্দান্ত হয়। বাংলাদেশের যুবারা সেটাই করছেন। পুরো ম্যাচে নেপাল ৯ উইকেট হারালেও কাদের চারটি ছিলো রান আউট। তারপরও নেপালের স্কোর ২১১ হয় রাজ রিজালের ৭২ রানের সুবাদে। এবারের আসরে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় রানের টার্গেট। আর যার অতিক্রমের শুরুতেই বাংলাদেশ ধাক্কাখায় ৫ রান করা সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে। এরপর নেপালের বোলারদের দেখেশুনে খেলতে থাকে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান পিনাক ঘোষ ও সাইফ হোসেন। তবে দলীয় ১৭ রানে সাইফের উইকেট হারায় টাইগাররা। দলীয় ৬৩ রানে আরেক ওপেনার পিনাক ঘোষ আউট হন। করেন ৩২ রান। ব্যক্তিগত ৮ রানে নাজমুল হাসান শান্ত আউট হলে চাপে পড়ে জুনিয়র টাইগাররা। এর পর ২২ ওভার এক বলে দলীয় ৯৮ রানে ৩৮ করে জয়রাজ ফিরলে শঙ্কা জাগে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু এর পর জাকির হোসেন এবং মেহেদী মিরাজ সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন। দুজনেই তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। গড়ে তোলেন ১১৭রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ। শেষ পর্যন্ত আর কোন বিপদ না ঘটিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন দুজন। জাকির ৭৫ এবং মিরাজ ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ব্যাট হাতে ৫৫ রান এবং বল হাতে এক উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেহেদী হাসাব মিরাজ। শুধু যুব বিশ্বকাপ বা ক্রিকেট নয়, যেকোন ধরনের খেলার বিশ্ব আসরে এই প্রথমবারের মত সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৬
ধেয়ে আসছে রোয়ানু, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত - image

ধেয়ে আসছে রোয়ানু, ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

19 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর, কক্সবাজরে ৬ নম্বর, এবং খুলনা ও মংলায় ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৮০ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৫ কিঃমিঃ দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে সকালে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলেও বিকেলে তার বাড়ানো হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। রোয়ানুর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে উপকূলের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ঢাকায় বৃহস্পতিবার থেকে আকাশ মেঘলা রয়েছে। আর থেকে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে, মংলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে উঠেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া সকল নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে নিরাপদে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে বিকেল থেকে মংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি ও বাতাস বয়ে যাচ্ছে । মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বার অপারেশন আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, বন্দরে অবস্থানরত সকল জাহাজ গুলকে সর্তক রাখা হয়েছে । এছাড়া বন্দরে ১টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে কোস্টগার্ড এর মংলার জোনাল কমান্ডার জানান, দূর্যোগ পরবর্তী উদ্ধারের জন্য তাদের বোট ও জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে । এছাড়া কোস্ট গার্ড ১টি কন্ট্রোল রুম চালু রেখেছে । এছাড়া উপজেলা প্রশাসন দুর্যোগ মোকাবেলায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল সহ ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রেখেছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী প্রিন্স ।

মে ১৯, ২০১৬
দুপুরে আঘাত হানতে পারে রোয়ানু; ঝড়ে দুই জেলায় নিহত ৫ - image

দুপুরে আঘাত হানতে পারে রোয়ানু; ঝড়ে দুই জেলায় নিহত ৫

20 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুপুর ১২টার পর যে কোনো সময় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু। আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৯টার দিকে পয়ারা সমুদ্র বন্দর থেকে মাত্র ৭৫ কিলোমোটার দুরে ছিলো রোয়ানু। এটি প্রতি ঘন্টায় ২৫ কিলোমিটার করে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে । এছাড়া ঝচট্টগ্রাম, কক্সবাজার মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১শ কিলোমিটারের বেশি দুরত্বে আছে রোয়ানু। চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এদিকে ঝড়ে চট্টগ্রম, ভোলা ও পটুয়াখালীতে ঝড়ের কারণে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রমের সীতাকুণ্ডের সলিমপুরে পাহাড়ধসে ২ জন মারা গেছেন। এছাড়া ভোলার তমুজদ্দিনে ২ জন ও পটুখালীর দশমিনরায় ১ জন মারা গেছেন। উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।  এসব অঞ্চল, স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। রোয়ানুর কারণে চট্টগ্রাম, পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারকে দেখাতে বলা হয়েছে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত। এছাড়া উপকূলীয় জেলাগুলোতেও ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মে ২০, ২০১৬
২৫ কি.মি. বেগে ধেয়ে আসছে রোয়ানু; চট্টগ্রাম বিমানবন্দর বন্ধ - image

২৫ কি.মি. বেগে ধেয়ে আসছে রোয়ানু; চট্টগ্রাম বিমানবন্দর বন্ধ

20 মে 2016, বিকাল 6:00

দুপুর ১২ টার পর যে কোনো সময় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু। আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৯টার দিকে ঝড়টি পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে  ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। ঝড়টি প্রতি ঘন্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছে। সে হিসেবে দুপুর ১২ টার পর যে কোনো সময় ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা  ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় জেলাসহ প্রায় সারা দেশেই ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়। রোয়ানুর কারণে চট্টগ্রাম, পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় জেলাগুলোতেও রয়েেছ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত । খারাপ আবহাওয়া মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য ওঠা নামা বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বন্ধ রয়েছে সবধরণের ফ্লাইটও। উপকূলীয় অঞ্চলে সব ধরনের নৌ চলাচলে  নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ২০, ২০১৬
আঘাত হেনেছে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু - image

আঘাত হেনেছে ঘুর্ণিঝড় রোয়ানু

20 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: ভোলা ও সন্দ্বীপ উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। এটি ক্রমশ এগিয়ে মেঘনার মোহনা হয়ে ফেনী, নোয়াখালী, হাতিয়ায় আঘাত হেনে সন্ধ্যার পর দুর্বল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার দুপুর নাগাদ রোয়ানু ভোলা এবং সন্দ্বীপের কাছাকাছি এলাকা অতিক্রম শুরু করে। তবে এর প্রভাবে সকাল থেকেই ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, হাতিয়াসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঘুর্ণিঝড়টি দুর্বল না হওয়া পর্যন্ত ঊপকূলে ৪ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছাস এবং ঘুর্ণি বাতাস থাকবে। সন্ধ্যার পর জলোচ্ছাস কমে গেলেও আগামী ২৪ ঘন্টা এসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘুর্ণিঝড়ের কারনে এখনও চট্টগ্রাম, মংলা বন্দরসহ ঊপকূলীয় এলকায় ৭ নম্বর এবং কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে সব রকম নৌ-যান চলাচল।

মে ২০, ২০১৬
‘ঈদে ৬ দিন ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ’ - image

‘ঈদে ৬ দিন ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ’

16 জুন 2016, বিকাল 6:00

কুমিল্লা প্রতিনিধি: সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঈদের আগে ও পরের ৩দিন করে ৬ দিন ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পচনশীল পণ্য ও গার্মেন্টস সামগ্রীবাহী যানবাহনের জন্য শিথিলতা থাকবে। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে চারলেন প্রকল্পের কোটবাড়ি ফুটওভার ব্রিজসহ ৭টি ফুটওভার ব্রিজের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। ১৪ দলীয় জোট ও মন্ত্রীসভায় জাসদের অবস্থান সম্পর্কে আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্য সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা তার ব্যক্তিগত মতামত। আমরা জাসদের অতীত জেনেই তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক ঐক্য করেছি। বাস্তবতার নিরিখে, সময়ের প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐক্য করেছি। উগ্র সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনে আমরা জোট করেছি।’ ‘অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গেলে কেঁচো খুড়তে গিয়ে বিষধর সাপ বেরিয়ে আসবে। সবসময় সবকিছু নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করলে বর্তমানের প্রধান বিপদ সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ উৎসাহিত হবে।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন ফোরলেনের প্রকল্প পরিচালক আফতাব হোসেন খান, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আবদুস সবুর, প্রকল্প ব্যবস্থাপক-২ মাসুম সারোয়ার, সওজ কুমিল্লার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কে.এম আতিকুল হক ও নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ সাইফ উদ্দিনসহ ফোরলেন ও সওজ’র কর্মকর্তাগণ। এর আগে মন্ত্রী মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের দাউদকান্দি, শহীদনগর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ৬টি ফুটওভারব্রিজের উদ্বোধন করেন।

জুন ১৬, ২০১৬
ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘নীলাভ বিস্মরণ’ - image

ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘নীলাভ বিস্মরণ’

13 সেপ্টেম্বর 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: প্রচার- ঈদের তৃতীয় দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিট রচনা-ইফফাত আরেফীন মাহমুদ তন্বী, পরিচালনা- চয়নিকা চৌধুরী। এটিএন বাংলায় ঈদের তৃতীয় দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘নীলাভ বিস্মরণ’। ইফফাত আরেফীন মাহমুদ এর রচনা এবং চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আনিসুর রহমান মিলন, মেহ্জাবীন চৌধুরী, আজম খান,গীতশ্রী চৌধুরী প্রমুখ। শান্তনু আর অতনু পীঠাপিঠি দুই ভাই। দুই ভাই এর খুব বন্ধুত্ব। যদিও দুজন সম্পুর্ন দুরকম। শান্তনু খুব চঞ্চল। লেখাপড়ায় তেম মন ছিল না। আর অতনু বরাবর লেখাপড়াই ভালো। দুভাই একসাথেই স্কুলে পড়েছে। পরীক্ষার হলে অতনু সারাজীবন টেনশন করতো, শান্তনু ঠিকমতো লিখলো কিনা...। অতনু স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে চলে যায়। শান্তুনু দেশেই থাকে। পড়াশোনা শেষ করে মাঝে মাঝে বাবার সাথে দোকানে বসে কিন্তু দিন কেটে যায় আড্ডা মেরে। ওদের পাড়ায় ভাড়া আসে ইরা। ইরার বাবা নেই। মা আর ছোটভাই নিয়ে ওদের সংসার। ইরারা তাদের এক আত্মীয়ের বাড়ীতে ভাড়া এসেছে কারণ, সুন্দরী মেয়েয়ে নিয়ে মা একটু বিপদেই আছেন। ইরাকে দেখেই ভালো লাগে শান্তনুর। রাস্তায় টুকটাক কথা হয়। পাড়ার স্টুডিও থেকে ইরার পাসপোর্ট সাইজের ছবিও যোগাড় করেছে শান্তুনু। অতনুকে চিঠিতে সে ইরার কথা লেখে। ইরাকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা লেখে। অতনু স্বস্তি পায় এই ভেবে যে তার বাউন্ডুলে ভাইটা বাধা পড়েছে। অতনু বাবাকে বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলে। ইরার মা অনেক ভেবে চিন্তে রাজি হয়। অতনু আসে বিয়ে উপলক্ষে। ওদের হলুদ হয়। নাটকের শুরু এখান থেকেই। হলুদের পরদিন ইরা সকালে ঘুম ভেঙ্গে ইরা হইচই শুনতে পায়। কে বা কারা শান্তনুকে ডেকে নিয়ে খুন করে ফেলে গেছে রাস্তার পাশে। ঘটনার পরে অতনুর বাইরে ফিরে যাওয়া পিছিয়ে যায়। বাবা চান না অতনু আবার ফিরে যাক। তিনি ইরার সাথে অতনুর বিয়ের কথা তোলেন। ঘটনা এমন দাড়ায় যে অতনু রাজি হয়। ওদের বিয়ে হয় কিন্তু কেন যানি ওরা দুজন সহজ হতে পারে না। ওরা সংসার করে। প্রয়োজন ছাড়া কথা হয় না। বাইরে গিয়ে অতনু ভাবে আজ বাসায় গিয়ে ইরাকে এটা বলবে সেটা বলবে কিন্তু ইরাকে কিছু বলতে গেলেই ও শান্তনুকে দেখে। ইরার বেলাতেও এমনটি ঘটে। ওদের দুজনার মাঝে এসে শান্তু এসে দাড়ায়, ছায়া শান্তনুকে ওরা দূরে সরাতে পারে না। অতনুর বাবা বিষয়টা বুঝতে পারেন। এদিকে অতনুর মনে হতে থাকে ও সারা জীবন শান্তনুর থেকে বেশি পেয়েছে। মরে গিয়েও শান্তনু সব দিয়ে গেছে নাকি অতনুর সারা জীবন বেশি পাওয়ার শোধ নিচ্ছে, অতনু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার ভাই এর ছায়াকে ঘৃণা করতে শুরু করে। অতনুর বাবা অতনু আর ইরাকে ডেকে নিয়ে বলেন, নিয়তি ওদের দুজনকে এক করবে বলেই হয়তো এই ঘটনা ঘটিয়েছে। শান্তনু নেই মানে নেই, ওকে মাঝে বসিয়ে জীবনটা বিষিয়ে তোলার কোন মানে নেই। সেদিন রাতে অতনু ইরার পাসপোর্ট সাইজের ছবি দেখে তার প্রেমে পড়েছিল। সে রাতে তারা প্রথম একে অপরের হাত ছুয়ে বসে থাকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo