logo
youtube logotwitter logofacebook logo

প্রত্যাবর্তন

প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ - image

প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’

15 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এটিএন বাংলায় আজ (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে প্রচার হবে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ড. মাহফুজুর রহমান এর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় এই প্রামাণ্য দলিলে তুলে ধরা হয়েছে বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালীর বিজয়ের সঠিক ইতিহাস। তুলে ধরা হয়েছে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭ই মার্চের ভাষন, ৭১ এ পাক হানাদার বাহিনীর নৃসংসতা, বর্বরতা, গণহত্যা, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন, জর্জ হ্যারিসনের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ার প্রচেষ্টা, পাক বাহিনীর আত্মসমর্পন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনসহ মুক্তিযুদ্ধের দু®প্রাপ্য ও খুটি নাটি সব তথ্য, দূর্লভ ছবি এবং ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ইপিআর বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা। এছাড়া রয়েছে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পনের দলিল। প্রামাণ্য দলিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ড. মাহফুজুর রহমান এটিকে ভিসিডি, ডিভিডিসহ বাংলা ও ইংরেজিতে বই আকারে প্রকাশ করেছেন। সর্বস্তরের মানুষ যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারেন সেজন্য প্রামাণ্যচিত্রটি ইতোপূর্বে একাধিকবার টেলিভিশনে প্রচার করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫
নারী ফুটবলারদের স্বাস্থ্যকর ন্যাপকিন দিচ্ছে ফিফা - image

নারী ফুটবলারদের স্বাস্থ্যকর ন্যাপকিন দিচ্ছে ফিফা

25 জুন 2022, বিকাল 6:00

ছেলেদের ফুটবলে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও মেয়েরা দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে। এই তো পরশুই প্রত্যাবর্তন ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছেন সাবিনা খাতুন-সানজিদা আক্তাররা। নারী ফুটবলে দেশ এগিয়ে যাওয়ার পেছনে খেলোয়াড়ের সঠিক পরিচর্যা, দেখভাল ও মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গত বছর ইউনিসেফ ও বাফুফের যৌথ উদ্যোগে ‘প্রতিভা অন্বেষণ’ কর্মসূচির শুরু থেকেই মেয়ে ফুটবলারদের স্বাস্থ্যকর ন্যাপকিন (রক্তস্রাবের সময় ব্যবহৃত প্যাড) দেওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে ছিল আফ্রিকার দেশ দক্ষিণ সুদান। এবার সেখানেও একই প্রকল্প চালু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গত বছর দক্ষিণ সুদান সফর করেছিলেন ফিফার মহাসচিব ফাতমা সামৌরা। তখন রজঃস্রাবকালীন নারী ফুটবলারদের দুর্ভোগের চিত্র দেখেন সেনেগালের এই সাবেক কূটনীতিক। তাঁর উদ্যোগেই দক্ষিণ সুদান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প চালু করল ফিফা। এখন থেকে নারী ফুটবলারদের রজঃস্রাবকালীন পরিচ্ছন্নতা, স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার ও নিজের পরিচর্যা সম্পর্কে শেখানো হবে। এরই মধ্যে ফুটবলারদের বিনা মূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করতে শুরু করেছে ফিফা। ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, দক্ষিণ সুদানে ৭০ শতাংশ নারী ফুটবলার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটারি প্যাড বা ট্যাম্পুনের মতো পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী হাতের কাছে পায় না। এতে করে দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও ফুটবল চর্চায় তারা নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারে না।  ফিফার এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ে নারী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বাড়ানো এবং সঠিক স্বাস্থ্যশিক্ষা দেওয়া। এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুদানের কোচ শিলিন বুইসেন বলেছেন, ‘রক্তস্রাব পরিচ্ছন্নতা নিয়ে এখানে ফিফার প্রকল্প সত্যিই অভাবনীয়। তাদের এমন উদ্যোগ সম্ভবত এটিই প্রথম। প্রকল্পটি মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। এটি তাদের চোখ খুলে দেওয়ার মতো।’ প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে চলায় খুশি ফিফার নারী ফুটবল উন্নয়নের প্রধান আরিজানা ডেমিরোভিক। তিনি বলেছেন, ‘দক্ষিণ সুদানের নারী ফুটবলে যেন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে, আমরা সেটি নিশ্চিত করেছি। এই প্রকল্পে আরও সাফল্য আসবে।’

জুন ২৫, ২০২২
শেষ উইম্বলডনের সেমিতে সানিয়া - image

শেষ উইম্বলডনের সেমিতে সানিয়া

05 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

ইতিমধ্যে সানিয়া মির্জা জানিয়ে দিয়েছেন, এটাই তার শেষ উইম্বলডন। মর্যাদার ঘাসের কোর্টে ক্যারিয়ারের শেষটা রাঙানোর পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন ভারতীয় টেনিসার। নারী দ্বৈত বিভাগে ব্যর্থ হলেও মিশ্র দ্বৈতে শিরোপার পথে এগিয়ে গেছেন বেশ। গতপরশু কোয়ার্টারে হারিয়েছেন চতুর্থ বাছাই জুটিকে। ৬-৪, ৩-৬, ৭-৫ ব্যবধানের জয় নিয়ে সঙ্গী ক্রোয়েশিয়ার মেট পেভিককে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে গেছেন প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। উইম্বলডনের মিশ্র দ্বৈতে এটাই তার সর্বো”চ অর্জন। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়াকওভার পেয়েছিলেন সানিয়া-পেভিক। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিলেন জন পিয়ার্স এবং গ্যাব্রিয়েলা ডাবরস্কি। চতুর্থ বাছাই এই জুটির বিরুদ্ধে দারুণ লড়তে হলো দু’জনকে। এক ঘণ্টা ৪১ মিনিট লড়াই শেষে অবশ্য শেষ হাসিটা হেসেছেন সানিয়ারাই। লড়াইয়ের প্রথম সেটে জিতলেও দ্বিতীয় সেটে হেরে যান তারা। তৃতীয় সেটে সানিয়াদের দারুণ প্রত্যাবর্তন বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেয় ডাবরস্কিদের। তাতেই ৭-৫ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়ে তারা চলে যান প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। এদিকে, উইম্বলডনে খেলতে পারছেন না রাশিয়ার কোনো খেলোয়াড়। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন দেওয়ায় বেলারুশের খেলোয়াড়দেরও একই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে উইম্বলডন। বিষয়টি মেনে নেয়নি উইমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউটিএ) ও অ্যাসোসিয়েশন অব টেনিস প্রফেশনালস (এটিপি)। যে কারণে বড় জরিমানা করা হয়েছে উইম্বলডনের আয়োজক অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ক্লাব (এইএলটিসি) ও লন টেনিস অ্যাসোসিয়েশনকে (এলটি)। দ্য ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী এইএলটিসিকে সাড়ে ৭ লাখ ডলার ও এলটিএকে আড়াই লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি এবারের উইম্বলডনে কোনো র‌্যাংকিং পয়েন্ট দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ডব্লিউটিএ ও এটিপি ট্যুর। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবশ্য এরই মধ্যে আবেদন করেছে অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ক্লাব। ক্লাবের প্রধান নির্বাহী স্যালি বোল্টন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা আপিল করেছি।’ তবে শুনানি হওয়ার আগেই জরিমানার পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে উইম্বলডন আয়োজকদের।

জুলাই ০৫, ২০২২
হোয়াইটওয়াশেও তৃপ্ত নন টাইগার অধিনায়ক - image

হোয়াইটওয়াশেও তৃপ্ত নন টাইগার অধিনায়ক

17 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্টের পর টি-টোয়েন্টিতে ভরাডুবি হয় বাংলাদেশের। শ্রীহীন শুরুর পর ওয়ানডেতে দাপুটে প্রত্যাবর্তন করে টাইগাররা। ৩ ম্যাচ সিরিজে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করে তামিম ইকবালের দল। দুর্দান্ত অর্জনের পরও রোমাঞ্চিত নন টাইগার অধিনায়ক। জানালেন উন্নতি করার কথা। হেড টু হেড পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় সংখ্যা এখন সমান ২১। এই ফরম্যাটে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে গত ১৪ ম্যাচে ১৩টিইতেই জিতেছে টাইগাররা। এর মধ্যে টানা জয় ১১টি। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো উইন্ডিজদের হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। এত কিছুর পরও এই অর্জনকে উঁচুতে রাখতে চান না তামিম। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি এ জয়গুলোকে খুব উঁচুতে রাখতে চাই না। এটা নিয়ে খুব বেশি রোমাঞ্ছিত না।’ গায়ানার স্পিনবান্ধব উইকেটে এক পেসার নিয়ে খেলতে নামে বাংলাদেশ। স্পিনাররা সুবিধাও পেয়েছেন বেশ। তামিম বলেন, ‘স্পিনারদের জন্য খুব বেশি সহায়তা ছিল। এ কারণে বিশ্ব জয় করে ফেলেছি, (বিষয়টা) এমন নয়। ভালো উইকেটে খেললে আমাদের আরও ভালো খেলতে হবে।’ শেষ ম্যাচে ৯ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ১৭৯ রানের লক্ষ্যে ২ উইকেটে ৯৬ রান তোলে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ২০ রান যোগ করতে আরও ৩ উইকেট হারায় টাইগাররা। ষষ্ঠ উইকেটে সোহানের সঙ্গে ৩১ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। যে কারণে হঠাৎ চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। পরিস্থিতি সামলে দলকে জয় এনে দেন সোহান ও মিরাজ। এই আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে জানিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘উন্নতির শেষ নেই। উইকেট কঠিন ছিল, খেলার অযোগ্য ছিল না। ৭ বা ৮ উইকেটে যদি জিততাম, তাহলে উন্নতি হয়েছে বলতাম। কারণ একটা সময় নিশ্চিত ছিল না ম্যাচ কোনদিকে যাচ্ছে। বোলিং ব্যাটিং, সবখানেই উন্নতি লাগবে। জিতেছি বলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়নি। ধীরে ধীরে সমাধান করছি। জিততে শুরু করলে মানুষ দুর্বলতা লুকিয়ে ফেলে। আমি সেভাবে ভাবি না। চেষ্টা করছি, আশা করি সামনে ভালো হবে।’ ম্যাচের আগে অধিনায়ক তামিম ও কোচ রাসেল ডমিঙ্গো সাইডবেঞ্চের খেলোয়াড়দের পরখ করার কথা জানিয়েছিলেন। তবে ম্যাচে বাংলাদেশ নামে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই। এ বিষয়ে তামিম বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম। তবে ম্যানেজমেন্ট বলেছে পুরোশক্তির দল চায় তারা। আমরা জানতাম, একই উইকেটে খেলার ফলে একটাই পরিবর্তন আসতে পারে। একজন পেসারের জায়গায় তাইজুলকে খেলানো, আমিও এটা বুঝতে সক্ষম হয়েছি। কারণ কথা ছিল দল যখন ভালো করছে, তখন সেভাবেই শেষ করা উচিত।’ তবে সাইডবেঞ্চের খেলোয়াড় সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়ার পক্ষে জানিয়ে তামিম বলেন, ‘উন্নতি করতে হলে বেঞ্চের শক্তি দেখতেই হবে। নাহলে কীভাবে বুঝতাম তাইজুলের এই গুণ আছে, বা মোসাদ্দেকের বোলিংয়ের এই সামর্থ্য আছে। কোনো না কোনো সময় দেখতেই হবে। হয়তো একসঙ্গে পাঁচজনকে পরখ করবেন না, এক-দুই জন করে করতে হবে। ’ বিশ^কাপের পরও খেলতে চান তামিম ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের দিনে তামিম জানিয়েছিলেন, ২০২৩ বিশ্বকাপেই শেষ হতে যাচ্ছে সিনিয়র চার ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার। তবে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করার পর মত পাল্টিয়ে তিনি জানান, ২০২৩ বিশ্বকাপে থামার ইচ্ছা নেই তার। তৃতীয় ওয়ানডে শেষে তামিম বলেন, ‘একটা জিনিস স্পষ্ট করে দিতে চাই। গত প্রেজেন্টেশনে বলেছিলাম- আমাদের ৪ জনের সম্ভবত ইতি ঘটবে ২০২৩ বিশ্বকাপে। এটা আসলে ‘সিøপ অব টাং’ ছিল। আমি বলতে চেয়েছিলাম এটা আমাদের তিনজনের শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে। বাকিরা কখন শেষ করবে, কতদিনে বলবে, এটা তো তাদের ওপর। আমারও ইচ্ছা আছে (আরও খেলার)। অনেক সময় বিতর্ক হয়ে যায়, তাই পরিষ্কার করলাম।’ বিশ্বকাপের অনেক দিন বাকি থাকলেও তামিম স্পষ্ট করে জানালেন, বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে খেলতে যাবে তারা, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০২৩ বিশ্বকাপ (জয়), কোনো সন্দেহ নেই। ওই প্রক্রিয়াতেই আমরা আছি। আমি খুব সামনে তাকাতে চাই না। কী হয় না হয়, কে ইনজুরিতে পড়ে, কে না থাকে দলে।’ এর আগে অবসর প্রসঙ্গে তামিমের মন্তব্য ছিল এমন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপ আমাদের সবার জন্য সবচেয়ে বড় ইভেন্টের একটি হবে। বিশেষ করে আমাদের চারজনের আমি, সাকিব, মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ। আমাদের সম্ভবত সেখানেই শেষ হবে (বিশ্বকাপ)। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’ দলে সোহানের জায়গা পাকা! পবিত্র হজব্রত পালনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাননি মুশফিকুর রহীম। ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছুটি নেন সাকিব আল হাসান। চোটে পড়ে ছিটকে যান মিডল অর্ডার ইয়াসির আলী চৌধুরী। তিনজন না থাকায় সুযোগটা আসে নুরুল হাসান সোহানের। যা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দলে জায়গা প্রায় পাকা করে ফেলেছেন সোহান এমনটাই মনে করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দুই ইনিংসে ব্যাট করেন সোহান। দুই ম্যাচেই অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ২০ রান করে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে জুটিতে দলকে জেতান সোহান। শেষ ম্যাচে যখন ব্যাটিংয়ে নামেন সোহান, তখন ১১৬ রানে ৫ উইকেট নেই বাংলাদেশের। বিপদে পড়া দলকে টেনে তোলেন। ৩৮ বলে অপরাজিত ৩২ রান করেন তিনি। তামিম বলেন, ‘ব্যাটিং লাইনআপের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটারের তিনজনকেই পাইনি আমরা। অন্যদের জন্য এটি ছিল দারুণ সুযোগ। আমার মনে হয় ওরা দারুণভাবে নিজেদের মেলে ধরেছে। বিশেষ করে সোহান। যখনই সুযোগ পেয়েছে, সে ঠান্ডা মাথায় ও ধীরস্থির হয়ে খেলেছে। আজকেও যেমনটি দেখিয়েছে। খুব ভালো ব্যাট করেছে সে।’ তামিম বলেন, ‘সে (সোহান) প্রায় জায়গা পাকা করে ফেলেছে। সামনে যদি ওকে খেলা মিস করতে হয় অন্যদের কারণে, অপেক্ষমাণ হিসেবে সবার আগে সেই থাকবে। এরকম সুযোগ এলে তাই যতটা সম্ভব কাজে লাগানো উচিত।’ ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করার ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন আফিফ হোসেন এবং মোসাদ্দেক হোসেন। আফিফ শূন্য রানে ফেরার পর ১৪ রান করেন মোসাদ্দেক। সোহানের দলে থিতু হওয়ার আভাস দেয়ার পর আফিফ- মোসাদ্দেকদের জায়গা হারানোর আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন তামিম, ‘আমি অবশ্যই খুশি হতাম যদি মোসাদ্দেক বা আফিফ খেলাটা শেষ করে আসতো। আমি কিন্তু আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, এই সিরিজে সাকিব-মুশফিক নেই। ওরা ফিরলে কিন্তু এখান থেকে দু’জনকে বেরিয়ে যেতে হবে।’ তামিম বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ওরা (আফিফ-মোসাদ্দেক) সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। তবে সব সময় একটা কথা বলি, কিছু ক্রিকেটার হয়তো ৫-৬টি সুযোগ পাবে, কিছু পাবে ২টি। সবাইকে সমান সুযোগ দেয়া যাবে না হয়তো। যে দু’টি সুযোগ পাচ্ছেন, তার উচিত সেটা কাজে লাগানো।’

জুলাই ১৭, ২০২২
মেসির বার্সেলোনা অধ্যায় ফুরিয়ে যায়নি : লাপোর্তা - image

মেসির বার্সেলোনা অধ্যায় ফুরিয়ে যায়নি : লাপোর্তা

23 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

মেসি মানেই বার্সেলোনা, আর বার্সেলোনা মানেই মেসি’- সমর্থকদের এমন চিন্তার ইতি ঘটেছে গত মৌসুমের ট্রান্সফার উইন্ডোয়। স্প্যানিশ লা লিগার বেতন কাঠামোর অজুহাতে ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকাকে ছেড়ে দিয়েছে ব্লাউগ্রানারা। নেইমার-এমবাপ্পেদের সঙ্গে পিএসজিতে এক মৌসুম কাটানো মেসি কি ফিরবেন বার্সায়? কাতালান ক্লাবটির সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা মনে করেন, মেসির বার্সেলোনা অধ্যায় ফুরিয়ে যায়নি। করোনার কারণে আর্থিক দুর্দশার মুখোমুখি হয় বার্সেলোনা। এরপর লা লিগার বেতন কাঠামোর জটিলতায় মেসিকে বিদায় জানায় ক্লাবটি। মেসি অবশ্য অর্ধেক বেতনেও ন্যু-ক্যাম্পে থাকতে চেয়েছিলেন। সম্ভব হয়নি, গত ৫ই আগস্ট ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে অশ্রুসজল নয়নে বিদায় নেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। এক সাক্ষাৎকারে লাপোর্তা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি না, মেসির বার্সেলোনা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। আমি বিশ্বাস করি, এটা আমাদের দায়িত্ব যাতে এ অধ্যায় (মেসিকে ফের বার্সায় ভেড়ানো) সবসময় খোলা থাকে। যেভাবে শেষ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে, তার চেয়ে যেন ভালো হয়।’ কিংবদন্তি জোহান ক্রুইফের সঙ্গে মেসিকে তুলনা করে লাপোর্তা বলেন, ‘মেসি বার্সার জন্য সব কিছু করেছে। সে ইতিহাসের সেরা হয়ে গেছে। তার তুলনা কেবল জোহান ক্রুইফের সঙ্গেই হয়।’ লাপোর্তার দাবি, আর্থিক দুর্দশার কারণেই মেসিকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বার্সেলোনা, ‘যেমন আর্থিক পরিস্থিতিতে ক্লাবের দায়িত্বে এসেছিলাম, এমন কিছু একটা হতোই। তবে কোচ ও খেলোয়াড়দের চেয়ে ক্লাবের অবস্থান অনেক উপরে।’ লাপোর্তা বলেন, ‘বার্সা সভাপতি হিসেবে আমার মনে হয় ক্লাবের যা প্রয়োজন ছিল, তাই আমি করেছি। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন সভাপতি হিসেবে আমার মনে হয়, তার কাছে আমি ঋণী।’ লাপোর্তা সম্ভাবনার কথা বললেও কি ফিরবেন মেসি? কেননা তার পিএসজিতে যোগদান ও প্রত্যাবর্তন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় বার্সা সভাপতির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। গত মে মাসে এক সাক্ষাৎকারে লাপোর্তা জানিয়েছিলেন, পিএসজিতে টাকার জন্যই চুক্তিবদ্ধ হয় খেলোয়াড়রা। এবং তারা দাসত্ব বরণ করে নেয়। লাপোর্তা জানান, মেসি ফ্রি এজেন্ট হয়ে বার্সায় ফিরতে চান। এর প্রতিক্রিয়ায় মেসি বলেছিলেন, ‘আমাকে কেউ ফ্রি খেলার জন্য বলেনি। কিন্তু একই সময়ে আমাকে নিয়ে প্রেসিডেন্টের (লাপোর্তা) বলা কথাগুলো শোভনীয় নয়। তারা আমাকে আঘাত করেছে। এসব বলার কোনো মানে হয় না।’

জুলাই ২৩, ২০২২
বিগ ব্যাশে ডাক পেলেন বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার - image

বিগ ব্যাশে ডাক পেলেন বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার

02 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

এক দশকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের যে উন্নতি হয়েছে তা বলা বাহুল্য। দলে জায়গা করার লড়াই বেড়েছে ক্রিকেটারদের মধ্যে। একবার ছিটকে যাওয়া খেলোয়াড়ের প্রত্যাবর্তন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে দিনদিন। এমনই দুজন লড়াকু পেসার আল আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলাম। একসময় যাদের বল খেলতে খেই হারাতেন ব্যাটাররা, তারাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন টিম টাইগার্সে। দু’জনই সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০২০ সালে। বাইশ গজে টিকে থাকার একমাত্র উপায় ঘরোয়া ক্রিকেট। এবার জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশে ডাক পেয়েছেন আল আমিন ও শফিউল। অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটির প্লেয়ার্স ড্রাফটে রয়েছে চলতি বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা অলরাউন্ডার রিপন মন্ডলের নামও। বিগ ব্যাশ লীগের জন্য ১৬৯ জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম নিবন্ধন করা হয়। সেখান থেকে বিগ ব্যাশের আয়োজকরা আজ (বুধবার) ৯৮ জন বিদেশি ক্রিকেটার বেছে নিয়েছেন। শফিউল বিপিএল ছাড়া এখনও দেশের বাইরে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ খেলেননি। আল আমিন বিপিএল ছাড়াও গত বছর লঙ্কান প্রিমিয়ার লীগে (এলপিএল) খেলেছেন। তরুণ রিপন অবশ্য এখনও বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ পাননি। আগামী ২৮ই আগস্ট বিগ ব্যাশের ড্রাফট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। সেদিনই চূড়ান্ত হবে বাংলাদেশি কোনো ক্রিকেটার জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগে দল পাবেন কিনা। যদিও বিগ ব্যাশে দল পেলেও ৩ বাংলাদেশির কারও খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিসিবি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিপিএল চলাকালীন কোনো ক্রিকেটারকে বিদেশি কোনো টুর্নামেন্ট বা লীগ খেলার অনুমতি দেয়া হবে না। বিগ ব্যাশের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে আগামী ১৩ই ডিসেম্বর। প্রায় দুই মাসের এই টুর্নামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি। এদিকে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আগামী আসর মাঠে গড়াবে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি, শেষ হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ বিগ ব্যাশ চলার সময়ই চলবে বিপিএলও।

আগস্ট ০২, ২০২২
বাংলাদেশের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপের সেমিতে পাকিস্তান - image

বাংলাদেশের হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপের সেমিতে পাকিস্তান

05 নভেম্বর 2022, বিকাল 6:00

এবারের আসরে অন্যতম ফেবারিট ছিল বাবর আজমের পাকিস্তান। কিন্তু বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে টানা দুই ম্যাচ হার! অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন পাকিস্তানের। টানা তিন জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলে এশিয়া অন্যতম সেরা দলটি। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপের সেমির স্বপ্ন ভঙ্গ বাংলাদেশের। রোববার অ্যাডিলেডে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ১২৭ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৮.১ ওভারে ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে তারা। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৭ রানের অল্প পুঁজি নিয়েও শুরুতেই উইকেট পেতে পারতো বাংলাদেশ। কিন্তু সোহানের ভুলে নতুন জীবন পান মোহাম্মদ রিজওয়ান। নতুন জীবন পেয়েই উদ্বোধনী জুটিতে পঞ্চাশোর্ধ্ব স্কোর গড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলেছিলেন ওপেনার রিজওয়ান। ক্যাচটি ফেলে দেন উইকেটককিপার নুরুল হাসান সোহান। জীবন পেয়ে পরের বলেই ছক্কা মেরে রানের খাতা খোলেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত খেললেন ৩২ রানের ইনিংস। ১১তম ওভারে নিজের কোটার শেষ ওভার করতে এসে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন নাসুম। অফ স্টাম্পের বাইরে সরে গিয়ে স্লগ করতে গিয়েছিলেন বাবর, তবে লিডিং এজে ক্যাচ গেছে শর্ট থার্ডে। তালুবন্দি করতে ভুল করেননি মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন বাবর। বাবরের পর টিকতে পারেনি মোহাম্মদ রিজওয়ানও। এবাদতের বলে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন পাক উইকেটকিপার ব্যাটার। ৩২ বলে সমান সংখ্যক রান করেছেন এই ব্যাটার। ৩২ বলে ৩২ রান করে এবাদত হোসেন বলে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ১১.২ ওভারে ২ উইকেটে পাকিস্তানের তখন ৬১ রান। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নওয়াজকে রান আউটের ফাঁদে ফেলেন লিটন। ৪ রান করে বিদায় নেন। তিনি। এরপর মোহাম্মদ হারিস ২৪ রান করে বিদায় নেন। তবে শাহ মাসুদ ২৪ ও ইফতিখার ১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশায় টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু এই ম্যাচে সাকিবের বিতর্কিত আউটের পর ব্যাট হাতেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেনি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে টিম টাইগার্স সংগ্রহ করে ১২৭ রান। অথচ প্রথম দশ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৭০ রান তোলে টিম টাইগার্স। এরপর শাদাব খানের দুই ডেলিভারিতে পথ হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মূলত সাকিবের বিতর্কিত আউটের পর শেষমেশ আর বড় পুঁজি গড়তে পারেনি টিম টাইগার্স। ব্যাট হাতে নাজমুল হোসেন শান্ত সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। এছাড়া আর কেউ সুবিধা করতে পারেনি। এছাড়া লিটন ১০,সৌম্য ২০ ও আফিফ হোসেন ২৪ রান করেন। বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ ওভারে ২২ রানে নেন ৪ উইকেট।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার ফিরে আসার দিন আজ - image

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার ফিরে আসার দিন আজ

06 মে 2023, বিকাল 6:00

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার দিন আজ ৭ মে। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঘোষিত জরুরি অবস্থা চলাকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা শেষে শত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এর আগে, আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে তদানীন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু তিনি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেশে ফেরার ঘোষণা দেন। এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে বিশ্বব্যাপী। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তার ঐকান্তিক দৃঢ়তা, সাহস ও গণতন্ত্রকামী দেশবাসীর চাপে তদানীন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হয়। ৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় ফিরে এলে লাখো জনতা তাকে সাদর অভ্যর্থনা জানায়। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে মিছিল শোভাযাত্রা সহকারে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। দেশে ফিরে তিনি জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় শুরু করেন নবতর সংগ্রাম। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভীতসন্তস্ত্র হয়ে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে সাজানো মামলায় গ্রেফতার করে। ২০০৮ সালের ১১ জুন প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে কারান্তরীণ রাখা হয়। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমন এবং চিকিৎসা শেষে ৪ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। অতঃপর তার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ব্যাপক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। আন্দোলনের মুখে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় জোরপূর্বক রাষ্ট্র ক্ষমতায় চেপে বসা তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম এবং উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জনের ইতিহাসে ৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে শেখ হাসিনা এদেশের রাজনীতিতে অবিকল্প নেতৃত্ব। দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৩
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচি - image

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচি

15 মে 2023, বিকাল 6:00

১৭ মে বুধবার বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। দীর্ঘ ছয় বছর নির্বাসন শেষে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ফিরে আসেন শেখ হাসিনা। দিবসটিকে ঘিরে রাজধানীসহ সারাদেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার (১৫ মে) দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে নরঘাতকরা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এসময় বিদেশে থাকায় আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী। বাঙালি জাতির জীবনে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ঘোর অমানিশার অন্ধকার। ঠিক এমনি ক্রান্তিলগ্নে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশমাতৃকার মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার পবিত্র দায়িত্ব অর্পণ করা হয় জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ কন্যার হাতে। বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বকে ভয় পায় ঘাতকগোষ্ঠী। সামরিক জান্তা জিয়াউর রহমান শেখ হাসিনাকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে না দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ছয় বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে আসেন তিনি। সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা শহর মিছিল আর স্লোগানে প্রকম্পিত হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টিও সেদিন লাখ লাখ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে। শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে সেদিন সারাদেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। স্বাধীনতার অমর স্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় বাংলার আকাশ-বাতাস। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম- পিতৃ হত্যার বদলা নেব’, ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে- আমরা আছি তোমার সাথে’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধুহত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে শেরে বাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’তিনি আরও বলেন, ‘আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেল সকলকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদের ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলার দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই, বাঙালি জাতির আর্থসামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’ ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনার নিরবচ্ছিন্ন দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনো কিছুই তাকে তার পথ থেকে টলাতে পারেনি এক বিন্দু। শত প্রতিকূলতাতেও হতোদ্যম হননি কখনো। বাংলার মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বার বার স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন, আবির্ভূত হয়েছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা রূপে।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ ৪২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলার দুখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তালাবিহীন ঝুঁড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সততা, মেধা, দক্ষতা ও গুণাবলিতে সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। আপন কর্মমহিমায় হয়ে উঠেছেন নবপর্যায়ের বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের নির্মাতা, হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত স্মারক, উন্নয়নের কান্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার, বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্ন-সারথি। বিশ্ব রাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়েপড়া দেশ-জাতি-জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে বিশ্বনন্দিত নেতা। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী, মানবতার জননী, আত্মশক্তি-সমৃদ্ধ সত্য-সাধক। প্রগতি-উন্নয়ন শান্তি ও সমৃদ্ধির সুনির্মল-মোহনা। এককথায় বলতে গেলে সাগর সমান অর্জনে সমৃদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ৪২ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের এ পথচলা কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। ছিল কণ্ঠকাপূর্ণ ও বিপদসংকুল। গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রাম করার অপরাধে তাকে বারবার ঘাতকদের হামলার শিকার ও কারা নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। কিন্তু তিনি বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে ছিলেন পিতার মতই অবিচল, দৃঢ় ও সাহসী। জনগণের ভালোবাসায় অভিষিক্ত হয়ে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়ে তিনি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের কল্যাণে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো শেখ হাসিনা যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তখন দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করেছেন বহুমাত্রিক উদ্যোগ। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি অগাধ প্রেম এবং অক্ষয় ভালোবাসাই হলো তার রাজনৈতিক শক্তি। বুধবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। দেশব্যাপী মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বেলা ১১টায় মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডাস্থ আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল ১০টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে। এদিকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের জন্য সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরের নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মে ১৫, ২০২৩
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ - image

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

16 মে 2023, বিকাল 6:00

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ১৯৮১ সালের ১৭ মে দীর্ঘ ছয় বছরের বেশি সময় নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি দেশে ফিরতে সমর্থ হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। এ সময় বিদেশে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সংগঠনের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং বিমানে ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। সেদিনের বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন লাখো মানুষ। রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টিও সেদিন লাখ লাখ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদলা নেব’; ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’। শেরেবাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’ কর্মসূচি : শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কর্মসূচির মধ্য রয়েছে : আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল শুভেচ্ছা বিনিময় করবে। বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া মাহফিল ও বিশেষ প্রার্থনা সভা : মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বেলা ১১টায় মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ (৩/৭-এ সেনপাড়া, পবর্তা, মিরপুর-১০)-এ খ্রিস্টান সম্প্রদায়, সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং সকাল ১০টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ’৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের জন্য সারা দেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

মে ১৬, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo