logo
youtube logotwitter logofacebook logo

নির্বাচন

নতুন প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে নেপাল - image

নতুন প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে নেপাল

04 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পক্রিয়া শুরু করেছে নেপাল। শুক্রবার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের অনুরোধ জানানোর পর, এই পক্রিয়া শুরু হয়। দেশটিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর গৃহীত সংবিধান অনুযায়ী, একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে, সরকার গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর আগে পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে সুশীল কৈরালা বলেন, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার পথ দিতেই, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। নেপালে নতুন সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর, শুক্রবার প্রথম পার্লামেন্টের অধিবেশন বসে। নতুন সংবিধান অনুযায়ী, পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী, ২০ দিনের মধ্যে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার এবং এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০১৫
বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইউ পার্লামেন্টে আলোচনা - image

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইউ পার্লামেন্টে আলোচনা

25 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যম ও ইন্টারনেট স্বাধীনতা নিশ্চিতেরও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে ইউরোপিয় পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন এজেন্ডা নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা আলোচনা করেন। পার্লামেন্ট সদস্যদের আলোচনায় ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন, ব্লগার, প্রকাশক, বিদেশি নাগরিক হত্যা এবং সংখ্যালঘু শিয়া মুসলমান, হিন্দু-খ্রিস্টানদের ওপর হামলা নিয়ে আলোচনায় প্রাধান্য পায়। এমনকি শিশু রাজন ও রাকিব হত্যাকাণ্ডের বিষয়টিও উঠে আসে। এসময় বিদেশি নাগরিকসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের জন্য গভীর সমবেদনা জানানো হয়। পার্লামেন্ট সদস্যরা জননিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্লগারদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্যও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

নভেম্বর ২৫, ২০১৫
সোমবার সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন - image

সোমবার সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন

29 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণায় সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। আর এর বিপক্ষে অবস্থান বিএনপির। একই সঙ্গে তফসিল ১৫ দিন পেছানোর দাবি দলটির। তবে, এসব দাবির বিষয়ে সোমবার কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের পক্ষে কোন সংসদ সদস্যের প্রচারে নামার সুযোগ নেই। প্রথমবারের মত দলীয়ভাবে হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এমন বিধান বাতিলের দাবি নিয়ে রোববার নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল। একই দাবি নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ঢাকা এবং চট্টগ্রামের তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কমিশনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, দাবি তাদের। তাই পৌরসভা নির্বাচনে কমিশনের তেমন কোন ভুমিকা থাকবে না বলে আশা দলটির। তবে সংসদ সদস্যদের প্রচারের সুযোগ দেয়ার বিষয়ে একমত নয় বিএনপি। পাচঁ সদস্যদের প্রতিনিধি নিয়ে কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিজেদের এমন অবস্থানের কথা জানান বিএনপি নেতা ওসমান ফারুক। একই সঙ্গে নির্বাচনের তফসিল পেছানো এবং পুলিশি হয়রানী বন্ধের দাবি জানান তাঁরা। অবশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর এসব দাবির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত জানাননি প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

নভেম্বর ২৯, ২০১৫
নতুন করে তফসিল ঘোষণার দাবি বিএনপি’র - image

নতুন করে তফসিল ঘোষণার দাবি বিএনপি’র

03 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়ন জমায় যেসব জায়গায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে এবং বিএনপির প্রার্থীদের মনোনায়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে সেসব এলাকায় নতুন করে তফসিল ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন, বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যারা সরকারের ইশারায় দায়িত্ব পালন করছেন তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করতে হবে না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ‘আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কি ব্যবস্থা নেয় দেখতে চাই’। কোনো কোনো জায়গায় মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় বাধা ও মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে অভিযোগ করে রিপন বলেন, ফেনী সদর, দাগনভূঁইয়া, পরশুরাম পৌরসভার ৩৩টি কাউন্সিলর পদে অন্য কাউকে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি সরকারদলীয়রা। রিপন আরও বলেন, ‘আমরা আগেই সারাদেশে গণগ্রেপ্তার বন্ধের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি’। জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলা থেকে বৃহস্পতিবার যৌথবাহিনী ৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এতে এলাকায় নির্বাচনের পরিরর্তে গ্রেপ্তারের আতঙ্ক বিরাজ করছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন জসিম, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।

ডিসেম্বর ০৩, ২০১৫
বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’ - image

বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’

08 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিজয় মাস ডিসেম্বরে এটিএন বাংলায় প্রতিদিন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র ‘অগ্নিঝরা ৭১’। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আমজাদ কবীর চৌধুরী। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এটিএন বাংলায় সম্প্রপ্রচার করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ই ডিসেম্বর সারা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সাধারন নির্বাচন। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ফলাফলে বিস্মিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানী শাসক চক্র। বাঙ্গালীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে বাঙ্গালী, এটা মানতে পারছিলনা পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী। তারা শুরু করে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি, ক্ষমতা বদলে চলে টালবাহানা। বাধ্য হয়ে বাঙ্গালীরা রুখে দাঁড়ায় নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রনে। শুরু হয় মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কার প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে অনুষ্ঠানে। মুুক্তিযুদ্ধে যারা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাঁদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রাণবন্তভাবে উঠে এসেছে একাত্তরের উত্তাল দিনের ঘটনাসমুহ। তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম, ড. কামাল হোসেন, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক উপ মহাপরিচালক আশফাকুর রহমান, সংবাদ কর্মী, রাজনৈতিক নেতা, সেক্টর কমান্ডার, সাস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, নাট্য ব্যক্তিত্বসহ মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ একাত্তরের দিনগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন। যুদ্ধদিনের প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে উঠে আসবে অনুষ্ঠানে। উত্তাল একাত্তরের দিনপঞ্জি নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উঠে আসবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

ডিসেম্বর ০৮, ২০১৫
সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ - image

সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

12 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন রোববার। সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রোববার সকালে প্রত্যাহারের শেষ দিনে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে প্রত্যাহারপত্র জমা দেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারী ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী। সোনারগাঁও পৌরসভায় স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী ও সাবেক মেয়র সাইদুর রহমান মোল্লা এবং রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভায় সংরক্ষিত আসনের ১ নারী কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ৫জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া শেরপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হুমায়ুন কবীর রুমান এবং শেখ বোরহান উদ্দিন আহমেদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। কিশোরগঞ্জ সদরে বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাড়িছেন। এছাড়া পিরোজপুর সদর, খাগড়াছড়ি সদর এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এদিকে, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের বিএনপির মেয়র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া।

ডিসেম্বর ১২, ২০১৫
সারা দেশে পৌর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ - image

সারা দেশে পৌর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: পৌরসভা নির্বাচনে প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচনী প্রচরণায় নেমেছেন প্রার্থীরা। এবারের পৌর নির্বাচনে সারা দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় মেয়র পদে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৯২১। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৩, বিএনপির ২১৯, জাতীয় পার্টির ৭৩, স্বতন্ত্র ২৭১ প্রার্থী এবং অন্যান্য দলের ১২৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৭ জন। সোমবার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা র্প্রাথীদের প্রতীক বরাদ্দ করেন। স্থানীয় সরকারে এই প্রথম দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন হচ্ছে বলে মেয়র পদপ্রার্থীরা নিজ নিজ দলের মার্কা নিয়েই নির্বাচন করছেন। তবে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের জন্য আলাদা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় মিছিল, জনসভা বা কোনো ধরণের শোডাউন না করে আচরণ বিধি মেনে চলতে প্রার্থীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সুনামগঞ্জের ৪ পৌরসভায় প্রতীক বরাদ্দ শেষ করেছেন রিটার্নিং অফিসাররা। জেলার চার পৌরসভার ১২ মেয়র প্রার্থীসহ ১৫০ জন কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৩ জন কাউন্সিলররা নিজ নিজ প্রতীক বুঝে নিয়েছেন। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুনামগঞ্জ পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, দিরাই পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, ছাতক পৌরসভায় রিটার্নিং অফিসার জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, জগন্নাথপুর পৌরসভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জগন্নাথপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকতা মো. হুমায়ুন কবীর স্ব স্ব পৌরসভা এলাকার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের চিঠি তুলে দেন। মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সুনামগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আয়ুব বখত জগলুলকে নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসন রাজার প্রপৌত্র দেওয়ান গনিউল সালাদীনকে মোবাইল এবং বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদকে ধানের শীষ প্রতীকের চিঠি তুলে দেন। ছাতক পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আবুল কালামকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী শামছুর রহমান সামছুকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। দিরাই পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোশারফ মিয়াকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী মঈনুদ্দিন চৌধুরী মাসুককে ধানের শীষ, জাপার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক সর্দারকে লাঙ্গল, জাসদে প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেনকে মশাল প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। জগন্নাথপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল মনাফকে নৌকা, বিএনপি প্রার্থী মো. রাজু আহমদকে ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল করিমকে জগ প্রতীক তুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এদিকে টাঙ্গাইলের ৮টি পৌরসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার সকালে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসেন প্রতীকের জন্য। রিটার্নিং অফিসার দলীয় মেয়র প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন। এছাড়া স্বতন্ত্র মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীদের লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক বুঝে পেয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচার প্রচারনায় নেমেছেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৮টি পৌরসভায় মেয়র পদে ২৫ জন, কাউন্সিলর পদে ২৬৫ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। সোমবার সাতক্ষীরায় পৌর নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এএফএম এহতেশামুল হক জানান, মেয়র পদে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এর মধ্যে পৗর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল পেয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন। বিএনপি দলীয় প্রার্থী তাছকিন আহমেদ চিশতি পেয়েছেন ধানের শীষ। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু পেয়েছেন নারিকেল গাছ প্রতীক। তিনি আরও জানান, কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৭ জন প্রার্থীদেরও বিভিন্ন প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এদিকে কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন জানান, সেখানে মেয়র পদে ৪ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৬ জন এবং সংরক্ষিত আসনে ৬ জন মহিলা কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিক নৌকা পেয়েছেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দলীয় প্রতিক ধানের শীষ পেয়েছেন বর্তমান মেয়র আক্তারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল পেয়েছেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মুনসুর আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিদ্রোহী প্রার্থী আরাফাত হোসেন পেয়েছেন মোবাইল প্রতীক। অপরদিকে নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌর এলাকায় জমে উঠেছে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। শুরু করেছে নির্বাচনী পথসভা ও মতবিনিময়। দেয়ালে দেয়ালে সাটানো হয়েছে পোস্টার। শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। রয়েছে ব্যানারও। আর নির্বাচনের ‘প্রতিশ্রুতি’ তো রয়েছেই। সাতক্ষীরা পৌর সভার ৭৯ হাজার ভোটার ও কলারোয়া পৌরসভার ১৮ হাজার ৫২৫ জন ভোটার মধ্যে এবার কে হবেন আগামী দিনের পৌর পিতা সেটাই এখন বিভিন্ন চায়ের স্টলে আলোচনার বিষয়। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ ও রামগতি পৌরসভার আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ও স্বতন্ত্র মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার সকালে স্ব-স্ব রিটার্নিং অফিসার সকল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। জেলা নির্বাচন অফিসরা মো. সহেল সামাদ জানান, তিন পৌরসভায় ১৩ মেয়র, সংরক্ষিত নারী ও কাউন্সিলর পদে ১৪৫জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ তিন পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ১০৩জন। এদের মধ্যে রায়পুর পৌরসভা ভোটার সংখ্যা ২২১১জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৩শত ৬৯ ও মহিলা ৯ হাজার ৮শত ৪২জন। রামগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ২৯ হাজার ৫শত ১৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ৮শত ৬৬ ও মহিলা ১৪ হাজার ৬শত ৫০। অপরদিকে রামগতি পৌরসভা ১৭ হাজার ৩শত ৭৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ৯শত ৯ ও মহিলা ৮ হাজার ৪শত ৭৬জন ভোটার রয়েছেন বলে জানান তিনি। সাভার পৌরসভা সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে উপজেলার অডিটরিয়ামে সিনিয়র জেলা নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার শাহ আলম প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রাথী আব্দুল গনীকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের মার্কার প্রতীক দেওয়া হয়। এদিকে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরে দলীয় প্রতীকে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। সাভার পৌর সভা নির্বাচনে ২ নং ও ৮ নং ওয়ার্ডে কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় ২ নং ওয়ার্ডে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক মোল্ল্যা ও ৮ নং ওয়ার্ডে সেলিমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশনার। কুষ্টিয়ায় পৌর নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবউল ফেরদৌস সদর পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। এসময় মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাকি ৪টি পৌরসভাতেও একই সময় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার কুমিল্লার ৬টি পৌরসভার ২৬জন মেয়র, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ৪৫জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে ২২৮জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। চট্টগ্রামের পটিয়া, সীতাকুন্ডসহ দশ পৌরসভায় মেয়র, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতীক পাওয়ার পর নিজ নিজ প্রচারণায় নেমে পড়েন। সিলেট জেলায় প্রথম দফায় ৩টি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এরিমধ্যে প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমেছেন। বরিশালে ৬টি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণয় নেমে পরেন। ময়মনসিংহে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা সমর্থকদের নিয়ে পৌর শহরে মিছিল এবং প্রচারণা কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করে এর সঙ্গে পাড়া মহল্লায় বেরিয়েয়ে পরে এ প্রচারণা। নারায়ণগঞ্জের তারাব ও সোনারগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে প্রতীক নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেছে প্রার্থীরা। অন্যদিকে ঢাকার ধামরাইয়ে প্রার্থীদেরও সকাল থেকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ - image

প্রামাণ্যচিত্র ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’

15 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এটিএন বাংলায় আজ (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে প্রচার হবে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ড. মাহফুজুর রহমান এর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় এই প্রামাণ্য দলিলে তুলে ধরা হয়েছে বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালীর বিজয়ের সঠিক ইতিহাস। তুলে ধরা হয়েছে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭ই মার্চের ভাষন, ৭১ এ পাক হানাদার বাহিনীর নৃসংসতা, বর্বরতা, গণহত্যা, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন, জর্জ হ্যারিসনের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ার প্রচেষ্টা, পাক বাহিনীর আত্মসমর্পন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনসহ মুক্তিযুদ্ধের দু®প্রাপ্য ও খুটি নাটি সব তথ্য, দূর্লভ ছবি এবং ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ইপিআর বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা। এছাড়া রয়েছে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পনের দলিল। প্রামাণ্য দলিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ড. মাহফুজুর রহমান এটিকে ভিসিডি, ডিভিডিসহ বাংলা ও ইংরেজিতে বই আকারে প্রকাশ করেছেন। সর্বস্তরের মানুষ যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারেন সেজন্য প্রামাণ্যচিত্রটি ইতোপূর্বে একাধিকবার টেলিভিশনে প্রচার করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৫
ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ - image

ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ‘ট্যালেন্ট হান্ট’

24 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলায় আজ (২৫ ডিসেম্বর) রাত ৮ টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রিয়েলিটি শো ‘ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ‘ট্যালেন্ট হান্ট’। ফিল্ম প্রোডাকশন হাউজ মনসুন ফিল্মস আপকামিং চলচ্চিত্র “দ্যা স্পাই- অগ্রযাত্রার মহানায়ক” এর জন্য নতুন মুখের সন্ধানে শিরোনামে সারা দেশব্যাপী ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম শুরু করে। যার রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয় গত ২ মে, ২০১৫ তারিখ থেকে। এক মাসব্যাপী রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম কার্যক্রম চলে ৩ আগষ্ট, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশনে প্রগিযোগীদের অভাবনীয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় তিন লক্ষ প্রতিযোগী ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করেন, যা দেশের রিয়েলিটি শো এর ক্ষেত্রে মাইলফলক। গত নভেম্বর মাস জুড়ে চলে ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ট্যালেন্ট হান্টের অডিশন পর্ব। সারা দেশে মোট ৮টি জোনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার অডিশন কার্যক্রম। ধারাবাহিকভাবে অডিশন কার্যক্রম চলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও রংপুর জোনে। এদের মধ্যে থেকে অডিশনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে ৩৯৬ জন প্রতিযোগী। অডিশন রাউন্ড নিয়েই নির্মিত হয়েছে অনুষ্ঠানের প্রথম দু’টি পর্ব।  সারা দেশ থেকে অডিশনের মাধ্যমে নির্বাচিত অভিনয় শিল্পীরা পরবর্তীতে অংশগ্রহণ করবে ন্যাশনাল রাউন্ডে। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাশনাল রাউন্ড থেকেই নির্বাচন করা হবে টপ ১০০ প্রতিযোগী। নির্বাচিত টপ ১০০ কে নিয়ে শুরু হবে গ্রুমিং সেশন এবং এই টপ ১০০ জন থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধাপে ধাপে ফাইনাল রাউন্ডে নির্বাচিত করা মোট ২৫ জন অভিনয়শিল্পী। ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে ১৫ টি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ জন নতুন অভিনয় শিল্পী নির্বাচিত করা হবে, যারা চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল ও বর্ষার সাথে আপকামিং চলচ্চিত্র “দ্যা স্পাই- অগ্রযাত্রার মহানায়ক” এ অভিনয়ের সুবর্ণ সুযোগ পাবেন। মনসুন ফিল্মসের আপকামিং চলচ্চিত্র “দ্যা স্পাই- অগ্রযাত্রার মহানায়ক” এর মহরত অনুষ্ঠানে জাঁকজমক পূর্ণ আয়োজনে রিয়েলিটি শো ড্যানিশ মনসুন ফিল্মস ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০১৫
রাত পোহালেই ভোট - image

রাত পোহালেই ভোট

28 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুধবার দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পৌরসভা নির্বাচন। এই প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, আর এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই সাধারণ পর্যায়ে। দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার পরিষদের একটি নির্বাচন দেয়ার ফলে , পুরোপুরি জাতীয় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতার আমেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ ভোটযুদ্ধ। মেয়র পদে দলীয় প্রতীকের এ লড়াই দেশের ইতিহাসে প্রথম বলে, এর মাধ্যমে তৈরি হতে যাচ্ছে নতুন এক ধারা। এ লড়াইও যথারীতি মূলত সেই দুই দলের। সেই আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি, সেই নৌকা বনাম ধানের শীষ। প্রায় সাত বছর পর রাজনীতির মাঠের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ ও বিএনপি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে বুধবার। দলীয় প্রতীকে মাধ্যমে পৌর নির্বাচনে এই লড়াই হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইতিহাসেও এটাই প্রথম রাজনৈতিক লড়াই। তাই ভোটেরআগে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে টানাটানি কারেছে দুই বড় দলই। জাতীয় নির্বাচনের আমেজ নিয়ে পৌর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয় ৯ ডিসেম্বর। আর ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় প্রার্থীদের প্রতীকসহ প্রচার কার্যক্রম। পৌরসভায় দু সপ্তাহের টানা প্রচার শেষ হয়েছে সোমবার মধ্যরাতে। অন্যদিকে তফসিল ঘোষনার পর থেকেই বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন, হুমকি হামলার ঘটনায় সারাদেশের ১ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন যা মোট ভোট কেন্দ্রের অর্ধেক। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৭৪ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্য কাজ করবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন । সারা দেশের মোট ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে এবার নির্বাচন হচ্ছে ২৩৪টিতে। নিবন্ধিত ৪০টির মধ্যে অংশ নিচ্ছে ২০টি রাজনৈতিক দল। সারাদেশে মেয়র পদে মোট প্রার্থীরসংখ্যা ৯৪৫। সবক’টি পৌরসভাতেই প্রার্থী আছে শুধু আওয়ামী লীগের। বিএনপি’র আছে ২২৩টিতে, জাতীয় পার্টির ৭৪ , জাসদের ২১ এবং ওয়ার্কার্স পার্টির আটটিতে। এছাড়া অন্যান্য দলের প্রার্থী ১০০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৮৫ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নেতা, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়েছেন। নিবন্ধন বাতিল বলে জামায়াতের নেতারাও আছেন এ তালিকায়। এদিকে ভোটের আগেই, মেয়র পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন সাতজন, সবাই-ই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন। দেশের সাড়ে ৯ কোটি ভোটারের মধ্যে পৌরসভাগুলোতে আছেন প্রায় ৭১ লাখ ভোটার। এই তালিকায় নারী ও পুরুষ ভোটারের অনুপাত প্রায় সমান। মেয়রের পাশাপাশি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২৪৮০ জন নারী এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮৭৪৬ কাউন্সিলরকে নির্বাচিত করবেন তারা। বড় দুই দল আ. লীগ ও বিএনপি নিজেদের প্রার্থী দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, একে অপরের দোষারোপও করে যাচ্ছেন সমান তালে। তারপরও ভোটারদের চাওয়া সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন। দলীয় প্রতীকের চেয়ে তারা বড় করে দেখছেন প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা। নির্বাচনের আগের দিন মঙ্গলবার বড় দুই দল-ই নির্বাচন অফিসে নিজেদের পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিমাতাসুলভ আচরণের অভিযোগ এনেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার বিকেলে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে। প্রায় আধ ঘন্টার বৈঠক শেষে হানিফ জানান, বিএনপি সংসদের বাইরে বলে নির্বাচন কমিশনের আনুকুল্য পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন খানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করেন। এসময় তার ভোটের ফল পাল্টে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে ইসিকে শক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। পরে সাংবাদিকদের নির্বাচন সুষ্ঠু হলে যেকোন ফলাফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান। অপরদিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দাবী, বুধবার পৌর নির্বাচনে ভোট দিতে না যেতে জনগণকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের পক্ষে হুমকি দিচ্ছে প্রশাসনের লোকজন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীদের নানা হুমকি দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনে বারবার এসব তথ্য জানানো হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা বরং বিএনপির অভিযোগ হেসেই উড়িয়ে দিচ্ছে তারা। সরকারের স্বৈর আচরণ বাস্তবায়নে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলেও জানান তিনি। তিনি জনগণকে সরকারের সব বাধা অতিক্রম করে ভোটকেন্দ্রে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে উত্তর দেয়ার আহবান জানান।

ডিসেম্বর ২৮, ২০১৫
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo