logo
youtube logotwitter logofacebook logo

পরিচালক

ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল - image

ঢাকা থেকে মাত্র ৫ ঘন্টায় বরিশাল

06 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

মাত্র ৫ ঘন্টায় ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ডে সার্ভিস শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি কোম্পানী এমভি গ্রীন লাইনের দুটি জাহাজ। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান-এমপি আনুষ্ঠানিক ভাবে জাহাজ দুটির উদ্বোধন করবেন। দিবা সার্ভিসের জন্য গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজের আধুনিক জাহাজ দুটি বরিশালের যাত্রী সাধারনের দুর্ভোগ লাগবে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গ্রীন লাইন ওয়াটারওয়েজ বরিশালের ইনচার্জ মো. বাদশা মিয়া জানান, প্রতিটিতে ৬শ যাত্রী বহনে সক্ষম এ জাহাজ একদিনের মধ্যেই ঢাকা থেকে বরিশাল গিয়ে আবার ঢাকায় ফেরা সম্ভব। গত বৃহস্পতিবার বরিশালে পরীক্ষামূলক সার্ভিস দিয়েছে জাহাজ দুটি। তিনি আরও জানান, এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হবে। বিমানের আদলে গড়া এ জাহাজ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এতে দুই ক্যাটাগরির আসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইকোনোমি ক্লাসের ভাড়া ৭০০ টাকা এবং বিজনেস ক্লাসের ভাড়া ১০০০ টাকা। এ ভাড়ার মধ্যেই রয়েছে খাবারের আয়োজন। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা ও বিকাল তিনটায় জাহাজ চলাচলের সময় নির্ধারন করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ ঢাকার উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন বলেন, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে নৌ-পথের যাত্রীসেবা টিকিয়ে রাখতে দ্রুতগতিসম্পন্ন এ ধরণের জাহাজ চলাচলের কোন বিকল্প নেই। সূত্রমতে, প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি গ্রীন লাইন-২ ও এমভি গ্রীন লাইন-৩ জাহাজ দুটি ক্যাটাম্যারান টাইপের ব্রিটিশ এয়ারলাইনসের বিমানের মতো চেয়ার সিট। এর নিচের অংশ স্টিল আর উপরের অংশ ফাইবারের তৈরি। যে কারণে ডুববে না বরং উল্টে গেলেও ভাসমানই থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বরিশাল বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. মেস্তাফিজুর রহমান জানান, ৮ সেপ্টেম্বর জাহাজ দুটি উদ্বোধনের পর ৯ সেপ্টেম্বর বরিশাল থেকে প্রথম যাত্রা শুরু করবে। জাহাজ দুটি চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষ দিনের বেলায়ও যানজটমুক্ত পরিবেশে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এজন্য বরিশাল নৌ-বন্দরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য অধ্যাপক মহসিন-উল ইসলাম হাবুল বলেন, লঞ্চ মালিকদের কাছে জিম্মি বরিশালের যাত্রীরা। তাদের কারণে অন্যকোনো নৌযানও এসে টিকে থাকতে পারেনা। সে অনুযায়ী লঞ্চের রোটেশন প্রথা ভাঙতে এমন অত্যাধুনিক দ্রুতগতির জাহাজ চালু হওয়া দরকার। লঞ্চ রোটেশন প্রথা বাতিল কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিপলু বলেন, ডে সার্ভিসে ওয়াটারওয়েজ জাহাজ বরিশালের মানুষের জন্য সুখবর। তবে এ জাহাজ যাতে লঞ্চ মালিকদের চক্রান্তে বে-ক্রুজের মতো বন্ধ না হয়ে যায় সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৫
সেলিব্রেটি শো ‘স্টার মোমেন্টস’ - image

সেলিব্রেটি শো ‘স্টার মোমেন্টস’

26 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

অতিথি- মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, নির্মাতা ও পরিচালক উপস্থাপনা- নাবিলা, পরিচালনা- রুমানা আফরোজ প্রচার- ২৭ অক্টোবর, রাত ৮.৪০ মিনিট। এটিএন বাংলায় আজ (২৭ অক্টোবর) রাত ৮.৪০ মিনিটে প্রচার হবে জনপ্রিয় তারকার অংশগ্রহণে আড্ডার অনুষ্ঠান ‘স্টার মোমেন্টস’। নাবিলার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন রুমানা আফরোজ। ‘স্টার মোমেন্টস’ অনুষ্ঠানের এবারের পর্বে অংশ নিয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা ও পরিচালক মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো অনুষ্ঠানটিতে রয়েছে ছোট ছোট বেশ কিছু সেগমেন্ট। সঞ্চালকের সঙ্গে অতিথির আলাপচারিতায় উঠে আসবে অনেক অজানা কথা। দর্শকরা জানতে পারবেন অতিথির বর্তমান ব্যস্ততা, খাওয়া-দাওয়া, বিভিন্ন চলচ্চিত্র নির্মানের অভিজ্ঞতা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা, নতুন অবস্থায় কাজের চ্যালেঞ্জ ক্যামন ছিল, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, দেশীয় চলচ্চিত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা, ঝটপট প্রশ্নত্তোর, জীবনের চাওয়া, প্রাপ্তির সমীকরণ ইত্যাদি।

অক্টোবর ২৬, ২০১৫
স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘হেলথ শো’ - image

স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘হেলথ শো’

02 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্মিত তথ্যনির্ভর টেলিভিশন অনুষ্ঠান “গ্রীনলাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হেলথ শো” এর ৭৩তম পর্বটি সম্প্রচারিত হবে আজ (৩ নভেম্বর) বিকাল ৪.২৫ মিনিটে এটিএন বাংলায়। বিশেষ রোগের লক্ষন, চিকৎসা পদ্ধতি ও করনীয় সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি সচেতনতা মূলক ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার করা হয় অনুষ্ঠানটিতে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক সময়ের অগ্রগতি ও রোগীরা কিভাবে তা পেতে পারেন সে সম্পর্কে প্রতি পর্বেই থাকে প্রামাণ্য প্রতিবেদন। অনুষ্ঠানের আজকের পর্বের বিষয় ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা’। এবারের পর্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারক ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগন উপস্থিত থাকবেন। এবারের পর্বে উপস্থিত থেকে যারা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা, সমালোচনা করেেেছন, তারা হচ্ছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা: কামরুল হাসান খান, সাবেক সাংসদ ও সাবেক বিএমএ মহাসচিব ডা: মুস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা: জুলফিকার লেনিন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেছেন ডা: সাহেদ ইমরান।

নভেম্বর ০২, ২০১৫
ইতালীয় ৬ ছবিতে বাংলাদেশী নায়ক - image

ইতালীয় ৬ ছবিতে বাংলাদেশী নায়ক

05 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

ইতালীয় ৬ ছবিতে নায়ক হিসাবে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সিলেটের ছেলে কবিতা শাহ । ইতালিতে পড়াশুনা করার জন্য পাড়ি জমিয়ে প্রথমে মডেল হিসাবে এর পরে সিনেমাতে কাজ করা শুরু করেন।তার পাশাপাশি ব্যবসাও করেন এই অভিনেতা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র নিয়ে দেশের বাহিরে থেকেও সপ্ন দেখেন কিভাবে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গন উন্নয়ন করা যায়, হলিউড, বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সারা বিশ্বের মানুষ দেখবে এমনটাই পরিকল্পনা করছেন। ১৯৮৩ সালের ৫ জানুয়ারী সিলেটের সুনামগজ্ঞে তার জন্ম। বর্তমানে তিনি ইতালিতে প্রযোজনা , পরিচালনা কাজের সঙ্গে মূল নায়কের চরিত্রেও কাজ করছেন। ভবিষৎ পরিকল্পনা একটাই ফিল্ম নিয়ে কাজ করা। সপ্ন একটাই কিভাবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র উন্নয়ন করা যায়। ইতালীয় ৬ ছবিতে নায়ক হিসাবে অভিনয় করেছেন সেগুলোর নামঃ Dio, Tiamo, Paese italia, Facile eroe, Poberu, এবং Erolina. ১৯৯০ সাল থেকে দেশের বাহিরে থাকলেও বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের প্রতি রয়েছে তার গভীর ভালোবাসা, অবসর সময় পার করেন বাংলা সিনেমা দেখে। ইতালি প্রবাসী এ নায়ক ইতালি বাসায় ইতিমধ্যে কয়েকটা চলচ্চিত্রে প্রধান নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ডদের জীবন কাহিনী নিয়ে একটা সিনেমায় প্রধান নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে ইতালিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। তার ছবি ডিও এর সম্পর্কে বলেন, ‘ এটির এখনো কাজ চলছে তবে কাজ শেষ করে আরো এক মাস পরে মুক্তি পাবে । দেশের এক সময়ের আলোচিত সুপারহিট নায়িকা মুনমুনকে নিয়ে তিনি বলেন, মুনমুন আসার আগেই আমার সাথে তার সুসম্পর্ক ছিলো, সে আমার বন্ধু ছিলো, হাতে গোনা কিছু পরিচালক বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা সৃষ্টি করে ভালোমানের একজন চিত্র নায়িকা মুনমুনকে চলচ্চিত্র থেকে ছিটকে ফেলে দিয়েছে। তার প্রিয় নায়ক সালমান শাহ ভাই,ইমরান হাশমি ভারতী । তাছাড়া বাংলাদেশের সকল নায়ক নায়িকার সিনেমা ভালো লাগে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সুপার স্টার নায়ক সালমান শাহকে নিয়ে কবিতা শাহ বলেন, দেশের চলচ্চিত্রে অন্যতম নায়ক ছিলেন সালমান শাহ, তাকে পছন্দ করে না এমন মানুষ মনে হয় না বাংলাদেশে আছে। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে তাকে যেন সারা জীবন মানুষ মনে রাখতে পারে তার জন্য বিএফডিসি কর্তৃপক্ষের কাছে আহব্বান করব। সেই সঙ্গে সালমান শাহ নিজেই আত্মহত্যা করেছে নাকি কোনো কুচক্রি মহল হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তার সঠিক তদন্ত সরকার করবে বলে আশা রাখেন তিনি।    

নভেম্বর ০৫, ২০১৫
শিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সত্য সাহার গান নিয়ে বৈঠকী গানের অনুষ্ঠান ‘চিরকাল চিরদিন’ - image

শিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সত্য সাহার গান নিয়ে বৈঠকী গানের অনুষ্ঠান ‘চিরকাল চিরদিন’

19 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

প্রচার-২০ নভেম্বর, রাত ১১টা অনুষ্ঠানের শিল্পী- আগুন, রোমানা ইসলাম, সানজিতা তিতলী, রেজওয়ান এবং মৃদুলা সমাদ্দার। উপস্থাপনা- সুবীর নন্দী, পরিচালনা- মুকাদ্দেম বাবু। তোমারই পরশে জীবন আমার ওগো ধন্য হলো, আমার মন বলে তুমি আসবে, তুমি কি দেখেছ কভু, নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা, এরকম অসম্ভব জনপ্রিয় গানের সুরকার সত্য সাহা। ১৯৩৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহনকরা এ সঙ্গীত বিশারদ একাধারে ছিলেন শিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।  ১৯৫৫ সালে ‘সুতরাং’ ছবির মাধ্যমে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে তিনি যাত্রা শুরু করেন। মহান এই সঙ্গীতজ্ঞের জনপ্রিয় গান নিয়ে এটিএন বাংলায় আজ (২০ নভেম্বর) রাত ১১টায় এটিএন বাংলায় প্রচার হবে বৈঠকী গানের অনুষ্ঠান ‘চিরকাল চিরদিন’। সুবীর নন্দীর উপস্থাপনা এবং মুকাদ্দেম বাবুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানটিতে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন আগুন, রোমানা ইসলাম, সানজিতা তিতলী, রেজওয়ান এবং মৃদুলা সমাদ্দার। সুবীর নন্দী উপস্থাপনার পাশাপাশি নিজেও অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। অনুষ্ঠানের গানগুলো হলো, তোমরাই পরশে, এমন মজা হয়না, যার ছায়া পড়েছে, তুমিকি দেখেছ কভু, এ সংসারে কেউনয় আপনজনা, অথৈ জলে ডুবে যদি মানিক পাওয়া যায়, কে যেন আমায়, তুমি কখন এসে দাড়িয়ে আছ, আমি যে আঁধারে বন্দিনী, নীল আকাশের নিচে আমি, আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল, এই পৃথিবীর উপরে কত ফুল ফোটে আর ঝরে এবং আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী।

নভেম্বর ১৯, ২০১৫
সেন্সর ছাড়পত্র পেল অপূর্ব-রানার ‘পুড়ে যায় মন’ - image

সেন্সর ছাড়পত্র পেল অপূর্ব-রানার ‘পুড়ে যায় মন’

29 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএনবাংলা ডেস্কঃ যুগল নির্মাতা অপূর্ব-রানা পরিচালিত সিনেমা 'পুড়ে যায় মন' সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে রোববার ২৯ নভেম্বর ।এতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও চিত্রনায়িকা পরীমনি , মিজু আহমেদ, আলীরাজ, শরীফ চৌধুরী প্রমুখ। সংগীত পরিচালনা করছেন জাবেদ আলম কিসলু, হুমায়ন, রুমি সেন। সিনেমাটির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন-সংগীতশিল্পী পড়শী ও ইমরান। পরিচালক রানা বলেন, ‘আজই সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে। এখন ছবিটির মুক্তি দিতে কোনো বাঁধা নাই। খুব শিগগিরি সিনেমাটি মুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করব। আর তা-হলে এটিই হবে সাইমন-পরীর জুটির প্রথম মুক্তি পাওয়া ছবি।’ গত ২৫ অক্টোবর সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হয়। সনি ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার প্রযোজিত পুড়ে যায় মন সিনেমার গল্পে দেখা যাবে- একই এলাকায় জন্ম সাইমন ও পরীমনির। ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে হেসে-খেলে বড় হয়েছে তারা। একসময় দুজনের মধ্যে তৈরি হয় বন্ধুত্ব। তবে তারা বুঝতে পারে না, এটা কী শুধুই বন্ধুত্ব নাকি প্রেম! দীর্ঘদিন কাছাকাছি থেকেও সময়ের টানে আলাদা হয়ে যায় পরী-সাইমন। তবে তারা কেউই এই আলাদা হওয়াটা মেনে নিতে পারে না। সাইমন পরীমনিকে ছাড়া পাগল প্রায়।

নভেম্বর ২৯, ২০১৫
বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’ - image

বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’

08 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিজয় মাস ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আমজাদ কবীর চৌধুরী। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এটিএন বাংলায় সম্প্রপ্রচার করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ই ডিসেম্বর সারা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সাধারন নির্বাচন। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ফলাফলে বিস্মিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানী শাসক চক্র। বাঙ্গালীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে বাঙ্গালী, এটা মানতে পারছিলনা পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী। তারা শুরু করে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি, ক্ষমতা বদলে চলে টালবাহানা। বাধ্য হয়ে বাঙ্গালীরা রুখে দাঁড়ায় নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রনে। শুরু হয় মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কার প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে অনুষ্ঠানে। মুুক্তিযুদ্ধে যারা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাঁদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রাণবন্তভাবে উঠে এসেছে একাত্তরের উত্তাল দিনের ঘটনাসমুহ। তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম, ড. কামাল হোসেন, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক উপ মহাপরিচালক আশফাকুর রহমান, সংবাদ কর্মী, রাজনৈতিক নেতা, সেক্টর কমান্ডার, সাস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, নাট্য ব্যক্তিত্বসহ মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ একাত্তরের দিনগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন। যুদ্ধদিনের প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে উঠে আসবে অনুষ্ঠানে। উত্তাল একাত্তরের দিনপঞ্জি নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

ডিসেম্বর ০৮, ২০১৫
আজ থেকে ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া সিরিজ ৩’ - image

আজ থেকে ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া সিরিজ ৩’

21 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (২২ ডিসেম্বর) থেকে সম্প্রচার শুরু হচ্ছে ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া’ এর তৃতীয় সিরিজ। প্রতি মঙ্গলবার রাত ৮.৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে নাটকটি। বাশার জর্জিস ও সামির আহমেদের নির্দেশনায় নাটকটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এমা বজার। বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন এর প্রযোজনায় নাটকটি তৈরি হচ্ছে ডিএফআইডি ও সিআইএফএফ এর অর্থায়নে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, লুৎফর রাহমান জর্জ, মৌসুমী হামিদ, নাজমুল হুদা বাচ্চু, ডলি যহুর, শতাব্দী ওয়াদুদ, জ্যোতিকা জ্যোতি, রওনক হাসান, মাজনুন মিজান, অশোক বেপারী, তউসিফ, নাদিয়া, শামিমা ইসলাম তুষ্টি, রিকিতা নন্দিনি শিমু সহ আরও অনেকে। বছর দুয়েক আগে নিখোঁজ হয়েছিল আমজাদ। গ্রামের সবাই ধরে নিয়েছিলো সে মৃত। আর তাই দু’বছর পরে হঠাৎ করে আমজাদের আবারও গ্রামে ফিরে আসা নিয়ে সবার মাঝেই দেখা দেয় নানা অনিশ্চয়তা। আমজাদকে মৃত ভেবে তার স্ত্রী দীপা যখন আরেকজনকে বিয়ে করতে যাচ্ছিল ঠিক সে সময়ই তার সামনে যেয়ে হাজির হয় আমজাদ। দীপা আবারও নতুন করে ঘর বাঁধে আমজাদের সাথে। চেষ্টা করতে থাকে পাল্টে যাওয়া আমজাদকে চিনে নিতে, বিশ্বাস করতে। গ্রামের মানুষরাও মুখোমুখি হয় মত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা আমজাদকে রক্তমাংসে গড়া একজন মানুষ হিসেবে মেনে নেওয়ার বাস্তবতার। উজান গাঙের নাইয়া’র তৃতীয় সিরিজের চরিত্রগুলোর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা আবর্তিত হয় সাগরের তীর ঘেঁষা কাল্পনিক জেলে গ্রাম ঈশানপুরে। আর এ গ্রামের কিছু জেলে ও তাদের পারিপার্শ্বিক মানুষের কঠোর জীবন সংগ্রাম, বাস্তবতা এবং সেই সাথে এই সমাজের জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে, বিশ্বাসঘাতকতা, হারানোর বেদনা ও নিজেকে গড়ে তোলার গল্প নিয়েই এগিয়েছে উজান গাঙের নাইয়া’র তৃতীয় সিরিজ। কৌতুক ও উদ্দীপনাপূর্ণ কাহিনী নিয়ে এটি প্রকৃতপক্ষে একটি গ্রাম্য জীবনের গল্প, যা বিনোদনের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক তথ্য। সিরিজ তিন এর উনিশটি পর্বের মাধ্যমে দর্শকরা দেখতে পাবেন গ্রামের একটি বিশৃঙ্খল পরিবার এবং সেই পরিবারের প্রেক্ষাপটে গর্ভধারণ ও সন্তান লালন পালনের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং এসব সমস্যা মোকাবেলায় তারা কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় ইত্যাদি নানা বিষয়। নাটকটিতে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও সব প্রজন্মের মাঝে, পুরনো রীতি, কুসংস্কার ও ভুলধারণা নিয়ে বেশ প্রাণবন্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আগের প্রজন্মের জ্ঞান ও তাদের সহায়তা গ্রহণ করার পাশাপাশি সঠিক সময়ে অগ্রগামী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে একটি জনসমাজ ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারে তা নাটকটিতে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। একটি আনন্দমূলক পারিবারিক নাটক, উজান গাঙের নাইয়া’র উদ্দেশ্য দর্শকদের নতুন সামাজিক প্রথা আর সঠিক ও যথার্থ আচরণ গ্রহণ করতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়া এবং মহিলাদের জন্য নিরাপদ গর্ভকালীন সময় ও প্রসব নিশ্চিত করা। এছাড়া গর্ভবতী নারী ও নবজাতক শিশুদের যতœ নিতে সাহায্য করাও এই নাটকের অন্যতম আরেকটি উদ্দেশ্য। নাটকের মধ্য দিয়ে উঠে আসা নাটকীয় নানা পরিস্থিতি একদিকে যেমন গল্পটিকে দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলবে ঠিক তেমনি তুলে ধরবে সঠিক গর্ভকালীন পরিচর্যা আর মা ও শিশু পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্যের গুরুত্ব। এছাড়া নাটকের চরিত্রগুলোর বিভিন্ন পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে উঠে আসবে গর্ভকালীন চেকআপ, প্রসব পূর্ব প্রস্তুতি, নিরাপদ প্রসব এবং নবজাতক শিশুর অবশ্যক পরিচর্যার মতো প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোও।

ডিসেম্বর ২১, ২০১৫
ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া সিরিজ ৩’ - image

ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া সিরিজ ৩’

28 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (২৯ ডিসেম্বর) রাত ৮.৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া’ এর তৃতীয় সিরিজ। বাশার জর্জিস ও সামির আহমেদের নির্দেশনায় নাটকটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এমা বজার। বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন এর প্রযোজনায় নাটকটি তৈরি হচ্ছে ডিএফআইডি ও সিআইএফএফ এর অর্থায়নে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, লুৎফর রাহমান জর্জ, মৌসুমী হামিদ, নাজমুল হুদা বাচ্চু, ডলি যহুর, শতাব্দী ওয়াদুদ, জ্যোতিকা জ্যোতি, রওনক হাসান, মাজনুন মিজান, অশোক বেপারী, তউসিফ, নাদিয়া, শামিমা ইসলাম তুষ্টি, রিকিতা নন্দিনি শিমু সহ আরও অনেকে। বছর দুয়েক আগে নিখোঁজ হয়েছিল আমজাদ। গ্রামের সবাই ধরে নিয়েছিলো সে মৃত। আর তাই দু’বছর পরে হঠাৎ করে আমজাদের আবারও গ্রামে ফিরে আসা নিয়ে সবার মাঝেই দেখা দেয় নানা অনিশ্চয়তা। আমজাদকে মৃত ভেবে তার স্ত্রী দীপা যখন আরেকজনকে বিয়ে করতে যাচ্ছিল ঠিক সে সময়ই তার সামনে যেয়ে হাজির হয় আমজাদ। দীপা আবারও নতুন করে ঘর বাঁধে আমজাদের সাথে। চেষ্টা করতে থাকে পাল্টে যাওয়া আমজাদকে চিনে নিতে, বিশ্বাস করতে। গ্রামের মানুষরাও মুখোমুখি হয় মত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা আমজাদকে রক্তমাংসে গড়া একজন মানুষ হিসেবে মেনে নেওয়ার বাস্তবতার। উজান গাঙের নাইয়া’র তৃতীয় সিরিজের চরিত্রগুলোর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা আবর্তিত হয় সাগরের তীর ঘেঁষা কাল্পনিক জেলে গ্রাম ঈশানপুরে। আর এ গ্রামের কিছু জেলে ও তাদের পারিপার্শ্বিক মানুষের কঠোর জীবন সংগ্রাম, বাস্তবতা এবং সেই সাথে এই সমাজের জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে, বিশ্বাসঘাতকতা, হারানোর বেদনা ও নিজেকে গড়ে তোলার গল্প নিয়েই এগিয়েছে উজান গাঙের নাইয়া’র তৃতীয় সিরিজ। কৌতুক ও উদ্দীপনাপূর্ণ কাহিনী নিয়ে এটি প্রকৃতপক্ষে একটি গ্রাম্য জীবনের গল্প, যা বিনোদনের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক তথ্য। সিরিজ তিন এর উনিশটি পর্বের মাধ্যমে দর্শকরা দেখতে পাবেন গ্রামের একটি বিশৃঙ্খল পরিবার এবং সেই পরিবারের প্রেক্ষাপটে গর্ভধারণ ও সন্তান লালন পালনের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং এসব সমস্যা মোকাবেলায় তারা কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় ইত্যাদি নানা বিষয়। নাটকটিতে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও সব প্রজন্মের মাঝে, পুরনো রীতি, কুসংস্কার ও ভুলধারণা নিয়ে বেশ প্রাণবন্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আগের প্রজন্মের জ্ঞান ও তাদের সহায়তা গ্রহণ করার পাশাপাশি সঠিক সময়ে অগ্রগামী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে একটি জনসমাজ ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারে তা নাটকটিতে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। একটি আনন্দমূলক পারিবারিক নাটক, উজান গাঙের নাইয়া’র উদ্দেশ্য দর্শকদের নতুন সামাজিক প্রথা আর সঠিক ও যথার্থ আচরণ গ্রহণ করতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়া এবং মহিলাদের জন্য নিরাপদ গর্ভকালীন সময় ও প্রসব নিশ্চিত করা। এছাড়া গর্ভবতী নারী ও নবজাতক শিশুদের যতœ নিতে সাহায্য করাও এই নাটকের অন্যতম আরেকটি উদ্দেশ্য। নাটকের মধ্য দিয়ে উঠে আসা নাটকীয় নানা পরিস্থিতি একদিকে যেমন গল্পটিকে দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলবে ঠিক তেমনি তুলে ধরবে সঠিক গর্ভকালীন পরিচর্যা আর মা ও শিশু পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্যের গুরুত্ব। এছাড়া নাটকের চরিত্রগুলোর বিভিন্ন পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে উঠে আসবে গর্ভকালীন চেকআপ, প্রসব পূর্ব প্রস্তুতি, নিরাপদ প্রসব এবং নবজাতক শিশুর অবশ্যক পরিচর্যার মতো প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোও।

ডিসেম্বর ২৮, ২০১৫
বিবিসি মিডিয়া এ্যাকশন নির্মিত ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া’ (সিরিজ ৩) - image

বিবিসি মিডিয়া এ্যাকশন নির্মিত ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া’ (সিরিজ ৩)

18 জানুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

নির্দেশনা- বাশার জর্জিস ও সামির আহমেদ নির্বাহী পরিচালক- এমা বজার প্রচার- প্রতি মঙ্গলবার, রাত ৮টা ৪০মিনিট এটিএন বাংলায় আজ (১৯ জানুয়ারি) রাত ৮.৪০ মিনিটে প্রচারিত হবে ডকুড্রামা ‘উজান গাঙের নাইয়া’ (সিরিজ-৩)। বাশার জর্জিস ও সামির আহমেদের নির্দেশনায় নাটকটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এমা বজার। বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন এর প্রযোজনায় নাটকটি তৈরি হচ্ছে ডিএফআইডি ও সিআইএফএফ এর অর্থায়নে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, তারিন লুৎফুর রাহমান জর্জ, মৌসুমি হামিদ, নাজমুল হুদা বাচ্চু, ডলি যহুর, শতাব্দি ওয়াদুদ, জ্যোতিকা জ্যোতি, রওনক হাসান, মাজনুন মিজান, অশোক বেপারী, তউসিফ, নাদিয়া, শামিমা ইসলাম তুষ্টি, রিকিতা নন্দিনি শিমু, ইকবাল হোসেইন, মিম, অপু, উত্তম, কবির, রানা, রবিউল হাসান, সৈকত প্রামানিক, আলমগির, আফজাল, জয়নাল সহ আরও অনেকে। উজান গাঙের নাইয়া সিরিজ তিন এর মাধ্যমে দর্শকরা দেখতে পাবেন গ্রামের একটি বিশৃঙ্খল পরিবার এবং সেই পরিবারের প্রেক্ষাপটে গর্ভধারণ ও সন্তান লালন পালনের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং এসব সমস্যা মোকাবেলায় তারা কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় ইত্যাদি নানা বিষয়। নাটকটিতে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও সব প্রজন্মের মাঝে, পুরনো রীতি, কুসংস্কার ও ভুলধারণা নিয়ে বেশ প্রাণবন্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আগের প্রজন্মের জ্ঞান ও তাদের সহায়তা গ্রহণ করার পাশাপাশি সঠিক সময়ে অগ্রগামী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে একটি জনসমাজ ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারে তা নাটকটিতে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। একটি আনন্দমূলক পারিবারিক নাটক, উজান গাঙের নাইয়া’র উদ্দেশ্য দর্শকদের নতুন সামাজিক প্রথা আর সঠিক ও যথার্থ আচরণ গ্রহণ করতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়া এবং মহিলাদের জন্য নিরাপদ গর্ভকালীন সময় ও প্রসব নিশ্চিত করা। এছাড়া গর্ভবতী নারী ও নবজাতক শিশুদের যতœ নিতে সাহায্য করাও এই নাটকের অন্যতম আরেকটি উদ্দেশ্য। নাটকের মধ্য দিয়ে উঠে আসা নাটকীয় নানা পরিস্থিতি একদিকে যেমন গল্পটিকে দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলবে ঠিক তেমনি তুলে ধরবে সঠিক গর্ভকালীন পরিচর্যা আর মা ও শিশু পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্যের গুরুত্ব। এছাড়া নাটকের চরিত্রগুলোর বিভিন্ন পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে উঠে আসবে গর্ভকালীন চেকআপ, প্রসব পূর্ব প্রস্তুতি, নিরাপদ প্রসব এবং নবজাতক শিশুর অবশ্যক পরিচর্যার মতো প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোও।

জানুয়ারি ১৮, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo